উত্তরঃ

"রাঙ্গামাটি" আয়তনে বাংলাদেশের বৃহত্তম জেলা

Md.Saidur Rahman
Md.Saidur Rahman
8 months ago
উত্তরঃ 93তম

বিশ্ব শান্তি সূচক (Global Peace Index - GPI) হলো একটি বার্ষিক প্রতিবেদন যা আন্তর্জাতিক থিংক ট্যাংক ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস (Institute for Economics & Peace - IEP) কর্তৃক প্রকাশিত হয়। এটি বিশ্বের দেশগুলোকে তাদের শান্তির মাত্রা অনুযায়ী র‍্যাঙ্ক করে। ২০২৩ সালের বিশ্ব শান্তি সূচকে বাংলাদেশ ৯৩তম অবস্থানে ছিল। এই সূচকটি ২৩টি গুণগত ও পরিমাণগত নির্দেশকের উপর ভিত্তি করে বিশ্বের ১৬৩টি দেশ ও অঞ্চলের শান্তির অবস্থা মূল্যায়ন করে, যা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৯৯.৭% অন্তর্ভুক্ত করে।

এই সূচকটি তিনটি প্রধান ডোমেইনকে বিবেচনা করে: সামাজিক নিরাপত্তা ও সুরক্ষা, চলমান অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক সংঘাত এবং সামরিকীকরণ। বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, অপরাধের হার, প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে সম্পর্ক এবং সামরিক ব্যয়ের মতো বিষয়গুলো এই সূচকে দেশের অবস্থানে প্রভাব ফেলে। চাকরিপ্রার্থীদের জন্য সাধারণ জ্ঞান ও সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর প্রস্তুতির জন্য এই ধরনের বৈশ্বিক সূচক সম্পর্কে অবগত থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Satt AI
Satt AI
3 days ago
উত্তরঃ bKash

ইউনিকর্ন স্টার্টআপ: একটি ইউনিকর্ন স্টার্টআপ হলো এমন একটি বেসরকারি কোম্পানি যার বাজার মূল্য (valuation) $১ বিলিয়ন (১০০ কোটি ডলার) বা তার বেশি। এটি স্টার্টআপ বিশ্বে সাফল্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাপকাঠি হিসেবে বিবেচিত হয়।

bKash এর অর্জন: ২০২১ সালে, বাংলাদেশের মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস (MFS) প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান bKash দ্রুততম সময়ে ইউনিকর্ন স্টার্টআপের মর্যাদা লাভ করে। bKash দেশজুড়ে মোবাইল ব্যাংকিং, রেমিটেন্স, পেমেন্ট এবং অন্যান্য আর্থিক পরিষেবা প্রদানের মাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। ব্র্যাক ব্যাংক এবং মানি ইন মোশন (Money in Motion) এর যৌথ উদ্যোগ হিসেবে শুরু হওয়া এই প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে ডিজিটাল লেনদেন এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।

Satt AI
Satt AI
4 days ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশ প্রথম কমনওয়েলথের সদস্যপদ লাভ করে। ১৯৭২ সালের ১৮ এপ্রিল

উত্তরঃ

অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগের কর্মকর্তা।

উত্তরঃ

স্পারসো (SPARRSO) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সরকারি সংস্থা।

উত্তরঃ

বাংলাদেশ সরকার মূল্য সংযোজন কর (VAT) থেকে সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় করে

উত্তরঃ

TIFA-এর পূর্ণরূপ হল Trade and Investment Framework Agreement। 

উত্তরঃ 1770 খ্রিস্টাব্দে

বাংলার 'ছিয়াত্তরের মনন্তর' ছিল একটি ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ যা ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দে (বাংলা ১১৭৬ সনে) তৎকালীন ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনামলে সংঘটিত হয়। এই দুর্ভিক্ষে বাংলার এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি মানুষ মৃত্যুবরণ করে বলে অনুমান করা হয়, যার ফলে জনসংখ্যা ব্যাপক হারে হ্রাস পায় এবং অর্থনীতিতে চরম বিপর্যয় নেমে আসে।

দুর্ভিক্ষের প্রধান কারণগুলির মধ্যে ছিল অনাবৃষ্টি এবং পরপর কয়েক বছর ফসল উৎপাদন ব্যাহত হওয়া। তবে, ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শোষণমূলক ভূমি রাজস্ব নীতি, অতিরিক্ত কর আদায়, এবং খাদ্যশস্যের মজুতদারি ও রপ্তানি পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছিল। কোম্পানি দুর্ভিক্ষের মোকাবিলায় কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি, যা মানবিক বিপর্যয়ের মাত্রাকে বহু গুণ বাড়িয়ে দেয়। এই দুর্ভিক্ষ বাংলার ইতিহাসে একটি কালো অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত এবং এটি কোম্পানির শাসনের নিষ্ঠুরতার একটি বড় দৃষ্টান্ত।

Satt AI
Satt AI
4 days ago
উত্তরঃ 11টি

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে সমগ্র বাংলাদেশকে প্রশাসনিক ও সামরিক কার্যক্রম পরিচালনার সুবিধার্থে মোট 11টি (এগারোটি) সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল। প্রতিটি সেক্টরের জন্য একজন করে সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করা হয়েছিল, যারা নিজ নিজ এলাকার সামরিক কার্যক্রমের নেতৃত্ব দিতেন।

এছাড়া, 10 নম্বর সেক্টরটি ছিল নৌ-কমান্ডোদের জন্য একটি বিশেষ সেক্টর, যার কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমানা ছিল না। এই সেক্টরের সদস্যরা সমুদ্র ও নদীপথে অভিযান পরিচালনা করতেন। এই সেক্টরগুলো গঠনের ফলে মুক্তিযুদ্ধের কৌশলগত পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন সহজ হয়েছিল, যা বাংলাদেশের বিজয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

Satt AI
Satt AI
4 days ago
উত্তরঃ ৩১ মার্চ ১৯৯৭

বাংলাদেশ ১৯৯৭ সালের ৩১ মার্চ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (ICC) থেকে একদিনের আন্তর্জাতিক (ODI) স্ট্যাটাস লাভ করে। এই অর্জন বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক ছিল। এর ফলে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে পূর্ণ সদস্য হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ পায় এবং ১৯৯৯ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপে তাদের অংশগ্রহণের পথ সুগম হয়। ওই বছর বাংলাদেশ আইসিসি ট্রফি জিতে বিশ্বকাপ খেলার যোগ্যতা অর্জন করে, যা দেশের ক্রিকেটের জন্য একটি যুগান্তকারী ঘটনা ছিল।

Satt AI
Satt AI
4 days ago
উত্তরঃ

হেগ


আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (International Criminal Court - ICC) নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত। এটি একটি স্বাধীন বিচারিক সংস্থা যা আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ, যুদ্ধাপরাধ এবং আগ্রাসনের মতো গুরুতর অপরাধের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিচার করে থাকে। রোম সংবিধির (Rome Statute) মাধ্যমে ২০০২ সালের ১লা জুলাই এই আদালত প্রতিষ্ঠিত হয়। এর কার্যক্রম জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশ বা সদস্য রাষ্ট্রগুলোর আবেদনের ভিত্তিতে শুরু হতে পারে। এটি আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (International Court of Justice - ICJ) থেকে ভিন্ন, যা হেগেই অবস্থিত হলেও রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তি করে।

Satt AI
Satt AI
4 days ago
উত্তরঃ কার্বন ডাই অক্সাইড

বায়ুদূষণ হলো বায়ুমণ্ডলে বিভিন্ন ক্ষতিকারক গ্যাস, কণা, বা জৈবিক অণুর মিশ্রণ যা মানুষ, অন্যান্য প্রাণী এবং উদ্ভিদের জন্য ক্ষতিকর।

বিভিন্ন গ্যাস বায়ুদূষণের জন্য দায়ী এবং এদের প্রভাব ভিন্ন ভিন্ন। প্রধান কয়েকটি গ্যাস নিচে উল্লেখ করা হলো:

        
  • কার্বন ডাই অক্সাইড (Carbon Dioxide - CO2): এটি প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস, যা জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো, বন উজাড় এবং শিল্প প্রক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন হয়। এটি প্রত্যক্ষভাবে বিষাক্ত না হলেও, বায়ুমণ্ডলে এর অতিরিক্ত পরিমাণ পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে (গ্লোবাল ওয়ার্মিং) এবং জলবায়ু পরিবর্তনে মুখ্য ভূমিকা পালন করে, যা এক ধরনের বৈশ্বিক বায়ুদূষণ।
  •     
  • কার্বন মনোক্সাইড (Carbon Monoxide - CO): এটি অসম্পূর্ণ দহনের ফলে উৎপন্ন একটি বিষাক্ত গ্যাস, যা যানবাহন এবং শিল্প-কারখানা থেকে নির্গত হয়। এটি মানুষের রক্তে অক্সিজেনের প্রবাহে বাধা দেয় এবং শ্বাসকষ্ট, মাথা ব্যথা এমনকি মৃত্যুর কারণ হতে পারে।
  •     
  • সালফার ডাই অক্সাইড (Sulfur Dioxide - SO2): প্রধানত কয়লা ও তেল পোড়ানোর ফলে উৎপন্ন হয়। এটি অ্যাসিড বৃষ্টির অন্যতম প্রধান কারণ এবং শ্বাসযন্ত্রের রোগ সৃষ্টি করে।
  •     
  • নাইট্রোজেন অক্সাইড (Nitrogen Oxides - NOx): যানবাহন এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র থেকে নির্গত হয়। এটি ধোঁয়াশা (স্মগ) সৃষ্টি করে, অ্যাসিড বৃষ্টিতে অবদান রাখে এবং শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা সৃষ্টি করে।
  •     
  • মিথেন (Methane - CH4): এটি একটি শক্তিশালী গ্রিনহাউস গ্যাস, যা প্রাকৃতিক উৎস (যেমন জলাভূমি), কৃষি এবং জীবাশ্ম জ্বালানি উত্তোলন থেকে নির্গত হয়।
  •     
  • ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (Chlorofluorocarbons - CFCs): পূর্বে রেফ্রিজারেটর এবং অ্যারোসল স্প্রেতে ব্যবহৃত হতো। এটি ওজোন স্তর ক্ষয়ের প্রধান কারণ।

সুতরাং, এককভাবে একটি গ্যাসকে বায়ুদূষণের জন্য দায়ী করা কঠিন হলেও, কার্বন ডাই অক্সাইড বৈশ্বিক উষ্ণতা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মাধ্যমে সামগ্রিক বায়ুমণ্ডলের দূষণে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে। তবে স্থানীয় বায়ুদূষণের ক্ষেত্রে কার্বন মনোক্সাইড, সালফার ডাই অক্সাইড এবং নাইট্রোজেন অক্সাইডের মতো গ্যাসগুলো প্রত্যক্ষভাবে বেশি ক্ষতিকর।

Satt AI
Satt AI
4 days ago
উত্তরঃ ডিজিটাল ডিভাইড হলো তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT) ব্যবহারের সুযোগে বিভিন্ন ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা অঞ্চলের মধ্যে বিদ্যমান বৈষম্য। এটি মূলত ইন্টারনেট এবং অন্যান্য ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে অসম প্রবেশাধিকার, দক্ষতা এবং সুযোগকে বোঝায়।

ডিজিটাল ডিভাইড (Digital Divide) বলতে ইন্টারনেট, কম্পিউটার এবং অন্যান্য ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ, দক্ষতা ও সক্ষমতার ক্ষেত্রে ব্যক্তি, পরিবার, ভৌগোলিক অঞ্চল বা সামাজিক-অর্থনৈতিক গোষ্ঠীর মধ্যে যে বৈষম্য বা অসমতা দেখা যায়, তাকে বোঝায়। এই বৈষম্য সাধারণত অর্থনৈতিক অবস্থা, শিক্ষাগত যোগ্যতা, ভৌগোলিক অবস্থান (গ্রামীণ বনাম শহুরে), বয়স, লিঙ্গ, জাতিগত পরিচয় এবং শারীরিক অক্ষমতার উপর নির্ভর করে গড়ে ওঠে।

এই বিভাজন মূলত দুটি প্রধান কারণে ঘটে:

        
  • প্রবেশাধিকারের অভাব: ইন্টারনেট সংযোগ, উপযুক্ত হার্ডওয়্যার (যেমন কম্পিউটার বা স্মার্টফোন) এবং সফটওয়্যারের সহজলভ্যতা বা সামর্থ্যের অভাব। গ্রামীণ বা প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এবং উচ্চ মূল্য এর অন্যতম কারণ।
  •     
  • দক্ষতার অভাব: ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করার জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞান, দক্ষতা ও প্রশিক্ষণের অভাব। ডিজিটাল সাক্ষরতা (Digital Literacy) না থাকলে প্রযুক্তি থাকলেও তা ব্যবহার করা কঠিন হয়ে পড়ে।

ডিজিটাল ডিভাইডের কারণে শিক্ষায় অসমতা, কর্মসংস্থানের সুযোগে পার্থক্য, স্বাস্থ্যসেবার তথ্যে প্রবেশাধিকারের অভাব এবং সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে পিছিয়ে পড়ার মতো গুরুতর প্রভাব সৃষ্টি হয়। এর ফলে সমাজের দুর্বল অংশ আরও বেশি প্রান্তিক হয়ে পড়ে। বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থা এই ডিজিটাল বৈষম্য দূর করতে অবকাঠামো উন্নয়ন, সাশ্রয়ী মূল্যে ইন্টারনেট সরবরাহ, ডিজিটাল সাক্ষরতা প্রোগ্রাম এবং প্রশিক্ষণ প্রদানের মতো উদ্যোগ গ্রহণ করছে।

Satt AI
Satt AI
4 days ago
উত্তরঃ 136তম

জাতিসংঘে বাংলাদেশের সদস্যপদ গ্রহণ ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক অর্জন। ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।

এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও দূরদর্শী পররাষ্ট্রনীতি অবিস্মরণীয়। সদস্যপদ লাভের এক সপ্তাহ পর ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রথম বারের মতো বাংলায় ভাষণ দেন, যেখানে তিনি বিশ্ব শান্তি, ন্যায়বিচার ও শোষিত মানুষের অধিকারের পক্ষে কথা বলেন। জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভের মাধ্যমে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে তার অবস্থান সুদৃঢ় করে এবং বৈশ্বিক শান্তি ও উন্নয়নে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ লাভ করে।

Satt AI
Satt AI
4 days ago
1.4k

'Freedom House' যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়নে পরিচালিত ওয়াশিংটনভিত্তিক একটি অলাভজনক এনজিও। ১৯৪১ সালে প্রতিষ্ঠিত এ সংস্থাটি গণতন্ত্র, রাজনৈতিক স্বাধীনতা ও মানবাধিকার নিয়ে গবেষণা ও পরামর্শ দিয়ে থাকে।

যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক নজরদারী সংগঠন হলো Freedom House', কয়েক দশক ধরে বাক স্বাধীনতা, রাজনৈতিক ও নাগরিক অধিকার বিষয়ে বিভিন্ন দেশের র‍্যাংকিং করে আসছে Freedom House',

Related Question

View All
উত্তরঃ

স্বাধীনতা যুদ্ধকালে বাংলাদেশকে ১১টি (বিভক্ত করেন কর্নেল এম এ জি ওসমানী) সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল ১১ জুলাই ১৯৭১ সালে। উল্লেখ্য, মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়। ১০নং সেক্টর সরাসরি প্রধান সেনাপতির অধীনে ছিল। সম্মুখ সমরে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হওয়ার জন্য ৩টি (জেড ফোর্স, কে ফোর্স, এস ফোর্স) নিয়মিত ব্রিগেড গঠন করা হয়। 

সেক্টর ২ঃ কুমিল্লা, নোয়াখালী, আখাউড়া, ভৈরব, ঢাকা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ। আগরতলার ২০ মাইল দক্ষিণে ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর।

846
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews