উত্তরঃ কাহ্নপা চর্যাপদের শ্রেষ্ঠ ও সর্বাধিক পদের (১৩) রচয়িতা।
Maliha Mahbub
Maliha Mahbub
7 months ago
উত্তরঃ অপভ্রংশ

বাংলা ভাষার বিবর্তন একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া, যা ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা পরিবারের ভারতীয় আর্য শাখা থেকে শুরু হয়েছে। ভাষাতত্ত্ববিদদের মতে, বাংলা ভাষার পূর্ববর্তী স্তর বা উদ্ভব হয়েছে মূলত মধ্য ভারতীয় আর্যভাষার শেষ স্তর অপভ্রংশ থেকে। এর ধারাবাহিকতা নিম্নরূপ:

        
  • প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা: প্রায় ১৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে ৬০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত এর ব্যাপ্তি। এর দুটি স্তর ছিল—বৈদিক ভাষা ও সংস্কৃত ভাষা।
  •     
  • মধ্য ভারতীয় আর্যভাষা: এর সময়কাল প্রায় ৬০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে ৯০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত। এই স্তরে বিভিন্ন প্রাকৃত ভাষার (যেমন পালি, শৌরসেনী, মহারাষ্ট্রী, মাগধী ইত্যাদি) উদ্ভব হয়। বাংলা ভাষার উৎপত্তির ক্ষেত্রে মাগধী প্রাকৃত বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
  •     
  • অপভ্রংশ: এটি মধ্য ভারতীয় আর্যভাষার শেষ পর্যায়, যা প্রাকৃত ভাষার পরবর্তী এবং নব্য ভারতীয় আর্যভাষার ঠিক পূর্ববর্তী রূপ। মাগধী প্রাকৃত থেকে উদ্ভূত মাগধী অপভ্রংশ থেকেই বাংলা, অসমীয়া ও ওড়িয়ার মতো পূর্ব ভারতের নব্য আর্যভাষাগুলোর জন্ম হয়েছে।

সুতরাং, বাংলা ভাষার সরাসরি পূর্ববর্তী স্তর হলো মাগধী অপভ্রংশ। আনুমানিক দশম শতকে এই অপভ্রংশ থেকে বাংলা ভাষার প্রাচীন রূপের জন্ম হয় বলে ভাষাবিদগণ মনে করেন।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ বড় চন্ডীদাশের কাব্যের নাম - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন 
Maliha Mahbub
Maliha Mahbub
7 months ago
উত্তরঃ লাইলী-মজনু

দৌলত উজির বাহরাম খানের কাব্যের নাম লাইলী-মজনু। তিনি ছিলেন ষোড়শ শতকের একজন বাঙালি কবি। তাঁর কাব্যটি ছিল ফারসি কবি জামীর (Jami) ‘লাইলী ও মজনু’ কাব্যের অনুবাদ। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মুসলমান কবিদের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একজন কবি ছিলেন দৌলত উজির বাহরাম খান। তিনি চট্টগ্রামের শাসক পরাগল খানের সেনাপতি ছুটি খানের পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেছিলেন এবং তার উপাধি 'উজির' সম্ভবত পরাগল খান বা ছুটি খানের দেওয়া। মধ্যযুগের কাব্যে ফারসি ভাষার প্রভাব একটি উল্লেখযোগ্য দিক, এবং বাহরাম খানের ‘লাইলী-মজনু’ সেই প্রভাবেরই একটি চমৎকার উদাহরণ। এই কাব্য বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগীয় প্রেমমূলক আখ্যানগুলির মধ্যে একটি বিশেষ স্থান দখল করে আছে এবং এর মাধ্যমে বাঙালি মুসলমান সমাজে ফারসি প্রেমের কাহিনিগুলি জনপ্রিয়তা লাভ করে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ শাহ মুহাম্মদ সগীর

শাহ মুহাম্মদ সগীর ছিলেন মধ্যযুগের প্রথম মুসলিম বাঙালি কবি। ধারণা করা হয়, তিনি সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে (১৩৯৩-১৪১০ খ্রি.) তার কাব্য রচনা করেন। তার শ্রেষ্ঠ ও একমাত্র পূর্ণাঙ্গ কাব্যগ্রন্থ হলো ‘ইউসুফ-জোলেখা’। এটি ফারসি কবি ফেরদৌসীর ‘ইউসুফ-জোলেখা’ অবলম্বনে রচিত হলেও শাহ মুহাম্মদ সগীর এটিকে বাংলা ভাষাভাষী পাঠকের উপযোগী করে তোলেন। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান কাব্য হিসেবে বিবেচিত হয় এবং বাংলা সাহিত্যে মুসলমান কবির রচিত প্রথম মৌলিক কাব্যগ্রন্থও বটে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ পদ্মাবতী

আলাওল ছিলেন মধ্যযুগের একজন শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি। তাঁর শ্রেষ্ঠ কাব্য 'পদ্মাবতী', যা মালিক মুহাম্মদ জায়সীর হিন্দি কাব্য 'পদুমাবৎ'-এর বঙ্গানুবাদ। এই কাব্যটি আলাওলের মৌলিক প্রতিভার স্বাক্ষর বহন করে এবং এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অমূল্য সম্পদ হিসেবে বিবেচিত। 'পদ্মাবতী' কাব্য মূলত একটি রোমান্টিক আখ্যান, যেখানে রূপক ও প্রতীকী অর্থ নিহিত রয়েছে।

        
  • মূল উৎস: মালিক মুহাম্মদ জায়সীর ১৫৪০ খ্রিস্টাব্দে রচিত হিন্দি মহাকাব্য 'পদুমাবৎ'।
  •     
  • রচনাকাল: ১৬৪৮-১৬৫৯ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে রচিত বলে ধারণা করা হয়।
  •     
  • পৃষ্ঠপোষক: আরাকানের প্রধানমন্ত্রী মাগন ঠাকুর ও সৈয়দ মুসা।
  •     
  • বিষয়বস্তু: চিতোরের রানি পদ্মাবতী ও দিল্লীর সুলতান আলাউদ্দিন খিলজীর প্রেমের গল্পকে কেন্দ্র করে রচিত, যা মূলত পার্থিব প্রেমের মাধ্যমে আধ্যাত্মিক প্রেমকে প্রকাশ করে।
Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ গান

লালন শাহ (১৭৭৪-১৮৯০) ছিলেন একজন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী - একজন বাঙালি দার্শনিক, মরমী কবি, গীতিকার, সুরকার এবং সমাজ সংস্কারক। তিনি মূলত আধ্যাত্মিক গান রচনা করেছেন যা 'লালনগীতি' বা 'লালন ফকিরের গান' নামে পরিচিত। এই গানগুলো তাঁর জীবনদর্শন ও মানবতাবাদী চিন্তাধারার প্রকাশ।

        
  • দার্শনিক ভিত্তি: লালন শাহের গানগুলো মানবধর্মের জয়গান গেয়েছে এবং জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের ঐক্য ও ভালোবাসার বার্তা প্রচার করেছে।
  •     
  • সংখ্যা: ধারণা করা হয় তিনি প্রায় দুই হাজার গান রচনা করেছিলেন, যদিও বর্তমানে তাঁর প্রায় আট শতাধিক গানের সন্ধান পাওয়া যায়।
  •     
  • বিষয়বস্তু: তাঁর গানে আত্ম-অনুসন্ধান, সৃষ্টিকর্তার মহিমা, পার্থিব জীবনের ক্ষণস্থায়ীত্ব, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং সামাজিক কুসংস্কারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ধ্বনিত হয়েছে।
  •     
  • প্রভাব: লালন তাঁর গান ও দর্শনের মাধ্যমে তৎকালীন সমাজে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছিলেন এবং আজও তাঁর গান বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রাসঙ্গিক।
Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন এর মহাকাব্য। এটি অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত এবং ৯ টি সর্গে বিভক্ত।

উত্তরঃ

১৯১৬


১৯১৬ সালে (বাংলা ১৩২৩ বঙ্গাব্দে) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘বলাকা’ কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়। এটি রবীন্দ্রনাথের কাব্যধারায় এক নতুন বাঁক নির্দেশ করে, যেখানে গতি ও সুদূর যাত্রার ভাব প্রাধান্য পেয়েছে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পটভূমিতে এবং পাশ্চাত্যের চিন্তাভাবনার প্রভাবে এই কাব্যে বিশ্বচেতনা, গতিময়তা, শাশ্বত সৌন্দর্য ও জীবন-মৃত্যুর নতুন দার্শনিক ব্যাখ্যা স্থান পেয়েছে। এই কাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর ছন্দ ও ভাষার গতিময়তা, যা পাঠককে এক অন্যরকম অভিজ্ঞতার মুখোমুখি করে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ অগ্নি-বীণা

কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী 'বিদ্রোহী' কবিতাটি তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নি-বীণা'র অন্তর্ভুক্ত। এই কাব্যগ্রন্থটি ১৯২২ সালের অক্টোবর মাসে প্রকাশিত হয়। 'বিদ্রোহী' কবিতাটি প্রথম ১৯২২ সালের ৬ জানুয়ারি 'মাসিক বিজলী' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল এবং এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় কবিতা। 'অগ্নি-বীণা' কাব্যগ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে এবং নজরুলকে 'বিদ্রোহী কবি' হিসেবে পরিচিতি এনে দেয়। এর কবিতাগুলো পরাধীনতার শৃঙ্খল ভাঙার আহ্বান জানিয়েছিল এবং তৎকালীন তরুণ সমাজকে ভীষণভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ জীবনানন্দ দাশ

'ধূসর পাণ্ডুলিপি' (১৯৩৬) আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশের দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ। এই কাব্যগ্রন্থে কবির নিসর্গপ্রীতি, বিষণ্ণতা, একাকীত্ববোধ এবং গভীর জীবনদর্শন এক বিশেষ কাব্যিক ভঙ্গিমায় মূর্ত হয়েছে। এটি বাংলা কবিতায় আধুনিকতার উন্মোচনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং জীবনানন্দ দাশের স্বতন্ত্র কাব্যভাষা ও জীবনদৃষ্টির পরিচয় বহন করে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

'লালসালু'র লেখক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

khan
khan
1 year ago
উত্তরঃ হাজার বছর ধরে

জহির রায়হান (১৯৩৫-১৯৭২) ছিলেন একজন প্রথিতযশা বাংলাদেশী সাহিত্যিক, চলচ্চিত্র পরিচালক ও রাজনৈতিক কর্মী। তাঁর ‘হাজার বছর ধরে’ (১৯৬৪) উপন্যাসটি তাঁর সবচেয়ে জনপ্রিয় ও কালজয়ী সৃষ্টিগুলোর মধ্যে অন্যতম। এই উপন্যাসে গ্রামীণ বাংলার সমাজচিত্র, জীবনযাপন ও প্রেম-বিরহের এক মর্মস্পর্শী বর্ণনা তুলে ধরা হয়েছে। এটি তাঁর শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম হিসেবে বহুলভাবে স্বীকৃত এবং পরবর্তীকালে চলচ্চিত্র রূপেও সমাদৃত।

তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাসগুলোর মধ্যে রয়েছে:

  • আরেক ফাল্গুন (১৯৬৩)
  • বরফ গলা নদী (১৯৬৬)
  • শেষ বিকেলের মেয়ে (১৯৫৯)
  • আর কত দিন (১৯৬১)

জহির রায়হান বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন এবং তাঁর কর্মের মাধ্যমে জাতীয় জীবনে অসামান্য অবদান রাখেন।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
333

মহাকবি আলাওল ছিলেন বাঙালি পণ্ডিত কবি। বাংলা সাহিত্যে মধ্যযুগের ধর্মীয় বিষয়বস্তুর গতানুগতিক পরিসীমায় রোমান্টিক প্রণয়কাব্যধারা প্রবর্তনকারী হিসেবে মুসলমান কবিদের অবদান সর্বজনস্বীকৃত। তিনি রাজসভার কবি হিসেবে আবির্ভূত হলেও মধ্যযুগের সকল বাঙালি কবির মধ্যে 'শিরোমণি আলাওল' রূপে আরবি, ফারসি ও হিন্দি সাহিত্যের বিষয়বস্তু ও ভাববৈচিত্র্য অবলম্বনে কাব্য রচনায় এক নতুন যুগের সূচনা করেন।

  • আলাওল ১৬০৭ সালের দিকে চট্টগ্রামের হাটহাজারীর জোবরা গ্রাম / ফরিদপুরের ফতেয়াবাদ পরগনায় জন্মগ্রহণ করেন।
  • আলাওলের পিতা ফতেয়াবাদের শাসনকর্তা মজলিস কুতুবের অমাত্য ছিলেন। জলপথে ফতেয়াবাদ থেকে চট্টগ্রামে যাওয়ার পথে আলাওল ও তাঁর পিতা পর্তুগিজ জলদস্যুদের দ্বারা আক্রান্ত হন এবং ঘটনাস্থলে তাঁর পিতা মৃত্যুবরণ করেন। তিনি ভাগ্যক্রমে বেঁচে গিয়ে আরাকান রাজ্যে উপস্থিত হন।
  • আলাওল আরাকানে প্রথমে রাজদেহরক্ষী অশ্বারোহী পরে সেনাবাহিনীর চাকরিতে নিয়োজিত ছিলেন।
  • আরাকানের প্রধান অমাত্য মাগন ঠাকুর আলাওলকে কাব্য রচনায় উৎসাহিত করেন।
  • তিনি 'লোরচন্দ্রাণী ও সতীময়না' (১৬৫৯) কাব্যের ৩য় খণ্ড রচনা করেন। ১ম ও ২য় খণ্ড রচনা করেন দৌলত কাজী।
  • তিনি ১৬৮০ সালে মারা যান।

'পদ্মাবতী' কাব্য:

'পদ্মাবতী' (১৬৪৮) মহাকবি আলাওলের প্রথম রচনা, যা ইতিহাস আশ্রিত রোমান্টিক প্রেমকাব্য। মালিক মুহম্মদ জায়সীর হিন্দি ভাষায় রচিত 'পদুমাবৎ' অবলম্বনে মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ মুসলিম কবি আলাওল মাগন ঠাকুরের অনুপ্রেরণায় 'পদ্মাবতী' কাব্য রচনা করেন। পদ্মাবতী কাব্য দুটি পর্বে বিভক্ত। প্রথম পর্ব হচ্ছে সিংহলের রাজকন্যা পদ্মাবতীকে লাভ করার জন্য চিতোররাজ রত্নসেনের সফল অভিযান এবং দ্বিতীয় পর্বে আছে রানি পদ্মাবতীকে লাভ করার জন্য দিল্লির সুলতান আলাউদ্দিন খিলজীর ব্যর্থ সামরিক অভিযানের বিবরণ। এ কাব্যে হিরামন নামে একটি শুকপাখির ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। এ কাব্যে কবির নাগরিক শিক্ষা, রুচির বৈদগ্ধ্য রূপ, ভাবের গভীরতা, ভাষা ও অলংকার প্রয়োগে বুদ্ধিদীপ্ততার পরিচয় পাওয়া যায় বলে 'পদ্মাবতী'কে আলাওলের শ্রেষ্ঠ রচনা বলা হয়। এ কাব্যে তার ব্যক্তিগত জীবনের কিছু পরিচয় বিধৃত রয়েছে। এ কাব্যের বিখ্যাত পঙ্ক্তি- 'তাম্বুল রাতুল হৈল অধর পরশে।'

'পদ্মাবতী' কাব্যের অন্যতম খণ্ড 'ঋতু বর্ণন' এর পঙ্ক্তি:

প্রথমে বসন্ত ঋতু নবীন পল্লব।

দুই পক্ষ আগে পাছে মধ্যে সুমাধব ।।

মলয়া সমীর হৈলা কামের পদাতি।

মুকুলিত কৈল তবে বৃক্ষ বনস্পতি।।

আলাওলের কাব্যসমূহ

গ্রন্থ

প্রকাশকাল

উৎস

পৃষ্ঠপোষক

পদ্মাবতী১৬৪৮পদুমাবৎ (মালিক মুহম্মদ জায়সী)কোরেশী মাগন ঠাকুর
রওনকলিকা আনন্দবর্মা১৬৫৯মৌলিক (লোরচন্দ্রাণী ও সতীময়নার উত্তরাংশ)শ্রীমন্ত সোলেমান
তোহফা (নীতিকাব্য)১৬৬৪তুহফ-ই নসাঈহ (ইউসুফ গদা)শ্রীমন্ত সোলেমান
হপ্তপয়কর১৬৬৫হফত্ পয়কর (নিজামী)সৈয়দ মুহম্মদ খান
সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামাল১৬৬৯সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামাল (গাওয়াসী)মাগন ঠাকুর
সিকান্দরনামা১৬৭৩সিকান্দরনামা (নিজামী)নবরাজ মজলিস
রাগতালনামামৌলিক--
পদাবলীমৌলিক--
শিরী খুসরুমৌলিক--

Related Question

View All
উত্তরঃ মাইকেল মধুসূদন দত্ত। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি নাটক।

‘কৃষ্ণকুমারী’ নাটকটি মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত একটি ঐতিহাসিক ট্র্যাজেডি নাটক। এটি ১৮৬১ সালে প্রকাশিত হয় এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী সৃষ্টি হিসেবে বিবেচিত। এর গুরুত্বগুলি নিম্নরূপ:

        
  • প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি: ‘কৃষ্ণকুমারী’ বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি নাটক। এর পূর্বে রচিত নাটকগুলোতে ট্র্যাজেডির গভীরতা ও শিল্পসম্মত প্রকাশ ছিল না। মধুসূদনের হাতেই বাংলা সাহিত্যে শেক্সপীয়রীয় ট্র্যাজেডির যথার্থ রূপায়ণ ঘটে।
  •     
  • ঐতিহাসিক পটভূমি: নাটকটি রাজস্থানের ঐতিহাসিক পটভূমিতে রচিত। উদয়পুরের রানা ভীমসিংহের কন্যা কৃষ্ণকুমারীর আত্মাহুতির ঘটনাকে কেন্দ্র করে এটি আবর্তিত হয়েছে। এটি তৎকালীন রাজস্থানের রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব, ক্ষমতা লিপ্সা এবং সামাজিক রীতিনীতি ফুটিয়ে তুলেছে।
  •     
  • চরিত্র চিত্রণ: নাটকের চরিত্রগুলি, বিশেষ করে কৃষ্ণকুমারী, ভীমসিংহ, জগৎসিংহ, মদনিকা প্রমুখের মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ও সংঘাতের গভীরতা পাঠককে মুগ্ধ করে। কৃষ্ণকুমারীর আত্মত্যাগ নাটকটিকে মর্মস্পর্শী ট্র্যাজেডিতে পরিণত করেছে।
  •     
  • ভাষাগত উৎকর্ষ: মধুসূদন দত্তের কাব্যিক ভাষা ও প্রখর নাট্যশৈলী এই নাটকের প্রধান বৈশিষ্ট্য। শক্তিশালী সংলাপ এবং নাটকের গতিশীলতা বাংলা নাট্যসাহিত্যে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
  •     
  • সমাজ ও রাজনীতির প্রতিচ্ছবি: নাটকটি শুধু একটি প্রেম বা ট্র্যাজেডির গল্প নয়, এটি তৎকালীন সমাজের রাজনৈতিক অস্থিরতা, রাজাদের দুর্বলতা এবং সম্মান রক্ষার নামে বলিদানের এক করুণ প্রতিচ্ছবি।
Satt AI
Satt AI
1 week ago
682
উত্তরঃ উপন্যাস, কাজী নজরুল ইসলাম।

'কুহেলিকা' কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা ১৯৩১ সালে প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। এই উপন্যাসে প্রেম, বিদ্রোহ, আত্মত্যাগ এবং তৎকালীন ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটকে উপজীব্য করা হয়েছে। এটি নজরুলের বিপ্লবী চেতনা ও রোমান্টিক ভাবধারার এক অনবদ্য মিশ্রণ।

কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯-১৯৭৬) ছিলেন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব। তিনি ছিলেন একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, সঙ্গীতজ্ঞ এবং দার্শনিক। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন ও সামাজিক অবিচারের বিরুদ্ধে তার লেখনী ছিল এক প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর, যে কারণে তিনি 'বিদ্রোহী কবি' হিসেবে সমধিক পরিচিত। তার সাহিত্যে সাম্য, মানবতা এবং বিদ্রোহের বাণী প্রবলভাবে উচ্চারিত হয়েছে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
490
উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ভানুসিংহের পদাবলী

ভানুসিংহ ছিল বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি ছদ্মনাম। তিনি এই ছদ্মনামে "ভানুসিংহের পদাবলী" নামক একটি কাব্যগ্রন্থ রচনা করেন। এই কাব্যগ্রন্থটি মূলত বৈষ্ণব পদাবলীর ঢঙে লেখা একগুচ্ছ কবিতা নিয়ে গঠিত। রবীন্দ্রনাথ তাঁর কৈশোরকালে বৈষ্ণব সাহিত্যের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে এই কবিতাগুলো লেখেন, যেখানে রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা, বিরহ ও মিলনকে নতুন আঙ্গিকে তুলে ধরা হয়েছে। এটি বাংলা সাহিত্যে তাঁর প্রাথমিক কাব্যপ্রতিভার এক অনন্য নিদর্শন এবং একটি স্বতন্ত্র সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হয়।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
382
উত্তরঃ

কাজী নজরুল ইসলামের 'মৃত্যুক্ষুধা' উপন্যাসের মূলবক্তব্য তৎকালীন গ্রাম বাংলার মুসলিম সমাজের অবহেলিত মানুষের জীবনসংগ্রাম, দারিদ্র্য ও কুসংস্কারের চিত্র তুলে ধরা। এটি মূলত শ্রমজীবী মানুষের দুঃখ-দুর্দশা, সামাজিক অবিচার এবং ধর্মীয় গোঁড়ামির বিরুদ্ধে এক সাহসী প্রতিবাদ। উপন্যাসে প্রেম, আত্মত্যাগ এবং মানবিক সম্পর্কের জটিলতার পাশাপাশি সাম্যবাদী চেতনার প্রতিফলন ঘটেছে, যেখানে নারীর সংগ্রাম বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে।


'মৃত্যুক্ষুধা' (১৯৩০) কাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় উপন্যাস এবং এটি তাঁর সাম্যবাদী ভাবধারা ও গণমানুষের প্রতি অগাধ ভালোবাসার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এই উপন্যাসের পটভূমি হলো হুগলি জেলার মুসলিম অধ্যুষিত একটি গ্রামীণ জনপদ, যেখানে অভাবী ও শ্রমজীবী মানুষের দৈনন্দিন জীবন, তাদের ক্ষুধা, দারিদ্র্য, সামাজিক শোষণ ও বঞ্চনা নিপুণভাবে চিত্রিত হয়েছে।

উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র আনসার ও মেজোবৌয়ের প্রেম, তাদের চারপাশের মানুষের জীবনযুদ্ধ, এবং তৎকালীন সমাজে প্রচলিত ধর্মীয় গোঁড়ামি ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে তাদের প্রতিবাদী মনোভাব মূল উপজীব্য। নজরুল দেখিয়েছেন কীভাবে ক্ষুধা মানুষের নীতি-নৈতিকতাকে প্রভাবিত করে এবং কীভাবে মানুষ চরম সংকটের মুখেও মানবিকতা ও প্রেমকে আঁকড়ে ধরে বাঁচার চেষ্টা করে।

বিশেষ করে, উপন্যাসে নারীর অর্থনৈতিক বঞ্চনা, সামাজিক নির্যাতন এবং তাদের আত্মমর্যাদা রক্ষার সংগ্রামকে অত্যন্ত সংবেদনশীলতার সাথে তুলে ধরা হয়েছে। এটি শুধুমাত্র একটি প্রেমকাহিনী নয়, বরং এটি শ্রেণি-সংগ্রাম, মানবিক মূল্যবোধের অবক্ষয় এবং শোষিত মানুষের মুক্তির আকাঙ্ক্ষার এক শক্তিশালী সাহিত্যিক দলিল।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
483
উত্তরঃ বনলতা সেন, রূপসী বাংলা, ধূসর পাণ্ডুলিপি

জীবনানন্দ দাস (১৮৯৯-১৯৫৪) ছিলেন বাংলা সাহিত্যের একজন প্রধান আধুনিক কবি। তাঁকে 'রূপসী বাংলার কবি' বা 'নির্জনতার কবি' নামেও অভিহিত করা হয়। তাঁর কবিতায় প্রকৃতি, প্রেম, মৃত্যুচেতনা এবং ঐতিহাসিকতা এক বিশেষ শৈলীতে প্রতিফলিত হয়েছে। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে ধূসর পাণ্ডুলিপি (১৯৩৬), বনলতা সেন (১৯৪২), মহাপৃথিবী (১৯৪৪), সাতটি তারার তিমির (১৯৪৮), রূপসী বাংলা (১৯৫৭, মরণোত্তর প্রকাশিত) এবং বেলা অবেলা কালবেলা (১৯৬১, মরণোত্তর প্রকাশিত)। বাংলা কাব্যে তাঁর অবদান অপরিসীম, যা তাকে বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
377
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews