রচনামূলক প্রশ্ন ও সমাধান

Updated: 7 months ago
উত্তরঃ

গৌতম বুদ্ধ বুদ্ধত্ব লাভ করার পরে দীর্ঘ পঁয়তাল্লিশ বছর ধর্মপ্রচার করেন। ধর্মপ্রচারের জন্য তিনি অনেক স্থানে গমন করেন। বুদ্ধ এবং তাঁর শিষ্য-প্রশিষ্যদের স্মৃতিবিজড়িত স্থানসমূহ রৌদ্ধ ঐতিহ্য ও দর্শনীয় স্থানের মর্যাদা লাভ করে। এগুলোর রয়েছে ধর্মীয় গুরুত্ব। এসব স্থান পরিভ্রমণ করলে পুণ্য হয়। বুদ্ধের জীবন ও কর্ম সম্পর্কে জানা যায়। যার ফলে মনে ধর্মীয় ভাব জাগ্রত হয়। ধর্মীয় ও নৈতিক জীবনযাপনে উৎসাহ সৃষ্টি হয়। ধর্মচর্চায় প্রেরণা লাভ করা যায়। মন পবিত্র ও কলুষমুক্ত হয়। তৃষ্ণা, লোভ-মোহ-দ্বেষ প্রভৃতি ক্ষয় হয়। দেশপ্রেম সৃষ্টি হয়। আর দেশপ্রেম একটি পবিত্র ধর্মনীতি। তাই। তীর্থ স্থানসমূহের রয়েছে ব্যাপক ধর্মীয় গুরুত্ব।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

রাজা বিম্বিসার ছিলেন রাজগৃহের রাজা। এটি ভারতের বিহার রাজ্যের পাটনা জেলায় অবস্থিত। মগধ রাজ্যের রাজধানী ছিল রাজগৃহ। গৌতম বুদ্ধ ধর্মপ্রচারের কাজে রাজগৃহে গিয়েছিলেন। বুদ্ধের ধর্মদেশনা শুনে রাজা বিম্বিসার বৌদ্ধধর্মে দীক্ষিত হন। রাজা বিম্বিসার এবং তাঁর পুত্র অজাতশত্রুর সময়কালে রাজগৃহে বৌদ্ধধর্ম যথেষ্ট প্রভাব ও প্রতিপত্তি লাভ করেছিল। রাজা বিম্বিসার বুদ্ধ ও তাঁর শিষ্যদের বসবাসের জন্য বেণুবন বিহার দান করেন। এটি ছিল বৌদ্ধধর্মের ইতিহাসে প্রথম বিহার দান। রাজা বিঘ্নিসারের অনুরোধে রুদ্ধ রাজগৃহের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রথম উপোসথ পালনের অনুমতি প্রদান করেছিল। ভগবান বুদ্ধ বেণুবন বিহারে সাত বর্ষাবাস অতিবাহিত করেছিলেন। অতএব, রাজা বিম্বিসার বৌদ্ধধর্মের প্রসারের জন্য মৃত্যুর আগ পর্যন্ত কাজ করে গেছেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

নালন্দা ভারতের বিহার রাজ্যের পাটনা জেলার অন্তর্গত ছিল। নালন্দা ছিল একটি উন্নত ও সমৃদ্ধশালী মহানগরী। নালন্দা নামের উৎপত্তি নিয়ে অনেক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়। তার মধ্যে দুটি ব্যাখ্যা প্রধান। একটি হলো অতীতকালে এখানে বোধিসত্ত্ব নামে এক ব্যক্তি রাজত্ব করতেন। তিনি কখনো কাউকে 'নালমদা' অর্থাৎ 'আমি দেব না' একথা বলতে পারতেন না। সে কারণে এ স্থানের নাম হয় নালন্দা। আর একটি ব্যাখ্যা হলো স্থানীয় একটি আম বাগানের মধ্যস্থলে একটি পুকুর ছিল। সেখানে নালন্দা নামক এক নাগরাজ বাস করতেন। তার নাম অনুসারে এ জায়গার নাম হয় নালন্দা। অতীতে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছিল অতি সুখ্যাতি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
116

বুদ্ধ, বুদ্ধের শিষ্য-প্রশিষ্য, উপাসক-উপাসিকা, রাজন্যবর্গ এবং পণ্ডিত ভিক্ষুদের স্মৃতিবিজড়িত অনেক স্থান, বিহার এবং চৈত্য আছে। যেগুলো বৌদ্ধ ঐতিহ্য এবং দর্শনীয় স্থান হিসেবে পরিচিত। পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে এসব ঐতিহ্য এবং দর্শনীয় স্থানসমূহ ছড়িয়ে আছে। তারমধ্যে অনেকগুলোই ভারতে অবস্থিত। এ অধ্যায়ে আমরা নালন্দা, রাজগৃহ, শ্রাবস্তী, তক্ষশীলা প্রভৃতি বৌদ্ধ ঐতিহ্য ও দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে পড়ব।

