উত্তরঃ এন্টিবায়োটিক হলো এমন ঔষধ যা ব্যাকটেরিয়াকে মেরে ফেলে বা তাদের বৃদ্ধি বন্ধ করে মানবদেহের অভ্যন্তরে ব্যাকটেরিয়া ঘটিত সংক্রমণ নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়। এন্টিসেপ্টিক হলো এক প্রকার রাসায়নিক পদার্থ যা জীবন্ত টিস্যু (যেমন ত্বক বা ক্ষতস্থান) এর উপর প্রয়োগ করা হয় অণুজীবের বৃদ্ধি রোধ করে সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য।

এন্টিবায়োটিক (Antibiotic) এবং এন্টিসেপ্টিক (Antiseptic) উভয়ই অণুজীবের বিরুদ্ধে কাজ করলেও তাদের প্রয়োগ ক্ষেত্র ও কার্যকারিতায় পার্থক্য রয়েছে।

        
  •         এন্টিবায়োটিক (Antibiotic):         

    এন্টিবায়োটিক হলো এক প্রকার ঔষধ যা শুধুমাত্র ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট অভ্যন্তরীণ সংক্রমণ (internal infection) প্রতিরোধের জন্য ব্যবহৃত হয়। এরা ব্যাকটেরিয়াকে সরাসরি মেরে ফেলে (bactericidal) অথবা তাদের বংশবৃদ্ধি রোধ করে (bacteriostatic) শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে সাহায্য করে। এন্টিবায়োটিক সাধারণত মুখে সেবন করা হয় অথবা ইনজেকশনের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করানো হয়। ফ্লু বা সর্দির মতো ভাইরাস ঘটিত রোগের বিরুদ্ধে এন্টিবায়োটিক কাজ করে না। উদাহরণস্বরূপ, পেনিসিলিন, অ্যামোক্সিসিলিন ইত্যাদি এন্টিবায়োটিকের নাম উল্লেখযোগ্য।

        
  •     
  •         এন্টিসেপ্টিক (Antiseptic):         

    এন্টিসেপ্টিক হলো এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ যা জীবন্ত টিস্যু, যেমন ত্বক, ক্ষতস্থান বা শ্লেষ্মা ঝিল্লির (mucous membrane) উপর বাহ্যিকভাবে প্রয়োগ করা হয় অণুজীবের (যেমন ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক) সংখ্যা হ্রাস করতে বা তাদের বৃদ্ধি রোধ করে সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে। এন্টিসেপ্টিক সাধারণত জীবাণুনাশক (disinfectant) থেকে কম শক্তিশালী হয়, কারণ জীবাণুনাশক জড় বস্তুর (যেমন মেঝে, যন্ত্রাংশ) উপর ব্যবহৃত হয় এবং সেগুলো জীবন্ত টিস্যুর জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। ডেটল, স্যাভলন, হাইড্রোজেন পারক্সাইড (Hydrogen Peroxide) ইত্যাদি বহুল ব্যবহৃত এন্টিসেপ্টিক।

        

সংক্ষেপে, এন্টিবায়োটিক শরীরের ভেতরের ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ নিরাময় করে, আর এন্টিসেপ্টিক জীবন্ত টিস্যুর উপর থেকে অণুজীব দূর করে বাহ্যিক সংক্রমণ প্রতিরোধ করে।

Satt AI
Satt AI
2 days ago
উত্তরঃ

যে খাদ্য গ্রহণ করলে দেহের প্রয়োজনীয় ক্যালরি চাহিদা পূরণ হয়, দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও পুষ্টি বজায় থাকে এবং দেহ নিরোগ ও কর্মক্ষম থাকে, তাকে সুষম খাদ্য (Balanced Diet) বলে।

সুষম খাদ্যে খাদ্য উপাদান ছয়টি। এগুলি হলো:

        
  • শর্করা (Carbohydrates)
  •     
  • আমিষ (Proteins)
  •     
  • স্নেহ পদার্থ (Fats)
  •     
  • ভিটামিন (Vitamins)
  •     
  • খনিজ লবণ (Minerals)
  •     
  • পানি (Water)

সুষম খাদ্য বলতে এমন এক ধরণের খাদ্য তালিকা বোঝায় যেখানে দেহের দৈনন্দিন চাহিদা পূরণের জন্য প্রয়োজনীয় সকল পুষ্টি উপাদান, যেমন - শর্করা, আমিষ, স্নেহ পদার্থ, ভিটামিন, খনিজ লবণ এবং পানি সঠিক পরিমাণে ও অনুপাতে উপস্থিত থাকে। এই খাদ্যের মাধ্যমে দেহের প্রয়োজনীয় শক্তি সরবরাহ হয়, কোষ ও টিস্যুর গঠন ও মেরামত হয়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং সকল জৈব-রাসায়নিক প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়। একজন ব্যক্তির বয়স, লিঙ্গ, শারীরিক পরিশ্রমের মাত্রা এবং স্বাস্থ্য অবস্থার উপর নির্ভর করে সুষম খাদ্যের প্রয়োজনীয়তা ভিন্ন হতে পারে।

খাদ্যের ছয়টি উপাদান দেহের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে:

        
  • শর্করা (Carbohydrates): দেহের প্রধান শক্তির উৎস।
  •     
  • আমিষ (Proteins): দেহের বৃদ্ধি, ক্ষয়পূরণ ও কোষ গঠনে সাহায্য করে।
  •     
  • স্নেহ পদার্থ (Fats): শক্তি সরবরাহ করে, তাপ সংরক্ষণ করে এবং কিছু ভিটামিন শোষণে সাহায্য করে।
  •     
  • ভিটামিন (Vitamins): দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং বিভিন্ন জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়ায় সাহায্য করে।
  •     
  • খনিজ লবণ (Minerals): হাড় ও দাঁত গঠন, রক্ত ​​তৈরি এবং শরীরের তরল ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  •     
  • পানি (Water): দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, পুষ্টি পরিবহন করে এবং বর্জ্য পদার্থ অপসারণে সহায়তা করে।

এই উপাদানগুলির কোনোটির অভাব হলে দেহে পুষ্টিহীনতা দেখা দিতে পারে, যা বিভিন্ন রোগের কারণ হতে পারে। তাই সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য সুষম খাদ্যের গুরুত্ব অপরিসীম।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
124

সুষম খাদ্য (Balanced Diet)

সুষম খাদ্য বলতে বুঝায় ৬টি উপাদানবিশিষ্ট পরিমাণ মতো খাবার যা ব্যক্তিবিশেষের দেহের চাহিদা মেটায়। যে শর্ত পালনে খাবার সুষম হয় সেগুলো হলো-

সুষম খাদ্য হলো এমন আহার, যাতে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ৬টি পুষ্টি উপাদান—শর্করা, আমিষ, স্নেহ, ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি ।

১. প্রতি বেলার খাবারে আমিষ, শর্করা, স্নেহ পদার্থ এই তিনটি শ্রেণির খাবার অন্তর্ভুক্ত করে খাদ্যের ছয়টি উপাদানের অন্তর্ভুক্তিকরণ নিশ্চিতকরণ। সুষম খাদ্যে শর্করা, আমিষ ও চর্বি জাতীয় খাদ্যের অনুপাত ৪ : ১ : ১।

২) দৈনিক ক্যালরি ৬০-৭০% শর্করা, ১০% আমিষ ও ৩০-৪০% স্নেহ জাতীয় পদার্থ থেকে গ্রহণ করা।

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews