উত্তরঃ

ওজোন স্তর (Ozone layer) পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত একটি গ্যাসীয় স্তর, যা প্রধানত ওজোন গ্যাস (\(O_3\)) দ্বারা গঠিত। এই স্তরটি সূর্যের ক্ষতিকারক অতিবেগুনি (UV) রশ্মি শোষণ করে পৃথিবীতে আসতে বাধা দেয়, যা জীবজগতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


ওজোন স্তরের গুরুত্ব:

        
  • অতিবেগুনি রশ্মি থেকে সুরক্ষা: ওজোন স্তর সূর্যের ক্ষতিকারক অতিবেগুনি-বি (UV-B) এবং অতিবেগুনি-সি (UV-C) রশ্মি প্রায় সম্পূর্ণরূপে শোষণ করে নেয়। এই রশ্মিগুলো মানুষের ত্বক ক্যান্সার, ছানি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যগত সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
  •     
  • পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা: UV রশ্মি উদ্ভিদ ও প্রাণীর ডিএনএ-এর ক্ষতি করে, যা কৃষি উৎপাদন হ্রাস এবং সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রের (যেমন ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন) উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। ওজোন স্তর এই ক্ষতি থেকে পরিবেশকে রক্ষা করে।
  •     
  • জলবায়ু নিয়ন্ত্রণ: ওজোন স্তর পৃথিবীর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণেও পরোক্ষভাবে ভূমিকা রাখে, যা জলবায়ুর স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

ওজোন স্তর রক্ষার উপায়:

        
  • ওজোন ক্ষয়কারী পদার্থের (ODS) ব্যবহার কমানো: ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFCs), হ্যালন, কার্বন টেট্রাক্লোরাইড, মিথাইল ব্রোমাইড ইত্যাদি রাসায়নিক পদার্থগুলো ওজোন স্তরের ক্ষয় ঘটায়। রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার এবং অগ্নি নির্বাপক যন্ত্রে এগুলোর ব্যবহার বন্ধ করে বিকল্প পরিবেশবান্ধব পদার্থের ব্যবহার বাড়াতে হবে।
  •     
  • আন্তর্জাতিক প্রোটোকল মেনে চলা: মন্ট্রিয়ল প্রোটোকলের (Montreal Protocol) মতো আন্তর্জাতিক চুক্তিগুলো কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা এবং ওজোন ক্ষয়কারী পদার্থের উৎপাদন ও ব্যবহার পর্যায়ক্রমে বন্ধ করার দিকে জোর দিতে হবে।
  •     
  • জনসচেতনতা বৃদ্ধি: ওজোন স্তরের গুরুত্ব এবং এটি রক্ষায় আমাদের ভূমিকা সম্পর্কে মানুষকে শিক্ষিত করা। সাধারণ মানুষের মধ্যে পরিবেশবান্ধব পণ্য ব্যবহারে উৎসাহ সৃষ্টি করা।
  •     
  • গবেষণা ও প্রযুক্তির উন্নয়ন: ওজোন ক্ষয়কারী পদার্থের নিরাপদ বিকল্প এবং কার্যকর প্রযুক্তির গবেষণায় বিনিয়োগ করা।
  •     
  • সবুজ শক্তি ব্যবহার: জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমিয়ে সৌর, বায়ু, জলবিদ্যুতের মতো নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস ব্যবহার বাড়ানো, যা পরোক্ষভাবে ওজোন স্তর রক্ষায় সাহায্য করে।
Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
144

প্রাকৃতিক সম্পদ (Natural resource)

প্রকৃতি থেকে আমরা যা কিছু পাই, তাই প্রাকৃতিক সম্পদ। প্রাকৃতিক সম্পদকে নবায়নযোগ্য (Renewable) ও নবায়ন অযোগ্য (Non Renewable) এই দুটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি (Renewable energy):

যে শক্তি বারবার ব্যবহার করা যায়, ব্যবহার ফলে যা নিঃশেষ হয়ে যায়না তাকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি বলে। যেমন- সৌরশক্তি (Solar energy), বায়ুশক্তি (Wind energy), সমুদ্রস্রোত (Sea current), পরমাণুশক্তি (Atomic energy) প্রভৃতি। সূর্য সকল শক্তির উৎস। সূর্যে হাল্কা পরমাণুর ফিউশনের মাধ্যমে শক্তি উৎপন্ন হয়। সৌরকোষের (Solar cell) বিদ্যুৎ রাতেও ব্যবহার করা সম্ভব যদি এর সঙ্গে থাকে স্টোরেজ ব্যাটারি। সৌর কোষে ব্যবহৃত হয় ক্যাডমিয়াম (Cadmium)। বিশ্বের সর্ববৃহৎ সৌরশক্তি কেন্দ্র (Solar power plant) যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।

সৌরশক্তি চালিত বিশ্বের প্রথম রেলওয়ে সুড়ঙ্গ (Tunnel) বেলজিয়াম অবস্থিত।

পানি শক্তির অন্যতম উৎস। পানির প্রবাহকে ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়, এই বিদ্যুৎকে জলবিদ্যুৎ বা পানি বিদ্যুৎ (Hydroelectricity) বলা হয়।

নবায়ন অযোগ্য জ্বালানি (Unrenewable energy)

যে শক্তি বারবার ব্যবহার করা যায় না, এবং ব্যবহারে এক সময় শেষ হয়ে যায় তাকে নবায়ন অযোগ্য সম্পদ বলে। যেমন: গ্যাস, তেল, কয়লা ইত্যাদি।

জীবাশ্ম জ্বালানি (Fossil fuel)

জীবদেহ (প্রাণী ও উদ্ভিদ উভয়ই) মাটির নীচে চাপা পড়ে লক্ষ লক্ষ বছর পর তা রূপান্তরিত হয় কয়লা, তেল বা প্রাকৃতিক গ্যাসে। এজন্য কয়লা (Coal), খনিজ তেল (Petrolium) ও প্রাকৃতিক গ্যাসকে (Natural gas) জীবাশ্ম জ্বালানি বলা হয়। জীবাশ্ম জ্বালানি দহনের ফলে বায়ুমণ্ডলে গ্রিন হাউজ গ্যাস কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পাচ্ছে।

নবায়ন অযোগ্য জ্বালানি যেমন: ডিজেল পোড়ালে বাতাসে SO2 এর আধিক্য দেখা যায়। -কাঠ ও কয়লার প্রধান উপাদান কার্বন (Carbon)।

তাপ উৎপাদন ক্ষমতা ও কার্বনের পরিমাণের উপর ভিত্তি করে কয়লা তিন প্রকার। যথা:

১) অ্যানথ্রাসাইট ২) বিটুমিনাস ৩) পিট কয়লা।

নিম্নে কিছু কয়লার নাম ও বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করা হল:-

কয়লার নাম

বৈশিষ্ট্য

অ্যানথ্রাসাইটকার্বনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি
বিটুমিনাসলিগানাইট কয়লার পরিবর্তিত রূপ
পিট কয়লাভিজা ও নরম।

Related Question

View All
উত্তরঃ

সূর্যরশ্মি থেকে বৈদ্যুতিক শক্তি উৎপাদনের দুটি প্রধান পদ্ধতি নিচে বর্ণনা করা হলো:

        
  •         ফটোভোলটাইক (Photovoltaic - PV) পদ্ধতি: এই পদ্ধতিতে সৌর প্যানেল (solar panel) ব্যবহার করে সরাসরি সূর্যরশ্মিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়। সৌর প্যানেলে সিলিকনের মতো অর্ধপরিবাহী (semiconductor) পদার্থ দিয়ে তৈরি সৌর কোষ (solar cell) থাকে। যখন সূর্যের আলো (ফোটন) এই কোষের উপর পড়ে, তখন অর্ধপরিবাহী পদার্থের ইলেকট্রনগুলো উত্তেজিত হয়ে স্থানান্তরিত হয়, যা একটি বৈদ্যুতিক প্রবাহ (direct current - DC) তৈরি করে। এই ডিসি বিদ্যুৎকে ইনভার্টার (inverter) ব্যবহার করে এসি (alternating current - AC) বিদ্যুতে রূপান্তরিত করা হয়, যা বাসা-বাড়ি বা গ্রিডে ব্যবহার করা যায়। এটি পরিবেশবান্ধব এবং রক্ষণাবেক্ষণ খরচ তুলনামূলকভাবে কম।     
  •     
  •         সৌর তাপীয় শক্তি (Concentrated Solar Power - CSP) পদ্ধতি: এই পদ্ধতিতে আয়না বা লেন্স ব্যবহার করে সূর্যের আলো এক বিন্দুতে বা একটি নির্দিষ্ট রেখায় কেন্দ্রীভূত করা হয়। এই কেন্দ্রীভূত সূর্যরশ্মি একটি তরলকে (যেমন সিন্থেটিক তেল বা গলিত লবণ) উচ্চ তাপমাত্রায় গরম করে। এই উত্তপ্ত তরল একটি বয়লারে জলকে বাষ্পে পরিণত করে। উৎপন্ন উচ্চচাপের বাষ্প টারবাইন (turbine) ঘোরায়, যা একটি জেনারেটরের (generator) মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। এটি প্রচলিত তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মতোই কাজ করে, তবে শক্তির উৎস হিসেবে জীবাশ্ম জ্বালানির পরিবর্তে সৌরশক্তি ব্যবহার করা হয়। CSP পদ্ধতি বড় আকারের বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য উপযোগী এবং এটি তাপ শক্তি সঞ্চয় করে রাতেও বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারে।     
Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
430
উত্তরঃ

কার্বন নিঃস্রণ (Carbon Emission) বলতে মূলত কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2) এবং অন্যান্য কার্বন-ভিত্তিক গ্রিনহাউস গ্যাস (Greenhouse gas), যেমন মিথেন (Methane), নাইট্রাস অক্সাইড (Nitrous oxide) ইত্যাদির বায়ুমণ্ডলে নির্গমনকে বোঝায়। এই গ্যাসগুলি মূলত মানুষের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের ফল। জীবাশ্ম জ্বালানি (Fossil fuels) যেমন কয়লা, তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস পোড়ানো, বন উজাড় (Deforestation), শিল্প উৎপাদন প্রক্রিয়া এবং কৃষিকাজ কার্বন নিঃস্রণের প্রধান উৎস।

বায়ুমণ্ডলে কার্বন নিঃস্রণের ক্ষতিকর প্রভাবসমূহ:

        
  • বৈশ্বিক উষ্ণায়ন (Global Warming) ও জলবায়ু পরিবর্তন (Climate Change): কার্বন ডাই অক্সাইড একটি প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস। এর ঘনত্ব বৃদ্ধির ফলে বায়ুমণ্ডলে তাপ আটকে যায়, যা পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ গলে যায়, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পায় এবং আবহাওয়ার চরম পরিবর্তন (Extreme weather events) যেমন তীব্র খরা, বন্যা ও ঝড় পরিলক্ষিত হয়।
  •     
  • সমুদ্রের অম্লীকরণ (Ocean Acidification): বায়ুমণ্ডলের অতিরিক্ত কার্বন ডাই অক্সাইড সমুদ্রের পানিতে মিশে কার্বনিক অ্যাসিড (Carbonic acid) তৈরি করে, যা সমুদ্রের পানিকে আরও অম্লীয় করে তোলে। এটি সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য, বিশেষ করে প্রবাল প্রাচীর (Coral reefs) ও শেলফিশের (Shellfish) জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ।
  •     
  • জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি (Public Health Risks): কার্বন নিঃস্রণের সাথে নির্গত অন্যান্য কণা (Particulate matter) এবং দূষণকারী পদার্থ শ্বাসযন্ত্রের রোগ (Respiratory diseases), হৃদরোগ (Cardiovascular diseases) এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যার কারণ হয়।
  •     
  • জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি (Loss of Biodiversity): জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অনেক উদ্ভিদ ও প্রাণী তাদের স্বাভাবিক আবাসস্থল হারায়, যা জীববৈচিত্র্যের ব্যাপক ক্ষতির কারণ হয়।

কার্বন নিঃস্রণ নিয়ন্ত্রণের উপায়সমূহ:

        
  • নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি (Increased Use of Renewable Energy): সৌরশক্তি (Solar energy), বায়ুশক্তি (Wind energy), জলবিদ্যুৎ (Hydroelectric power) এবং ভূ-তাপীয় শক্তির (Geothermal energy) মতো নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস ব্যবহার করে জীবাশ্ম জ্বালানির উপর নির্ভরতা কমানো।
  •     
  • শক্তি দক্ষতা বৃদ্ধি (Increased Energy Efficiency): শিল্প, পরিবহন এবং গৃহস্থালিতে বিদ্যুতের অপচয় কমানো এবং উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা। যেমন, শক্তি সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা।
  •     
  • বনায়ন ও বৃক্ষরোপণ (Afforestation and Reforestation): নতুন করে গাছ লাগানো এবং বন উজাড় বন্ধ করা। গাছপালা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বায়ুমণ্ডল থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ করে।
  •     
  • কার্বন ক্যাপচার ও স্টোরেজ (Carbon Capture and Storage - CCS): শিল্প কারখানা এবং বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে নির্গত কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস বায়ুমণ্ডলে পৌঁছানোর আগেই ধরে ফেলে ভূগর্ভে নিরাপদে সংরক্ষণ করা।
  •     
  • টেকসই পরিবহন ব্যবস্থা (Sustainable Transportation Systems): গণপরিবহনের (Public transport) ব্যবহার বৃদ্ধি, সাইক্লিং (Cycling) ও হাঁটার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং বৈদ্যুতিক গাড়ির (Electric vehicles) ব্যবহার উৎসাহিত করা।
  •     
  • আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও নীতি নির্ধারণ (International Cooperation and Policy Making): প্যারিস চুক্তি (Paris Agreement) এর মতো আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুসরণ করা এবং বিভিন্ন দেশের মধ্যে কার্বন নিঃস্রণ কমাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা। সরকার কর্তৃক কার্বন ট্যাক্স (Carbon tax) বা কার্বন ট্রেডিং (Carbon trading) এর মতো নীতি প্রণয়ন।
  •     
  • কৃষি পদ্ধতির উন্নতি (Improvement in Agricultural Practices): টেকসই কৃষি পদ্ধতি যেমন, কম কার্বন নিঃসরণকারী সার ব্যবহার, মিথেন নিঃসরণ কমানো (যেমন ধানের জমিতে পানি ব্যবস্থাপনার উন্নতি) ইত্যাদি অনুশীলন করা।
Satt AI
Satt AI
1 month ago
373
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews