সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

'নিত্য' অর্থ প্রত্যহ বা প্রতিদিন। 'কর্ম' অর্থ কাজ। সুতরাং, শাব্দিক অর্থে নিত্যকর্ম বলতে বোঝায় প্রতিদিন যে কাজ সম্পন্ন করতে হয়। নিত্যকর্ম মেনে চললে একদিকে যেমন নিয়মানুবর্তিতা শেখা যায়। তেমনি ঈশ্বরের সান্নিধ্যও লাভ করা যায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

প্রতিদিন প্রভাতে সূর্য প্রণাম একটি নিত্যকর্ম। সূর্যের প্রণাম মন্ত্র নিম্নরূপ-

ওঁ জবাকুসুমসঙ্কাশং কাশ্যপেয়ং মহাদ্যুতিম্।

ধ্বান্তারিং সর্বপাপঘ্নং প্রণতোহস্মি দিবাকরম্।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে সারাদিন এবং রাতে ঘুমাতে যাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত যেসব কাজ নিষ্ঠার সাথে করা হয় সেগুলোকে নিত্যকর্ম বলে। যেমন- ভোরে ঘুম থেকে উঠে ঈশ্বর ও গুরুর নাম স্মরণ করা, পিতা-মাতাকে প্রণাম করা, উপাসনা, লেখাপড়া, ব্যায়াম প্রভৃতি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

নিত্যকর্ম করলে যেমন নিয়মানুবর্তিতা শেখা যায়, তেমনি ঈশ্বরের সান্নিধ্য লাভ করা যায়। এর প্রভাবে কাজে নিষ্ঠাবান হওয়া যায় ও শৃঙ্খলা বজায় থাকে। সময়ের কাজ সময়ে শেষ হয় ও ধৈর্যের সাথে কাজে মনোনিবেশ করা যায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

নিয়মিত পূজা ও উপাসনা দ্বারা ঈশ্বরের বিভিন্ন শক্তিকে সন্তুষ্ট করা যায়। তাছাড়াও নিয়মিত উপাসনার ফুলে ঈশ্বরের প্রতি ভক্তি সুগভীর হয় এবং ঈশ্বরের সান্নিধ্য লাভ করা যায়। এজন্যই আমরা গৃহে বিগ্রহ বা প্রতিমা নির্মাণ করে পূজা করি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

নিয়মিত ব্যায়াম ও খেলাধুলা করলে শরীর ভালো থাকে। আর শরীর সুস্থ থাকলে মনও ভালো থাকে। মন ভালো থাকলে পরিবেশকে ভালো লাগে এবং যেকোনো কাজে ধৈর্যের সাথে মনোনিবেশ করা যায়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সাধারণভাবে 'যোগ' শব্দের অর্থ হচ্ছে কোনো কিছুর সাথে 'অন্যকিছু যোগ করা। কিন্তু ধর্ম অনুশীলনের ক্ষেত্রে যোগ হচ্ছে। জীবাত্মার সঙ্গে পরমাত্মার সংযোগ স্থাপন করা। অর্থাৎ, যোগ হচ্ছে ভগবান ও তাঁর সত্যচেতনার সাথে সম্পর্কস্থাপন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

যোগ দর্শনের প্রণেতা মহর্ষি পতঞ্জলি 'যোগ' শব্দের অর্থ করেছেন চিত্তবৃত্তি নিরোধ। সুতরাং চিত্তবৃত্তি নিরোধ করে নিষ্কামভাবে ভগবানের সঙ্গে ও তার সত্য চেতনার সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করাকে যোগ বলা হয়। যোগ ঈশ্বর আরাধনার একটি পদ্ধতি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ঈশ্বর আরাধনার একটি পদ্ধতি হচ্ছে 'যোগ'। মহষি পতাঞ্জলি প্রণীত যোগের আটটি অঙ্গ যা অষ্টাঙ্গযোগ নামে পরিচিত। এগুলো হলো যম, নিয়ম, আসল, প্রাণায়াম, প্রত্যাহার, ধারণা, ধ্যান ও সমাধি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

অষ্টাঙ্গযোগের ৮টি ধাপের মধ্যে শেষ তিনটি হলো- ধারণা, ধ্যান ও সমাধি।

ধারণা - কোনো বিষয়ে মনকে একাগ্র করা হলো ধারণা।

ধ্যান- কোনো এক বিষয়ে মনের অবিচ্ছিন্ন চিন্তা।

সমাধি – ধ্যানস্থ অবস্থায় মন যখন ইষ্টচিন্তায় সম্পূর্ণভাবে নিমগ্ন থাকে তখন তাকে বলা হয় সমাধি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

দেহকে সুস্থ ও মনকে শান্ত রাখতে এবং ধর্মসাধনার ক্ষেত্রে যোগের গুরুত্ব অপরিসীম। আর যোগ অভ্যাস করার জন্য যেভাবে শরীরকে রাখলে শরীর স্থির থাকে অথচ কোনো কষ্টের কারণ ঘটে না, তাকে যোগাসন বলে। যেমন- শবাসন, সিম্বাসন প্রভৃতি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

দেহ ও মনকে সুস্থ রাখার একটি প্রক্রিয়া হচ্ছে যোগাসন। ঈশ্বর আরাধনার ক্ষেত্রে, দেহ এবং মন উভয়ের গুরুত্ব রয়েছে। কেননা দেহকে আশ্রয় করেই ধর্মসাধনা অগ্রসর হয়। সেজন্য মুনি-ঋষিগণ শরীর ও মনকে সুস্থ রাখার জন্য যোগাসন অনুশীলনের নির্দেশ দিয়েছেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

যোগাসন অনুশীলন করতে হলে সাধারণ কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয়। এর মধ্যে তিনটি নিয়ম হলো-
১. নির্দিষ্ট সময় থাকা দরকার। সকাল ও সন্ধ্যায় যোগাসন অনুশীলন করা ভালো।
২. আসন অভ্যাসকালে শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক থাকবে।
৩. ভরাপেটে বা একেবারে খালি পেটে আসন অভ্যাস করা ঠিক নয়। সামান্য কিছু হালকা খাবার খেয়ে কিছুটা সময় পরে যোগাসন অভ্যাস করতে হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

যোগাসন অনুশীলনের উপকারিতা অনেক। এর মধ্যে তিনটি হলো-

১. নিয়মিত যোগাসনে দেহে স্থিরতা আসে, দেহ সুস্থ থাকে এবং দেহ লঘুভার হয়।
২. দেহের রক্ত প্রবাহ বিশুদ্ধ হয়।
৩. দেহের অবসাদ ও ক্লান্তি দূর করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

আসনের প্রকৃত গুরুত্ব এই যে, আসন মনকে বশে এনে উর্ধ্বলোকে নিয়ে যায়। যোগসাধক প্রথমে আসনের মাধ্যমে সুস্বাস্থ্য লাভ করে তারপর অধ্যাত্মসাধনায় নিযুক্ত হয় এবং তার সমস্ত কর্মফল ঈশ্বরের সমর্পণ করেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

'শব' শব্দের অর্থ মৃতদেহ। মৃত ব্যক্তিস্তর মতো নিস্পন্দ হয়ে শুয়ে যে আসন করা হয় তার নাম শবাসন। মৃত ব্যক্তির যেমন তার দেহের উপর কর্তৃত্ব থাকে না, তেমনি শবাসন অবস্থায় আসনকারীর দেহের কোনো অংশে তাঁর কর্তৃত্ব থাকবে না।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

দৈনিক যোগাভ্যাসে কঠিন আসন করার পর বিশ্রামের জন্য ৫ থেকে ১০ মিনিট শবাসন করা উচিত। এছাড়াও আলাদাভাবে অন্তত ১৫ মিনিট শবাসন করা প্রয়োজন সকলের। এই আসনে ধ্যানের স্থিতির বিকাশ হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

শবাসনের লক্ষ্য মৃতদেহের মতো নিশ্চল নিঃসড় হয়ে শুয়ে থাকা, কিন্তু চেতনা হারানো নয়। মৃত ব্যক্তির যেমন তার দেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের উপর কোনো কর্তৃত্ব থাকে না, তেমনি শবাসন অবস্থায় আসনকারীর দেহের কোনো অংশে কর্তৃত্ব থাকে না।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

শরীর শিথিলকরণ বা বিশ্রামের জন্য শবাসন একটি উপযুক্ত আসন। এতে সম্পূর্ণ শরীরে সুস্থবোধ হয়। স্নায়ুমণ্ডলী শিরা-উপশিরাগুলো বিশ্রাম পায়। এতে শরীর ও মনের ক্লান্তি দূর হয়। ফলে আসনকারী শক্তি উৎসাহ ও আনন্দ লাভ করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য পরীক্ষার সময় আসনটি মানসিক চাপ কয়াতে খুবই সাহায্য করে। অত্যধিক পড়াশোনার পর এই আসনে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিলে অবসাদ, ক্লান্তি দূর হয়। নতুন উদ্যম ফিরে আসে, স্মৃতিশক্তিও বৃদ্ধি পায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সাধনায় সিদ্ধ যোগীদের মধ্যে বিশেষভাবে অনুসৃত হওয়ার ফলে এই আসনের নাম হয়েছে সিদ্ধাসন। এটি দেখতে সাধুদের ধ্যানের মতো। যা সিদ্ধ যোগীগণ প্রায়ই করতেন বা করেন। এজন্য এই আসনকে সিদ্ধাসন বলা-হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সিদ্ধাসনে শরীরের বিশ্রাম হয়। এই আসনে বসে থাকার ফলে শরীর যেমন বিশ্রাম পায় তেমনি মন স্থির ও তৎপর থাকে। সিদ্ধাসনে বসে জপ, প্রাণায়াম ও ধ্যানধারণাটি অভ্যাস করলে সহজে ও অল্প সময়ে সিদ্ধি লাভ করা যায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

নিয়মিত সিদ্ধাসন অনুশীলনের ফলে কোমর ও হাঁটুর সন্ধিস্থল সবল হয়। এ আসন অভ্যাসে উদরাময়, হৃদরোগ, যক্ষ্মা, ডায়াবেটিস, হাঁপানি প্রভৃতি রোগ দূর হয়। অর্শ রোগে এ আসন ফলপ্রদ। এছাড়াও এই আসনে নানাবিধ উপকার পাওয়া যায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

যোগের আটটি অঙ্গ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

জাগতিক কর্ম ছাড়া জীবনধারণ করা যায় না।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

নিত্য অর্থ প্রত্যহ বা প্রতিদিন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

কর্ম মানে কাজ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

নিত্যকর্ম করলে নিয়মানুবর্তিতা শেখা যায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

শরীর সুস্থ থাকলে মন ভালো থাকে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

নিয়মিত অধ্যয়ন করলে ভালো ফলাফল করা যায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ঈশ্বর আরাধনার একটি পদ্ধতি হচ্ছে 'যোগ'।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বিশেষ ভঙ্গিতে বসাকে আসন বলে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সিদ্ধাসনের শেষে শবাসনে বিশ্রাম নিতে হবে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

যম মানে সংযমী হওয়া।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ও জবাকুসুমসঙ্কাশং কাশ্যপেয়ং মহাদ্যুতিম্

ধ্বান্তারিং সর্বপাপঘ্নং প্রণতোহস্মি দিবাকরম্।

সরলার্থ: কশ্যপের পুত্র, জবা ফুলের মতো রক্তবর্ণ, মহাদ্যুতিময়, অন্ধকার দূরকারী, সর্বপাপ বিনাশকারী সূর্যকে আমি প্রণাম জানাই।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবী বিরাট কর্মক্ষেত্র। এখানে সকলকেই কিছু না কিছু কর্ম করতে হয়।

কেননা জাগতিক কর্ম ছাড়া জীবন ধারণ করা যায় না। তাই কর্মকে জীবন এবং ধর্ম বলা যায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

আসন যোগের তৃতীয় অঙ্গ। স্থির ও সুখাবহ অবস্থিতির নামই আসন। সুতরাং যোগ অভ্যাস করার জন্য যেভাবে শরীরকে রাখলে শরীর স্থির থাকে অথচ কোনো কষ্টের কারণ ঘটে না, তাকে যোগাসন বলা হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

'শব' শব্দের অর্থ মৃতদেহ। মৃতব্যক্তির মতো নিষ্পন্দভাবে শুয়ে যে আসন করা হয় তার নাম শবাসন। মৃতব্যক্তির যেমন তার দেহের *অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ওপর কোনো কর্তৃত্ব থাকে না, তেমনি শবাসন অবস্থায় আসনকারীর দেহের কোনো অংশে তার কোনো কর্তৃত্ব থাকে না।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
95

প্রতিদিনের কাজকেই বলা হয় নিত্যকর্ম। যেমন- প্রতিদিন প্রভাতে সূর্য প্রণাম একটি নিত্যকর্ম। নিত্যকর্ম মেনে চললে একদিকে নিয়মানুবর্তিতা শেখা যায় অপরদিকে ঈশ্বরের সান্নিধ্য লাভ করা যায়। ঈশ্বর আরাধনার একটি পদ্ধতি হচ্ছে যোগ। যোগ বলতে বোঝায় ভগবান ও তাঁর সত্যচেতনার সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন। আসন হচ্ছে যোগের একটি অঙ্গ। স্থির ও সুখাবহ অবস্থিতির নামই আসন। যোগাসন অনুশীলনে কতগুলো সাধারণ নিয়ম মেনে চলতে হয়। তবেই এর সুফল পাওয়া যায়। নিয়মিত যোগাসন অনুশীলনে দেহকে বিভিন্ন রোগ থেকে দূরে রাখা যায়।

ফলে শরীর সম্পূর্ণ সুস্থ, সবল ও সুন্দর হয়ে ওঠে এবং মনও হয়ে ওঠে আনন্দ ও শান্তিময়। সুতরাং দেহ ও মনকে সুস্থ রাখতে আসনের গুরুত্ব অপরিসীম। এই অধ্যায়ে নিত্যকর্ম ও যোগাসন সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে।

এ অধ্যায় শেষে আমরা-

  • নিত্যকর্ম ধারণাটি ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • নিত্যকর্মের একটি মন্ত্র বা শ্লোক সরলার্থসহ বলতে এবং ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • জীবনাচরণে নিত্যকর্মের গুরুত্ব ও প্রভাব বিশ্লেষণ করতে পারব;
  • যোগাসনের ধারণা, সাধারণ নিয়ম ও গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • শবাসন ও সিদ্ধাসনের ধারণা ব্যাখ্যা করতে এবং অনুশীলন পদ্ধতি বর্ণনা করতে পারব;
  • শরীর-মন গঠনে শবাসন ও সিদ্ধাসনের গুরুত্ব ও প্রভাব বিশ্লেষণ করতে পারব;
  • নিত্যকর্ম ও শবাসন অনুশীলন করতে উদ্বুদ্ধ হব;
  • নিত্যকর্ম ও শবাসন অনুশীলন করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

স্থির বা সুখাবহ অবস্থিতির নামই হচ্ছে আসন। যোগ অভ্যাস করার জন্য যেভাবে শরীরকে রাখলে শরীর স্থির থাকে অথচ কোনো কষ্টের কারণ ঘটে না, তাকে যোগাসন বলে।

217
উত্তরঃ

জয়িতা শবাসন অনুশীলনের মাধ্যমে পড়ালেখায় মনোযোগী হয়েছে।

শবাসন অনুশীলন পদ্ধতিতে প্রথমে মাটিতে চিৎ হয়ে শুয়ে পা দুটি লম্বা করে দিতে হবে। পা দুটোর মধ্যে প্রায় এক ফুটের মতো ফাঁকা থাকবে। এবং হাত দুটোকে লম্বালম্বিভাবে শরীরের দু পাশে উরু থেকে একটু দূরে রাখতে হবে। হাতের পাতা উপরের দিকে খোলা থাকবে। চোখ বন্ধ, ঘাড় সোজা, গোটা শরীর শিথিল অবস্থায় থাকবে। এবার ধীরে ধীরে চার পাঁচ বার লম্বা শ্বাস গ্রহণ ও ত্যাগ করতে হবে। দৈনিক যোগাভ্যাসে কঠিন আসন করার পর বিশ্রামের জন্য এ আসন ৫ থেকে ১০ মিনিট পর্যন্ত করা উচিত। এছাড়া আলাদাভাবে অন্তত ১৫ মিনিট শবাসন করা প্রয়োজন।

173
উত্তরঃ

আমি মনে করি, উদ্দীপকের জয়িতা শবাসন অনুশীলনের মাধ্যমে বেশি উপকৃত হবে। কারণ শরীর শিথিলকরণ বা বিশ্রামের জন্য শবাসন যোগসাধনার একটি উপযুক্ত আসন। এতে জয়িতার সম্পূর্ণ শরীর সুস্থবোধ হবে, স্নায়ুমণ্ডলী ও শিরা উপশিরাগুলো সম্পূর্ণ বিশ্রাম পাবে, শরীর ও মনের সমস্ত ক্লান্তি দূর হবে। ফলে শরীর, মন-মস্তিষ্ক। এবং আত্মা পূর্ণ বিশ্রাম, শক্তি, উৎসাহ ও আনন্দ লাভ হবে।
মানসিক টেনশন, বেশি বা কম রক্ত চাপ, হৃদরোগ, পেটে গ্যাস, ডায়াবেটিস প্রভৃতি রোগ উপশম হবে। আধুনিক যন্ত্রসভ্যতার পীড়নে জয়িতার যদি স্নায়ুর উপর চাপ পড়ে থাকে তাহলে উক্ত আসন প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করবে। আর রাত জেগে পড়াশুনা মানে অনিদ্রার ক্ষেত্রে উক্ত আসন মন্ত্রের ন্যায় কাজ করবে। তাতে জয়িতার অনিদ্রা দূর হবে এবং পড়াশুনায় মনোযোগ আসবে।

143
উত্তরঃ

যোগাসন হচ্ছে দেহ ও মনকে সুস্থ রাখার একটি উৎকৃষ্ট প্রক্রিয়া।

118
উত্তরঃ

প্রাচীনকালের ঋষিগণ উপলব্ধি করেছিলেন সাধনায় সিদ্ধি লাভকরতে হলে দেহ ও মনকে অবশ্যই সুস্থ রাখতে হবে। তাই তাঁরা দেহ ও মনকে সুস্থ রাখার প্রক্রিয়া হিসেবে যোগাসন অনুশীলন করতেন।

136
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews