ট্রানজিস্টর এর সাথে ডায়োড কিংবা রেজিস্টর এবং ক্যাপাসিটরের সমন্বয়ে গঠিত পূর্ণাঙ্গ সার্কিটই আইসি।
নিম্ন বর্ণিত কারণে অ্যানালগ ও ডিজিটাল সিগন্যাল ভিন্ন-
১. অ্যানালগ সিগন্যাল নিরবচ্ছিন্নভাবে পরিবর্তিত হয়, অপরদিকে ডিজিটাল সিগন্যাল ছিন্নায়িত মানে সুনির্দিষ্ট মান গ্রহণ করে পরিবর্তিত হয়।
২. দূরত্ব বেশি হলে অ্যানালগ সিগন্যালের ক্ষমতা ধীরে ধীরে কমে, অপরদিকে দূরত্ব বেশি হলেও ডিজিটাল সিগন্যালের ক্ষমতা কমে না। তাই বেশি দূরত্বে সিগন্যাল প্রেরণে ডিজিটাল সিগন্যাল অধিক উপযোগী।
৩. অ্যানলগ সিগন্যালে খুব সহজে নয়েজ প্রবেশ করে, অপরপক্ষে ডিজিটাল সিগন্যাল ধারাবাহিকভাবে মান সংরক্ষণ করে বিধায় এতে নয়েজ প্রবেশ করতে পারে না।
উদ্দীপকের অর্ধপরিবাহী মৌলিক পদার্থটি হলো সিলিকন।
সিলিকনের কেলাস চিত্রটি নিম্নরূপ:

চিত্রে সেমিকন্ডাক্টরের একটি মডেল চিত্রে অনেকগুলো পরমাণুকে পাশাপাশি দেখানো হয়েছে। পরমাণুর গঠনের কারণে তাদের শেষ কক্ষপথে যদি আটটি ইলেকট্রন থাকে, তাহলে সৈটি কোনো এক অর্থে পরিপূর্ণ হয় এবং অনেক স্থিতিশীল হয়।
সিলিকন হচ্ছে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত সেমিকন্ডাক্টর, তার শেষ কক্ষপথে ইলেকট্রনের সংখ্যা চার, কিন্তু যখন আমরা সিলিকন কেলাসের দিকে ঢাকাই তখন অবাক হয়ে আবিষ্কার করি প্রত্যেকটি পরমাণুই ভাবছে তার শেষ কক্ষপথে আটটা ইলেকট্রন। এটা ঘটেছে কারণ প্রত্যকটা পরমাণুই চারদিকে ভিন্ন চারটি পরমাণুর সাথে যুক্ত এবং সবাই নিজের ইলেকট্রনগুলো পাশের পরমাণুর সাথে ভাগাভাগি করে ব্যবহার করছে।
আমরা জানি, ইলেকট্রনিকসের ক্রম বিকাশ মূলত তিনটি অংশে বিভক্ত।
ভ্যাকুয়াম টিউব, ট্রানজিস্টর এবং আইসি। আইসি তৈরির পূর্বে মূলত ভ্যাকুয়াম টিউব বা ট্রানজিস্টর দিয়েই ইলেকট্রনিকস যন্ত্রপাতি তৈরি করা হতো। সুতরাং শোভনের রেডিওতে আইসি ব্যবহার না করে ভ্যাকুয়াম টিউব অথবা ট্রানজিস্টর ব্যবহার করে একই কাজ করা যেত। এদের বর্ণনা নিম্নরূপ:
(i) ভ্যাকুয়াম টিউব: 1904 সালে জন ফ্লেসিং এডিসন ক্রিয়াকে কাজে
লাগিয়ে প্রথম দুই ইলেকট্রোডের একটি ভ্যাকুয়াম টিউব তৈরি করেন যেটি রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করত অর্থাৎ পরিবর্তনশীল বিদ্যুৎ প্রবাহকে একদিকে প্রবাহিত করত। পরবর্তীতে, 1906 সালে লি দ্য ফরেস্ট তৃতীয় একটি ইলেকট্রোড সংযোজন করে নতুন আরেকটি ভ্যাকুয়াম টিউব তৈরি করেন এবং সেটি ট্রায়োড নামে পরিচিতি লাভকরে। ট্রায়োড দিয়ে বৈদ্যুতিক প্রবাহকে নিয়ন্ত্রণ করা যেত এবং সেটিকে অ্যামপ্লিফায়ার হিসেবেও ব্যবহার করা যেত।
(ii) ট্রানজিস্টর: 1947 সালে বেল ল্যাবরেটরিতে প্রথম ট্রানজিস্টর তৈরি
করা হয়। ট্রানজিস্টর ভ্যাকুয়াম টিউবের মতো কাজ করতে পারে কিন্তু ভ্যাকুয়াম টিউবের তুলনায় এটি অতি ক্ষুদ্র, ওজন খুবই কম, এটি ব্যবহার করতে খুব অল্প বিদ্যুতের প্রয়োজন হয়। এটি অনেক বেশি নির্ভরযোগ্য এবং সবচেয়ে বড় কথা এটি অনেক কম খরচে তৈরি করা সম্ভব।
তাই বলা যায়, শোভনের রেডিওতে আইসি ব্যবহার না করে ভ্যাকুয়াম টিউব অথবা ট্রানজিস্টর ব্যবহার করে একই কাজ করা যেত।
Related Question
View Allপরমাণুর কেন্দ্রে নিউক্লিয়াস থাকে
নিউট্রন পরমাণুর কেন্দ্রে থাকে
পরমাণুর ব্যাসার্ধ নিউক্লিয়াসের ব্যাসার্ধের প্রায় এক লক্ষ গুণ
পরমাণুর ভর আসলে নিউক্লিয়াসের ভর
প্রোটনের সংখ্যা 82 অতিক্রম করলে নিউক্লিয়াসগুলো তেজস্ক্রিয় হয়
প্রতি সেকেন্ডে একটি তেজস্ক্রিয় বিভাজনকে এক বেকেরেল বলে
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!