মরিচার সংকেত হলো |
জলীয় দ্রবণে এসিড ও ক্ষারের বিক্রিয়ায় লবণ ও পানি উৎপন্ন হওয়ার বিক্রিয়াকে প্রশমন বিক্রিয়া বলা হয়। এ বিক্রিয়ার সময় এসিড দ্রবণ এর এসিডীয় ধর্ম ও ক্ষার দ্রবণ এর ক্ষারীয় ধর্ম হারিয়ে প্রশমিত হয়। যেমন জলীয় দ্রবণে HCI ও NaOH এর বিক্রিয়ায় NaCl লবণ ও H2O উৎপন্ন হওয়ার বিক্রিয়াটি একটি প্রশমন বিক্রিয়া।
এসিড ক্ষার লবণ পানি
উদ্দীপকের E মৌলটি পারমাণবিক সংখ্যা 6 হওয়ায় মৌলটি কার্বন (C)। আবার B মৌলটির পারমাণবিক সংখ্যা 17 হওয়ায় মৌলটি ক্লোরিন (CI)। অর্থাৎ EB4 যৌগটি হলো কার্বন টেট্রাক্লোরাইড (CCl4)। এই যৌগটি সমযোজী যৌগ এবং যৌগটিতে সমযোজী বন্ধন বিদ্যমান।
C এর ইলেকট্রন বিন্যাস হলো-
CI এর ইলেকট্রন বিন্যাস-
উত্তেজিত অবস্থায় কার্বনের 2s অরবিটাল হতে একটি ইলেকট্রন 2p অরবিটালে স্থান করে নেয়। ফলে ইলেকট্রন বিন্যাসটি হয়-
এই অবস্থায় কার্বনের সর্বশেষ শক্তিস্তরে চারটি বিজোড় ইলেকট্রন থাকে। আবার CI এর সর্বশেষ ৩য় শক্তিস্তরে একটি বিজোড় ইলেকট্রন রয়েছে। চারটি ক্লোরিন পরমাণুর একটি করে মোট চারটি বিজোড় ইলেকট্রন একটি কার্বন পরমাণুর চারটি বিজোড় ইলেকট্রনের সাথে শেয়ারের মাধ্যমে চারটি সমযোজী বন্ধন তৈরি করে CCI4 যৌগ গঠন করে।

চিত্র: CCI4 অণু গঠন
C মৌলটির পারমাণবিক সংখ্যা 16 কাজেই C মৌলটি হবে সালফার (S)। আবার D মৌলটির পারমাণবিক সংখ্যা 9। কাজেই D মৌলটি হবে ফ্লোরিন (F)।
উত্তেজিত অবস্থায় S এর ইলেকট্রন বিন্যাস :
F এর ইলেকট্রন বিন্যাস :
S এর সর্বশেষ শক্তিস্তরে ইলেকট্রন সংখ্যা 6। F পরমাণু 1টি করে মোট 4টি ইলেকট্রন SF4 যোগের বন্ধনে সরবরাহ করে। ফলে SF, যৌগের কেন্দ্রীয় পরমাণু ১ এর সর্বশেষ শক্তিস্তরে ইলেকট্রন সংখ্যা দাড়ায় 10 টি। অষ্টক তত্ত্ব অনুসারে কোনো মৌলের শেষ কক্ষপথে ৪টি e- থাকবে। অর্থাৎ এক্ষেত্রে S এর অষ্টক সম্প্রসারণ হয়েছে। অপরদিকে F এর অষ্টক পূর্ণ হয়েছে।
অরবিটালের মুক্ত জোড় ইলেকট্রন
যেহেতু S এর অষ্টক সম্প্রসারণ ও F এর অষ্টকপূর্ণ হয়েছে। কাজেই বলা যায় মৌলসমূহ যৌগ গঠনের সময় শুধু মাত্র অষ্টক নিয়ম অনুসরণ করে না, অষ্টক সম্প্রসারণ নিয়মও অনুসরণ করে।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!