কোনো গতিশীল বস্তু তার গতির জন্য কাজ করার যে সামর্থ্য লাভকরে তাকে গতিশক্তি বলে।
ভূ-অভ্যন্তরের তাপকে শক্তির উৎস হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। ভূ-অভ্যন্তরের গভীরে তাপের পরিমাণ এত বেশি যেতা শিলাখণ্ডকে গলিয়ে ফেলতে পারে। এ গলিত শিলাকে ম্যাগমা বলে। ভূতাত্ত্বিক পরিবর্তনের ফলে কখনো কখনো এই ম্যাগমা উপরের দিকে উঠে আসে যা ভূ-পৃষ্ঠের খানিক নিচে জমা হয়। এ সকল জায়গা হট স্পট নামে পরিচিত। ভূ-গর্ভস্থ পানি এ হট স্পটের সংস্পর্শে এসে বাষ্পে পরিণত হয়। এই বাম্প ভ-গর্ভে আটকা পড়ে যায়। হট স্পটের উপর গর্ত করে পাইপ ঢুকিয়ে উচ্চ চাপের এই বাষ্পকে বের করে আনা যায় যা দিয়ে টার্বাইন ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব।
দেওয়া আছে,
আমটিকে আঘাত করার সময় ইটের টুকরাটির বেগ, v = 9.8 ms-1
বের করতে হবে, ভূমি থেকে আমের উচ্চতা, h=?
এখন, আমটিকে আঘাত করার মুহূর্তে ইটের টুকরাটিতে গতি ও বিভব উভয় প্রকার শক্তিই বিরাজমান।
ধরা যাক, ইটের টুকরাটির ভর = m
l উচ্চতায় ইটের টুকরাটির বিভব শক্তি, l' = mgh এবং গতিশক্তি,
শক্তির সংরক্ষণশীলতা নীতি অনুসারে
'গ' অংশ হতে পাই, ভূমি থেকে আমের উচ্চতা, h = 4.9m
বৃত্তচ্যুত হওয়ার পূর্ব মুহূর্তে আমটি স্থির ছিল, সুতরাং ঐ মুহূর্তে আমটিতে শুধু বিভব শক্তি ছিল।
আবার ভূমি স্পর্শ করার পূর্ব মুহূর্তে আমটিতে শুধু গতিশক্তি ছিল, কেনন। এ মুহূর্তে ভূমি থেকে আমের উচ্চতা শূন্য।
এখানে,
আমের আদিবেগ, u=0 ms-1
আমের ভর, m = 250gm = 0.25 kg
অভিকর্ষজ ত্বরণ,g= 9.8ms-2
ধরা যাক, ভূমি স্পর্শ করার পূর্ব মুহূর্তে আমের বেগ, = v
পড়ন্ত বস্তুর সূত্রানুসারে,
ভূমি স্পর্শ করার পূর্ব মুহূর্তে আমের গতিশক্তি, T= 12.005 J
এবং 4.9 m উচ্চতায় আমের বিভবশক্তি,V=mgh=12.005 J
সুতরাং, T = V
অর্থাৎ, এখানে আমটিতে মোট যান্ত্রিক শক্তির মানে কোনো পরিবর্তন হয়নি, শুধু বিভব শক্তি গতিশক্তিতে রূপান্তরিত হয়েছে।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!