উত্তরঃ

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ (বাংলা ১৩২৭ সনের ২০ চৈত্র), রোজ মঙ্গলবার রাত ৮ টায় ব্রিটিশ ভারতের তৎকালীন ফরিদপুর জেলার গোপালগঞ্জ মহকুমার পাটগাতি ইউনিয়নের টুঙ্গিপাড়া গ্রামে শেখ পরিবারের এক টিনের ঘরে জন্মগ্রহণ করেন ।

উত্তরঃ

১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র, ঘুমন্ত বাঙালিদের ওপর যে নির্মম, নৃশংস ও বর্বর গণহত্যা চালিয়েছিল, তার সামরিক ছদ্মনামই হলো অপারেশন সার্চলাইট (Operation Searchlight)। এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল সামরিক শক্তির জোরে বাঙালিদের জাতীয়তাবাদী আন্দোলন ও স্বাধিকার আন্দোলনকে চিরতরে স্তব্ধ করে দেওয়া।

বিষয়তথ্য
মূল পরিকল্পনা ও নীলনকশা১৯৭১ সালের ১৭ই মার্চ ঢাকা সেনানিবাসে বসে এই অভিযানের চূড়ান্ত নীলনকশা তৈরি করেন পাকিস্তানের মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী এবং মেজর জেনারেল খাদিম হুসাইন রাজা। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর ও সামরিক আইন প্রশাসক লেফটেন্যান্ট জেনারেল টিক্কা খান এই অপারেশন বাস্তবায়নের মূল দায়িত্বে ছিলেন।
শুরুর সময়পরিকল্পনা অনুযায়ী অপারেশনটি ২৬শে মার্চ ভোরে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও, বাঙালিদের প্রতিরোধ ও ২৫শে মার্চ রাতে রাজনৈতিক নেতাদের গোপন বৈঠকের খবর পেয়ে পাকিস্তানি বাহিনী ২৫শে মার্চ রাত ১১:৩০ মিনিটে ঢাকার সেনানিবাস থেকে একযোগে আক্রমণ শুরু করে।
মূল লক্ষ্যবস্তুসমূহ

হানাদার বাহিনীর মূল লক্ষ্য ছিল ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরোধ কেন্দ্র এবং মেধা-মননের উৎসগুলো ধ্বংস করা:

  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: জগন্নাথ হল, ইকবাল হল (বর্তমান সার্জেন্ট জহুরুল হক হল) এবং শিক্ষক আবাসে ঢুকে ছাত্র-শিক্ষকদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।
  • পিলখানা (EPR সদর দফতর) ও রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স: বাঙালি পুলিশ ও ইপিআর সদস্যদের ওপর আকস্মিক আক্রমণ চালানো হয়, তবে বাঙালি সদস্যরা সাধ্যমতো প্রথম প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।
  • রাজনৈতিক ও গণমাধ্যম কেন্দ্র: শাঁখারীবাজার, রমনা কালী মন্দির এবং দৈনিক ইত্তেফাক, দিপালী ও সংবাদ পত্রিকা অফিস জ্বালিয়ে দেওয়া হয়।
বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণাঅপারেশন সার্চলাইট শুরু হওয়ার পরপরই, ২৫শে মার্চ রাত ১২টা ২০ মিনিটে (অর্থাৎ ২৬শে মার্চের প্রথম প্রহরে) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তৎকালীন ইপিআর-এর ওয়ারলেসের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন। এর পরপরই রাত ১টা ৩০ মিনিটের দিকে পাকিস্তানি সেনারা তাকে ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর বাসভবন থেকে গ্রেফতার করে।
ফলাফল ও গুরুত্বএই কালরাত্রিতে শুধুমাত্র ঢাকা শহরেই কয়েক হাজার নিরীহ মানুষকে হত্যা করা হয়। এই বর্বর হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মহান মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়, যা ১৬ই ডিসেম্বর বিজয়ের মাধ্যমে শেষ হয়।

নোট (MCQ এর জন্য বিশেষ তথ্য): পরীক্ষায় অপারেশন সার্চলাইট থেকে বেশ কিছু কমন প্রশ্ন আসে। যেমন—২৫শে মার্চের গণহত্যার সামরিক নাম কী ছিল (উত্তর: অপারেশন সার্চলাইট), এর মূল পরিকল্পনাকারী কে ছিলেন (উত্তর: রাও ফরমান আলী ও খাদিম হুসাইন রাজা) এবং কোন তারিখে এটি সংঘটিত হয় (উত্তর: ২৫শে মার্চ, ১৯৭১)।

উত্তরঃ

বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ। উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৫-৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬ সালে পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলসমূহের জাতীয় সম্মেলনের বিষয় নির্বাচনী কমিটিতে বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ নামে খ্যাত ঐতিহাসিক ছয় দফা ঘোষণা করেন ।

উত্তরঃ

আমাদের জাতীয় সংগীতের রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং রণ সংগীতের রচয়িতা কাজী নজরুল ইসলাম ।

উত্তরঃ

অস্থায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের নির্দেশে এম. এ. জি ওসমানী সমগ্র দেশকে ১১ টি সেক্টরে ভাগ করেন এবং সিরাজগঞ্জ ৭নং  সেক্টরের অধীন।

উত্তরঃ

হলুদ রঙের শাকসবজি, লালশাক, পুঁইশাক, গাজর, আম, ছোট মাছ, মাছের তেল, দুধ ইত্যাদি খাদ্যে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-এ রয়েছে। এটি রেটিনল, বিটা ক্যারোটিন হিসেবে পাওয়া যায়।

উত্তরঃ

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ হতে বাঁচার উপায়ঃ 

সাবান পানি দিয়ে হাত ধোয়া; হাত না ধুয়ে চোখ, মুখ ও না স্পর্শ না করা; হাঁচি কাঁশি দেয়ার সময় মুখ ঢেকে রাখা; অসুস্থ পশু/ পাখির সংসম্পর্শে না আসা, মাছ, মাংস অলভাবে রান্না করে খাওয়া।

উত্তরঃ

যে খাদ্য গ্রহণে দেহের প্রয়োজনীয় পরিমাণে সকল খাদ্য উপাদান পাওয়া যায় এবং দেহের সার্বিক প্রয়োজনীয়তা পূরণ হয় সেই খাদ্য সমষ্টিকে সুষম খাদ্য বলে । সুষম খাদ্যে শর্করা, আমিষ ও জাতীয় উপাদানের অনুপাত হল ৪ : ১ : ১। খাদ্যের উপাদন ৬টি। এগুলো উপযুক্ত অনুপাতে গ্রহণই সুষম খাদ্য। একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ কর্মশীল পুরুষের প্রতিদিন প্রায় ২৫০০ থেকে ৩০০০ কিলোক্যালরি শক্তি প্রয়োজন হয় ।

উত্তরঃ

বেগুনী, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা এবং লাল রং। উল্লেখ্য, বৃষ্টির ফোটায় সূর্যের আলো পড়লে বৃষ্টির ফোঁটা প্রিজমের ন্যায় কাজ করে এবং সূর্যের সাদা আলো বিশ্লিষ্ট হয়ে সূর্যের বিপরীত
দিকে আকাশে উজ্জ্বল বর্ণের কার্ভ বা অর্ধবৃত্ত তৈরি করে। একে রংধনু বা রামধনু বলে ।

উত্তরঃ

কম্পিউটার ভাইরাস এ ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাহ (Self Executed), সংক্রমণ (Self Extracted), নিজস্ব সংখ্যাবৃদ্ধি (Self Replicated) করে। এই প্রোগ্রাম কিছু নির্দেশ বহন করে যা কম্পিউটারের সিপিইউ কর্তৃক গ্রহণ করে কম্পিউটারকে অস্বাভাবিক, অগ্রহণযোগ্য এবং অস্বস্তিদায়ক কাজ করতে বাধ্য করে। এই প্রোগ্রামের উদ্দেশ্য কম্পিউটার ব্যবহারকারীকে বিড়ম্বনায় ফেলা। কম্পিউটারের পরিভাষায় ভাইরাস (Virus) শব্দটির পূর্ণরূপ হলো Vital Information Resources Under Seize অর্থাৎ গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। গবেষক ফ্রেডরিক কোহেন (Frederick Cohen) এই ভাইরাসের নামকরণ করেন। এটি একটি Software বা প্রোগ্রাম যা দ্বারা কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম ক্ষতিসাধন করে থাকে ।

177

রঙধনু বা রামধনু (Rainbow)

রঙধনু একটি আলোকীয় ঘটনা। এক পশলা বৃষ্টির পর আবার যখন সূর্য উঠে তখন কখনও কখনও সূর্যের বিপরীত দিকে আকাশে উজ্জ্বল রঙের অর্ধবৃত্ত দেখা যায়। একে বলা হয় রঙধনু। রংধনু সৃষ্টির সময় পানির কণাগুলো প্রিজমের কাজ করে। রংধনুতে বর্নালীর ৭টি রঙ থাকে। সূর্যের বিপরীতে গঠিত হয় বলে সকালে পশ্চিমাকাশে এবং বিকালে পূর্বাকাশে রংধনু দেখা যায়।

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews