উত্তরঃ

ভাইরাসের কেন্দ্রীয় নিউক্লিক এসিডকে (DNA বা RNA) বেষ্টন করে রাখা প্রোটিন নির্মিত প্রচ্ছদ বা আবরণকে ক্যাপসিড (Capsid) বলে।

Satt AI
Satt AI
3 weeks ago
উত্তরঃ

তিনটি তলে বিভাজিত হয়ে ঘনকের মতো বা আটটি কোষে বিন্যস্ত গোলাকার ব্যাকটেরিয়াকে সারসিনা (Sarcina) বলে।

কক্কাস (Coccus) জাতীয় ব্যাকটেরিয়া যখন তিনটি তলে বা অক্ষ বরাবর নিয়মিতভাবে বিভাজিত হয়, তখন অপত্য কোষগুলো একে অপরের থেকে পৃথক না হয়ে ৮টি বা তার গুণিতক সংখ্যক ব্যাকটেরিয়া একটি ত্রিমাত্রিক জ্যামিতিক ঘনক বা প্যাকেটের মতো আকৃতি গঠন করে। এই ধরনের বহুকোষী গুচ্ছাকৃতির ব্যাকটেরিয়া বিন্যাসই হলো সারসিনা। উদাহরণস্বরূপ: Sarcina lutea নামক ব্যাকটেরিয়া এ ধরনের বিন্যাস প্রদর্শন করে।

Satt AI
Satt AI
3 weeks ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে প্রদর্শিত ব্যাকটেরিয়া কোষের 'A' চিহ্নিত অংশটি হলো ব্যাকটেরিয়ার প্রধান বংশগতীয় উপাদান বা নিউক্লিঅয়েড (Nucleoid) / ব্যাকটেরিয়াল ক্রোমোজোম (DNA)

আদিকোষী জীবের কোষে কোনো সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে না; অর্থাৎ নিউক্লিয়ার মেমব্রেন এবং নিউক্লিওলাস অনুপস্থিত থাকে। ফলে সাইটোপ্লাজমে সুনির্দিষ্ট আবরণী ছাড়া উন্মুক্ত অবস্থায় অবস্থানকারী বংশগতীয় উপাদানটিকে নিউক্লিঅয়েড বলা হয়। এটি প্রকৃত কোষের ক্রোমোজোমের মতো হিস্টোন প্রোটিনযুক্ত নয়, তাই একে 'নগ্ন ডিএনএ' (Naked DNA)-ও বলা হয়ে থাকে।

উদ্দীপকে চিহ্নিত 'A' বা নিউক্লিঅয়েডের ভৌত গঠন নিচে বর্ণনা করা হলো:

        
  • দ্বিসূত্রক ও বৃত্তাকার DNA: এটি মূলত একটি মাত্র দ্বিসূত্রক, পেঁচানো এবং বৃত্তাকার (Circular) DNA অণু নিয়ে গঠিত।
  •     
  • লুপ ও সুপারকয়েলিং: উন্মুক্ত অবস্থায় এই DNA অণুটি দৈর্ঘ্যে প্রায় ১ মিলিমিটার হলেও তা অত্যন্ত কুঞ্চিত হয়ে (Supercoiled) প্রায় ৪০-৫০টি লুপ (Loop) তৈরি করে কোষের কেন্দ্রস্থলে অল্প জায়গায় অবস্থান করে।
  •     
  • প্রোটিনের উপস্থিতি: এতে হিস্টোন প্রোটিন না থাকলেও এটি নন-হিস্টোন প্রোটিন এবং পলিমাইন (Polyamine)-এর সাহায্যে পেঁচিয়ে নিউক্লিঅয়েড গঠন বজায় রাখে।
  •     
  • মেসোজোমের সাথে সংযুক্তি: ব্যাকটেরিয়াল ক্রোমোজোমটি অনেক সময় কোষঝিল্লির ভেতরের দিকের ভাঁজ অর্থাৎ মেসোজোম (Mesosome)-এর সাথে যুক্ত থাকে, যা DNA রেপ্লিকেশন ও কোষ বিভাজনে সহায়তা করে।
Satt AI
Satt AI
3 weeks ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের চিত্রটিতে 'B' চিহ্নিত অংশটি হলো ব্যাকটেরিয়ার প্লাজমিড (Plasmid)। জিন প্রকৌশল বা রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ প্রযুক্তিতে প্লাজমিডকে বাহক (Vector) হিসেবে ব্যবহার করে কৃষিক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন ও ব্যাপক উন্নতি আনা সম্ভব—উক্তিটি সম্পূর্ণ যথার্থ।

প্লাজমিড হলো ব্যাকটেরিয়া কোষের প্রধান ডিএনএ-র বাইরে অবস্থিত দ্বিসূত্রক, বৃত্তাকার এবং স্বপ্রজননক্ষম অতিরিক্ত ডিএনএ অণু। রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ প্রযুক্তিতে কাঙ্ক্ষিত উন্নত বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন জিনকে এক জীব থেকে অন্য জীবে স্থানান্তর করার জন্য প্লাজমিড সবচেয়ে কার্যকর বাহক হিসেবে কাজ করে। প্লাজমিডের নির্দিষ্ট অংশ রেস্ট্রিকশন এনজাইম দিয়ে কেটে সেখানে কাঙ্ক্ষিত জিন যুক্ত করে 'রিকম্বিনেন্ট প্লাজমিড' তৈরি করা হয়, যা পরবর্তীতে কাঙ্ক্ষিত উদ্ভিদে প্রবেশ করিয়ে ট্রান্সজেনিক উদ্ভিদ বা জিএমও (GMO) তৈরি করা হয়।

প্লাজমিড ব্যবহার করে কৃষিক্ষেত্রে নানাবিধ উন্নতি সাধন করা সম্ভব, যার বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:

        
  • কীটপতঙ্গ প্রতিরোধক জাত উদ্ভাবন: বিটি (Bt) জিন প্লাজমিড বাহকের মাধ্যমে তুলো, বেগুন ইত্যাদি ফসলে স্থানান্তর করে বিটি-কটন এবং বিটি-বেগুন তৈরি করা হয়েছে, যা ক্ষতিকারক পোকার আক্রমণ প্রতিরোধ করে কীটনাশকের ব্যবহার কমায়।
  •     
  • রোগ প্রতিরোধী ফসল সৃষ্টি: ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক প্রতিরোধী জিনের বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়ে ক্ষতিকর রোগমুক্ত উচ্চফলনশীল শস্য তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে।
  •     
  • প্রতিকূল পরিবেশ সহনশীল জাত উদ্ভাবন: প্লাজমিডের মাধ্যমে খরা, লবণাক্ততা, এবং জলবদ্ধতা সহনশীল জিন উদ্ভিদে প্রবেশ করিয়ে প্রতিকূল পরিবেশেও ভালো ফলনশীল জাত (যেমন: লবণাক্ততা সহনশীল ধান) তৈরি করা সম্ভব হয়েছে।
  •     
  • পুষ্টিগুণ বৃদ্ধি: প্লাজমিডের সহায়তায় 'গোল্ডেন রাইস' (Golden Rice) উদ্ভাবন করা হয়েছে, যা ভিটামিন-এ (বিটা-ক্যারোটিন) সমৃদ্ধ এবং অপুষ্টি দূরীকরণে ভূমিকা রাখছে।
  •     
  • রাসায়নিক সারের নির্ভরতা হ্রাস: বায়ুমণ্ডলীয় নাইট্রোজেন সংবন্ধনকারী জিনকে অ-শিমজাতীয় ফসলে প্লাজমিডের সাহায্যে স্থানান্তর করে রাসায়নিক সারের প্রয়োজনীয়তা কমানোর গবেষণা চলছে।

সুতরাং, প্লাজমিডের মাধ্যমে জিনগত পরিবর্তনের মাধ্যমে শস্যের গুণগত ও পরিমাণগত উৎকর্ষ সাধন করা সম্ভব হচ্ছে। ফলস্বরূপ, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও আধুনিক কৃষির টেকসই উন্নয়নে 'B' অর্থাৎ প্লাজমিডের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অমূল্য।

Satt AI
Satt AI
3 weeks ago
64

জীবপ্রযুক্তিঃ
কোলম্যান (১৯৬৮) এর মতে, জীবন্ত উদ্ভিদ, প্রাণী, অণুজীব বা এদের অংশবিশেষ ব্যবহার করে মানবতার কল্যাণে ব্যবহারোপযোগী উন্নত বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন নতুন উদ্ভিদ, প্রাণী, অণুজীব বা দ্রব্য উৎপাদনে প্রয়োগকৃত প্রযুক্তি হলো জীবপ্রযুক্তি।
 

Related Question

View All
উত্তরঃ

ইন্টারফেরন হলো এক ধরনের উচ্চ আনবিক ওজন সম্পন্ন প্রোটিন যা ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি ও ভাইরাসের বংশবৃদ্ধিতে বাধা দেয়। এক কথায় এটি হলো- প্রতিরক্ষামূলক প্রোটিন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
64
উত্তরঃ

প্লাজমিডের দুটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. প্লাজমিড বৃত্তাকার দ্বিসূত্রক DNA গঠিত স্বতন্ত্র জেনেটিক বস্তু।
২. অর্ধ-রক্ষণশীল প্রক্রিয়ায় প্রতিলিপন ক্ষমতাসম্পন্ন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
62
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত A হলো এক্সপ্ল্যান্ট। এক্সপ্ল্যান্ট থেকে চারাগাছ সৃষ্টির প্রক্রিয়ায় চিহ্নিত চিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হলো-

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
57
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত B হলো রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তি। কৃষিক্ষেত্রে রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তির প্রয়োগ বিশ্লেষণ করা হলো-

১. অধিক ফলনশীল শস্য উৎপাদন চাষাবাদকৃত ফসলের কোনো প্রজাতির মধ্যে সালোকসংশ্লেষণে বেশি সক্ষম, নাইট্রোজেন সংবন্ধনে ক্ষমতাসম্পন্ন, ফল অধিক পুষ্টকরণ ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য স্থানান্তরের মাধ্যমে অধিক ফলনশীল জাত উৎপাদন করা যায়।
২. পুষ্টিগুণ বৃদ্ধি ধানে -ক্যারোটিন সমৃদ্ধ জিন স্থানান্তরের মাধ্যমে সোনালী ধান উদ্ভাবনের মাধ্যমে চালের পুষ্টিগুণ বাড়ানো হয়েছে।
৩. আগাছানাশক প্রতিরোধী উদ্ভিদ সৃষ্টি: রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তির মাধ্যমে Streptomyces hygroscopicus নামক ব্যাকটেরিয়া থেকে পৃথক করা জিন টমেটো, তামাক ও আলুতে স্থানান্তর করে আগাছানাশক প্রতিরোধী জাত সৃষ্টি করা হয়েছে।

৪. রোগপ্রতিরোধী জাত উদ্ভাবন টোবাকো মোজাইক ভাইরাস, পটেটো ভাইরাসের CP জিন দিয়ে ট্রান্সফরমেশনকৃত তামাক গাছ ভাইরাস আক্রমণ হতে নিজেকে প্রতিরোধ করছে।
৫. দ্যুতিময় উদ্ভিদ সৃষ্টি: জোনাকি পোকার আলো সৃষ্টিকারী জিন রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তির মাধ্যমে তামাক গাছে প্রতিস্থাপনের ফলে তামাক গাছ থেকে আলো বিচ্ছুরিত হয়।
৬. গুণগত মানোন্নয়ন সূর্যমুখী থেকে সালফার অ্যামিনো এসিড সৃষ্টিকারী জিন রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তির মাধ্যমে ক্লোভার ঘাসে স্থানান্তর করা হয়েছে।
৭. বীজহীন ফল সৃষ্টি: বর্তমানে রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তি ব্যবহার
করে অনেক দেশে বীজহীন ফল সৃষ্টি করা হচ্ছে। যেমন-জাপানে বীজহীন তরমুজ, আঙুর উৎপাদন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
56
উত্তরঃ

ভিন্ন বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত দুটি উদ্ভিদের প্রোটোপ্লাস্ট পাশাপাশি রেখে তাদের মধ্যে মিলন ঘটিয়ে টিস্যু কালচার প্রয়োগ করে যে নতুন উদ্ভিদ সৃষ্টি করা হয় তাই সাইব্রিড।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
79
উত্তরঃ

স্ট্রেরাইল ইনসেক্ট টেকনিক (SIT) একটি আধুনিক জীবপ্রযুক্তি, যদিও এটি রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তি নয়। এটি ক্ষতিকারক কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণের পরিবেশ বান্ধব পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে ক্ষতিকারক পতঙ্গের পুরুষগুলোকে বন্ধ্যা করে দেওয়া হয়। এর ফলে স্ত্রী পতঙ্কাসমূহ কার্যকর ডিম উৎপাদনে অক্ষম হয়, ফলে নতুন প্রজন্ম বিকশিত হতে পারে না তাই কিছুদিনের মধ্যেই ঐ ক্ষতিকারক পতঙ্গটি প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। মশা নিয়ন্ত্রণের এটি একটি কার্যকরী উপায়। আবার শাকসবজি ও ফলমূলের ক্ষতিকারক কীট-পতঙ্গও এই পদ্ধতিতে দমন করা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
92
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews