মহাকালের স্রোতে ব্যস্তির অস্তিত্ব বিলীন হয়ে গেলেও টিকে থাকে তার সৃষ্টিকর্ম- আলোচ্য কবিতায় চিরন্তন এই সত্যই কবির জীবনদর্শনরূপে প্রকাশ পেয়েছে।
ক্ষণস্থায়ী জীবনে মানুষ কর্মব্যস্ত সময় পার করে। সময়ের স্রোতে এগিয়ে যায় চূড়ান্ত পরিণতির দিকে এবং একসময় তার অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যায় সময়ের অতল গহ্বরে। কিন্তু কর্ম টিকে থাকে, সময়ের স্রোতে তা ভেসে ভেসে পৌঁছে যায় শতাব্দী থেকে শতাব্দীতে। 'সোনার তরী' কবিতায় কবির জীবনদর্শনে মানুষ এবং তার কর্মের স্থায়িত্বের বিপরীতমুখী দিকটির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে।
Related Question
View Allএকজন কৃষক দ্বীপসদৃশ ধানখেতে তার সােনার ফসল নিয়ে অপেক্ষা করছে। ঘন বর্ষা আর তীব্র সােতের কারণে তীরে যাওয়ারও কোনাে ভরসা নেই— এ কথা বােঝাতেই উক্তিটি করা হয়েছে। ‘সােনার তরী’ কবিতায় কবির জীবনদর্শন চিত্রায়িত হয়েছে।
কবিতায় একজন কৃষক তার ধান নিয়ে ক্ষুরের মতাে ধারালাে বর্ষার স্রোতে ঘেরা দ্বীপসদৃশ ধানখেতে নানা আশঙ্কা নিয়ে অপেক্ষা করছে। সে সেখানে নিঃসঙ্গ, কারও কোনাে দেখা নেই। আকাশে ঘন ঘন মেঘ গর্জন করছে। এমন বৈরী পরিবেশে কৃষকরূপী কবি নিজের নিঃসঙ্গতা ও ভরসাহীনতাকে বােঝাতে গিয়ে কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা’ কথাটি বলেছেন। সারকথা : প্রশ্নোক্ত লাইনের মধ্য দিয়ে বৈরী পরিবেশে নিঃসঙ্গ এক কৃষকের ভরসাহীন অবস্থার কথা প্রকাশ পেয়েছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!