কাঠুরিয়া খুব গরিব ছিল। প্রতিদিন কাঠ বিক্রি করে যা রোজগার করত তাই দিয়ে কোনো রকমে খেয়ে পরে তার দিন চলত।
কাঠুরিয়া অত্যন্ত গরিব ছিল। তাই তার কুড়াল কেনার সামর্থ্য ছিল না।
জলপরীর কাছ থেকে উপহার পেয়ে কাঠুরিয়া যখন তাকে ধন্যবাদ দিতে চায়, তখনই জলপরী অদৃশ্য হয়ে যায়।
জলপরীর দেখানো সোনার কুড়ালের উপর সূর্যের আলো পড়লে তা ঝলমল করে ওঠে। তাই দেখে লোভী কাঠুরিয়ার চোখ চকচক করে উঠল।
লোভী কাঠুরিয়া মিথ্যা বলেছিল। তাই সে নিজের লোহার কুড়ালটি হারাল।
কাঠুরিয়ার কুড়ালটি পানিতে পড়ে যাওয়ায় সে কাঁদতে লাগল।
জলপরী কাঠুরিয়াকে বলল, 'তোমার কুড়াল আমি এনে দিচ্ছি, তুমি কেঁদো না।'
কাঠুরিয়ার সততা দেখে জলপরী মুগ্ধ হয়ে তার কুড়াল ফেরত দিল। সাথে সোনা ও রূপার কুড়াল দুইটিও তাকে উপহার হিসেবে দিয়ে দিল।
সততার জন্য কাঠুরিয়া জলপরীর কাছ থেকে উপহার হিসেবে দুইটি সোনা ও রুপার কুড়াল পেয়েছিল। সেই কুড়াল দুইটি সে বাজারে বিক্রি করে অনেক টাকা পেল। তাই দিয়ে তার সুখে-স্বাচ্ছন্দ্যে দিন কাটতে থাকে। এভাবে কাঠুরিয়ার অবস্থার পরিবর্তন হলো।
লোভী কাঠুরিয়া ইচ্ছা করে তার কুড়ালটি পানিতে ফেলে দিল।
সৎ কাঠুরিয়ার গল্প শুনে লোভী কাঠুরিয়া একদিন নদীর ধারে কাঠ কাটতে আসে এবং ইচ্ছা করে সে তার কুড়ালটি পানিতে ফেলে দিয়ে কান্নার অভিনয় করে। তখন জলপরী এসে তাকে একটি সোনার কুড়াল দেখিয়ে জিজ্ঞেস করে এটা তার কুড়াল কি না। লোভী কাঠুরিয়া সেটাকে নিজের কুড়াল বলে দাবি করে। তখন জলপরী ডুব দিয়ে আর ওঠে না। তাই লোভী কাঠুরিয়া হায় হায় করতে লাগল।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allনিরুপায় হয়ে কাঠুরিয়া সেই গাছের গোড়ায় বসে কাঁদতে লাগল ।
জলপরী বলল, আচ্ছা তোমার কুড়াল আমি এনে দিচ্ছি।
জলপরী কাঠুরিয়ার এই সততা দেখে মুগ্ধ হলো।
তার কান্না শুনে আবার সেই জলপরী সেখানে উপস্থিত হলো
লোভী কাঠুরিয়া হায় হায় করতে লাগল।
সেই কুড়াল দুটি বাজারে বিক্রি করে কাঠুরিয়া অনেক টাকা পেল।
তারপর সেখানে বসে অভিনয় করে কাঁদতে লাগল।
সূর্যের আলো পড়ে সোনার কুড়াল ঝলমল করে উঠল।
তাই গাছের গোড়ায় বসে বসে সে ভাবতে লাগল
সে নিজের কপালে নিজে চড় মারতে মারতে বলল, হায় !
এক বনে এক কাঠুরিয়া রোজ কাঠ কাটতে যেত। ভারি গরিব সে। কাঠ বিক্রি করে যা রোজগার করত তাই দিয়ে কোনোরকমে খেয়ে-পরে দিন চলত তার। একদিন নদীর ধারে সে গেল কাঠ কাটতে ।
কাঠুরিয়া অত্যন্ত গরিব। কাঠ বিক্রি করে যা রোজগার করত তাই দিয়ে কোনোমতো খেয়ে-পরে তার দিন চলত। একদিন নদীর ধারে কাঠ কাটতে গিয়ে হাত ফসকে তার কুড়ালটি গভীর জল পড়ে যায়। গরিব হওয়ার কারণে আবার নতুন করে কুড়াল কেনার সামর্থ্য তার ছিল না। সে কথা ভাবতে গিয়েই কাঠুরিয়ার চোখ দিয়ে পানি পড়ে।
কাঠুরিয়ার কুড়ালটি হাত ফসকে গভীর পানিতে পড়ে যায়। সেই দুঃখে সে গাছের নিচে বসে কাঁদতে থাকে। তার কিছুক্ষণ পরে জলপরী নদীর মধ্য থেকে উঠে আসে এবং তার কান্নার কারণ জানতে চায়। সব শুনে জলপরী নদীতে ডুব দিয়ে প্রথমে একটি সোনার কুড়াল তুলে আনে। কাঠুরিয়া সেটা দেখে বলে, এটা তার নয়। তারপর রূপার কুড়াল আনলে কাঠুরিয়া বলে সেটাও তার নয়। অবশেষে জলপরী ডুব দিয়ে লোহার কুড়ালটি তুলে আনলে তখন কাঠুরিয়া নিজের কুড়ালটি চিনতে পেরে বলে এটাই আমার কুড়াল।
গরিব ও সৎ কাঠুরিয়ার গল্প শুনে এক কাঠুরিয়ার বড়ো লোভজন্মাল। সে একদিন চুপিচুপি নদীর ধারে গাছ কাটতে যায়। গাছ কাটার সময় সে ইচ্ছা করে নিজের কুড়ালটি পানিতে ফেলে দেয়। সৎ কাঠুরিয়ার মতো জলপরীর কাছ থেকে সোনা-রুপার কুড়াল পাওয়ার লোভে সে অভিনয় করে কাঁদতে শুরু করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!