সহাবস্থানের জন্য আমাদের করণীয় নিম্নরূপ-
(ক) ধর্মীয় ভেদাভেদ, হিংসা, বিদ্বেষ ভুলে সব ধর্মবিশ্বাসী মানুষকে গ্রহণ করা।
(খ) অন্যান্য ধর্মের মূলমন্ত্র ও ভালো দিকগুলো জেনে, তা নিজ জীবনে ধারণ, অনুশীলন করা এবং শ্রদ্ধাশীল হওয়া।
(গ) সব ধর্মের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য এক, একই সৃষ্টিকর্তার গৌরব ও প্রশংসা করা।
(ঘ) কুসংস্কার, অন্ধবিশ্বাস ও ধর্মীয় গোঁড়ামি পরিহার করা।
(ঙ) মৌলবাদী মনোভাব পরিহার করা।
(চ) স্থানীয় ও বৈশ্বিক পর্যায়ে ধর্মীয় নেতাদের সম্মিলিতভাবে সংলাপে বসা।
(ছ) ঐকবদ্ধভাবে অন্যান্য ধর্মের মানুষের সঙ্গে সমাবেশ, মত বিনিময় সভা ও আলাপ-আলোচনা করা।
(জ) অসাম্প্রায়িক চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সহনশীলতা, ধৈর্য, সম্প্রীতির মনোভাব পোষণ করা।
(ঝ) জাতীয় পর্যায়ে সংলাপের উদ্যোগ গ্রহণ করা।
Related Question
View Allঈশ্বর আমাদের প্রত্যেকের জীবনের উৎস।
প্রতিবেশীর প্রয়োজনে তাদেরকে সাহায্য করি।
প্রতিবেশীকে সেবা করার মাধ্যমে ঈশ্বরকে সেবা করছি।
যীশুকে গর্ভে ধারণ করেছিলেন কুমারী মারীয়া
কলকাতার মাদার তেরেজা আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত ছিলেন।
একমাত্র পুত্রকে বলি দিতে অস্বীকার করেননি।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!