সোনার তরী' কবিতার কৃষকের সঙ্গে উদ্দীপকের বনের পাখি শাশ্বত মানবের কর্মমুখর জীবনের শেষ পরিণতির দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ।
'সোনার তরী' কবিতায় কৃষক, ধান, সোনার তরী প্রভৃতি রূপকের মাধ্যমে মানবজীবনের শাশ্বত বাস্তবতা তুলে ধরা হয়েছে। কৃষকরূপী মানুষ জীবনভর যেসব কর্ম করে অর্থাৎ সোনার ধান উৎপাদন করে, ব্যক্তির মৃত্যুতে সে সোনার তরীতে ঠাঁই পায় না; তবে তাঁর সোনার ধান ঠিকই রয়ে যায়। ধানরূপী কর্মের মাঝেই কৃষকরূপী মানুষটি বেঁচে থাকে।
উদ্দীপকের কবিতাংশে কবি ব্যক্তিগত ভালোবাসা না চেয়ে তাঁর সৃষ্টিকর্মের প্রতি ভালোবাসা কামনা করেছেন। কেননা, স্বভাবতই বনের পাখি নয় বরং গানই মানুষকে আকৃষ্ট করে। বনের পাখির স্বভাব গান গাওয়া। মানুষ পাখির গানে মুগ্ধতা প্রকাশ করে, কিন্তু পাখিকে মনে রাখতে চায় না। তেমনি 'সোনার তরী' কবিতায় পৃথিবীতে কৃষকরূপী কবির স্থান হয় না; স্থান হয় তাঁর ধানরূপী কর্মের। তাই উদ্দীপকের বনের পাখি এবং কবিতার কৃষক একে অপরের সমান্তরাল চরিত্র।
Related Question
View Allচিকনাই শব্দের অর্থ কী
ব্যান্জনার্থে
উত্তর চাই
একজন কৃষক দ্বীপসদৃশ ধানখেতে তার সােনার ফসল নিয়ে অপেক্ষা করছে। ঘন বর্ষা আর তীব্র সােতের কারণে তীরে যাওয়ারও কোনাে ভরসা নেই— এ কথা বােঝাতেই উক্তিটি করা হয়েছে। ‘সােনার তরী’ কবিতায় কবির জীবনদর্শন চিত্রায়িত হয়েছে।
কবিতায় একজন কৃষক তার ধান নিয়ে ক্ষুরের মতাে ধারালাে বর্ষার স্রোতে ঘেরা দ্বীপসদৃশ ধানখেতে নানা আশঙ্কা নিয়ে অপেক্ষা করছে। সে সেখানে নিঃসঙ্গ, কারও কোনাে দেখা নেই। আকাশে ঘন ঘন মেঘ গর্জন করছে। এমন বৈরী পরিবেশে কৃষকরূপী কবি নিজের নিঃসঙ্গতা ও ভরসাহীনতাকে বােঝাতে গিয়ে কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা’ কথাটি বলেছেন। সারকথা : প্রশ্নোক্ত লাইনের মধ্য দিয়ে বৈরী পরিবেশে নিঃসঙ্গ এক কৃষকের ভরসাহীন অবস্থার কথা প্রকাশ পেয়েছে।
'কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা'—কবির এমন অনুভূতির কারণ কী?
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!