রহিমা বেগম সারাদিনই সংসারের বিভিন্ন কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। তবে এসব কাজ পরিকল্পনা ছাড়া করার ফলে তার যেকোনো কাজ করতে অনেক সময় ও শক্তি খরচ হয়। ফলে ক্লান্তি নিয়ে কাজ করার সময় তিনি সবার সাথে খারাপ ব্যবহার করেন। সবার কাজ করে দেয়া সত্ত্বেও ইদানিং পরিবারের সদস্যরা তাকে অপছন্দ করা শুরু করেছে।

Updated: 2 months ago
উত্তরঃ

সোডিয়াম ফসফেট ক্লান্তি হ্রাসে ভূমিকা রাখে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

সভ্যতার অগ্রগতির সাথে সাথে গৃহস্থালির কাজকর্ম সহজ ও সংক্ষেপে করার জন্য অনেক নতুন নতুন জিনিস আবিষ্কার হচ্ছে।
কাজের বিভিন্ন সামগ্রীতে পরিবর্তন বলতে বোঝায় বাজারে সহজে প্রাপ্য এমন সব জিনিস ব্যবহার করে গৃহিণী সময় ও শক্তির সদ্ব্যবহার করতে পারেন। যেমন- রুমালের পরিবর্তে টিস্যু পেপার ব্যবহার, Disposable (এমনভাবে তৈরি যে ব্যবহারের পর ফেলে দিতে হয়) প্লেট, গ্লাস ব্যবহার ইত্যাদি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

শারীরিক ক্লান্তিই হলো রহিমা বেগমের সমস্যার মূল কারণ।
ত্রুটিপূর্ণ সময় পরিকল্পনা বা পরিকল্পনার অভাব এবং শক্তির অপচয়ের ফলে যে অবসাদ দেখা দেয় তাকেই ক্লান্তি বলে। কোনো কাজ করার পর ক্লান্তি দেখা দিলে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের উপর তার প্রভাব পড়ে।
শারীরিক ক্লান্তি যে সকল কারণে দেখা দেয় তা নিচে দেওয়া হলো-
i. কাজ করার সময় মাংসপেশির তৎপরতা বৃদ্ধি পেলে যদি দেহের জলীয় পদার্থসমূহ স্বাভাবিক গঠন বজায় রাখতে না পারে তবে শারীরিক ক্লান্তি দেখা দেয়। জলীয় পদার্থসমূহের গঠন যতো অস্বাভাবিক হবে, ক্লান্তির পরিমাণ ততো বেশি হবে।
ii. কায়িক পরিশ্রমে দেহকে বেশি পরিমাণে অক্সিজেন গ্রহণ করতে হয়। এই অক্সিজেন গ্রহণ প্রক্রিয়া অসম্পূর্ণ থাকলে ল্যাকটিক এসিডের উৎপত্তি হয় এবং শারীরিক ক্লান্তি দেখা দেয়।
iii. কাজ করার সময় মাংসপেশির তৎপরতা বৃদ্ধি পায়। মাংসপেশির তৎপরতা মোকাবেলার শক্তি আসে রক্তের গ্লাইকোজেন ভেঙ্গে ল্যাকটিক এসিড তৈরি থেকে। তবে পরিত্যক্ত ল্যাকটিক এসিড মাংসপেশিকে দুর্বল করে দেয়। কঠিন কাজে ল্যাকটিক এসিডের উপস্থিতি দ্রুত বৃদ্ধি পায়। ফলে শারীরিক ক্লান্তিও তাড়াতাড়ি আসে।
রহিমা বেগম পরিকল্পিতভাবে কাজ না করার ফলে তাকে অধিক পরিশ্রম করতে হয়। ফলে উপরিউক্ত উপায়ে তার শারীরিক ক্লান্তি বৃদ্ধি পায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

শারীরিক ও মানসিক যেকোনো পরিশ্রমের পর যে অবসাদ আসে তাকেই ক্লান্তি বলে।

অধিক পরিশ্রমের ফলে শরীরে ল্যাকটিক এসিডের পরিমাণ বেড়ে গেলে শারীরিক ক্লান্তি দেখা দেয়। দেহে যদি সোডিয়াম ফসফেটের মতো কোনো রাসায়নিক দ্রব্য প্রবেশ করানো যায়, তবে ল্যাকটিক এসিডের প্রভাব নষ্ট হয়ে যায় এবং ক্লান্তি হ্রাস পায়।
রহিমা বেগম সারাদিন পরিকল্পনা ছাড়াই বিভিন্ন কাজ করেন এবং একাই সবার কাজ করেন। ফলে তিনি ক্লান্ত হয়ে যান এবং তার মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়। তাই সবার সাথে খারাপ ব্যবহার করলে সবাই তার উপর বিরক্ত হয়। এ সমস্যা সমাধানের একমাত্র উপায় তার ক্লান্তি হ্রাস করা। রহিমা বেগমের ক্লান্তি হ্রাস করতে হলে যা যা করতে হবে সেগুলো
হলো-
১. রহিমা বেগমকে সময় পরিকল্পনা করতে হবে।
২. শক্তির ব্যবহার সম্পর্কে তাকে সচেতন থাকতে হবে। কারণ অতিরিক্ত পরিশ্রমের ফলেই শারীরিক ক্লান্তির উৎপত্তি হয়।
৩. কাজ এমনভাবে সাজাতে হবে যাতে একটি ভারি কাজের পর হালকা কাজ থাকে।
৪. শ্রম লাঘবের জন্য কাজ সহজকরণের পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে।
৫. কাজের মাঝে বিশ্রামের ব্যবস্থা থাকতে হবে। এই ক্ষেত্রে Work Curve সম্পর্কে জানতে হবে। দিনের শুরুতে কর্মশক্তি যা থাকে মধ্যাহ্নে তা বৃদ্ধি পায় এবং দুপুরের পর কমতে থাকে। তাই Work Curve সম্পর্কে অবগত থাকলে সেভাবে কর্মপরিকল্পনা করে ক্লান্তি সহজেই হ্রাস করা সম্ভব।

৬. কাজ করার সময় শরীরের অবস্থান সঠিক থাকলে এবং মাংসপেশি কার্যকরভাবে চালিত করলে ক্লান্তি কম হয়।
৭. শারীরিক অথবা মানসিক যে কোনো ক্লান্তি দূর করতে হলে প্রথমে তার কারণ সম্পর্কে জানতে হবে। এরপর ক্লান্তি দূর করার চেষ্টা করতে হবে।
৮. কাজের সময় যতটুকু সম্ভব বৈচিত্র্য আনতে হবে।
সুতরাং, কাজ করার সময় রহিমা বেগমকে আরো বেশি কৌশলী হতে হবে। তাহলেই তার শারীরিক ক্লান্তি হ্রাস পাবে এবং তিনি সকলের নিকট পছন্দনীয় হবেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
18

Related Question

View All
উত্তরঃ

প্রকৃত আয় পরিবারের নির্দিষ্ট সময়ে ভোগ্য দ্রব্যসামগ্রী ও সেবাকর্ম দ্বারা গঠিত। প্রকৃত আয় বাড়ানোর উপায়গুলো হলো-
যখন বিভিন্ন দোকান বা ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান হ্রাসকৃত মূল্যে দ্রব্যসামগ্রী বিক্রি করে তখন সেগুলো কেনা। পরিচিত ব্যক্তি যেমন- চিকিৎসক, শিক্ষক, প্রকৌশলী ইত্যাদি পেশার ব্যক্তির কাছ থেকে পরিবার স্বল্প মূল্যে বা বিনামূল্যে সেবা লাভ করে আয় বাড়াতে পারে। এছাড়া সরকারি বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করেও প্রকৃত আয় বাড়ানো যায়। যেমন: সরকারি হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে সেবা গ্রহণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
43
উত্তরঃ

কাজ ও সময়কে ভিত্তি করে যে পরিকল্পনা করা হয় তাই সময় তালিকা।

মিতা একাদশ শ্রেণির ছাত্রী। ঘুম থেকে উঠতে দেরি হওয়ায় প্রায়ই তার কলেজে যেতে দেরি হয়। সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত সে টিভি দেখে। পরীক্ষায় সে ভালো ফলাফল করতে পারে না। এই সমস্যা দূর করতে মিতার সময় তালিকা অনুসরণ করা উচিত।
মিতার জন্য কলেজ খোলার দিনের একটি সময় তালিকা উল্লেখ করা হলো-

সময়কার্য বিবরণীসময়ের পরিমাণ
ঘণ্টামিনিট
৬.০০-৭.০০ঘুম থেকে ওঠা, বিছানা গোছানো, হাতমুখ ধোয়া, ধর্মীয় কাজ করা, নিজস্ব কোনো কাজ করা।০০
৭.০০-৭.৩০নাস্তা তৈরিতে সাহায্য করা, নাস্তা খাওয়া।৩০
৭.৩০-৯.০০পড়াশোনা করা৩০
৯.০০-১০.৩০টিউটর থাকলে পড়া/লেখাপড়া করা।৩০
১০.৩০-১১.০০গোসল করা, খাওয়া, কলেজের জন্য তৈরি হওয়া।৩০
১১.০০-০৪.৩০শ্রেণিকক্ষে অবস্থান, পাঠে মনোযোগ দেওয়া।৩০
৪.৩০-৫.০০বাসায় পৌছানো, নামাজ পড়া।৩০
সময়কার্য বিবরণীসময়ের পরিমাণ
ঘণ্টা

 

মিনিট

৫.০০-৬.৩০বিশ্রাম ও হালকা নাস্তা খাওয়া, বাড়ির কাজে সাহায্য করা।৩০
৬.৩০-৭.০০নামাজ পড়া।৩০
৭.০০-১০.৩০পড়াশোনা করা।৩০
১০.৩০-১১.১০নামাজ পড়া, খাওয়া৪০
১১.১০-১১.২০দাঁত ব্রাশ করা, ঘুমের জন্য তৈরি হওয়া।১০
১১.২০-৬.০০ঘুমানো।৪০
 মোট সময় ২৪ ঘণ্টা০০
Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
36
উত্তরঃ

কাজ সহজকরণের উপায় হলো কাজকে সহজ উপায়ে সম্পাদন করা।
বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে সময় ও শক্তির সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে যেকোনো কাজ সহজে সম্পন্ন করার পদ্ধতিই হলো কাজ সহজকরণ পদ্ধতি।
-সহজকরণ পদ্ধতি অবলম্বন করে কাজ করলে সমস্যায় পড়তে হয় না। যেমন- কাজের সময় দুই হাত ব্যবহার করা, সঠিক দেহভঙ্গি নিয়ে
কাজ করা, যেকোনো কাজ করার সময় কাজের ধারা সম্পর্কে ধারণা থাকা, ভারি কাজের পর হালকা কাজ করা ইত্যাদি। কাজের সরঞ্জাম সরল ও মজবুত হতে হবে। কাজের বিভিন্ন পর্যায়ে পরিবর্তন এনেও কাজ সহজ করা যায়। যেমন- শাকসবজি একবারে ধুয়ে কাটার পর পাত্রে রাখা, যেন অন্য পাত্রে রাখার প্রয়োজন না হয়। উৎপাদিত দ্রব্য পরিবর্তন করেও সময় ও শক্তির সদ্ব্যবহার করা যায়। যেমন- গৃহিণী টেবিল ক্লথের পরিবর্তে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন। ফলে ধোয়ার জন্য সময় ও শক্তি ব্যয় হবে না। এছাড়া গৃহস্থালির কাজ সহজ ও সংক্ষেপে করার জন্য অনেক নতুন নতুন জিনিস আবিষ্কার হচ্ছে যা সময় ও শক্তির সদ্ব্যবহার করতে সাহায্য করে। যেমন- ওয়াশিং মেশিন, প্রেসার কুকার ইত্যাদি।

সুতরাং, কাজ সহজকরণ পদ্ধতির মাধ্যমে সময় ও শক্তি দুটোই সংরক্ষণ সম্ভব। মিতার বাবার এই উক্তিটি যথার্থ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
26
উত্তরঃ

কোনো একটি কাজ সম্পূর্ণভাবে করার জন্য কাজের বিভিন্ন পর্যায়ের বর্ণনাই প্রসেস চার্ট।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
32
উত্তরঃ

কাজ সহজ করার বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করে সময় ও শক্তির সদ্ব্যবহার করা যায়।
ব্যবহৃত দ্রব্যের পরিবর্তন করেও সময় ও শক্তির সদ্ব্যবহার করা যায়। যেমন- খাবার টেবিলে কাপড়ের টেবিল ক্লথ ব্যবহার না করে প্লাস্টিকের টেবিল ক্লথের উপর টেবিল ম্যাট ব্যবহার করলে গৃহ ব্যবস্থাপকের পরিশ্রম কম হয়, সহজেই টেবিল পরিষ্কার করা যায়। এতে সময় ও শক্তি ব্যয় কম হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
28
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews