যে কোন দুটি প্রশ্নের উত্তর দিন:

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

চোখের ব্যবহারঃ

অর্ধঅঙ্গবিশেষদৃষ্টিসতর্জতাঈর্ষা হওয়ালজ্জা
বিভিন্ন অর্থে বাক্যেআমরা চোখ দিয়ে দেখিওকে চোখে চোখে রোখাচোখ কান খোলা রেখোআমার উন্নতিতে তোমার চোখ টাটায় কেন?তার চোখের চামড়া নেই
227

বাংলা ভাষায় এমন কতগুলো অব্যয়সূচক শব্দাংশ রয়েছে, যা স্বাধীন পদ হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে না। এগুলো অন্য শব্দের আগে বসে। এর প্রভাবে শব্দটির কয়েক ধরনের পরিবর্তন সাধিত হয়। যেমন-

১. নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি হয়।

২. শব্দের অর্থের পূর্ণতা সাধিত হয় ।

৩. শব্দের অর্থের সম্প্রসারণ ঘটে।

৪. শব্দের অর্থের সংকোচন ঘটে। এবং

৫. শব্দের অর্থের পরিবর্তন ঘটে।

ভাষায় ব্যবহৃত এসব অব্যয়সূচক শব্দাংশেরই নাম উপসর্গ। যেমন ‘কাজ' একটি শব্দ । এর আগে ‘অ’ - অব্যয়টি যুক্ত হলে হয় ‘অকাজ’ যার অর্থ নিন্দনীয় কাজ। এখানে অর্থের সংকোচন হয়েছে। -

‘পূর্ণ’ (ভরা) শব্দের আগে ‘পরি’ যোগ করায় ‘পরিপূর্ণ' হলো। এটি পূর্ণ শব্দের সম্প্রসারিত রূপ (অর্থে ও আকৃতিতে)। ‘হার’ শব্দের পূর্বে ‘আ’ যুক্ত করে ‘আহার’ (খাওয়া), ‘প্র’ যুক্ত করে ‘প্রহার’ (মারা), 'বি' যুক্ত করে ‘বিহার' (ভ্রমণ), 'পরি' যোগ করে ‘পরিহার' (ত্যাগ), ‘উপ’ যোগ করে ‘উপহার’ (পুরস্কার), ‘সম’ যোগ করে ‘সংহার’ (বিনাশ) ইত্যাদি বিভিন্ন অর্থে বিভিন্ন শব্দ তৈরি হয়েছে।

এ উপসর্গগুলোর নিজস্ব কোনো অর্থবাচকতা নেই, কিন্তু অন্য শব্দের আগে যুক্ত হলে এদের অর্থদ্যোতকতা বা নতুন শব্দ সৃজনের ক্ষমতা থাকে।

বাংলা ভাষায় তিন প্রকার উপসর্গ আছে : বাংলা, তৎসম (সংস্কৃত) এবং বিদেশি উপসর্গ।

Related Question

View All
উত্তরঃ স্বাক্ষরতা কর্মসূচি সফল হয়েছে।

প্রদত্ত বাক্যটিতে 'কর্মসূচী' বানানটি ভুল। বাংলা একাডেমির প্রমিত বানানবিধি অনুযায়ী, 'কর্মসূচি' হবে, যেখানে 'চ' এর সাথে হ্রস্ব ই-কার (ি) ব্যবহৃত হয়। এটি একটি সাধারণ ভুল যা অনেক বাংলা শব্দে দেখা যায়, যেখানে দীর্ঘ ঈ-কার (ী) এর পরিবর্তে হ্রস্ব ই-কার (ি) ব্যবহারের নিয়ম প্রচলিত। যেমন: গাড়ি, বাড়ি, সরকারি, বেসরকারি ইত্যাদি। বাংলা ব্যাকরণে শুদ্ধ বানান একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, বিশেষ করে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা এবং দাপ্তরিক লেখায় এর সঠিক প্রয়োগ অপরিহার্য।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
485
উত্তরঃ এমন মাধুর্যপূর্ণ আচরণ সকলকে মুগ্ধ করবেই।

প্রদত্ত বাক্যটিতে দুটি প্রধান অসঙ্গতি ছিল। প্রথমত, 'মুগ্ধ সৃষ্টি করা' একটি ভুল প্রয়োগ। 'মুগ্ধ' একটি বিশেষণ, যা সাধারণত 'করা' ক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হয়ে 'মুগ্ধ করা' (আকৃষ্ট করা বা বিমোহিত করা) অর্থে ব্যবহৃত হয়, অথবা 'মুগ্ধতা' (বিশেষ্য) পদটি 'সৃষ্টি করা' ক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত হয়ে 'মুগ্ধতা সৃষ্টি করা' (বিমোহিত হওয়ার অনুভূতি তৈরি করা) অর্থে ব্যবহৃত হতে পারে। মূল বাক্যের ভাব অনুযায়ী 'সকলকে মুগ্ধ করবেই' হলো সবচেয়ে সঠিক ও সাবলীল প্রয়োগ। দ্বিতীয়ত, 'কোরবেই' শব্দটি অশুদ্ধ। এর সঠিক রূপ হলো 'করবেই' (প্রমিত বাংলা বানানে র-ফলা ছাড়া লেখা হয়)। এই পরিবর্তনগুলো বাক্যটিকে ব্যাকরণগতভাবে শুদ্ধ ও অর্থপূর্ণ করেছে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

এখনকার বাংলাদেশের সাহিত্যাঙ্গন লোকারণ্য ভারাক্রান্ত মনে হয়। 

Sultan Amit
Sultan Amit
2 years ago
159
উত্তরঃ

বাংলা বানানে শ, ষ, স এর ব্যবহার নির্ণয়ে কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। এই তিনটি বর্ণকে যথাক্রমে তালব্য শ, মূর্ধন্য ষ এবং দন্ত্য স বলা হয়। এদের উচ্চারণ স্থান এবং শব্দের ব্যুৎপত্তি অনুযায়ী এদের ব্যবহার ভিন্ন হয়।

১. তালব্য ‘শ’ এর ব্যবহার:

        
  • এটি তালু থেকে উচ্চারিত হয়। বাংলা ভাষার তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি সকল প্রকার শব্দে এর ব্যবহার দেখা যায়।
  •     
  • সাধারণত চ-বর্গীয় ধ্বনির (চ, ছ, জ, ঝ) পূর্বে 'শ' বসে যুক্তবর্ণ গঠন করে। যেমন: নিশ্চয়, পশ্চিম, প্রশ্ন, শাসন, শৈশব।
  •     
  • অনেক বিদেশি শব্দে ইংরেজি ‘sh’ বা ‘s’ ধ্বনির জন্য ‘শ’ ব্যবহৃত হয়। যেমন: শার্ট, শেয়ার, স্টেশন (এখানে যদিও 'স' বেশি প্রচলিত)।
  •     
  • অনেক তদ্ভব ও দেশি শব্দে 'শ' ব্যবহৃত হয়। যেমন: শাপলা, শিয়াল।

২. মূর্ধন্য ‘ষ’ এর ব্যবহার:

        
  • এটি মূর্ধা থেকে উচ্চারিত হয় এবং এটি মূলত তৎসম (সংস্কৃত থেকে আগত) শব্দেই ব্যবহৃত হয়। খাঁটি বাংলা শব্দে মূর্ধন্য ‘ষ’ এর ব্যবহার নেই।
  •     
  • ‘ঋ’ কারের পর সর্বদা ‘ষ’ হয়। যেমন: কৃষি, বৃষ্টি, সৃষ্টি, তৃষ্ণা, বৃষ।
  •     
  • ‘র’ এর পর মূর্ধন্য ‘ষ’ হয় না, তবে ‘র’ এর পর যদি অন্য স্বরবর্ণ না থাকে এবং ‘ট’ বর্গীয় কোনো বর্ণ থাকে, তাহলে ‘ষ’ হয়। যেমন: কষ্ট, শ্রেষ্ঠ, নষ্ট, কাষ্ঠ, ইষ্ট।
  •     
  • ই-কারান্ত ও উ-কারান্ত উপসর্গের পর ক, খ, গ, প, ফ ইত্যাদি বর্ণের পূর্বে ‘ষ’ হয়। যেমন: অভিষেক, বিষম, প্রতিষেধ, নিষেধ, সুষম, অনুষ্ঠান। (যেমন: সু + সম = সুষম, প্রতি + সেধ = প্রতিষেধ)
  •     
  • কিছু নির্দিষ্ট শব্দে স্বাভাবিভাবেই ‘ষ’ হয়। যেমন: মানুষ, ভাষা, আষাঢ়, পাষাণ, শোষণ, পোশাক, বিষয়, বিষাদ, বিশেষণ।
  •     
  • বিশেষণবাচক শব্দে যেমন: বিশেষণ, বিশেষ্য।

৩. দন্ত্য ‘স’ এর ব্যবহার:

        
  • এটি দাঁত থেকে উচ্চারিত হয়। এটি বাংলা ভাষার তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি সকল প্রকার শব্দে ব্যবহৃত হয়।
  •     
  • সাধারণত ত-বর্গীয় ধ্বনির (ত, থ, দ, ধ) পূর্বে ‘স’ বসে যুক্তবর্ণ গঠন করে। যেমন: বস্ত্র, স্থান, আস্থা, সুস্থ, বস্তুত।
  •     
  • সংস্কৃত ‘সাৎ’ প্রত্যয়যুক্ত শব্দে ‘স’ হয়। যেমন: ধূঁলিসাৎ, অগ্নিসাৎ।
  •     
  • বিদেশি শব্দে ‘স’ এর ব্যবহার ব্যাপক। যেমন: স্কুল, স্টেশন, বাস, সার্ভিস, সিটি।
  •     
  • খাঁটি বাংলা ও তদ্ভব শব্দে সাধারণত দন্ত্য ‘স’ ব্যবহৃত হয়। যেমন: সকাল, সস্তা, সাপ, সবুজ।

এই নিয়মগুলো মনে রেখে বাংলা বানানে শ, ষ, স এর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হয়। তবে কিছু ব্যতিক্রমও থাকতে পারে, যা নিয়মিত অধ্যয়ন ও অনুশীলনের মাধ্যমে আয়ত্ত করা যায়।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
1.1k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews