জলপরীর কাছ থেকে উপহার পেয়ে কাঠুরিয়া যখন তাকে ধন্যবাদ দিতে চায়, তখনই জলপরী অদৃশ্য হয়ে যায়।
Related Question
View Allনিরুপায় হয়ে কাঠুরিয়া সেই গাছের গোড়ায় বসে কাঁদতে লাগল ।
জলপরী বলল, আচ্ছা তোমার কুড়াল আমি এনে দিচ্ছি।
জলপরী কাঠুরিয়ার এই সততা দেখে মুগ্ধ হলো।
তার কান্না শুনে আবার সেই জলপরী সেখানে উপস্থিত হলো
লোভী কাঠুরিয়া হায় হায় করতে লাগল।
সেই কুড়াল দুটি বাজারে বিক্রি করে কাঠুরিয়া অনেক টাকা পেল।
তারপর সেখানে বসে অভিনয় করে কাঁদতে লাগল।
সূর্যের আলো পড়ে সোনার কুড়াল ঝলমল করে উঠল।
তাই গাছের গোড়ায় বসে বসে সে ভাবতে লাগল
সে নিজের কপালে নিজে চড় মারতে মারতে বলল, হায় !
এক বনে এক কাঠুরিয়া রোজ কাঠ কাটতে যেত। ভারি গরিব সে। কাঠ বিক্রি করে যা রোজগার করত তাই দিয়ে কোনোরকমে খেয়ে-পরে দিন চলত তার। একদিন নদীর ধারে সে গেল কাঠ কাটতে ।
কাঠুরিয়া অত্যন্ত গরিব। কাঠ বিক্রি করে যা রোজগার করত তাই দিয়ে কোনোমতো খেয়ে-পরে তার দিন চলত। একদিন নদীর ধারে কাঠ কাটতে গিয়ে হাত ফসকে তার কুড়ালটি গভীর জল পড়ে যায়। গরিব হওয়ার কারণে আবার নতুন করে কুড়াল কেনার সামর্থ্য তার ছিল না। সে কথা ভাবতে গিয়েই কাঠুরিয়ার চোখ দিয়ে পানি পড়ে।
কাঠুরিয়ার কুড়ালটি হাত ফসকে গভীর পানিতে পড়ে যায়। সেই দুঃখে সে গাছের নিচে বসে কাঁদতে থাকে। তার কিছুক্ষণ পরে জলপরী নদীর মধ্য থেকে উঠে আসে এবং তার কান্নার কারণ জানতে চায়। সব শুনে জলপরী নদীতে ডুব দিয়ে প্রথমে একটি সোনার কুড়াল তুলে আনে। কাঠুরিয়া সেটা দেখে বলে, এটা তার নয়। তারপর রূপার কুড়াল আনলে কাঠুরিয়া বলে সেটাও তার নয়। অবশেষে জলপরী ডুব দিয়ে লোহার কুড়ালটি তুলে আনলে তখন কাঠুরিয়া নিজের কুড়ালটি চিনতে পেরে বলে এটাই আমার কুড়াল।
গরিব ও সৎ কাঠুরিয়ার গল্প শুনে এক কাঠুরিয়ার বড়ো লোভজন্মাল। সে একদিন চুপিচুপি নদীর ধারে গাছ কাটতে যায়। গাছ কাটার সময় সে ইচ্ছা করে নিজের কুড়ালটি পানিতে ফেলে দেয়। সৎ কাঠুরিয়ার মতো জলপরীর কাছ থেকে সোনা-রুপার কুড়াল পাওয়ার লোভে সে অভিনয় করে কাঁদতে শুরু করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!