শিয়াল তার বুদ্ধিমত্তা ও কৌশল দিয়ে হাতির অত্যাচার থেকে বনের পশুপাখিকে রক্ষা করল। একদিন শিয়াল হাতির আস্তানায় ঢুকে তাকে খুশি করার জন্য সালাম দিয়ে বলল, 'আপনি তো বনের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রাণী। আপনাকে রাজা হিসেবে বরণ করে নেওয়ার জন্য সবাই নদীর ওপারে উদগ্রীব হয়ে বসে আছে।' শিয়ালের বুদ্ধির ফাঁদে পা দিয়ে নির্বোধ হাতি খুশি হয়ে নদীতে ঝাঁপ দিল। তারপর প্রকাণ্ড শরীর নিয়ে আর উঠতে পারল না। এভাবে শিয়াল তার বুদ্ধির কৌশলেই বনের পশুপাখিকে রক্ষা করল।
Related Question
View Allবনে বনে পশুদের রাজত্ব ছিল।
শিয়াল তার বুদ্ধিমত্তা ও কৌশল দিয়ে হাতির অত্যাচার থেকে বনের পশুপাখিকে রক্ষা করল। শিয়াল হাতিকে শায়েস্তা করার জন্য কৌশল অবলম্বন করল। তার কৌশলে হাতি নদীতে নেমে তলিয়ে যেতে থাকল। এভাবে শিয়াল তার বুদ্ধি দিয়ে বনের পশুপাখিকে রক্ষা করল।
হাতির অত্যাচারে বনের সব প্রাণী অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল। অত্যাচারী হাতি থেকে রক্ষা পেতে বনের সবাই পরামর্শ করে শিয়ালকে হাতির আস্তানায় পাঠাল। শিয়াল হাতির নানা রকম প্রশংসা করে। নদীর ওপারের সবাই হাতিকে রাজা হিসেবে বরণ করে নিতে চায়- এ কথা শুনে হাতি খুশি মনে শিয়ালের ফাঁদে পা দিল। এভাবে বোকা হাতি শিয়ালের বুদ্ধির কাছে হার মানল।
হাতির করুণ পরিণতির চারটি কারণ নিচে দেওয়া হলো-
১. অহংকারী হয়ে ওঠা।
২. অন্যান্য প্রাণীদের তুচ্ছ ভাবা।
৩. বনের প্রাণীদের অত্যাচার করা।
৪. নিজেকে অসীম শক্তিশালী ভাবা।
হাতি নিজেকে সবচেয়ে শক্তিশালী ও বনের রাজা ভাবত। তাই অহংকারের কারণে তাকে কেউ পছন্দ করত না। সবাই তাকে ভয় পেত। তার দাম্ভিক স্বভাবের কারণে কেউ তার ছায়াও মাড়াত না। দুষ্টু হাতির অহংকারের কারণে সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিল তাকে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়ার
অহংকার পতনের মূল। অহংকারীকে কেউ পছন্দ করে না। সবাই তার থেকে দূরে থাকে। সে বিপদে পড়লেও তাকে কেউ সাহায্য করতে এগিয়ে আসে না। গল্পের হাতি ছিল অহংকারী। তাকে কেউ পছন্দ করত না। তার বিপদেও কেউ এগিয়ে আসেনি। তাই আমরা অহংকারী হব না।
প্রবল শক্তিধর বলা হয়েছে সিংহকে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!