ষাটোর্ধ্ব রহমান সাহেব প্রতিদিন গ্রামের পাঠশালায় শিশুদের পড়ানোর পাশাপাশি বৃক্ষরোপণ অভিযান পরিচালনা করেন। অন্যদিকে বিশ বছরের যুবক তুর্য সারাদিন ঘরে বসে আলস্যে সময় কাটায় এবং কোনো ধরনের সামাজিক কাজে অংশগ্রহণ করে না। রহমান সাহেব বলেন, "শরীর বুড়ো হলেও আমার মন এখনও সজীব, আমি এখনো স্বপ্ন দেখি।"

Updated: 1 month ago
উত্তরঃ যৌবনের গান' প্রবন্ধে শতশত তরুণ মিলে জীবনের জয়গান ফুটিয়ে তুলেছে।
Satt AI
Satt AI
1 month ago
উত্তরঃ

উক্ত উক্তিটির মাধ্যমে বক্তা বোঝাতে চেয়েছেন যে তিনি প্রত্যক্ষ কর্ম বা সক্রিয় অংশগ্রহণের চেয়ে চিন্তাভাবনা, গভীর মনন বা দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গিকে অধিক গুরুত্ব দেন। তিনি নিজেকে সমাজের সেই অংশের একজন হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন, যারা শারীরিক শ্রম বা মাঠপর্যায়ের কাজের চেয়ে জ্ঞানচর্চা, শিল্পসৃষ্টি অথবা আধ্যাত্মিক অনুধ্যানের মাধ্যমে অবদান রাখে।

এই উক্তির তাৎপর্য হলো, সমাজে কেবল বাহ্যিক কর্মীরাই অবদান রাখেন না, ধ্যানের মাধ্যমে অর্থাৎ গভীর চিন্তাভাবনা, নতুন ধারণা সৃষ্টি বা আদর্শ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেও অনেকে মানবকল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এটি কর্ম ও ধ্যানের মধ্যে একটি পার্থক্য নির্দেশ করে, যেখানে ধ্যানকে পরোক্ষ কিন্তু সুদূরপ্রসারী প্রভাব সৃষ্টিকারী হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের তুর্যের মাঝে কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে বর্ণিত নিষ্ক্রিয় ও কর্মবিমুখ শ্রেণির মানুষের প্রতিচ্ছবি দেখা যায়।

'যৌবনের গান' প্রবন্ধে কাজী নজরুল ইসলাম তারুণ্যকে কেবল শারীরিক বয়স দিয়ে বিচার করেননি, বরং মন ও চেতনার সজীবতাকে গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর মতে, যৌবন মানে জীবনকে উপভোগ করা এবং সৃষ্টির উন্মাদনায় ঝাঁপিয়ে পড়া। যারা যৌবনে কর্মবিমুখ, স্বপ্নহীন ও আলস্যে দিন কাটায়, তারা শারীরিক দিক থেকে তরুণ হলেও মূলত তাদের মন বৃদ্ধ, অর্থাৎ তারা 'বুড়ো মনের যুবক' শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।

উদ্দীপকে বিশ বছরের যুবক তুর্য সারাদিন ঘরে বসে আলস্যে সময় কাটায় এবং সমাজের কোনো গঠনমূলক কাজে অংশগ্রহণ করে না। তার এই আলস্য, কর্মবিমুখতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার অভাব 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে বর্ণিত সেই শ্রেণির মানুষের পরিচয় বহন করে, যারা নিজেদের তারুণ্যকে দেশ ও সমাজের কল্যাণে ব্যয় না করে নির্লিপ্ত জীবনযাপন করে। রহমান সাহেবের সজীব ও কর্মচঞ্চল মনের বিপরীতে তুর্য বয়সে তরুণ হয়েও মনে বৃদ্ধত্বের ছায়া বহন করছে, যা তার নিষ্ক্রিয় ও কর্মবিমুখ শ্রেণির অন্তর্ভুক্তির প্রমাণ।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
উত্তরঃ

কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে যৌবনকে কেবল শারীরিক বয়স বা শক্তি দিয়ে সংজ্ঞায়িত করেননি, বরং এর মহিমাকে দেখেছেন তারুণ্যের দীপ্তি, নির্ভীকতা, সৃজনশীলতা ও দেশপ্রেমের মতো মানসিক গুণাবলির মধ্যে। উদ্দীপকে রহমান সাহেবের জীবনদৃষ্টি ও কর্মস্পৃহা এই প্রকৃত যৌবনেরই প্রতিচ্ছবি, যা শারীরিক বার্ধক্যকে তুচ্ছ করে সজীব মন ও কর্মোদ্যমের জয় ঘোষণা করে।

উদ্দীপকে আমরা দেখতে পাই ষাটোর্ধ্ব রহমান সাহেব বয়সের ভারে ন্যুব্জ নন, বরং তিনি প্রতিদিন গ্রামের পাঠশালায় শিশুদের জ্ঞানদান করছেন এবং বৃক্ষরোপণ অভিযানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তিনি নিজে বলছেন, "শরীর বুড়ো হলেও আমার মন এখনও সজীব, আমি এখনো স্বপ্ন দেখি।" অন্যদিকে বিশ বছরের যুবক তুর্য তারুণ্যের শক্তি ও উদ্দীপনা থাকা সত্ত্বেও অলসভাবে সময় কাটাচ্ছে এবং কোনো সামাজিক কাজে অংশ নিচ্ছে না। এই দুই চরিত্রের বৈপরীত্য প্রকৃত যৌবনের দার্শনিক সংজ্ঞাকে স্পষ্ট করে তোলে।

'যৌবনের গান' প্রবন্ধে নজরুল সেই যৌবনকে মহিমান্বিত করেছেন যা স্থবিরতা ও জড়তাকে পরিহার করে গতি, সৃষ্টি ও কল্যাণের পথে ধাবিত হয়। তিনি বলেন, 'যৌবন মানেই ভয়কে জয় করা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করা, নতুন কিছু সৃষ্টি করা এবং মানুষের জন্য কাজ করা।' রহমান সাহেবের শিশুদের পড়ানো এবং বৃক্ষরোপণ অভিযান পরিচালনা করা—এই দুটি কাজই সমাজের প্রতি তাঁর দায়বদ্ধতা, সৃষ্টিশীলতা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য মঙ্গল কামনার প্রতীক। তাঁর এই মানসিকতা কুসংস্কার, অন্ধতা ও আলস্যকে জয় করে প্রগতিশীলতার দিকে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা যোগায়, যা নজরুলের সংজ্ঞায়িত প্রকৃত যৌবনের মর্মবাণী।

অতএব, দেখা যাচ্ছে যে, শারীরিক বয়স কোনো ব্যক্তিবিশেষের তারুণ্যকে নির্ধারণ করে না, বরং তার ভেতরের মানসিক শক্তি, কর্মোদ্যম, স্বপ্ন দেখার সাহস এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করার সদিচ্ছাই প্রকৃত যৌবনের পরিচায়ক। রহমান সাহেবের উদ্দীপনা, স্বপ্ন দেখার ক্ষমতা এবং সামাজিক কাজে সক্রিয় অংশগ্রহণ 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের মূল ভাবধারার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। তাই বলা যায়, "রহমান সাহেবের মানসিকতাই লেখকের সংজ্ঞায়িত প্রকৃত যৌবন" - মন্তব্যটি যথার্থ এবং সর্বৈব সত্য।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
37

Related Question

View All
উত্তরঃ সাত দিন

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'কমলাকান্তের দপ্তর' গ্রন্থের অন্তর্গত 'বিড়াল' নামক রম্য রচনা থেকে প্রশ্নটি নেওয়া হয়েছে। এই রচনায় কমলাকান্ত আফিমের ঘোরে একটি বিড়ালের সঙ্গে কাল্পনিক কথোপকথনে লিপ্ত হন। বিড়ালটি মানুষের ভণ্ডামি ও অবিচারের সমালোচনা করে। বিশেষ করে, ধন-সম্পদ ও দারিদ্র্য নিয়ে মানুষের দ্বৈতসত্তা ফুটিয়ে তোলে। কমলাকান্ত যখন বিড়ালের দুধ চুরি নিয়ে অভিযোগ করেন, তখন বিড়ালটি মানুষের দরিদ্রের প্রতি শোষণের বিষয়টিকে তুলে ধরে। বিড়াল কমলাকান্তকে বিদ্রূপের ছলে সাত দিন (seven days) উপোস থাকতে বলে, যেন সে দরিদ্রদের ক্ষুধার যন্ত্রণা অনুভব করতে পারে। এর মাধ্যমে সমাজে ধনী-গরিবের বৈষম্য এবং দরিদ্রের প্রতি বঞ্চনার বিষয়টি তীব্র ব্যঙ্গের সাথে প্রকাশ পেয়েছে।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
771
উত্তরঃ

“চোর দোষী বটে, কিন্তু কৃপণ ধনী তদপেক্ষা শতগুণ দোষী” – এই উক্তিটির মাধ্যমে সমাজের এক গভীর নৈতিক সত্য তুলে ধরা হয়েছে। একজন চোর ব্যক্তিগতভাবে অপরাধ করে বটে, কিন্তু তার অপরাধের কারণ অনেক সময় পরিস্থিতিগত বা অভাবজনিত হতে পারে। অন্যদিকে, একজন কৃপণ ধনী ব্যক্তি প্রাচুর্য থাকা সত্ত্বেও অন্যের প্রতি নির্দয় ও শোষণমূলক আচরণ করে, যা সামাজিক বৈষম্য ও মানুষের মৌলিক অধিকারের প্রতি চরম অবহেলা নির্দেশ করে।

এই উক্তিটি ইঙ্গিত করে যে, সম্পদের অধিকারী হয়েও যখন কেউ তা কেবল নিজের ভোগ-বিলাসে আবদ্ধ রাখে এবং দরিদ্রের প্রতি কোনো দায়বদ্ধতা অনুভব করে না, তখন তার এই নিষ্ঠুরতা একজন চোরের সাময়িক অপরাধের চেয়েও অধিক নিন্দনীয়। কৃপণ ধনী ব্যক্তি সমাজের ভারসাম্য নষ্ট করে এবং অভাবী মানুষের দুর্দশা বাড়িয়ে তোলে, যা বৃহত্তর অর্থে সমাজের জন্য অধিক ক্ষতিকর ও অমানবিক।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
1.3k
উত্তরঃ

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'বিড়াল' প্রবন্ধে সমাজের ধনীদের শোষণ ও দরিদ্রের বঞ্চনার চিত্র অত্যন্ত নিপুণভাবে তুলে ধরা হয়েছে। প্রবন্ধে বিড়াল নিজের প্রাপ্য খাদ্যের অভাব পূরণ করতে দুধ চুরি করে এবং তার এই কাজকে যুক্তির নিরিখে বিচার করা হয়, যেখানে ক্ষুধার্তের খাদ্যের অধিকারকে প্রাধান্য দেওয়া হয় এবং ধনী ও শোষক শ্রেণির নির্মমতা ও অমানবিকতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়।

উদ্দীপকের সাজাহানও সমাজের এমনই এক বঞ্চিত ও শোষিত শ্রেণির প্রতিনিধি। দরিদ্র বাবা-মায়ের স্বপ্ন ছিল সাজাহান অনেক বড় হবে, কিন্তু আর্থিক অভাব ও শিক্ষা না থাকায় সে কিশোর বয়সেই কাজে নেমে পড়ে। সে কৃপণ ও ধনী আলম সাহেবের বাড়িতে কাজ করে, যেখানে কঠোর পরিশ্রমের পরেও তার ভাগ্যে পর্যাপ্ত খাবার জোটে না। একসময় বাজারের টাকা বাঁচিয়ে লাড্ডু কিনে খাওয়ায় তাকে নির্দয়ভাবে মারধর করা হয়, যা তার অসহায়ত্বের চূড়ান্ত দৃষ্টান্ত।

এই দিক থেকে সাজাহান ও 'বিড়াল' রচনার বিড়াল একই বিড়ম্বনার অংশীদার। বিড়াল যেমন ক্ষুধার্থ হয়েও তার ন্যায্য খাবার থেকে বঞ্চিত হয় এবং ক্ষুধার তাড়নায় দুধ চুরি করতে বাধ্য হয়, তেমনি সাজাহানও তার শ্রমের বিনিময়ে উপযুক্ত খাদ্য পায় না। ক্ষুধার্ত বিড়াল যেমন চুরি করে প্রহারের শিকার হয়, তেমনি সাজাহানও নিজের কষ্টের জমানো টাকায় লাড্ডু কিনে খাওয়ার 'অপরাধে' মালিকের মারের শিকার হয়। উভয় ক্ষেত্রেই শোষক শ্রেণির নির্মমতা এবং শোষিত শ্রেণির অসহায়ত্ব ও বঞ্চনার চিত্র ফুটে উঠেছে, যেখানে শারীরিক চাহিদা পূরণের জন্য সামান্য প্রয়াসও কঠোরভাবে দণ্ডনীয় হয়। তাদের এই দুর্দশা সমাজের অর্থনৈতিক বৈষম্য ও মানবিক মূল্যবোধের অবক্ষয়কে স্পষ্ট করে তোলে, যেখানে দুর্বলরা সব জেনেও অসহায়ত্বের কারণে অন্যায় সহ্য করতে বাধ্য হয়।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
570
উত্তরঃ

উদ্দীপকটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'বিড়াল' প্রবন্ধের মূল ভাবসত্যের যেন এক প্রতীকী প্রতিচ্ছবি। 'বিড়াল' প্রবন্ধে লেখক ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার বঞ্চিত হওয়া এবং সামাজিক অবিচারের প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টিপাত করেছেন। ক্ষুধা নিবারণের জন্য বিড়ালের দুধ চুরিকে কেন্দ্র করে লেখক যে গভীর সামাজিক ও নৈতিক প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন, উদ্দীপকে সাজাহানের ঘটনা তারই যেন বাস্তব ও মর্মস্পর্শী প্রকাশ।

উদ্দীপকে আমরা দেখি, সাজাহান দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের সন্তান। আর্থিক অভাব ও শিক্ষার অভাবে সে কিশোর বয়সেই কৃপণ ও ধনী আলম সাহেবের বাড়িতে কাজে নামে। কঠোর পরিশ্রম করেও তার ভাগ্যে জুটছে না পর্যাপ্ত খাবার। একদিন বাজারের টাকা বাঁচিয়ে সে সামান্য একটি লাড্ডু কিনে খায়, যার জন্য তাকে নির্মম প্রহার সহ্য করতে হয়। সাজাহানের এই বঞ্চনা, শোষণ এবং শারীরিক নির্যাতন 'বিড়াল' প্রবন্ধে বর্ণিত সমাজের উচ্চবিত্ত কর্তৃক নিম্নবিত্তের শোষণ ও তাদের প্রতি অবিচারেরই সুস্পষ্ট ইঙ্গিত বহন করে। বিড়ালের ক্ষুধার তাড়নায় দুধ চুরি এবং তার জন্য তিরস্কারের মতোই সাজাহানের সামান্য লাড্ডু কেনা ও তার জন্য শাস্তিলাভ একই ধরনের নৈতিক প্রশ্ন উত্থাপন করে।

আলম সাহেবের নির্দয়তা এবং সাজাহানের "সে গরীব-অসহায়" ভেবে সব সহ্য করার বিষয়টি 'বিড়াল' প্রবন্ধের কেন্দ্রীয় বক্তব্যকে সমর্থন করে। বঙ্কিমচন্দ্র বিড়ালের উক্তির মাধ্যমে প্রশ্ন তুলেছেন যে, যখন একজন ক্ষুধার্ত মানুষ বা প্রাণী মৌলিক চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হয়, তখন তার পক্ষে অন্যের সম্পদ গ্রহণ করা কতটা গর্হিত? উদ্দীপকের সাজাহানের ঘটনা সেই প্রশ্নেরই প্রতিধ্বনি। তার পরিশ্রমে উপার্জিত অর্থ বাঁচিয়ে কেনা সামান্য লাড্ডুর জন্য তাকে যে শাস্তি পেতে হলো, তা সমাজের ধনী অংশের অমানবিকতা এবং দরিদ্রের প্রতি তাদের চরম উদাসীনতা ও অবিচারকেই প্রমাণ করে। তাই, উদ্দীপকের এই ঘটনা 'বিড়াল' রচনার সেই ভাবসত্য—সামাজিক বৈষম্য, শোষণ এবং নৈতিক অধিকারের প্রশ্নকে জোরালোভাবে প্রতীকায়িত করে।

উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, উদ্দীপকটি 'বিড়াল' রচনার ভাবসত্যের যেন প্রতীকী রূপ—এই মত অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য। সাজাহানের জীবন সংগ্রাম, শোষণ এবং নির্যাতনের চিত্র 'বিড়াল' প্রবন্ধের মূল বার্তা, অর্থাৎ ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে বিদ্যমান বৈষম্য, শ্রমের মর্যাদা এবং মানবিক অধিকারের প্রশ্নকে নতুন করে জাগিয়ে তোলে। উভয় ক্ষেত্রেই শোষণ, বঞ্চনা এবং ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার বেদনা একই সুরে বাঁধা।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
575
উত্তরঃ কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার

কবি কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার তাঁর বিখ্যাত নীতিমূলক কবিতা "নদী কভু পান নাহি করে নিজ জল" (তাঁর 'সদ্ভাব শতক' কাব্যগ্রন্থের অংশ) এ নদীকে মনুষ্যত্বের প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। এই কবিতায় তিনি নদী, বৃক্ষ, গাভী, কাষ্ঠ, স্বর্ণ, বংশী এবং শস্যসহ প্রকৃতির বিভিন্ন উপাদানের দৃষ্টান্ত তুলে ধরেছেন, যারা নিজ নিজ কর্মের দ্বারা নিঃস্বার্থভাবে অপরের কল্যাণ সাধন করে।

নদী যেমন নিজের জল নিজে পান না করে অন্যকে জীবন দান করে, বৃক্ষ যেমন নিজ ফল নিজে না খেয়ে অপরকে দেয়, তেমনি গাভীও নিজের দুগ্ধ নিজে পান করে না। এই সকল উদাহরণ দিয়ে কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে, পরোপকারই মনুষ্যত্বের শ্রেষ্ঠ গুণ। সাধু ব্যক্তিরা যেমন নিজেদের ঐশ্বর্য কেবল অপরের মঙ্গলের জন্য ব্যবহার করেন, ঠিক তেমনি প্রকৃতিও নিঃস্বার্থভাবে মানবজাতির সেবা করে। এই নিঃস্বার্থ পরোপকারী চরিত্রকে মনুষ্যত্বের আদর্শ প্রতীক হিসেবে দেখিয়ে কবি নদীকে মনুষ্যত্বের প্রতীক বলেছেন।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
1.3k
উত্তরঃ

“যা তার প্রাপ্তি তাই তার দান” – উক্তিটি পরোপকারী ও নিঃস্বার্থ ব্যক্তির মহৎ গুণকে নির্দেশ করে। এর অর্থ হলো, যা কিছু অর্জন করা হয় বা লাভ করা হয়, তা নিজের জন্য ভোগ না করে অন্যের কল্যাণে উৎসর্গ করা। এই ভাবটি ত্যাগ ও সেবার মানসিকতাকে তুলে ধরে, যেখানে ব্যক্তি বা বস্তুর প্রাপ্তি কেবল বিতরণের উদ্দেশ্যে হয়ে থাকে।

প্রদত্ত কবিতাটিতে এই চিরন্তন সত্যটি বিভিন্ন দৃষ্টান্তের মাধ্যমে স্পষ্ট করা হয়েছে। নদী যেমন নিজের জল পান করে না, গাছ যেমন নিজের ফল খায় না, গাভী যেমন নিজের দুধ নিজে পান করে না, এবং স্বর্ণ যেমন নিজের সৌন্দর্য অপরের জন্য বিকশিত করে – ঠিক তেমনি সাধু ব্যক্তিও নিজের ঐশ্বর্য্য কেবল পরের উপকারের জন্য ব্যবহার করেন। এসব দৃষ্টান্তের মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে যে, যা তাদের কাছে আছে বা যা তারা অর্জন করে, তার মূল উদ্দেশ্য হলো অপরের মঙ্গল সাধন করা, যা উপরের উক্তিটির মূল ভাবকে পূর্ণাঙ্গ রূপে ধারণ করে।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
1.4k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews