রহিম সাহেব তার বাড়ির পাশের একখণ্ড জমিতে চাষাবাদ করার জন্য মাটি পরীক্ষা করলেন। তারপর কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ চাইলেন। কৃষি কর্মকর্তা তাকে সবজি এবং মসলা চাষের পরামর্শ দিলেন। রহিম সাহেব সবজি চাষ করে ভাল ফলন পেলেন।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

মাটির বিভিন্ন প্রকার কণা বিভিন্ন অনুপাতে মিশে মাটির যে গঠন তৈরি করে তাকে মাটির বুনট বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
উত্তরঃ

মাটির উপাদান চারটি। যথা- ১. খনিজ পদার্থ বা অজৈব পদার্থ, ২. জৈব পদার্থ, ৩. পানি, এবং ৪. বায়ু।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
উত্তরঃ

কোন মাটিতে কী ফসল উৎপাদন করা যায় তা মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা, অম্লত্ব বা ক্ষারত্ব, বুনট এবং গাছের দরকার পুষ্টির উপর নির্ভর করে। মাটি পরীক্ষার মাধ্যমে এসব গুণাবলি সম্পর্কে জানা যায়। তাই একটি জমি কোন কোন ফসল উৎপাদনের জন্য উপযুক্ত তা জানার জন্য জমিতে চাষাবাদ করার পূর্বে জমির মাটি পরীক্ষা করতে হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
উত্তরঃ

রহিম সাহেবের জমিতে সবজি ও মসলা চাষ করার জন্য কৃষি কর্মকর্তা পরামর্শ দিয়েছিলেন। কাজেই রহিম সাহেবের জমিতে দো-আঁশ মাটি আছে বলে মনে হয়।

বেলে মাটিতে বালিকণার ভাগ বেশি থাকায় পানি ধারণ ক্ষমতা কম। জৈব পদার্থের পরিমাণও কম থাকে তাই এ মাটি অনুর্বর। বিশেষ কিছু ফসল ছাড়া এ মাটি ফসল চাষের অনুপযোগী। এঁটেল মাটিতে কর্দম বেশি থাকায় পানি ধারণ ক্ষমতা বেশি। তাই পানি নিষ্কাশন করা কষ্টসাধ্য। ধান এবং বহুবর্ষজীবী ফসলসমূহ চাষ করা যায় এ জমিতে। অন্যদিকে দো-আঁশ মাটিতে প্রায় সমপরিমাণে বালি, পলি ও কর্দম কণা থাকে। তাই পানি ধারণ ক্ষমতা মাঝারি এবং পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থাও বেশ ভালো। বিভিন্ন দিক বিবেচনায় ফসল উৎপাদন উপযোগিতার ক্ষেত্রে দো-আঁশ মাটি সবচেয়ে ভালো।

উপরোক্ত আলোচনা হতে সহজেই বোঝা যায় রহিম সাহেবের জমির মাটি দো-আঁশ মাটি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
108

ফসল উৎপাদনে কৃষি উপকরণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কৃষি উপকরণগুলোর মধ্যে মাটি, পানি, বীজ, সার উল্লেখযোগ্য। কোন মাটিতে কোন ফসল জন্মাবে, ভালো বীজের বৈশিষ্ট্যগুলো কেমন, ফসলে সেচের দরকার আছে কি না, অতিরিক্ত পানি ফসলের ক্ষতি করছে কি না, জমিতে কী কী সার প্রয়োগ করা দরকার, এসব সম্পর্কে আমরা এ অধ্যায়ে বিস্তারিত জানব।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-

  • ব্যবহার অনুযায়ী উপযুক্ত মাটি শনাক্ত করতে পারব।
  • কৃষি ফলনে মাটির প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • কৃষি ক্ষেত্রে পানির প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • বীজের বৈশিষ্ট্য ও প্রকারভেদ বর্ণনা করতে পারব।
  • সারের প্রকারভেদ বর্ণনা করতে পারব।
  • কৃষিতে রাসায়নিক সারের প্রভাব মূল্যায়ন করতে পারব।
  • কৃষিকাজে সার ব্যবহারের উপযোগিতা মূল্যায়ন করতে পারব।
  • কৃষিকাজে পানির পরিমিত ব্যবহারে সচেতন হব।
  • রাসায়নিক সার অতিরিক্ত ব্যবহারের কুফল সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

জীবজন্তুর মৃতদেহ, বাড়ির গাছপালা, শাকসবজির অবশিষ্টাংশ, লতাপাতা, খড়কুটা, প্রাণীর মলমূত্র প্রভৃতি মাটিতে পচে যে পদার্থের সৃষ্টি হয় তাকে জৈব পদার্থ বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
777
উত্তরঃ

মাটির বুনট যদি বেলে প্রকৃতির হয় তবে চীনা, কাউন, ফুটি, আলু, তরমুজ ভালো হবে। মাটির বুনটের অর্ধেক যদি বালিকণা এবং বাকি অর্ধেক পলি ও কর্দম কণার হয় তবে সে মাটিতে সব ধরনের ফসল ভালো জন্মাবে। আবার যে মাটিতে কর্দম কণা বেশি থাকে সে মাটিতে ধান, পাট, আখ ও শাকসবজি ভালো জন্মাবে। সুতরাং জমিতে ফসল উৎপাদন বুনটের উপর নির্ভরশীল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
188
উত্তরঃ

মজিদের বাড়ির আবর্জনাগুলোকে সদ্ব্যবহারের সর্বোত্তম উপায় হলো এগুলো দিয়ে জৈব সার তৈরি করে জমিতে প্রয়োগ করা। জৈব সার তৈরির জন্য তাকে এমন একটি উঁচু জায়গা নির্বাচন করতে হবে যেখানে পানি জমে না। এরপর উক্ত স্থানে আবর্জনাগুলো নিয়মিত জমাতে হবে। মাঝে মাঝে জমানো স্তরগুলো ওলটপালট করে দিতে। হবে। এতে করে অণুজীবের ক্রিয়ায় আবর্জনাগুলো পচে জৈব সার তৈরি হবে। তৈরিকৃত এ জৈব সার সে প্রয়োজনানুযায়ী তার ফসলের জমিতে প্রয়োগ করবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
132
উত্তরঃ

কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শক্রমে মজিদ বাড়ির আঙিনার আবর্জনাগুলোকে জৈব সারে রূপান্তরের 'সিদ্ধান্ত নেয়। এ সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়নের ফলে মজিদ যেসব সুবিধা পাবে তা হলো—

১. জমির উর্বরতা বৃদ্ধি পাবে।
২. রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমে যাবে। ফলে উৎপাদন খরচ কমে যাবে। ফলে উৎপাদন
৩. জমির পানি ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ায় সেচ কম লাগবে।
৪. ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।
৫. বাড়ির আঙিনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকবে।

এসব সুবিধা প্রাপ্তির কারণে মজিদের কৃষি কাজ অনেক সহজ ও লাভজনক হবে। সহজেই সে তার উৎপাদনকালীন কাজগুলো সম্পন্ন করতে পারবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
175
উত্তরঃ

পৃথিবীর নরম উপরিভাগকে সাধারণভাবে মাটি বলে। কিন্তু মৃত্তিকা বিজ্ঞানীদের মতে ভূপৃষ্ঠের যে নরম স্তরে গাছপালা জন্মে ও গাছ পুষ্টি শোষণ করে বড় হয় তাকে মাটি বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
159
উত্তরঃ

জৈব পদার্থকে মাটির জীবন বলার কারণসমূহ নিচে বর্ণনা করা হলো ;

১. জৈব পদার্থের উপস্থিতি মাটিস্থ অণুজীবগুলোকে ক্রিয়াশীল করে। ফলে মাটিস্থ খাদ্য উপাদান গাছের গ্রহণ উপযোগী হয়।
২. জৈব পদার্থ মাটিতে হিউমাস সৃষ্টি করে, যা মাটির উর্বরতার জন্য খুবই দরকারী।
৩. জৈব পদার্থ মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা বাড়ায়।
৪. জৈব পদার্থ মাটির গঠনকে উন্নত করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
157
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews