বি: দ্র: বাজারে যে সব ওপেন এন্ডেড বেজ পাওয়া যায় তার সবগুলিই ফোমিং পদ্ধতিতে তৈরী। বানিজ্যিক ভিত্তিতে কখনই এভাবে রেখ তৈরী হয় না। কেবল মাত্র কয়েকটি কাটিং অপারেশন শেখানোর জন্য এই ক্লাসটি নেওয়া হচ্ছে।
১. স্টিল রুল (Steel Rule)
২. প্রিক পাঞ্চ (Prick Panch)
৩. স্ক্রাইবার (Scriber)
৪. হ্যামার ( Hammer)
৫. ডিভাইডার (Divider)
৬. ক্যালিপার্স (Calipers)
৭. ট্রাইস্কয়ার (Try square)
৮. হারমাফ্রোডাইট ক্যালিপার্স (Hermaphrodite Callipers)
৯. কম্বিনেশন সেট (Combination Set)
১০. সারফেস প্লেট (Surface Plate )
১১. টুল মেকার্স ভাইস (Tool Makers Vice)
১. স্টিল রুল দিয়ে মাপন (Measuring with Steel Rule) স্টিন রুল দিয়ে মান গ্রহণের সময় কার্যবস্তুর উপরিতলে স্টিল রুপ এমনভাবে ধরতে হবে যেন, রুদের রেগাগুলো কার্যবস্তুকে স্পর্শ করে। যাগ নেওয়ার সময় ১০ মিমি মার্ক থেকে নিতে হবে, কারণ রুলের শেষ প্রান্ত ভাঙা থাকতে পারে। চিত্রে একটি স্টিল ফলের ব্যবহার দেখানো হলো।
চিত্রঃ ব্যব: ১.১ স্টিল রুলের সাহায্যে মাপ গ্রহণ
বান। ১/১
২. ড্রাইবার দিয়ে লাইন টানা (Lines) মেটালের পৃষ্ঠদেশ (চক দ্বারা) কালার করার পর এটা লে-আউট করার উপযোগী হয়। সরল রেখা টানার জন্য টিল ফুল, ক্ষরার অথবা বেতেল প্রোট্রেটরকে যথাস্থানে রেখে শক্ত করে বাম হাতে ধরে রাখতে হবে। ডান হাতে ফাইবার ধরে সাপ টানতে হবে। এতে সরল রেখা উৎপন্ন হবে। ডিভাইডার দিয়ে বৃত্তাকার অংশটি চিত্র মোতাবেক দাগ টানতে হবে।
পাঞ্চিং (Prick Punching)
কালারিং (Colouring) এবং ফ্লাইং লাইন (Scribe Line) অনেক সদর হাতের সবার মুছে যেতে বা নষ্ট হতে পারে। অধিক স্থায়িত্বের লক্ষ্যে কি পার্কিং করা হয়। গ্রিক পাশের সেন্টারটি অবশ্যই সঠিকভাবে লাইনের উপর রেখে হাতুড়ি দিয়ে হালকাভাবে আঘাত দিতে হবে। গ্রিক পাঞ্চের মার্কটি ২ মি.মি. দূরে দূরে হবে। নিচের চিত্রে গ্রিক পাঞ্চিং-এর মাধ্যমে একটা লাইন মার্কিং করা দেখানো হলো।
চিত্ৰঃ ব্যব ১/২ (খ) পাঞ্চিং এর পর
- জবটির গুরুত্ব বিবেচনা করে ভাইসের হাতল ঘুরিয়ে ভাইসের চলনশীল 'জ' (Jaw) ফাঁক করতে হবে।
- উক্ত কাকের মধ্যে অৰ সমতলভাবে রেখে ভাইসের হাতলে চাপ নিয়ে জব শক্তভাবে আটকাতে হবে।
- ভাইদের হাতলের সাথে অতিরিক্ত পাইপ লাগিয়ে বেশি চাপ দিতে চেষ্টা করা উচিত নয়, এতে ভাইস নষ্ট হতে পারে।
এভাবে সঠিকভাবে লে-আউট প্রস্তত করা হলো।
- হ্যাক-স ব্রেড নির্বাচন করতে হলে লক্ষ্য করতে হবে, যে স্থান কাটা হচ্ছে সে স্থানের উপর কমপক্ষে হ্যাক-স ব্লেডের তিনটি দাঁত বেন অবস্থান করতে পারে, নতুবা ব্রেড ভাঙার আশঙ্কা খুব বেশি থাকে।
- কী ধাতু কাটা হচ্ছে ব্রেড নির্বাচনের সময় তা বিবেচনা করতে হবে। ব্রেন অনুযায়ী ব্যাকস ব্রেড ও ফ্রেম নির্বাচন করতে হবে। যেমন:
| ধাতুর নাম/মনের নাম | ব্রেডের তে পিচ (মিলিমিটার) | এতি ইঞ্চিতে দাঁত সংখ্যা |
|---|---|---|
| মাইন্ড স্টিল, কাল্ট আয়রন ইত্যাদি | ১.৮ | ১৪ |
| টুল টিপ, হাই কার্বনটিস, হাইস্পিড স্টিল ইত্যাদি | ১.৮ | ১৮ |
| ব্রাশ, কপার, রট আয়রন ইত্যাদি | ১.০০ | ২৪ |
| কচুইট এবং পাতলা পাইপ, পাতলা পিট ইতানি | ০.৪ | ৩২ |
- জবের আকৃতি অনুসারে জবকে তাইলে আটকাতে হবে।
- নিচের চিত্রগুলোতে বিভিন্ন আকৃতির অবকে তাইলে আটকানোর কৌশল দেখানো হলো-
চিত্র: ব্যব ১/৩ জনের আকৃতি অনুসারে ডাইসে আটকানো পদ্ধতি
- পাইপে টাইট দিতে হবে।
- হাতুড়ি দিয়ে পাইপ টাইট দেওয়া উচিত নয়, হাতের টাইটই যথেষ্ট।
চিত্ৰ: ব্যব ১/৪ হাতুড়ি দ্বারা আঘাত করে কার্যবস্তু আটকানো নিষিদ্ধ
- বাম হাতের বুড়া আঙুল সাপের পার্শ্বে রেখে গ্রিক পাঞ্চ দিয়ে লাইন বরাবর মার্কিং করা অংশ সামান্য পরিমাণ কাটতে হবে
- ব্লেড চিনা মনে হলে উইং নাটে টাইট দিতে হবে।
- ব্লেড ধার নেই এমন মনে হলে পূর্বাচ্চন ব্লেড খুলে নতুন ব্লেড লাগাতে হবে।
- ডান হাতে হ্যাকস এর হ্যান্ডেল এবং বাম হাতে ফ্রেমের অগ্রভাগ ধরে শাক মার্কিং ল্যাবের ধাতু কটিতে শুরু করতে হবে।
- দেহের অবস্থান সোজা হবে তবে হ্যাকস এর ডালে ডালে দেহের সামনের অংশ সামান্য গোলাতে হবে।
- হ্যাক-স সামনের দিকে যাওয়ার সময় কাটে কিন্তু পিছনের দিকে আসার সময় কাটে না। তাই সামনের দিকে যাওয়ার সময় মৃদু চাপ নিতে হবে এবং পিছনের দিকে আসার সময় হ্যাকস এর মাথাকে সামান্য উঁচু করে টেনে নিতে হবে।
- ধাতু কাটার সময় হ্যাকস ফ্রেমে খুব জোরে চাপ দেওয়া যাবে না। বেশি চাপ দিলে ব্লেড ভেঙে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
- পুরাতন ব্লেড নিয়ে খানিক দুর কাটার পর নতুন ব্লেড ব্যবহার না করা ভালো, কারণ এতে ব্লেড ভাঙার আশঙ্কা খুব বেশি এবং ব্লেড ভাঙার সময় অনেক ক্ষেত্রে হাত জখম হয়। সুতরাং কর্তনের মধ্যবর্তী সময়ে ব্লেড বদলানোর চেষ্টা করা উচিত নয়।
- চিহ্নিত অংশ টুকু যথাক্রমে হ্যাক - চিজেল ও ফাইল ব্যবহার করে কেটে অপসারণ করতে হবে।
- কাটার সময় লক্ষ্য করতে হবে যে, চিহ্নিত রেখা বরাবর কাটা হচ্ছে কিনা।
- কর্তনের পর দেখতে হবে কাটা গ্রামগুলি খাড়া কিনা?
- সন্নিহিত তলের কোণগুলি ৯০° হয়েছে কিনা? ট্রাইস্কয়ার দিয়ে তা পরীক্ষা করতে হবে।
চিত্র : ব্যব ১/৫ স্ট্রাইস্কয়ারের সাহায্যে দুটি তল ৯০° অবস্থানে আছে কিনা তা পরীক্ষা করা হচ্ছে
ফাইল নির্বাচনের সময় নিচের বিষয়গুলি বিবেচনা করতে হবে-
১) কতখানি ধাতু ক্ষয় করতে হবে?
২) জবের আকৃতি কেমন হবে?
৩) জবের ফিনিসিং কেমন হবে?
- এই কাজের জন্য ভাবল কটি ফ্লাট ফাইল ব্যবহার করতে হবে।
- ফাইলিং-এর জন্য যে সকল যন্ত্রপাতির প্রয়োজন। ফাইল, স্টিল রুল, ফাইবার, টেবিল ভাইস, ওয়ার ব্রাশ।
- জবটির পুরুত্ব বিবেচনা করে ভাইসের হাতল ঘুরিয়ে ভাইসের চলনশীল 'জ' (Jaw) ফাঁক করতে হবে।
- উক্ত ফাঁকের মধ্যে জব সমতলভাবে রেখে ভাইসের হাতলে চাপ নিয়ে জব শক্তভাবে আটকাতে হবে।
- ভাইসের হাতলের সাথে অতিরিক্ত পাইপ লাগিয়ে বেশি চাপ নিতে চেষ্টা করা উচিত নয়, এতে ভাইস নষ্ট হতে পারে।
- ওয়ার্কিং বেঞ্চ হতে ৪৫° কোণ করে দাঁড়াতে হবে।
- ফাইল ব্যবহারের পূর্বে টেবিলে এর বাটটি ধাক্কা দিয়ে নিতে হবে।
- যাতে বাটটি ফাইলে শক্তভাবে আটকে থাকে।
- ডান হাতে ফাইল হাতল ধরে এবং বাম হাত ফাইলের মাথায় রাখতে হবে ।
- ধাতু ফাইলিং সম্পন্ন করা চিত্র : ১.২ (খ) এর ফার্ম লাইন (-) বরাবর ফাইলিং করে গোল অংশ সৃষ্টি করতে হবে।
চিত্রঃ ব্যব ১/৬ ফাইলিং করার পদ্ধতি
- সাধারণ কাজ করার জন্য ফাইলিং কর ।
- কাজ শেষে ফিনিসিং দেওয়ার জন্য ফাইলিং কর ।
- দীর্ঘ উপরিভাগের উপর হতে কম ধাতু ক্ষয় করার জন্য ফাইলিং কর।
- জব যেভাবে মার্কিং করা আছে সেই অনুসারে ফাইলিং সম্পন্ন কর ।
চিত্র : ব্যব ১/৭ ডাবল ‘ভি’
- তোমার তৈরি অব প্রদত্ত চিত্রের মতো কিনা? এবং ফাইলিংকৃত তল মসৃণ কিনা।
- দুই খান সমান হয়েছে কিনা?
- উচ্চতা ৬ মিলিমিটার আছে কিনা ?
ধাতু ফাইলিং করে নির্দিষ্ট মাপের 'ভি' তৈরি করতে যে বিষয়গুলো নিরীক্ষণ করতে হবে । জব মার্কিং করার সময় ক্রাইবার দাগ যেন সরল রেখা হয়। সেন্টার পাঞ্চকে হাতুড়ি দিয়ে সাবধানে আঘাত করতে হবে। জনটি তাইসে আটকানোর সময় হাতুড়ি ব্যবহার না করে হাত নিয়ে ভালোমতো টাইট নিতে হবে। কারণ ভাইসের হাতলে হাতড়ি দিয়ে বেশি আঘাত করলে ভাইস নষ্ট হতে পারে। মার্কিং অনুসারে সাবধানে ফাইল করতে হবে।
১) লে-আউট টুলস বলতে কী বোঝায়?
২) কম্বিনেশন স্কয়ার দ্বারা কী কাজ করা হয়?
৩) ডিভাইডার ও ক্যালিপার্সের কাজের বিভেদ উল্লেখ কর ।
৪) হ্যাকস এর বিভিন্ন অংশের নাম দেখ ।
৫) হ্যাকস ব্লেডের টিপিআই বলতে কী বোঝায়?
৬) কী কী কারণে হ্যাকস ব্লেড ভেঙে যায়?
৭) ফাইলিং বলতে কী বোঝায়?
৮) কয়েক প্রকার ফাইলের নাম লেখ।
৯) ফাইল নির্বাচন পদ্ধতি লেখ ।
১) পোর্টেবল ড্রিল,
২) ভাইস,
৩) ড্রিল বিট,
৪) সেন্টার পাঞ্চ,
৫) হ্যামার,
৬) স্টিল রুল,
৭) স্ক্রাইবার ।
- ওয়ার্কপিস লে-আউট করার সাজ-সরঞ্জাম ক্রাইবার, সেন্টার পাঞ্চ, স্টিল রুল ও হাতুড়ি নিতে হবে।
- লে-আউট করতে প্রথমে স্টিল রুল দিয়ে মাপ নিয়ে ক্রাইবারের দাগ দিতে হবে ।
- ড্রয়িং অনুসারে সেন্টার পাঞ্চ দিয়ে সঠিকভাবে পাঞ্চিং করতে হবে ।
হ্যান্ড ডিলিং-এর জন্য সুবিধাজনক মাউন্টিং ডিভাইস নির্বাচন করে ওয়ার্কপিস স্থাপন ও আবদ্ধ করতে হবে । সাধারণত বহনযোগ্য মাউন্টিং যেমন- সি – ক্ল্যাম্প, হ্যান্ড ভাইস অথবা অন্য কোনো নির্ভরযোগ্য উপায়ে দৃঢ়ভাবে ওয়ার্কপিস অবশ্যই আবদ্ধ করতে হবে ।
- ছিল বিটের আকার সাধারণত তার শ্যাস্ত্রে চিহ্নিত থাকে। তবে অতি ছোট ব্যাসের ছিল বিটের আকার চিহ্নিত থাকে না ।
- অতি ছোট ব্যাসের আকার চিহ্নিত থাকে না বলে এটির আকার মেপে বের করতে হয়।
- ছিল বিটের আকার মাপার জন্য প্রধানত ছিল গেজ ব্যবহৃত হয়।
- ড্রিল বিটকে ড্রিলের চাক (Chuck) ঘুরিয়ে মেশিনে সেট করতে হবে।
- ঢাক মুরানো জন্য ডাক কি (Chuck key) ব্যবহার করতে হবে।
চিত্রঃ ব্যব ২/১ ড্রিলপেজ
- যে স্থানে ড্রিল করতে হবে সেখানে সেন্টার পাঞ্চ দিয়ে চিহ্নিত করতে হবে ।
- রেস্ট-এর উপর বা হাত দিয়ে চাপ নিতে হবে।
- ডান হাত নিয়ে হ্যাভেল সুরাতে হবে।
- আস্তে আস্তে চাপ দিতে হবে।
- থেমে থেমে ড্রিল করে কাজ শেষ করতে হবে।
চিত্রঃ ব্যব ২/২ পোর্টেবল ড্রিল মেশিন
- হ্যান্ড ড্রিলিং খাড়াভাবে এবং অনুভূমিক অবস্থায় করা যায়।
- যে সমস্ত কাজে সুবিধাজনকভাবে স্ট্যান্ডার্ড ড্রিলিং মেশিনে ড্রিল করা যায় না ডা ড্রিল করতে পোর্টেবল ড্রিলিং মেশিন ব্যবহৃত হয়।
- এ মেশিন ১২.৭ মিমি পর্যন্ত ছিল বিট ধারণ করতে সক্ষম। হ্যান্ড ফিডিং এবং সাম্যাবস্থা বজার রেখে ড্রিলিং সম্পন্ন করতে হবে।
চিত্র : ব্যব ২/৩ অনুভূমিক অবস্থানে কার্যবস্তুর ওপর ড্রিল করা
১) ড্রিলিং মেশিনের সেফটি ডিভাইসগুলোর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।
- ড্রিলিং শুরু করার পূর্বে একটি কেন্দ্রে অবশ্যই পাঞ্চ দিয়ে মার্ক করে নিতে হবে।
- সাধারণত ত্রুটিপূর্ণভাবে গ্রাইন্ডিং করা সরু ড্রিলগুলো কেন্দ্রের বাইরে চলে যায়, কাজেই ড্রিল বিট সঠিকভাবে গ্রাইন্ডিং করে নিতে হবে।
- ড্রিল বিট সঠিকভাবে গ্রাইন্ডিং করতে ছিল শ্যাপেনিং ডিভাইস ব্যবহার করা উচিত। ড্রিল বিট ধার দিতে এবং দুর্ঘটনা এড়াতে একে অবশ্যই ক্যাম্পিং করে নিতে হবে।
- পয়েন্ট অ্যাঙ্গেল অসমান হবে।
- একটি লিপ অপরটি অপেক্ষা বৃহত্তম হবে।
- ড্রিল করা গর্ভের ব্যাস বড় হবে।
- পয়েন্ট অ্যাঙ্গেল অবশ্যই পরেন্ট অ্যাঙ্গেল গেজ নিয়ে পরীক্ষা করতে হবে।
- যদি গর্ত কেন্দ্র হতে সরে যায় তবে প্রথমেই একে সংশোধন করে নিতে হবে। এতে গতটিকে যে দিকে সারাতে হবে সে দিকে একটি এড কেটে নেওয়া হয় ।
- প্রয়োজনে বড় ড্রিল গর্ভ করার পূর্বে ছোট ড্রিল করে নিতে হয় ।
- লম্বা চুল ঢিলা পোশাক সম্পর্কে অপারেটরকে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে ।
- ড্রিল বিটটি যাতে নষ্ট না হয় সে জন্য সঠিক ছিদ্রসম্পন্ন কাঠের ব্লকে সংরক্ষণ রাখা উচিত।
চিত্র : ব্যব ২/৪ কাঠের ব্লকের ছিদ্রের মধ্যে ড্রিল বিট রাখার কৌশল
১) পোর্টেবল ড্রিল বলতে কী বোঝায় ?
২) ড্রিল বিটের আকার বা সাইজ কোথায় লেখা থাকে?
৩) ড্রিল গেজ দিয়ে কী মাপা হয় ?
১) পেডেস্টাল ড্রিল (Pedestal Drill)
২) ওয়ার্ক পিস ক্যাম্পিং ভাইস (Vice)
৩) ড্রিল বিট (টুইস্ট ড্রিল) (Drill Bit)
৪) ড্রিল চাক (Drill chuck )
৫) চাক কি (Chuck key)
৬) স্লিভ (Sleeve)
৭) ড্রিল ড্রিফ্ট (Drill Drift)
৮) অয়েল ক্যান (Oil Can
৯) সেন্টার পাঞ্চ (Center Punch)
১০) হ্যামার (Hammer )
১১) স্ক্রাইবার (Scriber)
১২) ট্রাইস্কয়ার (Trysquare)
- লে-আউট করার জন্য ওয়ার্ক সারফেস হিসাবে ব্যবহার করতে সারফেস প্লেট প্রয়োজন। কার্যবস্তু সারফেস প্লেটের উপর বসাতে হবে ।
- কার্যবস্তুর তলে সোজা কিনারার সাথে সমকোণে মার্কিং লাইন টানতে, তার তল সমতল ও পার্শ্ব বর্গাকার কি না তা পরীক্ষা করতে ট্রাইস্কয়ার প্রয়োজন ।
- ক্রাইবারের সাহায্যে লেয়িং আউট বা মার্কিং কাজের জন্য লাইন টানতে হয় ।
- লে-আউট বা মার্কিং করা লাইনের উপর যে স্থানে ড্রিল করতে হবে উক্ত স্থানে পাঞ্চের সাহায্যে ক্ষুদ্র গর্ত করতে হয়।
- ড্রিল ভাইসে ক্ল্যাম্পিং ব্যতিরেকে ড্রিলিং করলে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। ওয়ার্কপিস ও ড্রিল নষ্ট হতে পারে ।
চিত্রঃ ব্যব ২/৫ ওয়ার্কপিস আটকানো পদ্ধতি
১) ড্রিল চাকের ‘অ’ ও শ্যাঙ্ক এবং মেশিন স্পিডল বোর ডিপমুক্ত করতে হবে।
২) ছোট সাইজের স্ট্রেইট শ্যাঙ্ক ড্রিল বিটকে সরাসরি ড্রিল চাকে(Chuck) সেট করা হয়।
৩) ছোট সাইজের টেপার প্যাঙ্ক ছিল হলে একাধিক স্পিড ব্যবহার করা হয় ।
৪) বড় সাইজের টেপার শ্যাঙ্ক ছিল বলে সরাসরি মেশিন স্পিডলে সেট করা হয়
৫) ড্রিল বিট অপসারণের জন্য ড্রিল ক্লিফট ব্যবহার করা হয়।
চিত্রঃ ব্যব ২/৬ ড্রিল চেক ড্রিল বিট আটকানোর পদ্ধতি
• বিভিন্ন সাইজের ড্রিল বিটের জন্য বিভিন্ন স্পিন্ডল ব্যবহার অত্যাবশ্যক। স্পিন্ডল স্পিড নির্বাচন করতে ওয়ার্কপিস ম্যাটেরিয়াল ও ড্রিলের ব্যাস বিবেচনা করা হয়। অতঃপর নিচের সূত্রের সাহায্যে মেশিন স্পিন্ডল স্পিড নির্ণয় করা হয়। স্পিন্ডল নির্বাচন করতে ওয়ার্কসপে সংরক্ষিত চার্টও ব্যবহার করা হয়।
ড্রিলিং-এর জন্য কাটিং স্পিড চার্ট :
| ওয়ার্কপিস ম্যাটেরিয়াল | কাটিং স্পিড মিটার/মিনিট | |
|---|---|---|
| হাইস্পিড স্টিল | সিমেন্টাইড কার্বাইড | |
| লো কার্বন স্টিল | ২৫-৫০ | - |
| মিডিয়াম কার্বন স্টিল | ২০-৩০ | - |
| হাই কার্বন স্টিল | ১৫-২৫ | ২০-৩০ |
| কাস্ট আয়রন (নরম) | ২৫-৪০ | ৫০-১০০ |
| কাস্ট আয়রন (শক্ত) | ২০-৩০ | ৪০-৮০ |
| কাস্ট স্টিল | ২০-৩০ | ৩০-৮০ |
| ব্রাশ (শক্ত) | ৭০-১২০ | ১০০-১৫০ |
| ব্রাশ (নরম), বোঞ্জ | ৩০-৫০ | ৫০-৮০ |
| কপার, অ্যালুমিনিয়াম | ৭০-১১৫ | - |
বিভিন্ন আকারের ড্রিল বিটের জন্য নির্বাচিত ফিড :
ড্রিল বিটের ব্যাস | ফিড/ড্রিল বিটের প্রতি ঘূর্ণনে |
|---|---|
| ৩ মিলিমিটার নিচে | ০.০২৫ থেকে ০.০৫ মিমি |
| ৩ থেকে ৬ মিমি | ০.০৫ থেকে ০.১০ মিমি |
| ৬ থেকে ১২ মিমি | ০.১০ থেকে ০.১৮ মিমি |
| ১২ থেকে ২৫ মিমি | ০.১৮ থেকে ০.৩৮ মিমি |
| ২৫ মিমি হতে ঊর্ধ্বে | ০.৩৮ থেকে ০.৬৩ মিমি |
১) ড্রিলিং-এর সময় নিরাপত্তার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিতে হয়।
২) ড্রিল মেশিনটি কার্য উপযোগী কিনা পরীক্ষা করতে হবে ।
৩) মেশিন চালু করতে হবে ।
৪) হ্যান্ড হুইনের হাতল ঘুরিয়ে ফিড দিতে হবে।
৫) কুল্যান্ট পদ্ধতি চালু করতে হবে।
৬) মাঝে মাঝে ড্রিল বিট উঠিয়ে চিপ অপসারণ করতে হবে।
৭) পর্যায়ক্রমে ড্রিলিং সম্পন্ন করতে হবে ।
৮) ড্রিলিং পরীক্ষা করতে হবে ।
ড্রিলিং-এর সময় কুল্যান্ট ব্যবহার :
- ড্রিলিং করতে ফ্রিকশনের ফলে ড্রিল বিট গরম হয়ে যায়। ফলে ক্লিয়ারেন্স অ্যাঙ্গেল ও কাটিং এজ (EDGE) নষ্ট ও বিট ভেঙে যেতে পারে। তাপ উৎপাদনের ফলে কার্যবস্তুর গুণের পরিবর্তন হয়ে যায়। ড্রিল বিট এবং কার্যবস্তু ঠান্ডা রাখতে কুল্যান্ট একান্ত প্রয়োজন। এ কারণে ড্রিলিং মেশিনে কুল্যান্ট পদ্ধতি সেট করে নেওয়া হয় ।
ড্রিলিং-এর সময় সঠিকভাবে ড্রিলিং হচ্ছে কি না পরীক্ষা করা দরকার। ফ্রিকশনের করণে বিটের কাটিং এজ পুড়ে যায় । এতে ড্রিলের আকার পরিবর্তন হয়ে যায়। তাই ড্রিলিং করার এবং পরে ড্রিল বিটের কাটিং এজ এবং ড্রিলের সাইজ পরীক্ষা করে দেখতে হবে।
১) ড্রিল চাকের কাজ কী?
