রফিক আহমেদ গ্রামের একটি সরকারি হাসপাতালের ডাক্তার। তিনি গ্রামের রোগীদের পর্যবেক্ষণ করে দেখেন তারা কলেরা, আমাশয়, টাইফয়েড, ডায়রিয়ায় বেশি আক্রান্ত হয়। তিনি মনে করেন, এ ধরনের রোগ প্রতিরোধে সচেতনতাই কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে।

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

চাল সাদা করার জন্য ইউরিয়া সার ব্যবহার করা হয়।

উত্তরঃ

ফলমালিনের ব্যবহার প্রতিরোধের জন্য কঠোর আইনী পদক্ষেপের পাশাপাশি ব্যাপক জনসচেতনতা প্রয়োজন।

খুচরা বাজারে ফরমালিন যত্রতত্র বিক্রয়ের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করতে হবে। ফরমালিনযুক্ত খাদ্য ধরা পড়লে জড়িত সকল স্তরের লোকদেরই শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়া রেডিও, টিভি, পত্রিকা ইত্যাদি প্রচার মাধ্যমে এ সম্পর্কে প্রচার করে জনসচেতনতা তৈরি করতে হবে।

উত্তরঃ

উদ্দীপকে কলেরা, ডায়রিয়া, আমাশয় এবং টাইফয়েড রোগের উল্লেখ রয়েছে। এগুলো খাদ্য ও পানিবাহিত রোগ। খাদ্য ও পানির মাধ্যমে যেসব রোগের জীবাণু আমাদের দেহে প্রবেশ করে, সেগুলোকে খাদ্য ও পানি বাহিত রোগ বলে।

খাদ্য ও পানিবাহিত রোগ সংক্রমণের কারণসমূহ নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-

  • যে পানি দিয়ে খাদ্য প্রস্তুত হয় তা মানুষ ও প্রাণীর মলমূত্র দ্বারা দূষিত হলে। 
  • খাদ্য প্রস্তুতের পূর্বে হাত পরিষ্কার করে ধুয়ে না নিলে। 
  • হাতের নখ বড় থাকলে তাতে সহজেই জীবাণু জমে এবং ঐ হাত থেকে জীবাণু খাদ্যে সংক্রমিত হয়। 
  • রান্নার পরে খাদ্যকে অনেকক্ষণ খোলা রেখে দিলে তা জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত হয়। 
  • খাদ্য খাবার আগে বিশেষ করে কাঁচা ফল পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে ও খোসা ফেলে না দিলে বিপজ্জনক হতে পারে। 
  • মাটি থেকে খাদ্য তুলে নিয়ে না ধুয়ে খেলে সেসব খাদ্য থেকে জীবাণুর সংক্রমণ হতে পারে। 
  • ময়লা পাত্রে খাদ্য রেখে দিলে। 
  • গৃহে বা হোটেলে খাবার রান্নার পর ঢেকে না রাখলে বিভিন্ন পোকা মাকড় মাছি দ্বারা দূষিত হতে পারে। 
  • যেখানে মলমূত্র ত্যাগ করা হয় তার আশপাশে জলাধার থাকলে বা জলাধারে মলমূত্র ত্যাগ করলে এবং ঐ পানি দ্বারা রান্নার কাজ করলে বা বাসনপত্র ধুলে খাদ্য বিভিন্ন জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত হতে পারে।
উত্তরঃ

ডাক্তার রফিক মনে করেন, মানুষের সচেতনতাই খাদ্য ও পানিবাহিত রোগ প্রতিরোধে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। ডাক্তারের ধারণাটি যৌক্তিক।

খাদ্য ও পানিবাহিত রোগ প্রতিরোধ করতে হলে জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। এর জন্য গ্রামাঞ্চলে ও বস্তি এলাকায় সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগে সভা, চিত্র প্রদর্শন করা এবং টিভি চ্যানেলগুলোর বিভিন্ন অনুষ্ঠান প্রচার করা আবশ্যাক । 

খাদ্য ও পানিবাহিত রোগের জীবাণুর সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য কাঁচা খাদ্য পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন জায়গায় সংরক্ষণ করতে হবে। সংরক্ষণের স্থান যেমন- ফ্রিজ কয়েকদিন অন্তর অন্তর পরিষ্কার করতে হবে। মাছ-মাংস কাটার যন্ত্রপাতি- দা, চাকু, বটি ইত্যাদি কাটার পর পরিষ্কার করে ধুয়ে রাখতে হবে। কাঁচা মাছ, মাংস ও রান্না করা খাবার একই স্থানে সংরক্ষণ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। যেসব পাত্রে খাদ্যদ্রব্য রাখা হয় সেসব পাত্র এবং চামচ, হাতা, খুন্তি পরিষ্কার করে রাখতে হবে। প্রচুর তরল খাবার ও পানি পান করতে হবে। রান্নার পাত্র, রান্নার স্থান ইত্যাদি ব্যবহারের পর পরিষ্কার রাখতে হবে। পায়খানা ব্যবহারের পর হাত ভালো করে পরিষ্কার করতে হবে। খাদ্য খাওয়া, রান্না বা পরিবেশনের আগে হাত ভালোভাবে ধুতে হবে। কাঁচা ফল, সবজি খাওয়ার সময় ভালোভাবে ধুয়ে খেতে হবে। অপরিচ্ছন্ন হাতে খাদ্যদ্রব্য নাড়াচাড়া করা যাবে না। সংক্রামক রোগীর ব্যবহারের কাপড়- চোপড় পরিষ্কার করে ধুয়ে রোদে শুকাতে হবে। রোগীর ঘর পরিষ্কার রাখতে হবে। রোগীর যত্নের পর নিজেকে পরিষ্কার করে নিতে হবে।

উপরিউক্ত কাজগুলো সর্তকভাবে করলে খাদ্য ও পানিবাহিত রোগের সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। তাই এসকল বিষয়ে জনগণকে সচেতন হতে হবে। সুতরাং ডাক্তারের ধারণাটি অত্যন্ত যৌক্তিক।

134

Related Question

View All
উত্তরঃ

সিগেলা ব্যাকটেরিয়া ব্যাসিলারি ডিসেন্ট্রি নামক রোগের সৃষ্টি করে।

287
উত্তরঃ

কাঁচা মাংস, ডিম, দুধ, মাছ ইত্যাদি খাদ্যদ্রব্যগুলো দ্বারা তৈরি খাদ্যে স্যালমোনেলোসিস রোগের জীবাণু বিস্তার লাভ করে। স্যালমোনেলোসিস প্রতিরোধের উপায় হলো-

i. পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রেখে খাদ্যদ্রব্য নাড়াচাড়া করা।

ii. যথাযথ পদ্ধতিতে খাদ্যদ্রব্য রান্না ও সংরক্ষণ করা।

270
উত্তরঃ

সেমিনারে অংশগ্রহণ করে শরিফ খাদ্যে ভেজালের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জানতে পেরেছিল।

খাদ্যে ভেজাল আমাদের জাতীয় সমস্যা। এটি একটি সামাজিক ব্যাধি। বর্তমানে আমাদের দেশে ভেজাল খাদ্যের ব্যাপকতা মহামারী আকার ধারণ করেছে এবং জনগণের স্বাস্থ্য সমস্যাও প্রকট আকারে দেখা দিয়েছে।

বেশি দামের খাদ্যপণ্যের সাথে কম দামের খাদ্যপণ্য অথবা খাবারের সাথে খাবার অযোগ্য বস্তুর মিশ্রণই হলো খাদ্যে ভেজাল। বিভিন্ন গুঁড়া মসলায় ব্যবহৃত ভেজালের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলো শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি, ডায়রিয়া, পেপটিক আলসার, লিভারের ক্ষতি, কিডনির অসুখ ইত্যাদি। দুধ ও ভোজ্য তেলের ভেজাল শিশুদের কিডনি, লিভার, স্নায়ুতন্ত্রের ক্ষতি করে, গর্ভস্থ শিশুর বিকলাঙ্গতা ঘটায়। মেয়াদোত্তীর্ণ, পচা ও কৃত্রিম উপাদান সমৃদ্ধ বেকারি পণ্য পেটের পীড়া, বদহজম, কিডনি, পাকস্থলি ও হৃদপিণ্ডের সমস্যা, চর্মরোগ ও অ্যালার্জির কারণ। এছাড়াও দেখা দিচ্ছে ডায়রিয়া, জন্ডিস ও লিভারের অসুখ। এভাবে ভেজাল খাবার সাধারণ লোকের স্বাস্থ্যের ক্ষতি করছে, কর্মক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে।

224
উত্তরঃ

সেমিনারের আলোচিত বিষয় ছিল খাদ্যে ভেজালের ক্ষতিকর দিক। ভেজাল খাদ্যের ক্ষতিকর প্রভাবে সৃষ্ট স্বাস্থ্য সমস্যা আমাদের জাতীয় সমস্যার অন্যতম। উদ্দেশ্যমূলকভাবে উৎকৃষ্ট খাদ্যসামগ্রীর সাথে নিম্নমানের সস্তা, খাওয়ার অযোগ্য অথবা বিষাক্ত পদার্থের মিশ্রণকে ভেজাল বলে।

এই সমস্যা সমাধানে কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা অতীব জরুরি। যেমন-

i. খাদ্যে ভেজাল ও রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহারের কুফল সম্পর্কে পত্রপত্রিকা, রেডিও, টেলিভিশনে প্রচারণা চালাতে হবে।

ii. দেশের সকল পর্যায়ে সকল খাদ্য বিপণিবিতানে ও বাজারে ভেজাল শনাক্তকরণ যন্ত্র স্থাপন করা, যাতে ক্রেতা পণ্য যাচাই করে নিতে পারে।

iii. খাদ্যপণ্য ক্রয়ে সচেতন হতে হবে। যেমন- বেশি সাদা চিনি, সেমাই, মুড়ি কেনা পরিহার করা উচিত।

iv. খাদ্যে ভেজাল ও ভোক্তা অধিকার সংক্রান্ত আইনের যথাযথ প্রয়োগ ও ভেজাল প্রদানকারীর শাস্তির ব্যবস্থা করা।

v. এছাড়া ফল খাওয়ার পূর্বে ৩০ মিনিট লবণ মিশ্রিত বিশুদ্ধ পানিতে ডুবিয়ে রাখতে হবে অথবা লেবুর রস ও গরম পানিতে ফল ধৌত করতে হবে।

এসকল পদক্ষেপ ভেজাল সমস্যা দূরীকরণে ভূমিকা রাখবে বলে আমি মনে করি।

255
উত্তরঃ

দুর্বল স্যানিটেশনের জন্য প্রতিবছর প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার শিশু ডায়রিয়ায় মারা যায়।

282
উত্তরঃ

ইউনিয়ন পরিষদ হতে প্রাপ্ত স্যানিটেশন সেবাগুলো হলো- স্যানিটারি পায়খানা তৈরি ও ব্যবহারে জনগণকে উৎসাহ প্রদান ও স্থাপনে সহায়তা প্রদান। খাবারের পানির উৎসগুলো দূষণমুক্ত করা, দূষিত পানি ব্যবহার না করার জন্য জনগণকে সচেতন করা। খাবার পানির জন্য সংরক্ষিত স্থানে গোসল, কাপড় কাচা, গবাদি পশুর গোসল ও পাট পচানো নিষিদ্ধ করা।

260
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews