যীশু সামারীয়/শমরিয় নারীর সাথে সংলাপের পরিবেশ তৈরি করেছিলেন অনেক ভালোভাবে। তিনি কুয়োর ধারে তার কাছে গিয়ে ভদ্রভাবে কথা বলতে শুরু করেছিলেন। তার কাছে তিনি জল চেয়েছেন। তখনো যেহেতু ইহুদি ও শমরিয় একে অপরের সঙ্গে কথা বলত না। তবু যীশু বিনয়ীভাবে কথা বললেন। যীশু তার উত্তর মনোযোগ দিয়ে শুনলেন এবং রাগ করলেন না বা বিচার করলেন না। তিনি ধীরে ধীরে তাকে জীবনের সত্য, যেমন 'জীবন্ত পানি' শেখাতে শুরু করলেন। তিনি তাকে প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে উৎসাহ দিলেন। নারীর ভাবনা ও অনুভূতিকে তিনি গুরুত্ব দিলেন। যীশু তাকে বোঝালেন যে, সত্যিকারের উপাসনা ঈশ্বরকে হৃদয় থেকে করা উচিত। তিনি ধৈর্য এবং ভালোবাসা নিয়ে তার সঙ্গে সংলাপ চালিয়েছিলেন।
Related Question
View Allঈশ্বর আমাদের প্রত্যেকের জীবনের উৎস।
প্রতিবেশীর প্রয়োজনে তাদেরকে সাহায্য করি।
প্রতিবেশীকে সেবা করার মাধ্যমে ঈশ্বরকে সেবা করছি।
যীশুকে গর্ভে ধারণ করেছিলেন কুমারী মারীয়া
কলকাতার মাদার তেরেজা আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত ছিলেন।
একমাত্র পুত্রকে বলি দিতে অস্বীকার করেননি।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!