একবার ভেবে দেখতো- মানুষ এবং মেশিনের কাজের মধ্যে পার্থক্যটা কোথায়? মানুষ তার কাজ করার সময় নানারকম চিন্তা ভাবনা করে; মেশিন কিন্তু তা করে না। মেশিন শুধু কাজ করে যায়। মানুষ চিন্তা করতে পারে, ভাবতে পারে আর তার সে ভাবনাচিন্তাকে বাস্তবে রূপ দিতেও পারে। পাখির আকাশে ওড়া দেখে মানুষের মনে আকাশে ওড়ার ইচ্ছা তৈরি হয়েছে। তাই মানুষ তার মেধা খাটিয়ে মেধাশ্রম ও কায়িক শ্রম দিয়ে তৈরি করেছে উড়োজাহাজ।

মানুষ তার মেধাশ্রম দিয়েই এত রকম জিনিসপত্র তৈরি করেছে, ফলে জীবন আরামদায়ক হয়েছে। আমরা যদি মেধাশ্রম না দিতাম তাহলে হয়ত মানবসভ্যতা এভাবে দিনে দিনে উন্নত হতে পারত না। কীভাবে ঘর বানাতে হয় তা হয়ত আমাদের আজও অজানাই থেকে যেত; আমরা হয়ত আজও পাহাড়ের গুহায় বাস করতাম। আবিষ্কারকগণ মেধাশ্রম না দিলে আমরা বিদ্যুৎ বাতিও পেতাম না: পেতাম না মোবাইল টেলিফোন, টেলিভিশন এমনকি বাইসাইকেল। মেধাশ্রম না দিলে আমরা এমনকি চাকার ব্যবহারও শিখতে পারতাম না। আসলে মেধাশ্রম ছাড়া জীবন অচল। তবে মাথায় রাখতে হবে, মেধাশ্রম যেন মানব বিধ্বংসী কাজে ব্যবহার না করা হয়; যেমন- মারণাস্ত্র তৈরি।
| কাজ তুমি প্রতিদিন কী কী করো তার একটি তালিকা তৈরি করে তালিকার কোনগুলি মেধাশ্রম তা চিহ্নিত করো প্রয়োজনে শ্রেণি শিক্ষকের সহায়তা নাও। *একটি শ্রেণি কার্যক্রম বরাদ্দ করতে হবে। |
প্রতিদিন আমরা গল্প পড়ি। আজ আমরা গল্প লিখব। চাইলে কেউ ছড়া বা কবিতাও লিখতে পারি। আবার কেউ যদি চাই ছবিও আঁকতে পারি। তবে যে যাই করি না কেন, করার আগে আমাদের শ্রদ্ধেয় শিক্ষকের অনুমতি নিতে হবে।
দলগত কাজ
নিম্নের ধারণাটি নিয়ে গল্প/কবিতা/ছড়া লিখতে বা ছবি আঁকতে হবে।
বোলপুর গ্রামে হঠাৎ করে গাছ কাটার হিড়িক পড়ে গেল। সবার কী হলো কে জানে- যে যেভাবে পারে, গাছ কাটে। এভাবে কাটতে কাটতে মাঠ-ঘাট-গ্রাম থেকে গাছ প্রায় নিঃশেষ হয়ে গেল। গাছ শুধু প্রকৃতির সম্পদই নয়, গাছ প্রকৃতির অংশ। গাছ না থাকলে প্রকৃতিও ঠিকঠাক থাকে না। বোলপুর গ্রামে বৃষ্টি বন্ধ হয়ে গেলো..........
(এরপর থেকে তোমরা লেখ বা ছবি আঁক, পড়ে উপস্থাপন করো।)
- গল্প/কবিতা/ছড়া লেখা বা ছবি আঁকার জন্য চারটি শ্রেণি কার্যক্রম বরাদ্দ করতে হবে।
|
Read more