ক বিভাগ-গদ্য
নয়া জমিদার আদিলদ্দীন ধরি সকিনারে হাত,
কহিল, চল গো সোনার বরণী, মোর ঘরে মোর সাথ!
পঙ্খী করিয়া পুষিব তোমারে উড়াব আকাশ ভরি,
আমার দুনিয়া রঙিন করিব তোমারে মেহেদী করি।
সকিনা কহিল, আপনি মহান, হতভাগিনীর তরে,
যাহা করেছেন জিন্দেগী যাবে ঋণ পরিশোধ করে।
তবুও আমারে ক্ষমা করিবেন, আপনার ঘরে গেলে,
বসিতে হইবে হতভাগিনীরে কলঙ্ক কালি মেলে।
আসমান সম আপনার কুল, মোর জীবনের মেঘে,
যত চান আর সুরয তারকা সকল ফেলিবে ঢেকে।
এবারের বন্যায় ছাত্ররা বানভাসি মানুষের সাহায্যের জন্য সচ্ছল মানুষের ঘরে ঘরে যায়। বিপুল পরিমাণ ত্রাণসামগ্রী ও নগদ অর্থ তারা সংগ্রহ করে। এক সময় তরুণদের উপলব্ধি হয় কেবল অর্থ সাহায্য করে মানুষের উপকার করলেই হবে না, একটা সংগঠন গড়ে তুলে সেটার মাধ্যমে স্থায়ী পরিবর্তন করে অসহায়দের স্বাবলম্বী করা সম্ভব।
এতিম ডলি বড় হয়েছে মামা-মামীর কাছে। ডলির মামাও দরিদ্র মানুষ। বড় হবার পর ডলির বিয়ে হয়। মামা বিয়ের সময়ের যৌতুকের দাবি মেটাতে পারে না। ফলে তার ওপর চলে নিষ্ঠুর নির্যাতন। নির্যাতন সইতে না পেরে ডলি একদিন নির্যাতক স্বামীর সংসার ফেলে আবার মামার বাড়িতে আশ্রয় নেয়।
বাজারে মিলিটারি ঢোকার পর থেকেই কলিমদ্দি দফাদারের ওপর বোর্ড অফিস খোলার ভার পড়েছে। অপেক্ষাকৃত কমবয়স্ক চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান মিলিটারির ভয়ে পারতপক্ষে এদিকে আসেন না। মেম্বারগণও আত্মগোপন করেছেন। কিন্তু বোর্ড অফিস নিয়মিত খোলার হুকুম আছে। কলিমদ্দি এ কাজ করার জন্য বাজারে আসে। খান সেনারা ওকেই ওদের সঙ্গী করে নেয়। সে সরকারি লোক, নিয়মিত নামাজ পড়ে এবং যা হুকুম হয় তা পালন করে। ……………………………………………………………………………….
কলিমদ্দিকে আবার দেখা যায় ষোলই ডিসেম্বর সন্ধ্যায় বাজারের চা স্টলে। তার সঙ্গীরা সবাই মুক্তি, সে-ই শুধু তার পুরনো পোশাকে সকলের পরিচিত কলিমদ্দি দফাদার।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?