এ অধ্যায় শেষে আমরা -

  • ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থ ও দর্শনীয় স্থানসমূহের বর্ণনা দিতে পারব।
  • বৌদ্ধ ঐতিহ্য ও স্থানসমূহ সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • বৌদ্ধ ঐতিহ্য ও দর্শনীয় স্থানসমূহের ধর্মীয় গুরুত্ব বিশ্লেষণ করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

সম্রাট অশোক নির্মিত স্তম্ভের মধ্যে শীর্ষ স্তন্ড হলো হস্তীর প্রস্তর ভাস্কর্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
154
উত্তরঃ

বৌদ্ধধর্মের অনুসারীদের কাছে বুদ্ধ এবং তাঁর শিষ্যদের স্মৃতিবিজড়িত স্থানসমূহ তীর্থস্থান হিসেবে শ্রদ্ধা লাভ করে। তীর্থস্থান ভ্রমণে পুণ্য হয়। তাই বৌদ্ধরা শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য এসব স্থান ভ্রমণ করেন। ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তান এবং বাংলাদেশে এরূপ অনেক বৌদ্ধ ঐতিহ্য ও দর্শনীয় স্থান আছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
99
উত্তরঃ

প্রীতমের বর্ণনায় জেতবন বিহার তীর্থস্থানের চিত্র ফুটে উঠেছে।

যেটি বুদ্ধের সময়কালে শ্রাবস্তীর শ্রেষ্ঠ ধনী শ্রেষ্ঠী সুদত্ত বুদ্ধের বসবাসের জন্য নির্মাণ করেন। এটি জেত রাজকুমারের উদ্যান। এটি বিক্রয় করতে রাজি না হওয়ায় বুদ্ধভক্ত শ্রেষ্ঠী সুদত্ত জমির আয়তনের সমপরিমাণ স্বর্ণমুদ্রা ছড়িয়ে স্থানটি ক্রয় করেন এবং সেখানে জেতবন বিহার নির্মাণ করেন। এ বিহারে ভিক্ষুদের বসবাসের জন্য শয়ন কক্ষ, প্রার্থনা কক্ষ, রান্নাঘর, স্নানঘর, শৌচাগার, পুকুর, কূপ ও অন্যান্য ব্যবস্থাদি ছিল। জেত রাজকুমার বিহারের তোরণ নির্মাণ করেছেন। পরবর্তী সময়ে তোরণের পাশে সম্রাট অশোক উঁচু স্তম্ভ নির্মাণ করেন। জেতবন বিহারের চারদিকে প্রচুর গাছপালা ছিল। পরিবেশ ছিল ধ্যান সাধনার অনুকূল। তাই বুদ্ধ এ বিহার খুব পছন্দ করতেন। তিনি এখানে উনিশ বর্ষাবাস পালন করেন। কালের গর্ভে জেতবন বিহারটি হারিয়ে যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
63
উত্তরঃ

বুদ্ধ ও তাঁর শিষ্য-প্রশিষ্যদের স্মৃতি বিজড়িত দর্শনীয় স্থানকে তীর্থস্থান বলে। যা কোনো ব্যক্তি মালিকানাধীন সম্পদ নয়; বরং তীর্থস্থানগুলো রাষ্ট্রীয় সম্পদ। যার রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব শুধুমাত্র সরকারের নয়। প্রত্যেক মানুষেরই এ দর্শনীয় স্থানগুলো রক্ষণাবেক্ষণ করার দায়িত্ব রয়েছে। তীর্থস্থানগুলো আমাদের হারিয়ে যাওয়া গৌরবের উজ্জ্বলতম স্বাক্ষর বহন করে। তীর্থস্থান দর্শনে পুণ্য অর্জিত হয়। মনের কলুষতা দূর হয়। দেশপ্রেম জাগ্রত হয়। ধর্মীয় অনুভব জাগ্রত হয়। আমাদের নতুন প্রজন্ম ঐতিহাসিক তীর্থস্থানসমূহ দর্শন করে নিজেদের মনে হারানো গৌরব পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে সচেষ্ট হবে। আলোচ্য কারণে প্রীতমের দাদা তীর্থস্থানগুলো সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছিলেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
98
উত্তরঃ

শ্রাবস্তীর শ্রেষ্ঠ ধনী এবং শ্রেষ্ঠ দানবীর শ্রেষ্ঠী সুদত্তকে 'অনাথপিণ্ডিক' নামে ডাকার যথার্থ কারণ হচ্ছে তিনি অনাথের পিন্ড দাতা ছিলেন বলে তাঁকে এ নামে ডাকা হতো। বুদ্ধের সময়কালে ভারতবর্ষে তাঁর দাদার সুখ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছিল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
106
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews