উত্তরঃ

মিনা: কিরে রিনা, কেমন আছিস? অনেকদিন পর দেখা!

রিনা: আরে মিনা! আমিও ভালো আছি। তুই কেমন আছিস? কলেজ ছুটির পর কী করছিস?

মিনা: আমি তো ঢাকাতেই আছি। গত সপ্তাহে পরিবারের সাথে আহসান মঞ্জিল ঘুরে এলাম। তোর খবর কী?

রিনা: বাহ! আহসান মঞ্জিল! আমারও অনেকদিনের ইচ্ছা ঐতিহাসিক এই স্থানটি ঘুরে দেখার। কেমন লাগলো তোর?

মিনা: অসাধারণ! সত্যি বলতে, ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে এমন একটি ঐতিহাসিক প্রাসাদ যে আমাদের এত কাছে, তা দেখতে গিয়ে আমি মুগ্ধ হয়ে গেছি। এর স্থাপত্যশৈলী, ইতিহাস সব কিছুই মন ছুঁয়ে যায়।

রিনা: শুনেছি এটা নাকি নবাবদের বাসস্থান ছিল, তাই না?

মিনা: একদম ঠিক বলেছিস! এটি ছিল ঢাকার নবাবদের সরকারি বাসস্থান ও কর্মস্থল। প্রায় ১৮৭২ সালে নবাব আব্দুল গণি এটি নির্মাণ শুরু করেন এবং তাঁর পুত্র নবাব আহসানুল্লাহর নামে এর নামকরণ করা হয়। এটি ইন্দো-সারাসেনিক স্থাপত্যশৈলীর এক চমৎকার নিদর্শন। এর রঙ যেন গোলাপের মতো, তাই এর আরেক নাম 'গোলাপী প্রাসাদ'!

রিনা: ওয়াও! 'গোলাপী প্রাসাদ' নামটা খুব সুন্দর। শুনেছি এর মধ্যে নাকি একটি জাদুঘরও আছে?

মিনা: হ্যাঁ, ঠিকই শুনেছিস। বাংলাদেশ সরকার এটিকে একটি জাদুঘরে রূপান্তর করেছে। আমরা যখন ভেতরে ঢুকলাম, তখন মনে হলো যেন নবাবী আমলের জীবনযাত্রার চিত্র চোখের সামনে ভেসে উঠছে। নবাবদের ব্যবহৃত জিনিসপত্র, পোশাক, ছবি, আসবাবপত্র—সবকিছুই খুব সুন্দরভাবে সাজিয়ে রাখা হয়েছে। বিশেষ করে দরবার কক্ষ আর নাচঘরের জৌলুস দেখলে অবাক হতে হয়।

রিনা: তোর কথা শুনে আমারও এখনই যেতে ইচ্ছে করছে। ওখানে কি কোনো নির্দিষ্ট প্রবেশ ফি আছে?

মিনা: হ্যাঁ, খুবই সামান্য প্রবেশ ফি আছে। শিক্ষার্থীরা আইডি কার্ড দেখালে কম দামে টিকিট পায়। সাপ্তাহিক বন্ধ থাকে বৃহস্পতিবার, এছাড়া প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে। শীতকালে সময়টা একটু আলাদা হতে পারে।

রিনা: তথ্যগুলো দেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ, মিনা। আমি আগামী মাসেই যাবো ভাবছি। আমার মনে হয়, আমাদের মতো শিক্ষার্থীদের জন্য এসব ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ করা খুবই জরুরি। এতে আমাদের দেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে সরাসরি জানতে পারি।

মিনা: অবশ্যই! আমি তোকে জোর সুপারিশ করব একবার হলেও ঘুরে আসার জন্য। শুধু বই পড়ে যা শেখা যায়, তার চেয়ে বেশি কিছু উপলব্ধি করা যায় এমন জায়গায় গিয়ে।

রিনা: তুই ঠিক বলেছিস। আমরা আমাদের ইতিহাসকে ধারণ করতে না পারলে নিজেদের পরিচয়ও ভুলে যাব। ধন্যবাদ আবার তোকে, মিনা। খুব ভালো লাগলো তোর সাথে কথা বলে।

মিনা: আমারও। তাহলে এখন আসি। পরে কথা হবে!

রিনা: আচ্ছা, আসি!

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

    স্কুল ছুটি মানেই আনন্দ আর উত্তেজনা। গ্রীষ্মের ছুটি পড়তেই আমার মন উড়ু উড়ু করছিল গ্রামের বাড়ির দিকে। শহরে ইট-কাঠের খাঁচায় বন্দী জীবন থেকে মুক্তির স্বাদ পেতে আমরা প্রতি বছর এই সময়টায় দাদু-দিদার কাছে ছুটে যাই। এবারও তার ব্যতিক্রম হলো না।

    ট্রেন যখন সরু পথ ধরে গ্রাম বাংলার সবুজ শ্যামল দৃশ্য ভেদ করে যাচ্ছিল, জানালার পাশ দিয়ে বয়ে যাচ্ছিল শীতল বাতাস। দু'পাশে ধানের ক্ষেত, ছোট ছোট মাটির বাড়ি, আর দূরে তাল গাছের সারি – এ যেন এক অন্য জগৎ। দাদুর বাড়ির কাছাকাছি পৌঁছাতেই মনটা খুশিতে ভরে উঠল। স্টেশন থেকে নেমেই মাটির গন্ধ আর পাখির কিচিরমিচির আমাকে স্বাগত জানাল।

    দাদু আর দিদা অধীর আগ্রহে আমাদের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। আমাকে দেখেই দিদা জড়িয়ে ধরলেন, কত আদর আর ভালোবাসা! তাদের চোখেমুখে সে কী আনন্দ! বিকেলবেলা উঠোনে বসে দিদার হাতে বানানো পিঠা আর নারকেলের মিঠাই খেতে খেতে কত গল্প হলো। আমার শহুরে জীবনের গল্প, স্কুলের মজার ঘটনা – সবই তারা মনোযোগ দিয়ে শুনলেন।

    পরের দিন সকাল থেকেই শুরু হলো আমার গ্রামীণ অভিযান। চাচাতো ভাই-বোনদের সাথে দল বেঁধে ছুটলাম পুকুর পাড়ে। টলমলে জলে সাঁতার কাটার মজাই আলাদা। দুপুরে আম গাছে উঠে কাঁচা আম পেড়ে নুন-লঙ্কা দিয়ে মাখিয়ে খাওয়া, বিকেলে মাঠে ঘুড়ি ওড়ানো, সন্ধ্যা নামার আগে পর্যন্ত কানামাছি খেলা – প্রতিটি মুহূর্ত ছিল অফুরন্ত আনন্দে ভরা। রাতে হারিকেনের আবছা আলোয় দিদার মুখে রূপকথার গল্প শুনতে শুনতে কখন ঘুমিয়ে পড়তাম, টেরই পেতাম না।

    গ্রামের সহজ-সরল জীবন আমাকে মুগ্ধ করে তোলে। এখানে প্রতিটি সম্পর্ক যেন অনেক গভীর, অনেক আপন। শহুরে যান্ত্রিকতা এখানে অনুপস্থিত। প্রকৃতির সান্নিধ্যে কাটানো এই দিনগুলো আমাকে এক অন্যরকম শান্তি এনে দেয়। মন ভরে যায় বিশুদ্ধ বাতাসে, সবুজের স্নিগ্ধতায়।

    ছুটি ফুরিয়ে এল দ্রুতই। বিদায় বেলায় দাদু-দিদার চোখ ছলছল করছিল। আমাদেরও মন খারাপ। শহরের ব্যস্ততার জীবনে ফিরতে মন সায় দিচ্ছিল না। তবুও যেতে হলো। তবে স্মৃতিভরা একরাশ তাজা বাতাস আর গ্রামের সরলতার পরশ নিয়ে ফিরলাম। প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হলাম, পরের ছুটিতে আবার আসব এই শান্তির নীড়ে। গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে কাটানো এই দিনগুলো আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ স্মৃতি হয়ে থাকবে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
168

Related Question

View All
উত্তরঃ

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে কলেজ প্রাঙ্গণে ছাত্র-ছাত্রীদের রক্তদান কর্মসূচির কোলাহলপূর্ণ পরিবেশে সদর হাসপাতালের নতুন মেডিক্যাল অফিসার ডা. শায়লা উপস্থিত হলেন। তার চোখেমুখে ছিল সতেজতা ও সেবার দৃঢ় প্রতিজ্ঞা। তিনি দেখলেন, তরুণদের মাঝে রক্তদানে ব্যাপক উৎসাহ, প্রতিটি স্টলে স্বেচ্ছাসেবকদের ব্যস্ততা এবং সুশৃঙ্খলভাবে দাতা ও গ্রহীতাদের সারি। ডা. শায়লা এগিয়ে এসে আয়োজকদের সাথে কথা বললেন, তাদের মহৎ উদ্যোগের প্রশংসা করলেন এবং প্রয়োজনীয় যেকোনো সহযোগিতার আশ্বাস দিলেন। তিনি নিজেও রক্তদান বুথের কার্যক্রম ঘুরে দেখলেন, যেখানে ছাত্ররা অত্যন্ত দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করছে।

এমন সময় এক তরুণ দাতা সামান্য অসুস্থ বোধ করায় সেচ্ছাসেবকদের মাঝে কিছুটা উদ্বেগ দেখা দিলে ডা. শায়লা দ্রুত এগিয়ে এলেন। তিনি অভিজ্ঞ হাতে তার প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে আশ্বস্ত করলেন এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিলেন, যার ফলে পরিস্থিতি দ্রুত শান্ত হলো। তার উপস্থিত বুদ্ধি ও কার্যকর পদক্ষেপ কর্মসূচির সুষ্ঠু পরিচালনায় নতুন গতি আনলো। ডা. শায়লার এই তাৎক্ষণিক সহযোগিতা ও নিবেদিত মনোভাব ছাত্র-ছাত্রীদের অনুপ্রাণিত করল এবং স্বাধীনতা দিবসের মহৎ উদ্দেশ্যকে রক্তদানের মতো মানবিক সেবার মাধ্যমে আরও মহিমান্বিত করে তুলল। দিনশেষে সফলভাবে রক্তদান কর্মসূচি সম্পন্ন হলো, যা ডা. শায়লার নতুন কর্মজীবনের একটি উজ্জ্বল ও ইতিবাচক সূচনা হয়ে রইল।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
972
উত্তরঃ

মাদকাসক্তির ভয়াবহ পরিণতি

বাড়ি বাড়ি ঘুরে কাজ করে আরজিনা বেগম। আরজিনার দুই ছেলে মোতালেব আর আলেপ। বিভিন্ন এনজিও থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে বড় ছেলে মোতালেবকে লেখাপড়া শিখিয়ে মানুষ করার আশা বুকে নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করে। কিন্তু মাদকাসক্তির কারণে মোত্তালেব দ্রুতই ভুল পথে পা বাড়ায়। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় সে কিছু খারাপ বন্ধুর পাল্লায় পড়ে এবং ধীরে ধীরে মাদকের নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ে। পড়াশোনায় তার মনোযোগ কমে যায় এবং সে নিয়মিত ক্লাসে যাওয়া বন্ধ করে দেয়।

মোতালেব মায়ের কাছ থেকে বিভিন্ন অজুহাতে টাকা আদায় করতে শুরু করে। প্রথমদিকে আরজিনা বেগম ছেলের প্রয়োজনে সরল মনে টাকা দিলেও, পরবর্তীতে তার সন্দেহ হতে থাকে। মোতালেবের আচরণে অস্বাভাবিকতা, দেরিতে বাড়ি ফেরা এবং পড়াশোনায় অমনোযোগ তাকে চিন্তিত করে তোলে। এনজিওর ঋণের কিস্তি শোধ করতে আরজিনা বেগমকে আরও বেশি কষ্ট করতে হয়, কিন্তু ছেলের এমন পরিবর্তনের কারণ তিনি তখনও পুরোপুরি বুঝতে পারেননি।

একসময় মোতালেবের মাদকাসক্তির বিষয়টি আরজিনা বেগমের কাছে পরিষ্কার হয়ে যায়। ছেলের এই অবস্থা দেখে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। তার সমস্ত স্বপ্ন যেন ধূলিসাৎ হয়ে যায়। তিনি মোতালেবকে নেশা ছাড়ানোর জন্য অনেক বোঝানোর চেষ্টা করেন, কিন্তু মোতালেব তার কথা শুনতো না। নেশার টাকা জোগাড় করতে সে পরিবারের সাথে দুর্ব্যবহার করতে শুরু করে। এদিকে ছোট ছেলে আলেপ মাকে সাহায্য করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে, কিন্তু মোতালেবের এই উচ্ছৃঙ্খল জীবন তাদের পরিবারের উপর ভয়াবহ চাপ সৃষ্টি করে।

মাদকাসক্তির কারণে মোতালেবের শারীরিক ও মানসিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। একসময় তাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়। এই ঘটনা আরজিনা বেগমকে আরও বেশি শোকে ডুবিয়ে দেয়। তার হাড়ভাঙা পরিশ্রম, স্বপ্ন এবং ত্যাগের বিনিময়ে মোতালেবের ভবিষ্যৎ অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে যায়। মোতালেব একসময় পরিবার ও সমাজের বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। আরজিনা বেগমের এই করুণ পরিণতি সমাজের সকল বাবা-মায়ের জন্য একটি শিক্ষণীয় দৃষ্টান্ত যে, সন্তানের প্রতি অতিরিক্ত আসক্তি ও অনিয়ন্ত্রিত স্বাধীনতা অনেক সময় এমন ভয়াবহ বিপদ ডেকে আনতে পারে, যা পরিবার ও সমাজকে ধ্বংস করে দেয়।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
895
উত্তরঃ

এক বিকেল

আজকাল শহরের বিকেলগুলো কেমন যেন ম্লান থাকে। ধূসর আকাশ আর ব্যস্ত সড়কের কোলাহল ঘিরে রাখে প্রতিটি মুহূর্তকে। তবুও, এই শহরেরই কোনো এক পুরোনো বাড়ির ছাদে, এখনো দেখা যায় কিছু মানুষের ছোট ছোট স্বপ্ন বুনন। তেমনই এক বিকেলে, অপু ছাদে উঠে এলো তার রং-তুলি নিয়ে। তার মন আজ ভীষণ অস্থির, ক্যানভাসে নতুন কিছু আঁকার তাগিদ অনুভব করছে সে।

অপু একজন নবীন চিত্রশিল্পী। তার ক্যানভাসে প্রায়শই ধরা পড়ে শহর জীবনের নিস্তরঙ্গ মুহূর্তগুলো। আজ তার বিষয় ছিল ছাদের কোণে ফোটা বুনো ফুল আর তার পাশে বসে থাকা এক বৃদ্ধ দম্পতি। তাদের মুখে ছিল মৃদু হাসি, চোখে ছিল জীবনের দীর্ঘ পথের স্মৃতি। অপু মুগ্ধ চোখে দেখছিল তাদের নিঃশব্দ প্রেম আর জীবন সায়াহ্নের নিবিড় শান্তি। তুলির প্রতিটি টানে যেন সেই অব্যক্ত গল্প জীবন্ত হয়ে উঠছিল।

আকাশের শেষ আলো যখন মিইয়ে আসতে শুরু করল, তখন অপু অনুভব করল, আজকের বিকেলটা কেবল ধূসর ছিল না। এটি ছিল রঙে, মায়ায় আর ভালোবাসায় ভরা এক অবিস্মরণীয় বিকেল। তার ক্যানভাসে সেই ছবি অমর হয়ে রইল, হয়ে উঠল তার শিল্প জীবনের অন্যতম সেরা সৃষ্টি।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
3.3k
উত্তরঃ মানুষ মানুষের জন্য

প্রচণ্ড গ্রীষ্মের দুপুর। সূর্য মাথার ওপর আগুন ঢালছে। এমন সময় মফিজ সাহেব তার রিকশা নিয়ে শহরের উপকণ্ঠ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তার একমাত্র সম্বল এই রিকশা, যা দিয়ে দিনশেষে যা আয় হয়, তা দিয়ে অসুস্থ স্ত্রী ও ছোট দুই সন্তানের মুখে দু’মুঠো খাবার তুলে দেন। হঠাৎ করেই একটি অপরিচিত শব্দে তার রিকশা থেমে গেল। টায়ার ফেটে চুরমার! আশেপাশে কোনো দোকান নেই, জনমানবহীন প্রায় পথ। মফিজ সাহেবের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ল। এই ভরা দুপুরে এমন বিপদ, কিভাবে তিনি গ্যারেজে পৌঁছাবেন, আর আজকের দিনটা কিভাবে চলবে!

তিনি যখন নিরুপায় হয়ে রিকশার পাশে বসে ঘামছিলেন, তখন পেছন থেকে একটি প্রাইভেট কার এসে থামল। কার থেকে নেমে এলেন এক ভদ্রলোক, নাম তার রফিক সাহেব। মফিজ সাহেবের বিমর্ষ মুখ দেখে তিনি এগিয়ে এলেন। “কী হয়েছে ভাই?” জিজ্ঞাসা করলেন রফিক সাহেব। মফিজ সাহেব সব খুলে বললেন। রফিক সাহেব মুহূর্তেই সিদ্ধান্ত নিলেন। তিনি মফিজ সাহেবকে প্রস্তাব দিলেন, তার রিকশাটি গাড়ির পেছনে বেঁধে টেনে নিকটস্থ গ্যারেজ পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার। মফিজ সাহেব প্রথমে ইতস্তত করলেও, ভদ্রলোকের আন্তরিকতা দেখে রাজি হলেন।

অনেকটা পথ রফিক সাহেব তার গাড়ির সাথে রিকশা বেঁধে ধীরে ধীরে চালিয়ে গেলেন। অবশেষে একটি গ্যারেজের সামনে এসে গাড়ি থামালেন। মফিজ সাহেব অবাক হয়ে দেখলেন, রফিক সাহেব তার গাড়ির ক্ষতি হওয়ার কথা একবারও ভাবেননি, শুধু একজন অসহায় মানুষকে সাহায্য করার কথাই ভেবেছেন। গ্যারেজ মালিককে বুঝিয়ে দিয়ে, টায়ার সারানোর বিল মিটিয়ে দিলেন রফিক সাহেব। মফিজ সাহেব কৃতজ্ঞতায় বাকরুদ্ধ। তার চোখে জল এসে গেল। রফিক সাহেব মৃদু হেসে বললেন, “মানুষ মানুষের জন্য, ভাই। বিপদে আপদে একে অপরের পাশে দাঁড়ানোই তো মানবতা।”

মফিজ সাহেব সেদিন শুধু একটি টায়ার সারানোর সাহায্যই পাননি, পেয়েছিলেন নতুন করে বেঁচে থাকার অনুপ্রেরণা। রফিক সাহেবের এই অপ্রত্যাশিত সাহায্য তার মনে গভীর দাগ কেটেছিল। তিনি প্রতিজ্ঞা করলেন, তিনিও সুযোগ পেলে অন্য কোনো অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াবেন। কারণ তিনি বুঝেছিলেন, এই পৃথিবীতে সবাই একা নয়, মানুষ হয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই জীবনের আসল সার্থকতা।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
2.6k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews