রফিক সাহেব বাজারে গিয়ে দেখলেন বাজারে মাছ নেই। একজন জানালেন মাছে রাসায়নিক পদার্থ পাওয়া যাওয়ায় সমস্ত মাছ বাজার থেকে তুলে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া, অন্যান্য দ্রব্যের উপরেও পরীক্ষা চলছে।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

বটুলিজম মারাত্মক খাদ্য জনিত বিষক্রিয়া।

উত্তরঃ

অণুজীবসমূহ বিভিন্ন উপায়ে খাদ্যের মধ্যে প্রবেশ করে রোগের সংক্রামণ ঘটায়। 

আমরা যে সকল খাদ্যদ্রব্য খাই তা নানাভাবে রোগ-জীবাণু দ্বারা দূষিত হয়। যেমন- অপরিষ্কার হাতে খাদ্য গ্রহণ, খোলা অবস্থায় খাদ্যদ্রব্য ফেলে রাখা, ভালোভাবে না ধুয়ে খাদ্যদ্রব্য গ্রহণ করা, অপরিষ্কার পাত্রে খাবার রাখা ইত্যাদি। খাদ্য ও পানিবাহিত রোগসমূহের জীবাণু খাদ্য ও পানির মাধ্যমে দেহে প্রবেশ করে এবং রোগের সৃষ্টি করে।

উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত রাসায়নিক পদার্থটির নাম হচ্ছে ফরমালিন। খাদ্যে বিভিন্ন রাসায়নিক দ্রব্যের ব্যবহারে মানুষ জটিল ও মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হয়। মানুষের আয়ু, কর্মশক্তি, দৈহিক ও মানসিক স্পৃহা দিনদিন হ্রাস পায়। এছাড়া বিষাক্ত রাসায়নিক দ্রব্যমিশ্রিত খাদ্য গ্রহণের ফলে শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধিতে বিরূপ প্রভাব পড়ছে।

উদ্দীপকে রফিক সাহেব বাজারে গিয়ে দেখলেন, মাছে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করায় সমস্ত মাছ বাজার থেকে তুলে নেয়া হয়েছে। যে রাসায়নিক পদার্থটি হচ্ছে ফরমালিন। ফরমালিন এক ধরনের ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্য, যা মৃতদেহ সংরক্ষণের কাজে ব্যবহার করা হয়। মাছে এ দ্রব্য ব্যবহারে মাছ পচে না এবং বহুদিন অবিকৃত থাকে। ফরমালিনের ব্যবহার মানবদেহে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।. ফরমালিনের গ্যাস বা বাষ্পের সংস্পর্শে চোখ, নাক, গলা ও শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহ হয়। গরায় জ্বালাপোড়া, কাশি, শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। নিঃশ্বাসের সাথে ফরমালিন গ্যাস গ্রহণের ফলে ব্রংকাইটিস ও নিউমোনিয়া রোগ হয়। দীর্ঘদিন ফরমালিনযুক্ত খাবার গ্রহণ করার ফলে মানুষের অকালমৃত্যু ঘটতে পারে।

উত্তরঃ

খাদ্যদ্রব্যে ভেজাল নিয়ন্ত্রণের অভিযানটির গুরুত্ব অপরিসীম। আমাদের দেশের বাজারে যেসব দ্রব্যসামগ্রী পাওয়া যায় তার ৭০-৯০% ভেজাল। খাদ্যে ভেজাল ও রাসায়নিক দ্রব্য প্রয়োগের ফলে মানুষ নানাবিধ রোগব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে দুর্বিষহ জীবনযাপন করছে এবং ক্রমান্বয়ে মৃত্যুর দিকে ধাবিত হচ্ছে। তাই ভেজাল প্রতিরোধে নানা ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

ভেজাল প্রতিরোধ অভিযানের মাধ্যমে বিভিন্ন ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ মিশ্রিত খাদ্যদ্রব্য বাজার তেকে তুলে নেয়া হচ্ছে। এছাড়া যারা ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্য খাদ্যদ্রব্যে মেশায় তাদের বিভিন্ন ধরনের শাস্তি এবং অর্থ জরিমানা করা হচ্ছে। এর ফলে অসৎ ব্যবসায়ীরা খাদ্যে এসব ক্ষতিকর পদার্থ ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকবে। অন্যদেরকেও বিরত থাকার পরামর্শ দেবে। এ ধরনের অভিযান জনগণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করবে। তারা বিভিন্ন রাসায়নিক দ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জানতে পারবে। এর ফলে তারা সেগুলো ক্রয় এবং ব্যবহার থেকে বিরত থাকবে।

যেসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান খাদ্যে ভেজাল ও রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করে তাদের নাম এসকল অভিযানের মাধ্যমে জানা যায়। এতে করে জনগণ সেসব কোম্পানির পণ্য ক্রয় থেকে বিরত থাকবে। ভেজাল প্রতিরোধে অভিযানের ফলে খাদ্যে রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহারের মাত্রা কমে আসবে। যার ফলে সাধারণ মানুষ, শিশু, অসুস্থ রোগীরা এ বিষয়ে প্রকোপ থেকে রক্ষা পাবে। বেঁচে যাবে হাজার হাজার প্রাণ। পরিশেষে বলা যায়, ভেজাল প্রতিরোধ অভিযানের মাধ্যমে খাদ্যদ্রব্য ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহারের হার হ্রাস পাবে। মানুষ এর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মুক্ত থাকবে।

131
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

সিগেলা ব্যাকটেরিয়া ব্যাসিলারি ডিসেন্ট্রি নামক রোগের সৃষ্টি করে।

245
উত্তরঃ

কাঁচা মাংস, ডিম, দুধ, মাছ ইত্যাদি খাদ্যদ্রব্যগুলো দ্বারা তৈরি খাদ্যে স্যালমোনেলোসিস রোগের জীবাণু বিস্তার লাভ করে। স্যালমোনেলোসিস প্রতিরোধের উপায় হলো-

i. পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রেখে খাদ্যদ্রব্য নাড়াচাড়া করা।

ii. যথাযথ পদ্ধতিতে খাদ্যদ্রব্য রান্না ও সংরক্ষণ করা।

236
উত্তরঃ

সেমিনারে অংশগ্রহণ করে শরিফ খাদ্যে ভেজালের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জানতে পেরেছিল।

খাদ্যে ভেজাল আমাদের জাতীয় সমস্যা। এটি একটি সামাজিক ব্যাধি। বর্তমানে আমাদের দেশে ভেজাল খাদ্যের ব্যাপকতা মহামারী আকার ধারণ করেছে এবং জনগণের স্বাস্থ্য সমস্যাও প্রকট আকারে দেখা দিয়েছে।

বেশি দামের খাদ্যপণ্যের সাথে কম দামের খাদ্যপণ্য অথবা খাবারের সাথে খাবার অযোগ্য বস্তুর মিশ্রণই হলো খাদ্যে ভেজাল। বিভিন্ন গুঁড়া মসলায় ব্যবহৃত ভেজালের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলো শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি, ডায়রিয়া, পেপটিক আলসার, লিভারের ক্ষতি, কিডনির অসুখ ইত্যাদি। দুধ ও ভোজ্য তেলের ভেজাল শিশুদের কিডনি, লিভার, স্নায়ুতন্ত্রের ক্ষতি করে, গর্ভস্থ শিশুর বিকলাঙ্গতা ঘটায়। মেয়াদোত্তীর্ণ, পচা ও কৃত্রিম উপাদান সমৃদ্ধ বেকারি পণ্য পেটের পীড়া, বদহজম, কিডনি, পাকস্থলি ও হৃদপিণ্ডের সমস্যা, চর্মরোগ ও অ্যালার্জির কারণ। এছাড়াও দেখা দিচ্ছে ডায়রিয়া, জন্ডিস ও লিভারের অসুখ। এভাবে ভেজাল খাবার সাধারণ লোকের স্বাস্থ্যের ক্ষতি করছে, কর্মক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে।

197
উত্তরঃ

সেমিনারের আলোচিত বিষয় ছিল খাদ্যে ভেজালের ক্ষতিকর দিক। ভেজাল খাদ্যের ক্ষতিকর প্রভাবে সৃষ্ট স্বাস্থ্য সমস্যা আমাদের জাতীয় সমস্যার অন্যতম। উদ্দেশ্যমূলকভাবে উৎকৃষ্ট খাদ্যসামগ্রীর সাথে নিম্নমানের সস্তা, খাওয়ার অযোগ্য অথবা বিষাক্ত পদার্থের মিশ্রণকে ভেজাল বলে।

এই সমস্যা সমাধানে কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা অতীব জরুরি। যেমন-

i. খাদ্যে ভেজাল ও রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহারের কুফল সম্পর্কে পত্রপত্রিকা, রেডিও, টেলিভিশনে প্রচারণা চালাতে হবে।

ii. দেশের সকল পর্যায়ে সকল খাদ্য বিপণিবিতানে ও বাজারে ভেজাল শনাক্তকরণ যন্ত্র স্থাপন করা, যাতে ক্রেতা পণ্য যাচাই করে নিতে পারে।

iii. খাদ্যপণ্য ক্রয়ে সচেতন হতে হবে। যেমন- বেশি সাদা চিনি, সেমাই, মুড়ি কেনা পরিহার করা উচিত।

iv. খাদ্যে ভেজাল ও ভোক্তা অধিকার সংক্রান্ত আইনের যথাযথ প্রয়োগ ও ভেজাল প্রদানকারীর শাস্তির ব্যবস্থা করা।

v. এছাড়া ফল খাওয়ার পূর্বে ৩০ মিনিট লবণ মিশ্রিত বিশুদ্ধ পানিতে ডুবিয়ে রাখতে হবে অথবা লেবুর রস ও গরম পানিতে ফল ধৌত করতে হবে।

এসকল পদক্ষেপ ভেজাল সমস্যা দূরীকরণে ভূমিকা রাখবে বলে আমি মনে করি।

223
উত্তরঃ

দুর্বল স্যানিটেশনের জন্য প্রতিবছর প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার শিশু ডায়রিয়ায় মারা যায়।

250
উত্তরঃ

ইউনিয়ন পরিষদ হতে প্রাপ্ত স্যানিটেশন সেবাগুলো হলো- স্যানিটারি পায়খানা তৈরি ও ব্যবহারে জনগণকে উৎসাহ প্রদান ও স্থাপনে সহায়তা প্রদান। খাবারের পানির উৎসগুলো দূষণমুক্ত করা, দূষিত পানি ব্যবহার না করার জন্য জনগণকে সচেতন করা। খাবার পানির জন্য সংরক্ষিত স্থানে গোসল, কাপড় কাচা, গবাদি পশুর গোসল ও পাট পচানো নিষিদ্ধ করা।

216
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews