উত্তরঃ

আলফা (α) ও গামা (γ) রশ্মির মধ্যে দুটি পার্থক্য নিচে উল্লেখ করা হলো:

১. আলফা রশ্মি ধনাত্মক আধানযুক্ত (\(+2e\)) হিলিয়াম নিউক্লিয়াস (4He2+) নিয়ে গঠিত, তাই এটি তড়িৎক্ষেত্র ও চৌম্বকক্ষেত্র দ্বারা বিচ্যুত হয়। অন্যদিকে, গামা রশ্মি হলো উচ্চ শক্তির তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ (electromagnetic wave) এবং এর কোনো আধান নেই, তাই এটি তড়িৎক্ষেত্র বা চৌম্বকক্ষেত্র দ্বারা বিচ্যুত হয় না।

২. আলফা রশ্মির ভর ইলেকট্রনের ভরের প্রায় ৭৩০০ গুণ (প্রোটনের ভরের ৪ গুণ)। কিন্তু গামা রশ্মির কোনো ভর নেই, কারণ এটি ফোটন (photon) কণা দ্বারা গঠিত।

Satt AI
Satt AI
3 months ago
উত্তরঃ

কুলম্বের সূত্রানুযায়ী, দুটি আধানের মধ্যকার বিকর্ষণ বা আকর্ষণ বল তাদের আধানের গুণফলের সমানুপাতিক এবং তাদের মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক। গাণিতিকভাবে, এই বলকে \(F = k \frac{q_1 q_2}{d^2}\) সূত্র দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

এখানে, \(F\) হলো আধানদ্বয়ের মধ্যকার বল, \(q_1\) ও \(q_2\) হলো আধানদ্বয়ের মান, \(d\) হলো আধানদ্বয়ের মধ্যবর্তী দূরত্ব এবং \(k\) হলো একটি ধ্রুবক যার মান বায়ু বা শূন্য মাধ্যমে \(9 \times 10^9 \, \text{Nm}^2/\text{C}^2\)। এই সূত্রটি স্থির তড়িৎ বলের মূল ভিত্তি এবং এর মাধ্যমে আধানসমূহের পারস্পরিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া পরিমাপ করা হয়।

উদ্দীপকের চিত্রানুযায়ী, প্রতিটি আধানযুক্ত গোলকের ব্যাসার্ধ 5 cm। গোলকদ্বয়ের মধ্যবর্তী ন্যূনতম দূরত্ব 50 cm। সুতরাং, গোলকদ্বয়ের কেন্দ্রদ্বয়ের মধ্যবর্তী মোট দূরত্ব \(d = 5 \, \text{cm} + 50 \, \text{cm} + 5 \, \text{cm} = 60 \, \text{cm} = 0.6 \, \text{m}\)। এখন, যদি আধানদ্বয়ের মান \(q_1\) এবং \(q_2\) জানা থাকত, তবে উল্লিখিত কুলম্বের সূত্র ব্যবহার করে বিকর্ষণ বলের মান নির্ণয় করা যেত। কিন্তু, আধানদ্বয়ের মান উদ্দীপকে উল্লেখ না থাকায়, নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যাসূচক বিকর্ষণ বলের মান নির্ণয় করা সম্ভব নয়।

Satt AI
Satt AI
3 months ago
206

শীতকালে চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ানোর পর সেই চিরুনি ছোট ছোট কাগজের টুকরোর কাছে আনা হলে কাগজের টুকরোগুলো লাফিয়ে চিরুনির দিকে ছুটে আসে। আবার ঝড়ের সময় বজ্রপাতের আলোর ঝলকানির সাথে দিগ্বিদিক প্রকম্পিত করে প্রচণ্ড শব্দে বজ্রপাত হয়। দুটো বিষয়ের জন্য দায়ী স্থির বিদ্যুৎ। আমাদের চারপাশের সবকিছুই আসলে অণু-পরমাণু দিয়ে তৈরি। পরমাণুর কেন্দ্রে থাকে নিউক্লিয়াস এবং সেটিকে ঘিরে বাইরে ইলেকট্রন ঘুরছে। ইলেকট্রনের ঋণাত্মক চার্জ এবং নিউক্লিয়াসের চার্জ ধনাত্মক। কোনো প্রক্রিয়ার যদি পরমাণুর এক বা একাধিক ইলেকট্রনকে আসা করে ফেলা হয় তাহলে স্থির বিদ্যুতের জন্ম হয়। এই অধ্যায়ে আমরা এই স্থির বিদ্যুতের বিভিন্ন প্রক্রিয়া আলোচনা করব। দুটো চার্জকে পাশাপাশি রাখা হলে তারা কী বলে নিজেদের আকর্ষণ করে সেটিও আমরা এই অধ্যায়ে জেনে নেব। 

Related Question

View All
উত্তরঃ

পদার্থের মৌলিক কণাসমূহের মৌলিক ও বৈশিষ্ট্যমূলক ধর্মই হল আধান

SATT Team
SATT Team
1 year ago
811
উত্তরঃ

কোনো বস্তুর সাথে আরেকটি বস্তুর ঘর্ষণ হলে বা সংস্পর্শে আনা হলে যে বস্তুর ইলেকট্রন আসক্তি বেশি তা অপর বস্তু হতে ইলেকট্রন সংগ্রহ করে ঋণাত্মক আধানে আহিত হয় এবং অপরটি ধনাত্মক আধানে আহিত হয়। এভাবে ঘর্ষণের ফলে কোনো বস্তু আহিত হয়।

SATT Team
SATT Team
1 year ago
483
উত্তরঃ

আমরা জানি ঘর্ষণের ফলে কোন বস্তু আহিত হয়। রিমা চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ানোর সময় চিরুনির সাথে চুলের যে সংঘর্ষ হয়, এর ফলে চিরুনিটি চুল হতে মুক্ত ইলেকট্রন সংগ্রহ করে ঋণাত্মক আধানে আহিত হয়েছে এবং পক্ষান্তরে চুল ধনাত্মক আধানে আহিত হয়েছে। আহিত হওয়ার কারণেই চিরুনিটি ছোট ছোট কাগজের টুকরাকে আকর্ষণ করতে সমর্থ হয়েছে।

SATT Team
SATT Team
1 year ago
331
উত্তরঃ

চিরুনিটিতে আধানের প্রকৃতি নির্ণয়ের জন্য চিরুনিটিকে স্বর্ণপাত তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্রের চাকতির সংস্পর্শে আনতে হবে। এর আগে যন্ত্রটিকে ধনাত্মক কিংবা ঋণাত্মক আধানে আহিত করতে হবে। মনে করি যন্ত্রের চাকতি তথা পাতদ্বয়কে ধনাত্মক আধানে আহিত করা হল। ফলে পাতদ্বয় ফাঁক হবে। এরপর চিরুনিটিকে চাকতির সংস্পর্শে আনার পর যদি পাতদ্বয়ের ফাঁক কমে যায়, তাহলে বুঝতে হবে ঐ চিরুনিটি ঋণাত্মক আধানে আহিত। যদি ফাঁক বেড়ে যায় তাহলে বুঝতে হবে চিরুনি ধনাত্মক আধানে আহিত।

SATT Team
SATT Team
1 year ago
223
উত্তরঃ

একটি আহিত বস্তুর চারদিকে যে অঞ্চলব্যাপী তার প্রভাব বজায় থাকে তাকে ঐ বস্তুর তড়িৎক্ষেত্র বলে।

SATT Team
SATT Team
1 year ago
403
উত্তরঃ

P বিন্দুতে স্থাপিত বস্তু তড়িৎক্ষেত্র সৃষ্টিকারী আধান থেকে দূরে সরিয়ে নিলে তার উপর অনুভূত বল কমে যাবে এবং আধানের কাছে সরিয়ে আনলে তার উপর অনুভূত বল বেড়ে যাবে। কারণ কুলম্বের সূত্রানুসারে ক্রিয়াশীল আকর্ষণ বা নিকটতম বল দূরত্বের বর্ণের ব্যাস্তানুপাতিক।

SATT Team
SATT Team
1 year ago
218
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews