সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

সনাতন শব্দটির অর্থ হচ্ছে চিরন্তন। যা অতীতে ছিল, বর্তমানে আছে। এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। সনাতন শব্দটিতে চিরদিনের কথা নির্দেশ করা হয়। সময়ের পরিবর্তনেও যার কখনও কোনো পরিবর্তন হয় না সেটিই সনাতন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

'হিন্দু' শব্দটি এসেছে মূলত সিন্ধু শব্দ থেকে। প্রাচীনকালে সিন্ধু নদের তীরে সনাতন ধর্মের লোক বাস করত। বিদেশিদের কাছে এদের পরিচয় হয় ঐ সিন্ধু নদের নাম অনুসারে। এ বিদেশিরাই সিন্ধু শব্দকে হিন্দু বলে উচ্চারণ করে। আর এখানকার সনাতন ধর্মের লোকদের তারা বলে হিন্দু। এভাবে হিন্দু শব্দটি প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

দুষ্টের দমন আর শিষ্টের পালন ও সকল অন্যায়, অবিচার এবং অত্যাচার থেকে জগৎকে মুক্ত করার জন্য ভগবান অবতাররূপে পৃথিবীতে অবতীর্ণ হন। পৃথিবীতে এসে তিনি দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালন করে ধর্মকে উদ্ধার করেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ধর্ম হচ্ছে মানুষের পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান ও জীবনে চলার সঠিক দিক নির্দেশনা। ধর্মের মূল বিশ্বাস হচ্ছে স্রষ্টা বা ভগবান আছেন। মানুষ দেব-দেবীর পূজা-অর্চনা, ধ্যান-ধারণা ইত্যাদি ধর্মকর্মের অনুশীলন করে সুখ-শান্তি ও মুক্তিলাভ করে। তাই সকলে ধর্মকর্ম অনুশীলন করে তাদের মঙ্গলের জন্য।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সনাতন ধর্ম ও হিন্দুধর্ম মূলত একই ধর্ম। অন্য কথায় হিন্দুধর্মের অপর নামই সনাতন ধর্ম। সনাতন শব্দের অর্থ চিরন্তন। যা অতীতে ছিল, বর্তমানে আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে, সেটিই সনাতন। এ ধর্মের মূলে রয়েছে ভগবান।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

'হিন্দু' শব্দটি এসেছে 'সিন্ধু' শব্দ থেকে। সিন্ধুনদ প্রাচীনকাল থেকে প্রবাহিত। এই নদের তীরে হিন্দুধর্মের লোক বাস করত। বিদেশিদের কাছে এদের পরিচয় সিন্ধু নদের নামে। কেননা, বিদেশিরাই সিন্ধু শব্দকে হিন্দু বলে উচ্চারণ করত। তাঁদের উচ্চারণে সিন্ধুর 'স' পরিবর্তিত হয়ে 'হ' তে রূপ নেয় এবং সিন্ধু শব্দটি 'হিন্দু' বলে উচ্চারিত হতে থাকে। তাই অনেক গবেষকের মতে সিন্ধু শব্দ থেকেই হিন্দু শব্দের উৎপত্তি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সিন্ধু নদের তীরে প্রাচীনকাল থেকে সনাতন ধর্মের লোক বাস করত। বিদেশিদের কাছে। এদের পরিচয় হয় সিন্ধু নদের নামে। বিদেশিরাই সিন্ধু শব্দকে হিন্দু বলে উচ্চারণ করত। আর সেখানকার সনাতন ধর্মের লোকদের তারা বলত হিন্দু। হিন্দুদের সনাতন ধর্মই তাদের ভাষায় হয়ে ওঠে হিন্দুধর্ম।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বর্তমান বিশ্বে প্রচলিত ধর্মসমূহের মধ্যে সনাতন ধর্ম একাধারে প্রাচীন এবং নবীন। প্রাচীন এ কারণে যে, সনাতন ধর্ম তার সনাতন ঐতিহ্য বজায় রেখেছে। আর নবীন এ কারণে যে, সনাতন ঐতিহ্য বজায় রেখেও এ ধর্ম যুগের পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে চলছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

হিন্দুধর্ম একটি প্রাচীন ধর্ম। দেব-দেবীর পূজা-পার্বণ হিন্দু ধর্মের একটি বিশেষ দিক। এই দেব-দেবীরা ঈশ্বরেরই বিভিন্ন গুণ ও শক্তির প্রকাশ। এই বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের সকল কিছুর স্রষ্টাও হচ্ছেন ঈশ্বর। তাই, এ ধর্মের মূলেও রয়েছেন ঈশ্বর স্বয়ং।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সনাতন ধর্ম ও হিন্দুধর্ম মূলত একই ধর্ম। সনাতন ধর্মের অপর নামই হিন্দুধর্ম। বহিরাগত আফগান ও পার্সিকদের ভাষায় সনাতন ধর্ম 'হিন্দুধর্ম' নাম ধারণ করে। আর একে সনাতন বলা হয়, কারণ তা পূর্বে ছিল, এখনও আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

হিন্দুধর্মের মূল ধর্মবোধ হচ্ছে- ঈশ্বরে বিশ্বাস কর্মফলের প্রতি বিশ্বাস, জন্মান্তরবাদে বিশ্বাস, ঈশ্বরজ্ঞানে জীবের সেবা করা, দের- দেবীর পূজা-পার্বণ ও বিভিন্ন ধর্মাচার-ধর্মানুষ্ঠান পালন এবং সর্বোপরি জীবন ও জগতের কল্যাণসাধন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সনাতন ধর্ম অতি প্রাচীন। সময়ের অগ্রগতিতেও এ ধর্মের মূল ধারণাগুলোর কোনো পরিবর্তন নেই। তবে দেশ ও কালের প্রয়োজনে মাঝে মধ্যে নতুন চিন্তাচেতনা সংযুক্ত হয়েছে। আর এভাবেই হিন্দুধর্মের বিকাশ ঘটেছে এবং ঘটছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সনাতন ধর্ম বা হিন্দুধর্ম কোনো একজন মাত্র মুনিঋষি বা অবতার পুরুষের প্রতিষ্ঠিত ধর্ম নয়। আদিম মানুষের মনে যখন সত্য-মিথ্যা, ন্যায়-অন্যায়বোধ জেগেছিল, এক কথায় ধর্মবোধ জেগেছিল, তখন থেকেই হিন্দুধর্ম উৎপত্তি ও বিকাশ লাভ করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

হিন্দু ধর্মের মূল বিশ্বাস হচ্ছে স্রষ্টা বা ভগবান আছেন। তাঁর সৃষ্ট জগতে মানুষকে কাজ করতে হচ্ছে। আর প্রতিটি কাজের যে ফল তাও তাকে ভোগ করতে হয়। এমনকি জন্ম-জন্মান্তরেও কর্মফল ভোগ করতে হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

যখন পৃথিবীতে ধর্মের গ্লানি হয়, অধর্ম বেড়ে যায়, দুষ্টদের অত্যাচারে পৃথিবী জর্জরিত হয়; ভগবান তখন সাধুদের পরিত্রাণ, দুষ্কৃতিকারীদের বিনাশ, ধর্ম সংস্থাপন তথা জগতের কল্যাণ সাধনের জন্য ভগবান অবতাররূপে পৃথিবীতে আবির্ভূত হন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ঈশ্বরের কৃপা লাভের মাধ্যমে মানুষ সুখশান্তি এবং মুক্তি লাভকরতে পারে। আর ঈশ্বরের কৃপা লাভ হয়ে থাকে ঈশ্বরের উপাসনা, নাম জপ, কীর্তন ও দেব-দেবীর পূজা-অর্চনা, ধ্যানধারণা ইত্যাদি ধর্মকর্মের অনুশীলনের মাধ্যমে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

প্রাচীনকালে সনাতন বা হিন্দুধর্মে ধর্মানুষ্ঠান ছিল যজ্ঞক্রিয়া। যজ্ঞকর্মে দেব-দেবীর শান্তি ও রূপের বর্ণনা দিয়ে যজ্ঞক্রিয়া হতো। পরবর্তীকালে অর্থাৎ বর্তমানে ঐ দেব-দেবীরই রূপ কল্পনা করে বিগ্রহ বা প্রতিমার মাধ্যমে পূজা-অর্চনা ক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

হিন্দুধর্মের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে ঈশ্বরকে বিশ্বাস, ঈশ্বর জ্ঞানে জীবসেবা এবং একই সাথে জীব ও জগতের কল্যাণ সাধন। এখানে রয়েছে ঈশ্বর আরাধনার বিষয়ে স্বাধীনভাবে চিন্তা করার সুযোগ যা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানকে সরল রূপ প্রদান করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সনাতন ধর্মের অপর নাম হিন্দুধর্ম।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

'সনাতন' শব্দের অর্থ হলো চিরন্তন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বিদেশিরা সিন্ধু শব্দকে হিন্দু বলে উচ্চারণ করতো।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সনাতন ধর্ম অতি প্রাচীন ধর্ম।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সনাতন ধর্মের মূলে রয়েছেন ভগবান।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সনাতন ধর্মের মূল বিশ্বাস হচ্ছে স্রষ্টা বা ভগবান আছেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সনাতন ধর্ম থেকে হিন্দুধর্মের উৎপত্তি হয়েছে। সনাতন ধর্মের নতুন রূপ হলো হিন্দুধর্ম। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা সিন্ধুনদের তীরে বসবাস করত। বিদেশিরা সিন্দুকে 'হিন্দু' বলে উচ্চারণ করত। তাই সিন্ধু নদের তীরবর্তী অধিবাসীরা 'হিন্দু' নামে পরিচিতি লাভ করে। আর তাদের আচার-আচরণ, ধ্যান-ধারণা ক্রমবিকাশের মাধ্যমে হিন্দুধর্ম নামে পরিচিতি লাভ করে। এভাবেই উৎপত্তি ঘটে হিন্দুধর্মের।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সনাতন শব্দের অর্থ চিরন্তন। যা অতীতে ছিল, বর্তমানে আছে এবং ভবিষ্যতে থাকবে, সেটি সনাতন। সনাতন শব্দটিতে চিরদিনের কথা নির্দেশ করা হয়। অর্থাৎ সময়ের বিবর্তনেও যার কোনো পরিবর্তন হয় না সেটিই সনাতন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ধর্ম শব্দটির অর্থ, 'যা ধারণ করে'। 'ধৃ' ধাতুর সঙ্গে 'মন' প্রত্যয়যোগে ধর্ম শব্দটি গঠিত। যা হৃদয়ে ধারণ করে মানুষ সুন্দর, 'সুশৃঙ্খল ও পবিত্র জীবনযাপন করতে পারে তাকেই ধর্ম বলে। ধর্ম মানুষকে কল্যাণের পথে চলার নির্দেশ দেয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ধর্ম হচ্ছে ধারণশক্তি। যা কতকগুলো বিশ্বাস, ও গুণের ওপর প্রতিষ্ঠিত। এ সকল কল্যাণকামী গুণ বা গুণাবলি ধারণ করলে মানুষের জীবন বিকশিত ও সার্থক হয়। ধর্মের এই গুণাবলি ও এগুলোর প্রতি যে বিশ্বাস, তাকে ধর্মবিশ্বাস বলা হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বয়োজ্যেষ্ঠরা আমাদের গুরুজন। মা-বাবা, পিতামহ-মাতামহ, কাকা-কাকি, বড় ভাই-বোনসহ অনেকেই পরিবারের গুরুজন। 'আত্মীয় বন্ধনের মধ্যেও অনেক গুরুজন রয়েছে। শিক্ষকগণও আমাদের গুরুজন। যিনি দীক্ষা দেন তিনিও গুরুজন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

আমাদের জীবন গঠনে মাতা-পিতাসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ, শিক্ষকমন্ডলী, দীক্ষাগুরুসহ বিভিন্ন গুরুজনের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। এসব গুরুজনদের প্রতি শ্রদ্ধাভরে ভালোবাসা ও সম্মান প্রদর্শনের নামই গুরুজনে ভক্তি। এর মাধ্যমে আমরা তাঁদের আশীর্বাদ লাভ করি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মাতা ও পিতা হচ্ছেন আমাদের পরম গুরু।-মা-বাবার স্থান আমাদের জীবনে সবার উপরে। মা-বাবার মাধ্যমে আমরা পৃথিবীর আলো দেখতে পাই। আমাদের সৎ ও সুন্দর জীবন গঠন ও সকল সুখ-দুঃখের অংশীদার মা-বাবা।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

এই পৃথিবীর আলো যিনি দেখিয়েছেন তিনি আমাদের মা। মায়ের সাথে আমাদের নাড়ির বন্ধন। 'শিশুকাল হতে মা পরম যত্নে বড় করে সৎ ও সুন্দর জীবন গঠনে সাহায্য করেন। সকল সুখ-দুঃখের অংশীদার হন মা। সবার আগে তাই আমরা মাতৃপূজা করে থাকি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

পিতা সম্পর্কে আমাদের ধর্মের একটি শ্লোকে বলা হয়েছে-পিতা স্বর্গঃ পিতা ধর্মঃ পিতাহি পরমন্তপঃ। পিতরি প্রীতিমাপন্নে প্রিয়ন্তে সর্বদেবতাঃ৷৷ অর্থাৎ, পিতা স্বর্গ, পিতা ধর্ম, পিতাই পরম তপস্যা। পিতা প্রীত হলে সকল দেবতাই তুষ্ট হন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

আমাদের ধর্মে মায়ের স্থান সবার উপরে। তাই কোনো মঙ্গলযাত্রায় সর্বাগ্রে মাকে প্রণাম করি। মা সন্তানের ভক্তিতে সন্তুষ্ট হলে দেবতারাও তুষ্ট হন। কোনো কারণে মায়ের অন্তর কষ্ট পেলে আমাদের ভক্তি বাধাগ্রস্ত হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

শিক্ষকগণ আমাদের শিক্ষগুরু এবং তাঁরা আমাদের জীবন পরিচালনা করার পথপ্রদর্শক। জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় আলো শিক্ষকগণই জ্বালিয়ে রাখেন। তাই তাঁদের আদেশ, নিষেধ মান্য ও ভক্তি করা আমাদের বর্তব্য।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

দীক্ষাগুরুও আমাদের গুরুজন। অন্যান্য গুরুজনেরা আমাদের জাগতিক শিক্ষা প্রদান করেন আর দীক্ষাগুরু আমাদের জীবন চলার পথে ধর্মের সঠিক জ্ঞান প্রদানের মাধ্যমে পারমার্থিক কল্যাণসাধন করে থাকেন। তাই দীক্ষাগুরুর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মা দুর্গা ও শিবের পুত্র ছিলেন গণেশ ও কার্তিক। গণেশের দেহটি মোটাসোটা; ইঁদুর তাঁর বাহন। অপরদিকে, কার্তিকের সুঠাম ও বলিষ্ঠ দেহ; তার বাহন হচ্ছে ময়ূর। গণেশ হচ্ছে সিদ্ধিদাতা এবং কার্তিক দেব-সেনাপতি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

গণেশ যখন দেখলেন যে, তাঁর বাহন ইঁদুরকে দিয়ে কার্তিকের বাহন ময়ূরকে হারানো সম্ভব নয়, তখন জগত্ৰুপিণী পৃথিবী ভেবে মায়ের চারধার প্রদক্ষিণ করে প্রণাম করে। গণেশের মাতৃভক্তি দেখে মা দুর্গা তাঁর গলার হার গণেশকে প্রদান করেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মা দুর্গা যখন ঘোষণা করলেন, যে আগে পৃথিবী ঘুরে এসে তাঁকে প্রণাম করতে পারবে তাকে গলার হার দেবেন। তখন কার্তিক তাঁর বাহন নিয়ে পৃথিবী প্রদক্ষিণ করে। কিন্তু গণেশ মাকেই পৃথিবী জ্ঞানে তাঁর চারপাশ ঘুরে প্রণাম করে ও পুরস্কার লাভ করে। ফলে কার্তিক হেরে যান।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মাতা-পিতাকে দেবতা জ্ঞানে ভক্তি ও সেবা করা উচিত। কেননা ঈশ্বরের পরেই মাতা-পিতার স্থান। যেমনটা আমরা গণেশের মাতৃভক্তিতে দেখতে পাই, মাকে পৃথিবী জ্ঞানে প্রদক্ষিণ ও প্রণাম করে পুরষ্কৃত হয়েছিলেন। তাছাড়া মা-বাবাকে ভক্তি-শ্রদ্ধা করলে ঈশ্বরও খুশি হন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

গণেশ ছিলেন অত্যন্ত বুদ্ধিমান। মাতা পৃথিবী প্রদক্ষিণ করে প্রণামের ঘোষণা দিলে, গণেশ ভাবেন যে, মাতাই পৃথিবী। তাঁর চারপাশে ঘুরলেই পৃথিবী ঘোরা হয়। তাই সে মাকে প্রদক্ষিণ করে প্রণাম করে। তাঁর এ মাতৃভক্তি অমর হয়ে আছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

যা কিছু করা হয় তাই কর্ম। আর যে কর্ম অনুশীলন করা আবশ্যক, তাই হচ্ছে কর্তব্য। অর্থাৎ যা করা উচিত তাই আমাদের কর্তব্য। আমাদের প্রত্যেকেরই পরিবার ও সমাজে নিজ নিজ কর্তব্য রয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

আমাদের যা করা উচিত, তাই হলো কর্তব্য। আর কর্তব্যের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধাবোধ ও মমত্ববোধ জাগ্রত হওয়াকে বলে কর্তব্যবোধ। মাতা-পিতার আদেশ পালন, শিক্ষকের উপদেশ পালন প্রভৃতি কর্তব্যবোধের উদাহরণ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মাতা-পিতার কর্তব্য হচ্ছে সন্তানকে সুষ্ঠুভাবে লালন-পালন করা। সন্তানকে স্নেহ ও যত্নে বড় করে তোলা। তাকে শিক্ষিত করে তোলা। সর্বোপরি, পারিবারিক ও সামাজিক মূল্যবোধ সম্পর্কে শিক্ষা দান করে আদর্শ জীবন গঠন করে দেওয়া।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মাতা-পিতার প্রতি একজন সন্তানের কর্তব্য অনেক। কেননা মাতা-পিতাই আমাদের পরম গুরু। যদিও মাতা-পিতার ঋণ কখনো শোধ হয় না। কিন্তু তাঁদের আদেশ-উপদেশ মেনে চলা, বিভিন্ন কাজে সহায়তা করা ও সুখে-দুঃখে পাশে থাকা সন্তানের দায়িত্ব।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

কর্তব্য পালন ধর্মের অঙ্গ। নিষ্ঠার সাঙ্গে কর্তব্য পালন করলে জীবনে অনেক বড় হওয়া যায়। কর্তব্য পালনে অবহেলা যারা করে এবং অসচেতন থাকে তারা জীবনে সফল হতে পারে না। তাই কর্তব্য পালন গুরুত্বপূর্ণ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

পারিবারিক কাজে পারস্পরিক অংশগ্রহণের মাধ্যমে পারিবারিক শৃঙ্খলা বজায় থাকে। পরিবারে আমরা মায়ের বিভিন্ন কাজে সাহায্য করি, বাবাকেও সহায়তা করি, তাদের আদেশ-উপদেশ মেনে চলি। এতে তাঁরা আনন্দিত ও সন্তুষ্ট হন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সমাজজীবনে পিতার অবর্তমানে অধিকাংশ ক্ষেত্রে বড় ভাই কিংবা অন্য কেউ সকলের ভরণ-পোষণসহ অন্যান্য দায়িত্ব পালন করে। পরিবারের শৃঙ্খলা সমুন্নত রাখতে তারা পিতার মতোই ভূমিকা পালন করে। এটিও সন্তানের কর্তব্য।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

পিতামাতার আদেশ-উপদেশ পালন করা সন্তানের কর্তব্য। পিতামাতার সেবা করলে, বিভিন্ন কাজে সহায়তা করলে, তাদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকলে ও পরিচর্যা করলে, সর্বোপরি সন্তান প্রতিষ্ঠিত হতে পারলে পিতামাতা খুশি ও সন্তুষ্ট হন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

প্রত্যেক মা-বাবা সন্তানকে হাতেখড়ি প্রদানের মাধ্যমে শিক্ষাজীবনে প্রবেশ করায়। এভাবে সন্তান একদিন বিদ্যালয়, কলেজ হতে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছায়। সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়ার সব আয়োজনে তাঁদের স্বপ্ন ও চেষ্টায় কমতি থাকে না।

তাই মা-বাবাকে সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়ার কারিগর বলা হয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সন্তানের চরিত্র ও নৈতিকতা গঠনে মা-বাবা নানা ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। মা-বাবা সবসময়ই চান তাদের সন্তান হবে আদর্শবান, সৎ, নির্ভীক, সদালাপী ও চরিত্রবান। একই সাথে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করেন সন্তানদের।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

আমাদের ধর্মে মা-বাবাকে দেব-দেবীর মর্যাদা প্রদান করা হয়েছে। কেননা মা-বাবা সন্তান গর্ভে ধারণ হতে ভূমিষ্ঠ হওয়া, লালন-পালন, সন্তানের আদর্শ জীবন গঠন, ধর্মীয় ও নৈতিকতা শিক্ষা প্রদানের আয়োজনে কোনো ত্রুটি রাখেন না। মা-বাবাই সন্তানের পরম গুরু।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

'ধর্ম' শব্দটির বিশেষ অর্থ হচ্ছে ধরে রাখার ক্ষমতা।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মাতা ও পিতা আমাদের পরম গুরু।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ছাত্রের একমাত্র কর্তব্য অধ্যয়ন করা।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

কর্তব্যের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধাবোধ এবং মমত্ব জাগ্রত হওয়াকে বলে কর্তব্যবোধ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মা দুর্গার ছেলে হলেন গণেশ ও কার্তিক।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

গণেশের বাহন ইঁদুর।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

কার্তিকের বাহন ময়ূর।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

যে সকল কর্ম অনুশীলন করা আবশ্যক তাই কর্তব্য।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

গুরুজনের প্রতি শ্রদ্ধাভরে ভালোবাসা প্রদর্শনের নামই ভক্তি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ধর্ম মানুষকে কল্যাণের পথে চলার নির্দেশ দেয়। অর্থাৎ জীবনের কল্যাণ চিন্তা ভালোভাবে জীবন যাপনের নির্দেশ পাওয়া যায় ধর্ম থেকে। আর ধর্মের বিধি-বিধান মেনে চলেই মানুষ ইহকালে ও পরকালে মঙ্গল লাভ করতে পারে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ভক্তি ধর্মের অঙ্গ। কোনো দেবতা বা কোনো বিষয়ের জ্ঞানবান ব্যক্তির প্রতি যে গভীর শ্রদ্ধা সেটিই ভক্তি। ভক্তের করণীয় হচ্ছে-জ্ঞানীর নিকট উপস্থিত হয়ে বিনীতভাবে তাঁকে প্রণাম করা, তাঁর অনুমতি নিয়ে বসা এবং কিছু জানার জন্য প্রশ্ন করা। যেমন, গুরুকে প্রণাম করা, তাঁর নিকট বসা এবং তাঁকে প্রশ্ন করা ইত্যাদি কাজের মধ্য দিয়ে যে ভাবটি প্রকাশিত হয় তাকেই বলা হয় ভক্তি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বস্তুত জীবনকে সুন্দর ও আনন্দময় করতে ধর্মের বিধি-নিষেধ মেনে চলা প্রয়োজন। ধর্ম মানুষের নির্ভরযোগ্য বন্ধু। ইহকাল ও পরকালে ধর্ম মানুষকে সুফল, সৌভাগ্য ও প্রশান্তি দিয়ে থাকে। তাই ধর্মের নির্দেশিত কর্ম-অনুশীলন করা কর্তব্য।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
84

হিন্দুধর্ম একটি প্রাচীন ধর্ম। এ ধর্মের প্রকৃত নাম সনাতন ধর্ম। দেব-দেবীর পূজা অর্চনা হিন্দুধর্মের একটি বিশেষ দিক। এ ধর্মের মূলে রয়েছেন ভগবান। তাঁর অনুগ্রহ লাভের জন্য মানুষের ধর্মাচরণ করতে হয়। মানুষ ভক্তিভরে ভগবানের নিকট প্রার্থনা করলে ভগবান তাদের মনোবাঞ্ছা পূরণ করেন। বাস্তব জীবনে মা-বাবা সন্তানের লালন পালন ও সুখ সমৃদ্ধির ব্যবস্থা করে থাকেন। সন্তানের উচিত দেবতা জ্ঞানে মা-বাবার সেবা-শুশ্রুষা করা। একই সাথে সমাজের অন্যান্য গুরুজনকে শ্রদ্ধা করা। এ অধ্যায়ে সনাতন ও হিন্দুধর্মের সম্পর্ক, হিন্দুধর্মের উৎপত্তির ইতিহাস এবং ধর্ম বিশ্বাসের অঙ্গ হিসেবে গুরুজনে ভক্তি, মাতৃভক্তি, কর্তব্যবোধ ইত্যাদি দৃষ্টান্তমূলক উপাখ্যানসহ আলোচিত হয়েছে।

এ অধ্যায় শেষে আমরা -

  • সনাতনধর্ম ও হিন্দুধর্ম এ ধারণা দুটি ব্যাখ্যা করতে পারব
  • হিন্দুধর্মের উৎপত্তির ইতিহাস সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণনা করতে পারব
  • হিন্দুধর্মের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য নিয়ে গর্ববোধ করব
  • ধর্মবিশ্বাস ধারণাটি ব্যাখ্যা করতে পারব
  • গুরুজনে ভক্তি ধারণাটি ব্যাখ্যা করতে পারব
  • কীভাবে গুরুজনকে ভক্তি করতে হয় তা বর্ণনা করতে পারব
  • মাতৃভক্তির একটি গল্প বর্ণনা করতে পারব
  • ধর্মের আলোকে কর্তব্যবোধের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব
  • মাতা-পিতার প্রতি সন্তানদের কর্তব্য এবং সন্তানের প্রতি মাতা-পিতার দায়িত্ব ও কর্তব্য ব্যাখ্যা করতে পারব
  • গুরুজনে ভক্তি ও কর্তব্য পালনে সচেতন হব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

হিন্দু শব্দটি এসেছে সিন্ধু শব্দ থেকে। সিন্ধুনদ প্রাচীনকাল থেকেই প্রবাহিত হয়ে আসছে। এ নদের তীরে প্রাচীনকালে সনাতন ধর্মের লোক বাস করত। তাদের আচার-আচরণ, ধর্ম বিশ্বাসে একটি বিশিষ্ট রূপ ছিল। বিদেশিদের কাছে এদের পরিচয় হয় ঐ সিন্ধুনদের - নামে। এ বিদেশিরাই সিন্ধু শব্দকে হিন্দু বলে-উচ্চারণ করত। আর সেখানকার সনাতন ধর্মের লোকদেরকে তারা বলত হিন্দু। হিন্দুদের সনাতন ধর্মই তাদের ভাষায় হয়ে ওঠে হিন্দুধর্ম।

333
উত্তরঃ

উদ্দীপকের আলোচনায় ব্রাহ্মণ যজ্ঞের মাধ্যমে দেবতাদের আহ্বান করছেন। সনাতন বা হিন্দুধর্মের প্রাচীনকালে ধর্মানুষ্ঠান ছিল যজ্ঞনির্ভর। তখন বড় বড় যজ্ঞানুষ্ঠানের মাধ্যমে নিরাকার ঈশ্বরের উপাসনা প্রচলিত ছিল। সেটি ক্রমে ক্রমে দেব-দেবীর আরাধনায় রূপ নিয়েছে। যজ্ঞকর্মে দেব-দেবীর শক্তি ও রূপের বর্ণনা দিয়ে যজ্ঞকর্ম হতো। পরবর্তীকলে ঐ দেব-দেবীর রূপ কল্পনা করে মূর্তির মাধ্যমে পূজা-অর্চনার ব্যবস্থা হয়। সনাতন ধর্মের যে অবতার ও মোক্ষলাভের বিষয় রয়েছে এসবই হিন্দুধর্মের সম্পদ। তবে ক্রমবিকাশের স্তরে স্তরে হিন্দুধর্মের আচার-আচরণে কিছু কিছু নতুনত্বও এসেছে। বৈদিক যুগের যজ্ঞক্রিয়া পূজা-অর্চনার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয়ে আধুনিক হিন্দুধর্মে শুধু ঈশ্বরের নাম ও গুণকীর্তনের প্রচলন 'হয়েছে।

158
উত্তরঃ

বৈদিক যুগের হিন্দুধর্ম ছিল সম্পূর্ণ যজ্ঞভিত্তিক।

যে যুগে দেবতাদের কিছু কিছু নাম থাকলেও আকৃতি ছিল না। তারা ছিলেন প্রাকৃতিক শক্তি মাত্র। সে যুগে যজ্ঞক্রিয়ার মাধ্যমে নিরাকার ঈশ্বরের উপাসনাই প্রচলিত ছিল। কিন্তু পৌরাণিক যুগে এসে বেদের বর্ণনা অনুযায়ী তৈরি করা হয় বিভিন্ন দেব-দেবীর প্রতিমা, তখন থেকেই প্রতিমা পূজার প্রচলন শুরু হয়। প্রত্যেক দেব-দেবীরই মূর্তি তৈরি করে সাকার উপাসনা চালু হয়। এ মূর্তিপূজায় দেব-দেবীদের স্তব-ভূতির মাধ্যমে তাদের প্রশংসা ও মাহাত্ম্য বর্ণনা করা হয়। এবং প্রত্যেক পূজাতেই যজ্ঞ করার রীতি এখনও প্রচলিত আছে। প্রত্যেক দেব-দেবীর পূজাতে পুরোহিত অগ্নি প্রজ্বলিত করে বিভিন্ন দ্রব্য বা বস্তু আহুতির মাধ্যমে যজ্ঞ করে। তাই প্রতিমা পূজার উৎপত্তির সাথে ব্রাহ্মণের যজ্ঞকর্মের গভীর সম্পর্ক আছে, এ বিষয়ে আমি একমত।

108
উত্তরঃ

হিন্দুধর্মের উৎপত্তির ইতিহাস সনাতন ধর্মের পরিচিতির মধ্যেই বর্তমান। সনাতন ধর্ম কোনো একজন মাত্র মুনি, ঋষি বা অবতারপুরুষের প্রতিষ্ঠিত ধর্ম নয়। আদিম মানুষের মনে যখন সত্য-মিথ্যা ন্যায়-অন্যায়বোধ জেগেছিল এক কথায়, ধর্মবোধ জেগেছিল, সেখান থেকে এ ধর্মের বিকাশ শুরু। আর সমাজের চিন্তাশীল ধর্মপ্রাণ ব্যক্তিদের ধ্যান-ধারণার ফসল নিয়ে এ ধর্ম ক্রমশ বিকাশ লাভ করে।

316
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews