উত্তরঃ

‘মানুষ' শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো ‘মনু + ষ্ণ’। তবে আধুনিক বাংলা অভিধানে আছে ‘মনু + তা’।

উত্তরঃ

 'সর্গ' ও স্বর্গ' এর পার্থক্য হলো ‘সর্গ' অর্থ ‘জন্ম বা সৃষ্টি’ আর ‘স্বর্গ' অর্থ 'জান্নাত; বেহেশত'।

উত্তরঃ

‘জীবনানন্দ' ও ‘প্রশ্নোত্তর' এর সন্ধি বিচ্ছেদ হলো ‘জীবন + আনন্দ' আর ‘প্রশ্ন + উত্তর'।

উত্তরঃ

‘কর' অর্থ বিশেষ্য অর্থে 'হাত বা হস্ত' এবং ‘কর' অর্থ ‘কিরণ; প্রভা’ ।

উত্তরঃ

দ্বিগু সমাসের দু'টি উদাহরণ হলো-  দু' আনার সমাহার = দু’আনি। শত অব্দের সমাহার = শতাব্দী ।

214

যে কোনো ভাষায় ব্যবহৃত লিখিত বর্ণসমষ্টিকে সে ভাষার বর্ণমালা বলে। বাংলা ভাষার বর্ণ সম্পর্কিত চিহ্ন বা প্রতীককে বাংলা বর্ণমালা বলে।

বাংলা বর্ণমালা
বাংলা বর্ণমালায় মোট পঞ্চাশ (৫০)টি বর্ণ রয়েছে। তার মধ্যে স্বরবর্ণ এগার (১১)টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ঊনচল্লিশটি (৩৯)টি।
১. স্বরবর্ণ : অ আ ই ঈ উ ঊ ঋ এ ঐ ও ঔ(১১টি)
২. ব্যঞ্জনবর্ণ : ক খ গ ঘ ঙ (৫টি)
চ ছ জ ঝ ঞ (৫টি)

ট ঠ ঢ ঢ ণ  (৫টি)
ত থ দ ধ ন  (৫টি)

প ফ ব ভ ম  (৫টি)
য র ল   (৩টি)
শ ষ স হ  (৪টি)
ড় ঢ় য় ৎ  (৪টি)

মোট ৫০টি
বিশেষ জ্ঞাতব্য : ঐ, ঔ - এ দুটি দ্বিস্বর বা যৌগিক স্বরধ্বনির চিহ্ন। যেমন – . অ + ই = ঐ, অ + উ =ঔ

বর্ণ এর প্রকারভেদঃ

বাক প্রত্যঙ্গজাত প্রত্যেকটি ধ্বনি এককের জন্য প্রত্যেক ভাষায়ই লেখার সময় এক একটি প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহৃত হয়। বাংলায় এ প্রতীক বা চিহ্নকে বলা হয় বর্ণ। ধ্বনি নির্দেশক প্রতীককে বর্ণ বলে বা ধ্বনি নির্দেশক চিহ্নকে বলা হয় বর্ণ। যেমন: অ, আ, ক, খ।

বর্ণ দুই প্রকার। যথা: ক. স্বরবর্ণ খ. ব্যঞ্জনবর্ণ।

স্বরবর্ণ: স্বরধ্বনি দ্যোতক লিখিত সাংকেতিক চিহ্নকে স্বরবর্ণ বলে।

যেমন: অ, আ, ই, উ ইত্যাদি।

ব্যঞ্জনবর্ণ: ব্যঞ্জন ধ্বনি দ্যোতক চিহ্নকে ব্যঞ্জনবর্ণ বলে।

যেমন: ক, খ, গ, ঘ ইত্যাদি।

ভাষার মূল উপাদানধ্বনি (শব্দও হতে পারে)
ভাষার বৃহত্তম এককবাক্য
ভাষার মূল উপকরণ
ভাষার ছাদ বলা হয়
বাক্যের মৌলিক উপাদানশব্দ
বাক্যের মূল উপাদান
বাক্যের মূল উপকরণ
বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক
ধ্বনির উপকরণ
বর্ণের উপকরণ
শব্দের মূল উপাদানধ্বনি
শব্দের মূল উপকরণ
ভাষার ক্ষুদ্রতম একক
শব্দের ক্ষুদ্রতম একক
ভাষার স্বর বলা হয়
শব্দের ক্ষুদ্রতম অংশবর্ণ (ধ্বনিও হতে পারে)
শব্দের অর্থযুক্ত ক্ষুদ্রতম অংশরূপ
ভাষার অর্থযুক্ত ক্ষুদ্রতম এককরূপমূল
ধ্বনি নির্দেশক চিহ্নবর্ণ
ভাষার ইট বলা হয়

মাত্রার উপর ভিত্তি করে বর্ণ তিন প্রকার। যথা:

বর্ণের নাম

সংখ্যা

স্বরবর্ণ

ব্যঞ্জনবর্ণ

মাত্রাহীন বর্ণ১০টি৪টি (এ, ঐ, ও, ঔ)৬টি (ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ,ঁ)
অর্ধমাত্রার বর্ণ৮টি১টি (ঋ)৭টি (খ, গ, ণ, থ, ধ, প, শ)
পূর্ণমাত্রার বর্ণ৩২টি৬টি (অ, আ, ই, ঈ, উ, উ)২৬টি

Related Question

View All
উত্তরঃ

"ষান্মাসিক" শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হলো: ষট্‌ + মাসিক

3.2k
উত্তরঃ শে + অন

সন্ধি হলো দুটি সন্নিহিত ধ্বনির মিলন। বাংলা ব্যাকরণে সন্ধি মূলত তিন প্রকারের হয়ে থাকে: স্বরসন্ধি, ব্যঞ্জনসন্ধি ও বিসর্গসন্ধি। 'শয়ন' শব্দটি স্বরসন্ধির একটি উদাহরণ, যা মূলত অয়াদি স্বরসন্ধির নিয়মানুসারে গঠিত হয়েছে।

অয়াদি স্বরসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, 'এ'-কার (এ) এর পর অন্য কোনো স্বরধ্বনি থাকলে 'এ' স্থানে 'অয়' হয়।

        
  • নিয়ম: এ + অন্য স্বরধ্বনি = অয়
  •     
  • উদাহরণ: শে + অন = শয়ন

এখানে, 'শে' এর 'এ' ধ্বনির সাথে 'অন' এর 'অ' ধ্বনির মিলন হয়ে 'অয়' রূপান্তর হয়েছে, ফলে শব্দটি 'শয়ন' গঠিত হয়েছে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
346
উত্তরঃ মিথ্ + ইয়া

সন্ধি হলো পাশাপাশি দুটি ধ্বনির মিলন, যেখানে ধ্বনির পরিবর্তন, লোপ বা আগম ঘটে। বাংলা ব্যাকরণে 'মিথ্যা' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হলো 'মিথ্ + ইয়া'।

এটি মূলত 'মিথ্' ধাতু এবং 'ইয়া' প্রত্যয়ের যোগে গঠিত একটি শব্দ (কৃত্ প্রত্যয় সাধিত)। তবে, বাংলা ব্যাকরণে সন্ধি বিচ্ছেদ হিসেবে এই রূপটিই পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রচলিত এবং স্বীকৃত। এখানে 'ই' কারের পর 'আ' কার যুক্ত হয়ে একটি বিশেষ ধ্বনিগত রূপ লাভ করেছে, যা কিছু ব্যঞ্জন সন্ধির নিয়মের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হলেও, এর গঠনগত বিশ্লেষণ প্রত্যয়-নির্ভর।

Satt AI
Satt AI
3 days ago
887
উত্তরঃ পরি + আলােচনা

পর্যালােচনা শব্দটি একটি স্বরসন্ধির উদাহরণ। এটি ই-কারের পর ই বা ঈ ভিন্ন অন্য স্বর থাকলে ই বা ঈ স্থানে য হয় এই নিয়ম অনুসরণ করে গঠিত। এখানে 'পরি' শব্দের শেষে থাকা 'ই' কার এবং 'আলােচনা' শব্দের শুরুতে থাকা 'আ' স্বরবর্ণ মিলিত হয়ে 'যা' হয়েছে, যার ফলে 'পর্যালােচনা' শব্দটি গঠিত হয়েছে। এটি য-ফলা আগমের একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ, যা বাংলা ব্যাকরণে সন্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
312
উত্তরঃ ঈশ্বর + ইক

ঐশ্বরিক শব্দটি একটি তদ্ধিত প্রত্যয়ান্ত শব্দ। এখানে 'ঈশ্বর' মূল শব্দের সঙ্গে 'ইক' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'ঐশ্বরিক' শব্দটি গঠিত হয়েছে।

বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, 'ইক' প্রত্যয় যুক্ত হলে প্রায়শই মূল শব্দের আদি স্বরের বৃদ্ধি ঘটে। যেমন: ঈশ্বর শব্দের প্রথম স্বর 'ঈ' (ই) থেকে 'ঐ' (ঐ) তে রূপান্তরিত হয়েছে। যদিও এটি সরাসরি স্বরসন্ধির প্রচলিত নিয়মের মধ্যে পড়ে না, তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সন্ধি বিচ্ছেদ হিসেবে এর বিশ্লেষণ 'ঈশ্বর + ইক' ই গৃহীত হয়, যা মূলত প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের মাধ্যমে গঠিত।

Satt AI
Satt AI
3 days ago
542
উত্তরঃ উৎ + সর্গ

উৎসর্গ শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হলো উৎ + সর্গ। এটি বাংলা ব্যাকরণের ব্যঞ্জন সন্ধি-র একটি উদাহরণ।

এই সন্ধি বিচ্ছেদের নিয়মটি হলো:

  • যদি ত্/দ্ ধ্বনির পর স্ ধ্বনি থাকে, তাহলে ত্/দ্ পরিবর্তিত হয়ে হয় এবং স্ অপরিবর্তিত থাকে।
  • যেমন: উৎ + সর্গ = উৎসর্গ। এখানে 'উৎ' এর 'ত্' এবং 'সর্গ'-এর 'স্' যুক্ত হয়ে 'ৎস্' হয়েছে।
Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
841
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews