60cm ব্যাসবিশিষ্ট একটি অবতল দর্পণের মেরু থেকে 20cm দূরে 12cm দৈর্ঘ্যের একটি বাঁশের কাঠি রাখা হলো। 

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত অবতল দর্পণের জন্য, ব্যাস 60 cm হওয়ায় এর বক্রতার ব্যাসার্ধ \(R = 60/2 = 30\) cm এবং ফোকাস দূরত্ব \(f = R/2 = 15\) cm। বাঁশের কাঠিটি মেরু থেকে 20 cm দূরে রাখা হয়েছে, তাই বস্তুর দূরত্ব \(u = 20\) cm এবং বস্তুর দৈর্ঘ্য \(h_o = 12\) cm। বিম্বের দৈর্ঘ্য \(h_i\) নির্ণয়ের জন্য প্রথমে দর্পণ সূত্র (\( \frac{1}{v} + \frac{1}{u} = \frac{1}{f} \)) ব্যবহার করে বিম্বের দূরত্ব \(v\) বের করতে হবে, এরপর বিবর্ধন সূত্র (\( M = \frac{h_i}{h_o} = \frac{v}{u} \)) ব্যবহার করে বিম্বের দৈর্ঘ্য নির্ণয় করা যাবে।

দর্পণ সূত্র অনুযায়ী,

\( \frac{1}{v} + \frac{1}{u} = \frac{1}{f} \)

\( \frac{1}{v} = \frac{1}{f} - \frac{1}{u} \)

এখানে, \(f = 15 \text{ cm}\) এবং \(u = 20 \text{ cm}\) বসিয়ে পাই,

\( \frac{1}{v} = \frac{1}{15} - \frac{1}{20} \)

\( \frac{1}{v} = \frac{4 - 3}{60} \)

\( \frac{1}{v} = \frac{1}{60} \)

সুতরাং, \(v = 60 \text{ cm}\)

এখন, বিবর্ধন সূত্র ব্যবহার করে বিম্বের দৈর্ঘ্য নির্ণয় করি:

\( \frac{h_i}{h_o} = \frac{v}{u} \)

\( h_i = \frac{v}{u} \times h_o \)

এখানে, \(v = 60 \text{ cm}\), \(u = 20 \text{ cm}\) এবং \(h_o = 12 \text{ cm}\) বসিয়ে পাই,

\( h_i = \frac{60}{20} \times 12 \)

\( h_i = 3 \times 12 \)

\( h_i = 36 \text{ cm} \)

সুতরাং, উদ্দীপকে বর্ণিত অবতল দর্পণের সামনে রাখা বাঁশের কাঠির বিম্বের দৈর্ঘ্য হবে 36 cm। যেহেতু বিম্ব দূরত্ব \(v\) ধনাত্মক এসেছে এবং \(u > f\), তাই বিম্বটি বাস্তব ও উল্টা হবে।

Satt AI
Satt AI
1 day ago
উত্তরঃ

অবতল দর্পণের ক্ষেত্রে বস্তুর দৈর্ঘ্য ও বিম্বের দৈর্ঘ্য সমান হওয়ার জন্য বস্তুকে দর্পণের বক্রতার কেন্দ্রে (Center of Curvature, C) স্থাপন করতে হবে। এই অবস্থানে গঠিত প্রতিবিম্ব বাস্তব, উল্টো এবং বস্তুর সমান আকারের হয়ে থাকে।

উদ্দীপকে উল্লিখিত অবতল দর্পণের ব্যাস \(60\text{cm}\) বলা হয়েছে। এখানে ব্যাস বলতে দর্পণের বক্রতার ব্যাসার্ধ (Radius of Curvature, \(R\)) বোঝানো হয়েছে।

সুতরাং, বক্রতার ব্যাসার্ধ \(R = 60\text{cm}\)।

অতএব, কাঠিটি যদি দর্পণের মেরু থেকে \(60\text{cm}\) দূরে বক্রতার কেন্দ্রে স্থাপন করা হয়, তবে বিম্বের দৈর্ঘ্যের কোনো পরিবর্তন হবে না, অর্থাৎ বিম্বের দৈর্ঘ্য কাঠিটির দৈর্ঘ্যের সমান হবে।

গাণিতিক ব্যাখ্যা:

আমরা জানি, বিবর্ধন, \(m = \frac{\text{প্রতিবিম্বের দৈর্ঘ্য}}{\text{বস্তুর দৈর্ঘ্য}} = -\frac{v}{u}\)।

যদি প্রতিবিম্বের দৈর্ঘ্য বস্তুর দৈর্ঘ্যের সমান হয়, তাহলে বিবর্ধনের পরম মান \(|m| = 1\) হবে।

অবতল দর্পণে যখন বস্তু বক্রতার কেন্দ্রে (C) স্থাপন করা হয়, তখন প্রতিবিম্বও বক্রতার কেন্দ্রে গঠিত হয়। এক্ষেত্রে, বস্তুর দূরত্ব \(u = R\) হলে, প্রতিবিম্বের দূরত্ব \(v = R\)।

দর্পণের সূত্রটি হলো: \(\frac{1}{v} + \frac{1}{u} = \frac{1}{f}\)।

যেহেতু ফোকাস দূরত্ব \(f = \frac{R}{2}\), তাই আমরা লিখতে পারি: \(\frac{1}{f} = \frac{2}{R}\)।

এখন, বস্তুকে বক্রতার কেন্দ্রে (\(u = R\)) রাখলে দর্পণের সূত্রে প্রতিস্থাপন করে পাই:

\(\frac{1}{v} + \frac{1}{R} = \frac{2}{R}\)

\(\frac{1}{v} = \frac{2}{R} - \frac{1}{R}\)

\(\frac{1}{v} = \frac{1}{R}\)

সুতরাং, \(v = R\)।

এক্ষেত্রে বিবর্ধন হবে \(m = -\frac{v}{u} = -\frac{R}{R} = -1\)।

বিবর্ধনের মান ঋণাত্মক হওয়ায় প্রতিবিম্বটি বাস্তব ও উল্টো। কিন্তু এর পরম মান \(|m|=1\) হওয়ায় প্রতিবিম্বের দৈর্ঘ্য বস্তুর দৈর্ঘ্যের সমান হবে।

রশ্মিচিত্র অঙ্কনসহ ব্যাখ্যা:

রশ্মিচিত্র অঙ্কনের জন্য প্রথমে একটি অবতল দর্পণ আঁকতে হবে। দর্পণের প্রধান অক্ষ বরাবর মেরু (P), ফোকাস বিন্দু (F) এবং বক্রতার কেন্দ্র (C) চিহ্নিত করতে হবে। যেখানে \(PF = f\) এবং \(PC = R = 2f\)।

কাঠিটি বক্রতার কেন্দ্রে (C) স্থাপন করতে হবে। কাঠিটির শীর্ষবিন্দু থেকে দুটি প্রধান রশ্মি বিবেচনা করতে হবে:

        
  1. একটি রশ্মি প্রধান অক্ষের সমান্তরালভাবে দর্পণে আপতিত হলে, প্রতিফলনের পর সেটি ফোকাস (F) দিয়ে যাবে।
  2.     
  3. আরেকটি রশ্মি ফোকাস (F) দিয়ে দর্পণে আপতিত হলে, প্রতিফলনের পর সেটি প্রধান অক্ষের সমান্তরালভাবে ফিরে যাবে।

এই দুটি প্রতিফলিত রশ্মি যে বিন্দুতে ছেদ করবে, সেখানেই বিম্বের শীর্ষবিন্দু গঠিত হবে। রশ্মিচিত্রে দেখা যাবে, বিম্বটি বক্রতার কেন্দ্রে (C) গঠিত হয়েছে, যা বাস্তব, উল্টো এবং বস্তুর সমান আকারের।

Satt AI
Satt AI
1 day ago
157

আমরা চারপাশের যা কিছু আছে সেগুলো থেকে যখন আলো প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে এসে পড়ে আমরা তখন সেগুলো দেখতে পাই। আগের অধ্যায়ে শব্দকে ভরা হিসেবে জেনেছি, এই অধ্যায়ে আমরা আলোকে তরঙ্গ হিসেবে জানব, তবে সেটি হবে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক ধরনের তরঙ্গ যার নাম বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ। 

আলো যখন সমতল আয়নায় প্রতিফলিত হয় তখন সেটি প্রতিবিম্ব তৈরি করে, আমরা সবাই সেই প্রতিবিম্বের সাথে পরিচিত। সমতল আয়না না হয়ে গোলাকৃতির আয়নাও ব্যবহার করা যায় তখন সেটি যে প্রতিবিম্ব তৈরি করবে সেটি হবে অন্যরকম। এই অধ্যায়ে আমরা নানা ধরনের আয়নার নানা ধরনের প্রতিবিম্বের বিষয়গুলোও আলোচনা করব। 

Related Question

View All
উত্তরঃ

যে আয়নার পৃষ্ঠটি মসৃণ ও সমতল হয় এবং তাতে আলোর। নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে, সেটিই সমতল দর্পণ।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
8 months ago
233
উত্তরঃ

ধাতুর প্রলেপ লাগানো ব্যতীত দর্পণ স্বচ্ছ সমসত্ত্ব কাচ খণ্ডের ন্যায়, যাতে আলো লম্বভাবে আপতিত হলে মাত্র 4.5% প্রতিফলিত হয়। অন্যদিকে ধাতুর প্রলেপ লাগানোর ফলে দর্পণের আলোর প্রতিফলনের পরিমাণ প্রায় 40% হয়। তাই আলোর প্রতিফলনের হার বৃদ্ধির জন্য দর্পণের পিছনে ধাতুর প্রলেপ দেওয়া হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
8 months ago
463
উত্তরঃ

চিত্র এঁকে RS দর্পণ থেকে PQ বস্তুর প্রতিবিম্বের অবস্থান নিচে নির্ণয় করা হলো-

RS সমতল দর্পণে হচ্ছে আপতন বিন্দু এবং ON অভিলম্ব। দর্পণের সামনে PQ একটি লক্ষ্যবস্তু। PওQ হতে PT এবং QS রশ্মি দর্পণের অভিলম্বভাবে আপতিত হয়ে TP এবং SQ পথে ফিরে আসে। আবার PO ও QO রশ্মি প্রতিফলিত হয়ে OK এবং OL পথে চলে যায়। PT ও OK এবং QS ও OL রশিাগুলোকে পিছনে বর্ধিত করলে তারা যথাক্রমে P' ও Q' বিন্দুতে মিলিত হয়। অর্থাৎ প্রতিফলিত রশ্মিগুলো P' ও Q' বিন্দু থেকে আসছে বলে মনে হয়। P' ও Q' যোগ করলে P'Q'-ই হবে PQ বস্তুর প্রতিবিম্ব।
সুতরাং প্রতিবিম্বের অবস্থান হবে দর্পণের পিছনে এর দূরত্ব SR দর্পণ হতে PQ এর দূরত্বের সমান।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
8 months ago
316
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ১ ও ২ নং চিত্রের দর্পণদ্বয় যথাক্রমে সমতল দর্পণ ও -অবতল দর্পণ। নিচে ১ এবং ২ নম্বর দর্পণে গঠিত প্রতিবিম্বের তুলনা করা হলো-
সাদৃশ্য:
১. ১নং ও ২নং উভয় দর্পণে আলোর সুষম প্রতিফলন ঘটে।
২. উভয় দর্পণে গঠিত বিম্ব চোখে দেখা যায়।
বৈসাদৃশ্য:
১. ১নং দর্পণে সৃষ্ট প্রতিবিম্ব অবাস্তব ও সোজা হলেও ২নং দর্পণে সৃষ্ট প্রতিবিম্ব বাস্তব ও উল্টো অথবা অবাস্তব ও সোজা হতে পারে।
২. ১নং দর্পণে সৃষ্ট প্রতিবিম্ব পর্দায় ফেলা যায় না কিন্তু ২নং দর্পণে গঠিত প্রতিবিম্ব পর্দায় ফেলা যায়।
৩. ১নং দর্পণের ক্ষেত্রে দর্পণ হতে লক্ষ্যবস্তু ও প্রতিবিম্বের দূরত্ব সমান অন্যদিকে ২নং দর্পণের ক্ষেত্রে লক্ষ্যবস্তুর অবস্থানভেদে প্রতিবিম্বের দূরত্ব বিভিন্ন হয়।
৪. ১নং দর্পণে সৃষ্ট প্রতিবিম্বের উচ্চতা লক্ষ্যবস্তুর উচ্চতার সমান কিন্তু ২নং দর্পণে সৃষ্ট প্রতিবিম্বের উচ্চতা লক্ষ্যবস্তুর অবস্থানভেদে পরিবর্তিত হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
8 months ago
242
উত্তরঃ

কোনো বিন্দু উৎস থেকে নিঃসৃত আলোক রশ্মিগুচ্ছ প্রতিফলিত বা প্রতিসরিত হয়ে যদি দ্বিতীয় কোনো বিন্দুতে মিলিত হয় বা দ্বিতীয় কোনো বিন্দু থেকে অপসৃত হচ্ছে বলে মনে হয়, তাহলে ঐ দ্বিতীয় বিন্দুকে প্রথম বিন্দুর প্রতিবিম্ব বলে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
8 months ago
255
উত্তরঃ

আলোর প্রতিফলনের সূত্রানুযায়ী আমরা জানি, আপতন কোণ ও প্রতিফলন কোণের মান সমান। অর্থাৎ আপতিত রশ্যি অভিলম্বের সাথে যে কোণে আপতিত হয় প্রতিফলিত রশ্মি একই কোণে। প্রতিফলিত হয়। এ জন্যই লম্বভাবে দর্পণে আপতিত রশ্মি একই পথে প্রতিফলিত হয়ে ফিরে আসে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
8 months ago
235
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews