শ্যাম্পু উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান 'স্যাম্পী লি.' ভোক্তাদের 
ক্রয়ক্ষমতা, রুচি প্রভৃতি বিবেচনা করে বড় সাইজের বোতলের পাশাপাশি 
মিনি প্যাক, মাঝারি প্যাক ও ক্ষুদ্রাকৃতির বিকল্প কন্ডিশনার তৈরির জন্য 
একটি প্রকল্প গ্রহণ করতে চায়। আয়-ব্যয় প্রাক্কলন করে দেখা যায় ৫ 
বছর মেয়াদি এই প্রকল্পে প্রাথমিক বিনিয়োেগ ৫ কোটি টাকা এবং 
বিক্রয়ের পরিমাণ যথাক্রমে ৭০ লক্ষ, ১.৪ কোটি, ২ কোটি, ২.৫ কোটি 
ও ১.৬ কোটি টাকা। অন্যান্য চলতি খরচ বিক্রয়ের ৪০% এবং কর 
- ৩০%। 

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

মূলধন বাজেটিং প্রক্রিয়ায় মূলধন খরচকে বাট্টা হার হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

উত্তরঃ

মূলধন বাজেটিং-এ কোন প্রকল্পের আয়-ব্যয় কত হবে তা অনুমানের ওপর ভিত্তি করে প্রাক্কলন করা হয় বলে মূলধন বাজেটিংকে অনুমান নির্ভর বলা হয়।
এক্ষেত্রে একটি প্রকল্পের আয় কত হবে, চলতি ব্যয় কত হবে তা অনুমান করা হয়। এ অনুমান সব সময় বাস্তব বা সঠিক নাও হতে পারে। তাই বলা হয় মূলধন বাজেটিং অনুমান নির্ভর।

উত্তরঃ

স্যাম্পী লি.-এর প্রকল্পটির গড় মুনাফার হার নির্ণয়:

উত্তরঃ

মূলধন বাজেটিং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত হওয়ায় 'স্যাম্পী লি.' কোম্পানির ক্ষেত্রে এর গুরুত্ব অপরিসীম।
কোম্পানি সাধারণত নগদ প্রবাহ পাওয়ার আশায় দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগ করে। প্রতিষ্ঠানের এ বিনিয়োগ সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে মূলধন বাজেটিং-এর বিভিন্ন পদ্ধতি (গড় মুনাফার হার, পে-ব্যাক সময়, নিট বর্তমান মূল্য ইত্যাদি) ঠিক দিক নির্দেশনা দিয়ে থাকে। ফলে কোনো প্রকল্পে বিনিয়োগ আদৌ লাভজনক হবে কিনা তা এই পদ্ধতিসমূহের মাধ্যমে জানা যায়।
উদ্দীপকের শ্যাম্পু উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান 'স্যাম্পী লি.' ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতা, রুচি প্রভৃতি বিবেচনা করে একটি প্রকল্পে বিনিয়োগ করতে চায়। ৫ বছর মেয়াদি উক্ত প্রকল্পে প্রাথমিক বিনিয়োগের পরিমাণ ৫ কোটি টাকা। অর্থাৎ এটি একটি বড় আকারের দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ।
যেকোনো ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের মুনাফা নির্ভর করে মূলধন বাজেটিং-এর সিদ্ধান্তের উপর। কারণ কোনো কারণে সিদ্ধান্তে ভুল হলে সাধারণত সেটি সংশোধন করার সুযোগ থাকে না। আবার সংশোধনের সুযোগ থাকলেও বড় অঙ্কের মাশুল দিতে হয়। এক্ষেত্রে কারবারটি ব্যর্থও হতে পারে।
উদ্দীপকে 'স্যাম্পী কোম্পানির' নতুন প্রকল্পটি বড় ও দীর্ঘমেয়াদি। তাই এ প্রকল্পে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মূলধন বাজেটিং সিদ্ধান্ত সঠিক ও বাস্তবসম্মত হওয়া প্রয়োজন। সুতরাং বলা যায়, স্যাম্পী লি. কোম্পানির বিনিয়োগ ক্ষেত্রটির জন্য মূলধন বাজেটিং গুরুত্বপূর্ণ।

264

যেকোনো ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের সাফল্য ও টিকে থাকা নির্ভর করে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ সিদ্ধান্তের উপর। উদ্যোক্তাকে ব্যবসায় পরিচালনার বিভিন্ন সময় স্থায়ী সম্পত্তি যেমন: জমি, দালানকোঠা, আসবাবপত্র, যন্ত্রপাতি ইত্যাদি ক্রয়, এসব স্থায়ী সম্পত্তি প্রতিস্থাপন, উৎপাদন পদ্ধতির আধুনিকায়ন, নতুন পণ্য বাজারে ছাড়া—এরকম অনেক দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নিতে হয়। এসব বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত কোম্পানির জন্য কতটুকু লাভজনক হবে বা আদৌ লাভজনক হবে কি না, সেজন্য এসব বিনিয়োগ সিদ্ধান্তের সঠিক মূল্যায়নের জন্য কিছু পদ্ধতি বা নীতিমালা দরকার। অর্থায়নের যে সব পদ্ধতি বা নীতিমালা এসব দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত গ্রহণে সাহায্য করতে পারে, সে সম্পর্কে আমরা এ অধ্যায়ে জানতে পারব ।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা- 

  • মূলধন বাজেটিং এর ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • মূলধন বাজেটিং- এর উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব বিশ্লেষণ করতে পারব।
  • মূলধন বাজেটিং- এর বিভিন্ন কৌশল প্রয়োগ করতে পারব।
  • মূলধন বাজেটিং - এর বিভিন্ন কৌশলের সীমাবদ্ধতাসমূহ চিহ্নিত করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ গড় মুনাফার হার পদ্ধতি হলো একটি বিনিয়োগ মূল্যায়ন পদ্ধতি যা একটি প্রকল্পের প্রত্যাশিত গড় বার্ষিক মুনাফাকে বিনিয়োগকৃত গড় মূলধন দ্বারা ভাগ করে প্রাপ্ত হারকে নির্দেশ করে। এটি মূলত বিনিয়োগের লাভজনকতা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয় এবং এর মাধ্যমে বিভিন্ন বিনিয়োগ প্রকল্পের মধ্যে তুলনামূলক বিচার করা সম্ভব হয়। যে প্রকল্পের গড় মুনাফার হার বেশি, সেটিকে সাধারণত অধিক লাভজনক বিবেচনা করা হয়। এটি মূলধন বাজেটিংয়ের একটি ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতি, যা সময় মূল্যের প্রভাবকে বিবেচনা করে না।
গড় মুনাফার হার পদ্ধতি (Average Rate of Return Method - ARR) হলো মূলধন বাজেটিংয়ের একটি সরল কৌশল যা কোনো বিনিয়োগ প্রকল্পের প্রত্যাশিত বার্ষিক গড় নিট আয়কে গড় বিনিয়োগ দ্বারা ভাগ করে মুনাফার শতকরা হার নির্ণয় করে। এই পদ্ধতি একটি প্রকল্পের সামগ্রিক লাভজনকতা মূল্যায়ন করতে সাহায্য করে এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের একাধিক বিনিয়োগ বিকল্পের মধ্যে থেকে সবচেয়ে লাভজনক বিকল্পটি বেছে নিতে সহায়তা করে। তবে, এই পদ্ধতি অর্থের সময় মূল্য (Time Value of Money) এবং নগদ প্রবাহের (Cash Flow) সময়কালকে বিবেচনা করে না, যা এর প্রধান সীমাবদ্ধতা।
Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
2.3k
উত্তরঃ

পে-ব্যাক সময় পদ্ধতি হলো মূলধন বাজেটিংয়ের এমন একটি পদ্ধতি, যা বিনিয়োগকৃত অর্থ ফেরত আসতে কত সময় লাগে তা পরিমাপ করে।


পে-ব্যাক সময় পদ্ধতি (Payback Period Method) হলো মূলধন বাজেটিংয়ের একটি কৌশল যা একটি প্রকল্পে বিনিয়োগকৃত অর্থ ফেরত পেতে কত সময় লাগবে তা নির্ধারণ করে। এই পদ্ধতিটি প্রাথমিকভাবে একটি বিনিয়োগের তারল্য এবং ঝুঁকি মূল্যায়নে সহায়তা করে। সাধারণত, যে প্রকল্পের পে-ব্যাক সময় যত কম হয়, সেই প্রকল্পটি তত বেশি আকর্ষণীয় বলে বিবেচিত হয়, কারণ এতে বিনিয়োগকৃত অর্থ দ্রুত ফেরত আসে এবং ঝুঁকি কম থাকে। তবে, এই পদ্ধতির একটি প্রধান সীমাবদ্ধতা হলো এটি অর্থের সময় মূল্য (Time Value of Money) এবং পে-ব্যাক সময়ের পরের নগদ প্রবাহ (Cash Flow) বিবেচনা করে না।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
1.6k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews