যে সকল প্রাপ্তি অনিয়মিত, টাকার পরিমাণ বড় এবং এক বছরের অধিক সময় সুবিধা ভোগ করা যায়, তাই মূলধন জাতীয় প্রাপ্তি। ব্যবসায়ে মূলধন আনয়ন, ব্যাংক হতে ঋণ গ্রহণ, স্থায়ী সম্পদ (আসবাবপত্র, জমি, যন্ত্রপাতি ইত্যাদি) বিক্রয় প্রভৃতি মূলধন জাতীয় প্রাপ্তির উদাহরণ। মূলধন জাতীয় প্রাপ্তি ও মূলধন জাতীয় আয় একরূপ মনে হলেও কিছুটা পার্থক্য বিদ্যমান। মূলধন জাতীয় আয় মূলধন জাতীয় প্রাপ্তিরই একটি অংশ।
মূলধন জাতীয় আয়ও প্রতিবছর হয় না এবং উদাহরণও খুব বেশি নেই। কোনো যন্ত্রপাতি কয়েক বছর ব্যবহারের পর যদি বিক্রয় করা হয়, সেখান থেকে কিছু আয় হতে পারে। ধরা যাক একটি পুরাতন যন্ত্রপাতি বিক্রয় হলো ৮০,০০০ টাকা এবং এর ব্যবহার পরবর্তী বর্তমান মূল্য ৬৫,০০০ টাকা। এখানে মূলধনী আয় হয়েছে ১৫,০০০ টাকা (৮০,০০০–৬৫,০০০) লক্ষ রাখতে হবে যে মূলধন জাতীয় প্রাপ্তি ৮০,০০০ টাকার সবটুকুই মূলধন জাতীয় আয় নয় ৷
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
জনাব ফাহিম ৩,০০,০০০ টাকা মূল্যের একটি গাড়ি ক্রয় এবং শুল্ক বাবদ ৫০,০০০ টাকা পরিশোধ করেন। হঠাৎ টাকার প্রয়োজন হওয়ায় তিনি গাড়িটি ৩,৮০,০০০ টাকায় বিক্রয় করেন।
আসিফ ট্রেডাস ১ জানুয়ারি ২০২৩ তারিখে নগদ ২,০০,০০০ টাকা ও ১,০০,০০০ টাকার আসবাবপত্র নিয়ে ব্যবসায় শুরু করেন। জানুয়ারি ১৫ তারিখ ৫০,০০০ টাকার পণ্য ধারে ক্রয় করেন। জানুয়ারি ২৫ তারিখ ২০,০০০ টাকার ক্রয়কৃত পণ্য ফেরত প্রদান করেন।
জনাব সুমন তার ব্যবসায়ের জন্য ১,৫০,০০০ টাকা দিয়ে জমি ক্রয় করেন এবং ডামির রেজিস্ট্রেশন বাবদ ২০,০০০ টাকা ব্যয় করেন। এ ছাড়াও জমির রক্ষণাবেক্ষণ বাবদ ৩০,০০০ টাকা ব্যয় করন।
Read more