২) ড্রিল-ড্রিফট (DRILL DRIFT)-এর কাজ কী?
৩) ড্রিলিং-এর সময় কুল্যান্ট ব্যবহার করা হয় কেন?
১) মেটালের প্রকারের উপর ভিত্তি করে গ্রাইন্ডিং হুইল নির্বাচন করতে হবে।
২) যে মেশিনে গ্রাইন্ডিং হবে তা কোন ধরনের ।
৩) গ্রাইন্ডিং হুইলের আকার অর্থাৎ পরিধির পরিমাণ কতটুকু ।
৪) মেটাল ক্ষয়ের হার ও মসৃণতার আলোকে প্রাইন্ডিং হুইল নির্বাচন কর।
- গ্রাইন্ডিং মেশিনের গ্রাইন্ডিং হুইলের মধ্যে ওয়ার্কপিসটি ঠিকভাবে ধরে গ্রাইন্ডিং করতে পারে, সেভাবে ওয়ার্কপিস প্রস্তুত কর।
- ওয়ার্কপিসটি গ্রাইন্ডিং করে ক্ষয় করার লক্ষ্যে বিভিন্ন ক্লিয়ারেন্স অ্যাঙ্গেল অনুযায়ী লে-আউটসহ মার্কিং কর ।
- নিচে গ্রাইন্ডিং-এর জন্য লেদ টুল বিটের জন্য নির্ধারিত বিভিন্ন অ্যাঙ্গেল টেবিল প্রদত্ত হলো :
| ওয়ার্কপিস ম্যাটেরিয়াল | ফ্রন্ট ক্লিয়ারেন্স অ্যাঙ্গেল ডিগ্রি | ফ্রন্ট এজ কাটিং অ্যাঙ্গেল (ডিগ্রি) | সাইড কাটিং এজ অ্যাঙ্গেল (ডিগ্রি) | সাইড কাটিং এজ অ্যাঙ্গেল (ডিগ্রি) | সাইড রেক অ্যাঙ্গেল (ডিগ্রি) | টপ/ব্যাঞ্চ রেক অ্যাঙ্গেল (ডিগ্রি) |
|---|---|---|---|---|---|---|
| স্টিল, শক্ত | ৮-১৫ | ১৫-৩০ | ৬-১০ | ১০-২০ | ৬- ১৫ | ১০-১৫ |
| স্টিল, শক্ত | ৮৭-১৫ | ১৫-৩০ | ৬-১০ | ১০-২০ | ৬- ১৫ | ১০-১৫ |
| কাস্ট আয়রন, নরম | ৮-১৫ | ১৫-৩০ | ৬-১০ | ১০-২০ | ৬- ১৫ | ৩-৬ |
| কাস্ট আয়রন, শক্ত | ৮-১৫ | ১৫-৩০ | ৬-১০ | ১০-২০ | ৬- ১৫ | ৩-৮ |
| ব্রাশ, ব্রোঞ্জ | ৮-১৫ | ১৫-৩০ | ৬-১০ | ১০-২০ | ৬- ১৫ | ৩-১০ |
| কপার | ৮-১৫ | ১৫-৩০ | ৬-১০ | ১০-২০ | ৬- ১৫ | ১০-১৫ |
| অ্যালুমিনিয়াম | ৮-১৫ | ১৫-৩০ | ৬-১০ | ১০-২০ | ৬- ১৫ | ১০-১৫ |
- ওয়ার্কপিস গ্রাইন্ডিং হুইল বরাবর সুবিধাজনক স্থানে আটকাতে হবে ।
- ওয়ার্কপিসটি হাতে ধরার জন্য হ্যান্ড গ্লাভস ব্যবহার করে ধরতে হবে এবং চোখে গগলস পরতে হবে।
গ্রাইডিং মেশিন গ্রাইন্ডিং করার পূর্বে দেখে নিতে হবে যে, তার সাথে আনুষঙ্গিক ফিটিং সংযুক্ত আছে কিনা । যেমন- টুলরেস্ট, হুইল গার্ডার, সেফটি গ্লাস গার্ডার ইত্যাদি। এগুলো না থাকলে গ্রাইন্ডিং-এর সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে । গ্রাইন্ডিং-এর সময় চোখে সেফটি গগল্স ও হাতে হ্যান্ড গ্লাভস লাগানো উচিত। যে কার্যবস্তু গ্রাইন্ডিং করতে হবে তার কাটিং অবস্থা বুঝতে হবে। এরপর মেশিন চালু করে নিতে হবে। যেহেতু গ্রাইন্ডিং হুইল-এর ঘূর্ণন গতি খুব বেশি, প্রথমে কার্যবস্তুকে টুলরেস্টের উপর স্থাপন করে ধীরে ধীরে হুইলের সংস্পর্শে আনতে হবে । প্রথমে ধীরে ধীরে গ্রাইন্ডিং করে হাতের ব্যালেন্সে ঠিক করে নিতে হবে। প্রতিটি কাজ ভালো করে সম্পন্ন করতে নিয়মিত অভ্যাসের প্রয়োজন। গ্রাইন্ডিং-এর ক্ষেত্রে যেহেতু হাতের ব্যালেন্স ক্ষয় করা হয়, সেজন্য নিয়মিত অভ্যাস প্রধান বিবেচ্য বিষয়।
চিত্রঃ ব্যব ৩/১ গ্রাইন্ডিং হুইলে জব ধরার কৌশল
গ্রাইন্ডিং-এ বেশি দুর্ঘটনা হয়, হাত হতে কার্যবস্তু ছিটকে গিয়ে বা খসে গিয়ে। তাই প্রাইন্ডিং-এর সময় অবশ্যই কার্যবস্তুকে ভালোভাবে ধরে টুলরেস্ট স্থাপনপূর্বক গ্রাইন্ডিং করা উচিত। এছাড়া জবটি সঠিকভাবে গ্রাইন্ডিং সম্পন্ন হয়েছে কি না তা পরীক্ষা করে নিশ্চিত হতে হবে। গ্রাইন্ডিং-এর সময় মেটালের ক্ষুদ্র কণা বেগে ছিটকে আসে সেজন্য চোখ রক্ষার জন্য অবশ্যই সেফটি গগলস
পরতে হবে এবং ক্রমান্বয়ে ফিড দিতে হবে ।
Grinding মেশিনে কাজ করার সময় নিম্নবর্ণিত সতর্কতাগুলি অবশ্যই পালনীয়
১. পরিশ্রান্ত অবস্থায় Grinding মেশিন চালানো উচিৎ নয়।
২. টিলা কাপড় পরিধান করে প্রাইভিং করা যাবে না।
৩. হ্যান্ড গ্লোভস পরিধান করতে হবে।
৪. মেশিনের সেফটি ডিভাইস ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।
৫. সেফটি গগলস পরি ধান করতে হবে
৬. লম্বা চুল থাকলে বেঁধে নিতে হবে।
৭. পোর্টেবল গ্রাইন্ডিং মেশিনের ক্ষেত্রে প্লাগ সকেটের মধ্যে প্রবেশ করানোর পূর্বেই মেশিনের সুইচ অফ করে নিতে হবে।
৮. সঠিক গ্রাইন্ডিং হইল নির্বাচন করতে হবে।
৯. গ্রাইন্ডিং হইলের সঠিক R.P.M নির্বাচন করতে হবে।
১০. ধাতু কাটার পরিমান অনুসারে গ্রাইন্ডিং হইল নির্বাচন করতে হবে।
১১. গ্রাইন্ডিং হইল পূর্নঘূর্নন (Full Speed) শুরু হলে গ্রাইন্ডিং কাজ শুরু করতে হবে।
১২. বেঞ্চ গ্রাইন্ডিং এর ক্ষেত্রে সর্বদাই টুল রেস্টের উপর ওয়ার্কপিস রেখে কাজ করতে হবে।
১৩. গ্রাইন্ডিং করার সময় সৃষ্ট স্ফুলিঙ্গ (Spark) যাতে বস্তুর সংস্পর্শে না আসে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
১) পোর্টেবল গ্রাইন্ডার মেশিন বলতে কী বোঝায় ?
২) গ্রাইন্ডিং করা হয় কেন?
৩) প্রাইন্ডিং মেশিনের প্রধান অংশগুলোর নাম লেখ।
ওয়ার্কপিস পুরোপুরিভাবে পরিষ্কার করা সোল্ডারিং-এর পূর্বশর্ত। ওয়ার্কপিসের উপরিভাগের যে কোনো অপ্রয়োজনীয় পদার্থ যেমন ময়লা, গ্রিজ ইত্যাদি সোল্ডারিং-এ বাধা প্রদান করে, তাই যান্ত্রিক বা রাসায়নিকভাবে উপর তল পরিষ্কার করা হয়। যেমন-
১) ফাইন গ্রেড ওয়ার ব্রাশ দিয়ে
২) ফাইল দিয়ে
৩) ওয়ার ব্রাশ বা ক্রেপার দিয়ে এবং গরম পানি দিয়ে ওয়ার্কপিস পরিষ্কার করে।
চিত্র : ব্যব: ৪/১ দিয়ে ওয়ার্কপিস পরিষ্কারকরণ
সোল্ডারিং প্রণালিকে প্রধানত দুই শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায় ।
১) সফট সোল্ডারিং বা নরম ঝালাই (Soft Soldering )
২) হার্ড সোল্ডারিং বা শক্ত ঝালাই (Hard Soldering )
সফট সোল্ডারিং ও হার্ড সোল্ডারিং-এর অন্তর্বর্তী আরেকটি শ্রেণির সোল্ডারিং-এর প্রচলন আছে, এর নাম সিলভার সোন্ডারিং বা রুপার ঝালাই (Silver Soldering )
১) সফট সোল্ডারিং (Soft Soldering ) : সাধারণত তিন ভাগ টিন (60%) এবং দুই ভাগ দস্তা (40% ) মিশিয়ে সফট সোন্ডার তৈরি করা হয় ।
২) হার্ড সোল্ডারিং (Hard Soldering) হার্ড বা শক্ত সোল্ডারকে অনেক সময় স্পেলটার (Spelter) বলে। চার ভাগ ভাষা এবং এক ভাগ দত্তা মিশিয়ে হার্ড সোল্ডার তৈরি করা হয়। এ সোল্ডারিং-এর জোড়া বা সংযোগ বেশি মজবুত এবং স্থায়ী হয় ।
সোল্ডারিং করার সময় বিভিন্ন ধাতুতে এবং বিভিন্ন প্রণালি অনুসরণ করতে সাধারণত নিম্নলিখিত ফ্লাক্স ব্যবহার করা হয়ে থাকে ।
| ধাতু প্রণালি | ফ্লাক্স |
|---|---|
| ১) সোল্ডারিং ( Soldering) | রেজিন, রেজিন + অ্যালকোহল, জিঙ্ক ক্লোরাইড, অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড। |
| 2) ব্রেজিং (Brazing) | বোরাক্স (Borax) বা সোহগা |
| ৩) আয়রন (Iron) | সোহগা বা বোরাক্স |
| ৪) টিন শিট (Tin Sheet) | হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড (Hydrochloric Acid) (মোম + রেজিন+জিঙ্ক+ক্লোরাইড+অ্যালকোহল)। |
| ৫) তামা ও পিতল (Copper and Brass) | রেজিন+জিঙ্ক+ক্লোরাইড । |
| ৬) সিসা ও টিন (Lead and Tin) | রেজিন (Resin) অথবা তিষির তেল । |
| ৭) লিড (Lead) | রেজিন (Resin) ভেসলিন (Vasline)। |
| ৮) স্টেইনলেস স্টিল (Stainless Steel) | ফসফরিক অ্যাসিড (Phosphoric Acid) |
| ৯) অ্যালুমিনিয়াম (Aluminium) | প্যারাফিন (Paraffin ) জিঙ্ক ক্লোরাইড (Zinc chloride) বোরাক্স (Borax) |
| ১০) গ্যালভানাইজড শিট (Galvanized Sheet) | হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড (Hydrochloric Acid) |
| ১১) কপার (Copper) ও এর মিশ্র ধাতু ইস্পাত, ঢালাই লোহা, পেটা মেটাল (Wrought Iron) | জিঙ্ক ক্লোরাইড (Zinc Chloride) |
- গ্যাস এয়ার টর্চ রো পাইপ প্রজ্বালন করে সোল্ডারিং করা যায়। অ্যাসিটিলিন গ্যাস শুধু জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং ভালভ (Valve) এর সাহায্যে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। অনেক সময় প্রোপেন গ্যাসও জ্বালানি হিসেবে ভিন্ন ধরনের রেগুলেটর দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করে ব্যবহার করা হয়। এ ধরনের ব্লো পাইপগুলো টর্চ বদল করে ব্যবহার করা যায়।
- স্পার্ক লাইটার দিয়ে প্রজ্বালন করে শিখা তৈরি করে সোল্ডারিং করা যায় ।
সোচ্চারিং-এর সঠিক সময় নিম্নরূপ :
- সোল্ডারিং আয়রনের টিপ (মাথা) পরিষ্কার করতে হবে। ফাইল যা প্রম্যারি ফ্লাজ (Emery cloth ) দিয়ে পরিষ্কার করা যায়। প্রয়োজনবোধে অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড নিয়ে সোল্ডারিং আয়রন পরিষ্কার করা হয়।
- পরিষ্কার সোল্ডারিং আমরনকে উত্তপ্ত করতে হবে।
- সোল্ডারিং আরয়নকে উত্তপ্ত করার জন্য ব্লো টর্চ বা গ্যাসের অগ্নিশিখার উপর সোফারিং আরয়ন টিপ স্থাপন করতে হবে।
- যদি সোল্ডারিং আয়রন বিদ্যুতাদিত হয়, তবে বৈদ্যুতিক শক্তি দিয়ে উত্তপ্ত করতে হবে।
- শক্ত ও সিলভার সোল্ডারিং-এর জন্য সিলভার সোল্ডার ব্যবহার করতে হবে।
- জোড়া দেওয়ার স্থান এবং সোল্ডারিং আয়রনের সম্মুখভাগ রাক্স দিয়ে অল্প পরিমাণে ভিজিয়ে দিতে হবে ।
- সোল্ডারিং আয়রন টিলের উপর সোচ্চার গলিয়ে ঘোড়ার প্রয়োগ করতে হবে।
- সোচ্চার আয়রন ধীরে ধীরে সোল্ডারিং পরেন্ট সরিয়ে সকল স্থানে দিতে হবে যেন সোল্ডারিং পরেন্ট যাতে সোচ্চারের গলনাঙ্ক তাপমাত্রায় আসে ।
চিত্রঃ ব্যব ৪/৩ সোল্ডারিং প্রক্রিয়া
- সোল্ডারিং করার পর এর বিড (Bead) চওড়া ও উচ্চতা সমান হলো কিনা দেখতে হবে ।
- ফাটল আছে কিনা পরীক্ষা করতে হবে। প্রয়োজনে হাতুড়ি দিয়ে হালকাভাবে আঘাত করে পরীক্ষা করতে হবে।
- শব্দ পরীক্ষা দিয়েও টেস্ট (Test) করা যেতে পারে ।
- সোল্ডারিং বলতে কী বোঝায় ?
- হার্ড সোল্ডারে (Hard Solder) তামা ও দস্তার ভাগ কত?
- সোল্ডারিং আয়রনের কাজ কী?
- ১.৫মি মি পুরু এবং ৭০ মি মিx ২০০ মিমি দুই খণ্ড কপারশিটের ল্যাপ (lap) জোড়া তৈরি করার জন্যে নিতে হবে ।
- ব্রাশ ও এম্যারি পেপার দ্বারা জবটি ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিতে হবে ।
রেজিস্ট্যান্স ওয়েল্ডিং-এর যে পদ্ধতিতে কাজের উপর দুইটি পয়েন্টেড (Pointed) বা ডোমড (Domed) ইলেকট্রোড কর্তৃক প্রদত্ত চাপের পর বৈদ্যুতিক প্রবাহ চালনার ফলে সৃষ্ট রেজিস্ট্যান্স হতে তাপের সাহায্যে ওয়েল্ড বা কোলেসিন (Coalascene) তৈরি করে ওয়েল্ডিং করা হয় তাকে স্পর্ট ওয়েল্ডিং বলে। এটি রেজিস্ট্যান্স ওয়েল্ডিং-এর একটি শাখা।
সাধারণত ০.২৫ মিমি - ১৩ মিমি পুরু ধাতব পাতকে ল্যাপ জয়েন্ট করতে এই পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে ৬ মিমি পুরু পাতের ক্ষেত্রে ইহা বেশি ব্যবহৃত হয় এবং সর্বোচ্চ ৭৬ মিমি পুরু পাতকে ওয়েল্ডিং করা যায়। তামার পাতের ক্ষেত্রে অবশ্য ১ মিমি এর কম পুরু পাতকে এই পদ্ধতিতে ওয়েন্ডিং করা কষ্টকর ।
সময় ও কার্যবস্তুর বিবেচনায় স্পর্ট ওয়েন্ডিং প্রক্রিয়া তিনটি স্তরে সম্পন্ন হয় । যেমন-
১। স্কুইজ টাইম (Squeeze Time )
২। ওয়েল্ড টাইম (Weld Time )
৩। হোল্ড টাইম (Hold Time)
এই তিনটি স্তরে সম্পন্ন অপারেশন-এর পূর্বে অবশ্যই ওয়ার্কপিসের মরিচা, অপদ্রব্য বা কেমিক্যালসহ অন্যান্য তেল মুক্ত করে নিতে হয়
১। স্কুইজ টাইম (Squeeze Time ) : বিদ্যুৎ সরবরাহের পূর্বে ইলেকট্রোডকে ওয়ার্কপিসের সংস্পর্শে আনার সময়কে স্কুইজ টাইম বলে ।
২। ওয়েল্ড টাইম (Weld Time ) : বিদ্যুৎ সরবরাহের সময়কে ওয়েল্ড টাইম (Weld Time) বলে ।
৩। হোল্ড টাইম (Hold Time ) যে সময়ের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকে অথচ ওয়ার্কপিসের উপর চাপ প্রদান অব্যাহত থাকে তাকে হোল্ড টাইম (Hold Time) বলে।
- ১.৫ মিমি পুরু এবং ৭০ মিমি x ২০০ মিমি দুই খণ্ড কপারশিটের ল্যাপ (lap) জোড়া তৈরি করার জন্যে নিতে হবে ।
- ব্রাশ ও এম্যারি পেপার দ্বারা জবটি ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিতে হবে ।
ব্রেজিং এর জন্য সঠিক নজল নির্বাচন করতে হবে (চার্ট থেকে)
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- বিভিন্ন ধাতু ব্রেজিং করার জন্য ব্রেজিং ফ্লাক্স কৌটাতে পাওয়া যায়। বেছে নাও ।
- ফ্লাক্সকে ডিস্টিল ওয়াটারের সাথে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করতে হবে এবং ব্রেজিং করার পূর্বে ব্রাশ দ্বারা কার্যস্থানে লাগাতে হবে।
- অক্সিজেন সিলিন্ডারের অ্যাডজাস্টিং হ্যান্ডেল ঘুরিয়ে কার্যচাপ ২-৩ পিএসআইতে অ্যাডজাস্ট কর ।
- অ্যাসিটিলিন সিলিন্ডারের অ্যাডজাষ্টিং হ্যান্ডেল ঘুরিয়ে কার্যচাপ ২-৩ পিএসআইতে অ্যাডজাস্ট করতে হবে।
- ব্লো-পাইপ নজলকে বৃত্তাকারে ঘুরিয়ে জোড়া স্থানে তাপ প্রয়োগ করতে হবে ।
- ওয়ার্কপিস ঠিক ব্রেজিং টেম্পারেচারে পৌছাবার সাথে সাথে ফিলার রড প্রয়োগ করে সম্পন্ন কর ।
- ব্রেজিং করার পর শতকরা পাঁচ ভাগ কস্টিক সোডাযুক্ত দ্রবণের মধ্যে ডুবালে, জবের ওপর থেকে লেগে থাকা ফ্রান্স সহজে দূর হয়ে যায় ।
চিত্র : ব্যব: ৫/২ ল্যাপ জোড়
- সমবিত্ত হলো কিনা দেখতে হবে
- জোড়টি রো-হোল ও পোরোসিটি মুক্ত কিনা দেখতে হবে ।
- সঠিক গলন হয়েছে কিনা দেখতে হবে।
১. কপার ব্রেজিং করতে কোন প্রকার গ্যাস শিখা ব্যবহার করা হয়?
২. কপারকে ব্রেজিং করতে কি ফিলার মেটাল ব্যবহার করা হয়?
৩. ব্রেজিং এর সময় ফ্লাক্স ব্যবহার করা হয় কেন?
গ্যাস ওয়েন্ডিং যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামসমূহ : অক্সিজেন সিলিন্ডার, ট্রলি, অক্সিজেন রেওরেটর, অক্সিজেন হোজ পাইপ, অ্যাসিটিলিন হোজ পাইপ, অ্যাসিটিলিন সিলিন্ডার পাইপ, অ্যাসিটিলিন সিলিন্ডার টিপ, স্লাইড রেঞ্জ, সিলিন্ডার ইত্যাদি ।
চিত্র: ব্যব ৬/১ সহজে স্থানান্তরের জন্য অক্সিজেন ও অ্যাসিটিলিন সিলিন্ডার স্থাপন
অক্সিজেন সিলিন্ডার
- সিলিন্ডারটির ব্যাস অ্যাসিটিলিন সিলিন্ডারের তুলনায় কম এবং একটু লম্বা হয়।
- এই সিলিন্ডারটির গায়ের রং কালো অথবা সবুজ থাকে।
- সিলিন্ডারের সংযোগগুলোতে ডানহাতি প্যাঁচ বা রাইট হ্যান্ড থ্রেড থাকে ।
- হোজ পাইপের রং কালো/সবুজ।
- রেগুলেটরের চাপ অনেক বেশি, এর রং কালো/সবুজ/নীল।
- নিশ্চিত হতে হবে, এই সিন্ডিারটি অক্সিজেন সিলিন্ডার ।
অ্যাসিটিলিন সিলিন্ডার
- অক্সিজেন সিলিন্ডারটির চেয়ে এটি মোটা ও খাটো হয়ে থাকে ।
- সিলিন্ডারটির রং মেরুন অথবা লাল হয়ে থাকে।
- সিলিন্ডারটির সংযোগগুলো বামহাতি বা লেফট হ্যান্ড থ্রেড থাকে ।
- হোজ পাইপের রং লাল / মেরুন ।
- রেগুলেটরের চাপ নির্দেশক খাঁজ কাটা অনেক কম এবং রং লাল/ মেরুন।
- নিশ্চিত হতে হবে, এই সিলিন্ডারটি অ্যাসিটিলিন সিলিন্ডার ।
- সিলিন্ডার তালুভটি কাপড় বা ছুট দিয়ে সুন্দরভাবে পরিষ্কার করতে হবে।
- সিলিন্ডার ভালভ সবর্দা তেল ও গ্রিল জাতীয় পদার্থমুক্ত রাখতে হবে।
চিত্রঃ ব্যব ৯/২ গিলিডার আলু বহু ও খোলার কৌশল
- সিলিন্ডার ভাতটি খুব অল্প সময়ের জন্য খুলতে এবং বন্ধ করতে হবে।
- সিলিন্ডার দুটি ট্রলির সাথে বা অন্য কিছুর সাথে শিকল বেঁধে রাখতে হবে।
- সোজাভাবে সিলিন্ডার-এর মাথার রেডরেটর সেটটি বসাতে হয়।
- অক্সিজেন রেফরেটর ডানহাতি প্যাঁচে এবং অ্যাসিটিলিন রেখরেটর বামহাতি প্যাচে লাগাতে হবে।
- অক্সিজেন রেঞ্চরেটরের রং সবুজ /কালো/নীল
- অ্যাসিটিলিন রেওরেটরের রং লাল/মেরুন ।
- হাত দিয়ে টাইট দিতে হবে।
- পরে সঠিক মাপের স্প্যানার দিয়ে টাইট দিতে হবে।
চিত্র: ব্যব ৬/৬ সিলিন্ডারের রেখরেটর সংযোগকরণ
- হোজ পাইপগুলোর রং লক্ষ্য করতে হবে ।
- হোজ পাইপের রং কালো/সবুজ।
- রেগুলেটরের চাপ অনেক বেশি, এর রং কালো/ সবুজ/নীল।
- হোজ পাইপের রং লাল / মেরুন ।
- রেগুলেটরের চাপ নির্দেশক খাঁজ কাটা অনেক কম এবং রং লাল / মেরুন ।
- সিলিন্ডারের সাথে মিলিয়ে এগুলোকে সংযুক্ত করতে হবে।
- প্রথমে রেগুলেটর আউটপুটের সাথে নিপল (Nipple) টাইট করে লাগানোর পর হোজ পাইপের শাখ নিপলের মধ্যে সেট করে নিপল ক্লিপ দিয়ে আটকাতে হবে।
- একইভাবে রো পাইপের ক্ষেত্রেও করতে হবে।
- মাল্টি-পারপাস সিলিন্ডার 'কি' (Key) ব্যবহার করে উত্তমরূপে টাইট দিতে হবে ।
- ব্লো পাইপের নবগুলোর রং লক্ষ্য করতে হবে, হোজ পাইপের রং মিলিয়ে হোজ সংযোজন করতে হবে এবং টাইট দিতে হবে।
চিত্র : ব্যব: ৬/৪ ওয়েল্ডিং টর্চের সাথে অক্সিজেন ও অ্যাসিটিলিন হোজ পাইপ সংযোগ
চিত্র : ব্যব: ৬/৫ ওয়েল্ডিং টর্চে অক্সিজেন ও অ্যাসিটিলিন গ্যাস নিয়ন্ত্রণ কৌশল
- একে নজল বা টিপও বলা হয়।
- প্রথমে হাতে টাইট দিতে হবে, এরপর অ্যাডজাস্টেবল রেঞ্জ-এর সাহয্যে ভালোভাবে টাইট দিতে হবে।
- একটি পাত্রে কিছু সাবান পানি নিতে হবে ।
- একটি নরম পেইন্ট ব্রাশ নিতে হবে ।
- রো পাইপ বা টর্চের দুটি নব বন্ধ করতে হবে।
- অক্সিজেন সিলিন্ডার ভালভ খুলে প্রেসার গেজে ১৫ পাউন্ড / বর্গ ইঞ্চি (15 psi) চাপ সেট করতে হবে ।
- ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।
- যদি চাপ কমে, তবে নিশ্চিত হতে হবে লাইনে লিক আছে ।
- চাপ কমলে বিভিন্ন সংযোগ স্থানে ব্রাশ করে সাবান পানি দিলে বুদবুদ উঠলে বোঝা যাবে লিকেজ ।
- একই ভাবে এবার অক্সিজেন রেগুলেটরের ভালভ বন্ধ করে অ্যাসিটিলিন সিলিন্ডারের ক্ষেত্রেও একই টেস্ট করে লিকেজ নিশ্চিত হতে হবে।
- রেগুলেটর এবং হোজের সংযোগস্থলে।
- ব্লো পাইপের সংযোগস্থলে
- সিলিন্ডার ভালভ-এর গোড়ায় ।
এই সমস্ত স্থানে সাবান পানি দিয়ে লক্ষ্য করতে হবে বুদবুদ উঠে কি না। বুদবুদ উঠলে বোঝা যাবে সেখানে লিকেজ আছে। সুতরাং টাইট দিয়ে লিক বন্ধ করতে হবে। অনুরূপকভাবে অ্যাসিটিলিন সিলিন্ডারের পুরো লাইন পরীক্ষা করতে হবে।
- সংযোগগুলো টাইট দিয়ে যদি লিক বন্ধ না হয়, তবে সংযোগ স্থানগুলো খুলে পরীক্ষা করতে হবে এবং পুনরায় নতুন করে সংযোগ দিতে হবে।
- যত্নের সাতে ময়লা পরিষ্কার করে আবার পূর্বের পরীক্ষা চালিয়ে নিশ্চিত হতে হবে যে, আর কোথায় লিক নেই ।
- যদি সংযোগস্থল ছাড়া হোজ পাইপের বিভিন্ন স্থানে লিক থাকে তবে হোজ পাইপ পরিবর্তন করে নতুন হোজ পাইপ সংযোগ দিতে হবে।
সিলিন্ডার ভালভ্ খোলা
- ব্লো পাইপের অক্সিজেন এবং অ্যাসিটিলিন নিডল ভালভ বন্ধ রাখতে হবে।
- আস্তে আস্তে অক্সিজেন সিলিন্ডার ভালভ খুলতে হবে।
- অনুরূপভাবে অ্যাসিটিলিন সিলিন্ডার ভালভ খুলতে হবে।
রেগুলেটর-এর আউটলেট ভালভ্ খোলা
- ব্রেজলেটর-এর আউটলেট ভালভ খুলে কালের জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে ।
ব্লো গাইল শ্যাঙ্কের ভালভ্ খোলা
- আক্সিজেন নিভল ভালভ্ বন্ধ রেখে অ্যাসিটিলিন নিল প্রায় এক-চতুর্থাংশ পরিমাণ বাম দিকে প্যাঁচ দিয়ে খুলতে হবে। (এই নিল ভাত-এর মাধার লাল রং করা থাকে)
- এর সময় অ্যাসিটিলিন গ্যাস বেরিয়ে যেতে দিতে হবে, এতে ব্লো পাইপের ভিতর পূর্বের যে সকল গ্যাস ছিল সেগুলো বেরিয়ে যাবে এবং ব্যাক ফায়ারের আশা কমে যাবে।
- ব্লো পাইপের অ্যাসিটিলিন সামান্য পরিমাণ অ্যাসিটিলিন প্যান বের হওয়া মাত্র ফ্রিকশন লাইটার নাম হাতে ট্রিগার টিপে নজেলের মুখে শিখা তৈরি করতে হবে।
- কালো ধোঁয়া বের হলে অ্যাসিটিলিন নজ ঘুরিয়ে এমন অবস্থানে আনতে হবে যেন কালো ধোঁয়া বের হওয়া ন হয়।
- অক্সিজেন ভালভ্ খুলে ধীরে ধীরে অক্সিজেনের পরিমাণ বাড়াতে হবে ।
- শিখার হলুদ রঙের পরিবর্তন হয়ে হালকা নীল রং হবে ।
- সজলের ঠিক মুখে শিশার ভিতর উজ্জ্বল একটি ছোট ইনার কোশ (Inner Cone) সৃষ্টি হবে।
- পিবার (Flame) শত পঞ্চ শব্দ দূর হয়ে মৃদু শব্দ হবে ।
- এই শিখাটি নিউট্রাল শিথা। এর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৩২৬০ নেস্টি।
- অধিকাংশ থাকুর ওয়েন্ডিং কাজে এই শিখা ব্যবহৃত হয়, যেমন- মাইক স্টিল, রট আয়রন, অ্যালুমিনিয়াম ইত্যাদি।
- এই শিখার তাপমাত্রা কিছুটা কম, সর্বোচ্চ মান প্রায় ৩০৩৪° সেন্টিগ্রেড ।
- কোনো জবের উপরের পৃষ্ঠ শক্ত করার কাজ ছাড়াও অ্যালুমিনিয়াম এবং মোনেল মেটাল ওয়েল্ডিং করতে এই শিখা ব্যবহার করা যায় ।
ফ্লেম সংরক্ষণ :
প্রয়োজনীয় ফ্লেম তৈরির পর এটা সংরক্ষণ করতে হবে যতক্ষণ ওয়েল্ডিং সম্পন্ন না হয় । ফ্রেমে অক্সিজেন ও অ্যাসিটিলিনের অনুপাত স্থির রেখে ফ্রেম সংরক্ষণ করতে হবে।
- প্রথমে অ্যাসিটিলিন নিডল ভালভ বন্ধ করতে হবে।
- পরে অক্সিজেন নিডল বন্ধ করতে হবে।
- প্রথমে অক্সিজেন নিডল ভালভ বন্ধ করলে প্রচুর কালি বা ধোঁয়া বের হবে এবং টিপ অপরিষ্কার হবে। স্বল্প সময়ের কাজের জন্য বিরতির ক্ষেত্রে এরূপভাবে ব্রো পাইপ নিভিয়ে রাখলেই চলবে, কিন্তু দীর্ঘ সময়ের জন্য হলে সিলিন্ডার ভালভ বন্ধ করে রেগুলেটরের প্রেসার রিলিজ করে রাখতে হবে।
১) গ্যাস ওয়েল্ডিং যন্ত্রপাতির নাম লেখ ।
২) হোজ পাইপের কাজ লেখ।
৩) রেগুলেটরের কাজ লেখ।
৪) গ্যাস ওয়েল্ডিং ফ্রেম বলঞ্চে ক বোঝায়?
৫) তিনটি ফ্লেমের তাপমাত্রা লেখ ।
৬) ফ্রিকশন লাইটারের দ্বারা কেন গ্যাস প্রজ্জ্বলন করা হয়?
- ২ মিলিমিটার পুরু এবং ৭৫ মিলিমিটার x ১৫০ মিলিমিটার মাপের আইও স্টিল শিট নিতে হবে ।
- ওয়ার্কপিসের উপর হতে তেল গ্রিজ জাতীয় পদার্থ তারের ব্রাশ দিয়ে খুব ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে
- ধাতুর পুরুত্বের প্রতি লক্ষ্য রেখে টেবিল অনুসারে নজল নির্বাচন করতে হবে। নজল সাইজ ২ হবে । টিপের সাইজ বা আকার এর প্রান্তের সূক্ষ্ম ছিদ্রের ব্যাস দ্বারা নির্দেশ করা হয় এবং তা সংখ্যা দ্বারা চিহ্নিত করা হয় ।
- ওয়েল্ডিং টর্চ দ্বারা কাজ করার সময় নিম্নবর্ণিত বিঘ্নসমূহ সৃষ্টি হতে পারে। এই সমস্ত বিঘ্ন যাতে না ঘটে তার জন্য প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
- ব্যাক ফায়ার (Back fire) ওয়েল্ডিং করার সময় হঠাৎ করে শিখা নিভে গিয়ে টিপের মাথায় তীব্রভাবে চিঁ চিঁ ও পত পত শব্দ হতে থাকে। এটাই ব্যাক ফায়ার ।
- ফ্লাশ ব্যাক (Flash Back) : এই অবস্থায় টিপ হতে শিখা নিভে গিয়ে টর্চের ভেতর পশ্চাৎগমন করে এবং তীব্র হিচিং বা চিঁ চিঁ শব্দসহকারে টিপ দিয়ে কালো ধোঁয়া নির্গত হতে থাকে এবং অক্সিজেন সহযোগে জ্বলতে থাকে। এই অবস্থায় প্যাসপ্রবাহ বন্ধ করে দিতে হবে।
- সাসটেইন ব্যাক ফায়ার (Sustain back fire) : শিখা প্রজ্জ্বলিত থেকে টর্চের নেকে (Neck) বা টর্চের ভেতরে প্রবেশ করে নজলের ছিদ্র হতে ছোট শাখা শিখা বের হয় এবং ফট ফট কিংবা চিঁ চিঁ শব্দ করে নজলের ভেতরে ছোট ছোট অনেক বিস্ফোরণ হতে থাকে। এই অবস্থাকেই সাসটেইন ব্যাক ফায়ার বলে।
- টেবিল অনুসারে গ্যাসের চাপ নির্বাচন করতে হবে। অবশ্য নজল সাইজ পরিবর্তন হলে গ্যাসের চাপও পরিবর্তিত হবে। ধাতুর পুরুত্বের উপর নজল সাইজ ও গ্যাসের চাপ নির্ধারণ করতে হবে। গ্যাসের প্রেসার অ্যাডজাস্ট কর ০.১৪ কেজি / সে.মি. চাপে ।
- অক্সিজেন ও অ্যাসিটিলিন ভালভ বন্ধ রাখতে হবে।
- অ্যাসিটিলিন ভালভ পুরো না খুলে এক-চতুর্থাংশ খুলতে হবে ।
- অ্যাসিটিলিন গ্যাস অল্প কিছু সময় বের হয়ে যেতে দিতে হবে, এতে ব্লো-পাইপোর ভিতরের পুরাতন গ্যাস মিশ্রণ বের হয়ে যাবে এবং প্রজ্বালনের পর ব্যাক ফায়ারের আশঙ্কা কমে যাবে
- ফ্রিকশন লাইটারের সাহায্যে অ্যাসিটিলিন গ্যাসকে জ্বালাতে হবে। - অ্যাসিটিলিন নবের সাহায্যে অ্যাসিটিলিন পরিমাণ এমনভাবে বাড়াতে হবে যেন কালো ধোঁয়া বা কালি বের না হয়।
অক্সিজেন ভালভ ধীরে ধীরে খুলতে হবে এবং পরিমাণ বাড়াতে হবে, যখন দেখা যাবে নজলের সামনে সুন্দর উজ্জ্বল ইনার কোণ দেখা দিয়েছে এবং শিখা হিস হিস বা পত পত শব্দ না করে নরম শব্দ করছে, তখন নাড়াচাড়া বন্ধ করতে হবে এবং নিউট্রিাল ফ্রেম তৈরি করতে হবে ।
- চিত্র অনুযায়ী রো-পাইপকে জবের সাথে ৪৫° হতে ৬০° কোণে ধরতে হবে।
- ইনার কোণ মূল ধাতু হতে ২-৩ মিলিমিটার উপরে রাখতে হবে।
- মূল ধাতু গলনের জন্য অল্প সময় রো-পাইপ ও ফিলার মেটার এক স্থানে রাখতে হবে ।
- যখনই দেখা যাবে মূল ধাতুর গলন শুরু হয়েছে, তখন বুনন কৌশল টর্চকে সমগতিতে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে এবং বিড তৈরি করতে হবে।
চিত্র : ব্যব: ৬/৯ ওয়েল্ডিং বিড তৈরিতে গলিত মেটালের বুনন কৌশল
- বিড-এ স্লাপ প্রবেশ করেছে কি না।
- বিডের চওড়া সকল স্থান সমান হয়েছে কিনা ।
- বিড দেখতে সুন্দর হয়েছে কি না।
- আন্ডারকাট মুক্ত কি না ।
- ওভার ল্যাম্প যুক্ত কি না? বিষয়গুলো পরীক্ষা করে দেখতে হবে।
১. একক সোজা বিড বলতে কী বোঝায়?
২. সোজা বিড তৈরি করতে ব্লো-পাইপকে জবের সাথে কত ডিগ্রি কোণে ধরতে হবে ?
৩. গ্যাস ওয়েল্ডিং-এর সময় শিখার ইনার কোণ জব থেকে কতটুকু উপরে রাখতে হবে?
Read more