‘কবর‘ নাটকটির লেখক-

Updated: 5 months ago
  • সৈয়দ শাসমুল হক
  • কবীর চৌধুরী
  • মুনীর চৌধুরী
  • শওকত ওসমান
3.2k
উত্তরঃ

‘কবর‘ নাটকটির লেখক - মুনীর চৌধুরী

মুনীর চৌধুরীর 'কবর': ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে প্রথম প্রতিবাদী নাটক

১৯৫৩ সালের জানুয়ারি মাস, ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় থাকার অপরাধে রাজবন্দি হিসেবে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারগারে বন্দী ছিলেন মুনীর চৌধুরী। বন্দী জীবনে করার তেমন কিছুই ছিল না, অলস সময়ের বেড়াজাল যেন তাকে ঘিরে ধরছিল। এমনই এক সময়ে ১৭ জানুয়ারি তার কাছে একটি চিঠি এল, প্রেরক ছিলেন আরেক রাজবন্দী রণেশ দাশগুপ্ত। অসাধারণ এক প্রস্তাব ছিল সেই চিঠিতে, প্রথম শহীদ দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে মুনীর চৌধুরীকে একটি নাটক লেখার অনুরোধ করেছিলেন তিনি।

তবে জেলখানায় নাটকটি মঞ্চস্থ করার পরিকল্পনা ছিল, তাই জেলখানার অপ্রতুল ব্যবস্থার মাঝেই নাটকটি মঞ্চস্থ করার ব্যাপারটি সবার আগে সামনে চলে এল। সবকিছু মাথায় রেখেই মুনীর চৌধুরী লিখলেন বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অন্যতম এক কালজয়ী নাটক, নাম দেওয়া হলো ‘কবর’। এ ব্যাপারে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি বলেছিলেন,

জেলখানাতে নাটক রচনার অসুবিধা অবশ্যই ছিল। এ অসুবিধাটুকু সামনে ছিল বলেই তো 'কবর' নাটকটিতে বেশ কিছু নতুনত্ব আনতে হয়েছে। আট - দশটি হারিকেন দিয়ে সাজাতে হবে, সে কারণে অনেকটা বাধ্য হয়েই ‘কবর’ নাটকটিতে আলো - আঁধারি রহস্যময় পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে।

পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১৯৫৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি প্রথম শহীদ দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যেই নাটকটি জেলখানায় সর্বপ্রথম মঞ্চস্থ হয়। জর্জ বার্নাড'শর ব্যঙ্গাত্মক জীবন - জিজ্ঞাসা মুনীর চৌধুরীকে বরাবরই প্রভাবিত করেছে, ‘কবর’ নাটকটিও তার ব্যতিক্রম ছিল না। ভাষা আন্দোলনে বহু মানুষ শহীদ হলেও অল্প ক'জনের পরিচয় আমরা জানতে পেরেছিলাম; কত শত লাশ গুম করা হয়েছিল, তার প্রকৃত হিসাব আজও জানা যায়নি। লাশ গুমের এই ঘৃণ্য রাজনীতিকে উপজীব্য করেই নাটকটির পুরো গল্প এগিয়ে গেছে।

নাটকটির সমগ্র ঘটনাস্থল ছিল গোরস্থান, ভাষা শহীদদের লাশ গুম করার নীলনকশা বাস্তবায়নের জন্য একজন অসৎ নেতা তার দলবল নিয়ে সেখানে এসেছিলেন। নেতার এই নীলনকশা বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানের জন্য ছিলেন ইন্সপেক্টর হাফিজ। নাটকের শুরু থেকেই অসৎ নেতাকে মদ্যপানে ব্যস্ত থাকতে দেখা যায়, সুযোগ পেয়ে লোভী হাফিজও নেতার সাথে যোগ দিয়েছিলেন। বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তানদের শেষ চিহ্নটুকু ধামাচাপা দেওয়ার জন্য নানা ধরনের পরিকল্পনা করতে থাকেন তারা।

সবকিছু যখন পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোচ্ছিল, তখুনি মুর্দা ফকির নামক এক চরিত্রের আগমন ঘটে, আধপাগল এই মানুষটি যেন সমাজের বিবেক হিসেবে আবির্ভূত হন। লাশগুলো এখনো জীবিত আর তাদের কবর থেকে উঠিয়ে তিনি মিছিল করবেন– এমন অদ্ভুত একটি কথা বলে তাদের ভড়কে দেন মুর্দা ফকির। এরপর কিছু অস্বাভাবিক ঘটনার আবর্তনে এগিয়ে গেছে সম্পূর্ণ গল্প।

একটি নাটক সার্থক করার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান থাকে নাটকের বিভিন্ন চরিত্রের। চরিত্রগুলো যত শক্তিশালী হবে, নাটকের বুনিয়াদ তত মজবুত হবে। 'কবর' নাটকটিও তার ব্যতিক্রম ছিল না, তিনটি কেন্দ্রীয় চরিত্র পুরোটা সময় দারুণভাবে নাটকটির গল্প টেনে নিয়ে গেছে।

নেতা

একজন আগাগোড়া অসৎ মানুষ, ক্ষমতার লোভে অন্ধ হয়ে ভাষা আন্দোলনের মতো মহান এক ঘটনাকে ‘সামান্য গণ্ডগোল’ হিসেবে চালিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে গেছেন। তার ভাষ্যমতে, ভাষা শহীদেরা ছিলেন অবাধ্য দুষ্টু ছেলে, অবাধ্যতার শাস্তি হিসেবে তাদের ওপর গুলিবর্ষণ চলেছিল! পুরোটা সময় জুড়ে মদ্যপানে ব্যস্ত থাকাটা তার চারিত্রিক দোষের দিকেই ইঙ্গিত প্রদান করে। তাছাড়া সমাজের অন্যান্য অসৎ নেতাকর্মীর নানা আচরণ 'কবর' নাটকের নেতার মাঝেও ফুটে উঠেছিল। বুকে সাহস না থাকলেও সবধরনের পরিস্থিতিতে ফাঁকা আওয়াজ ছাড়ার প্রবণতা ছিল নেতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।

মানুষ হিসেবে তাকে বেশ হঠকারী মনে হয়েছে, সবধরনের পরিস্থিতিতে শুধু গুলি চালানোর কথা বলাটা মোটেও বিচক্ষণতার প্রমাণ দেয়নি। তবে নাটকের একদম শেষদিকে মুর্দা ফকিরকে কিছুদিনের জন্য তাদের সাথে নিয়ে যাওয়ার কথাটা অবশ্য তার দূরদর্শী মনোভাবের পরিচয় দিয়েছে। বাংলার যেসব অসৎ নেতার কর্মকাণ্ডের জন্য পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর শোষণের জালে আমরা বন্দী ছিলাম, তাদেরই একজন প্রতিনিধি হিসেবে নেতা চরিত্রটি দারুণভাবে উপস্থাপন করা হয়েছিল।

হাফিজ

হাফিজ ছিলেন একজন চাটুকার পুলিশ কর্মকর্তা, নাটকের সিংহভাগ সময় জুড়ে তাকে নেতার চামচামি করতে দেখা গেছে। আদর্শ বিবর্জিত এই মানুষটি নিজের সুবিধার জন্য যেকোনো কিছু করতে তৈরি ছিলেন। মানুষ হিসেবে তিনি ছিলেন অত্যন্ত ধূর্ত, নানা কঠিন পরিস্থিতিতে নেতা হঠকারী আচরণ করলেও হাফিজকে পুরো নাটকেই দূরদর্শী হিসেবে দেখা গেছে।

বিশেষ করে মুর্দা ফকিরের আগমনের পর যে আধিভৌতিক পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছিল, তা দেখে পর্যুদস্ত না হয়ে হাফিজ যেভাবে সবকিছু সামলানোর চেষ্টা করে গেছেন, সেটা তার চারিত্রিক বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়েছে। তবে তার সকল বুদ্ধি অপাত্রে কাজে লাগায় দিনশেষে মানুষ হিসেবে একজন মেরুদণ্ডহীন কাপুরুষ হিসেবেই তিনি বিবেচিত হবেন।

মুর্দা ফকির

পুরো নাটকটিকে অন্য উচ্চতায় নেওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় অবদান রেখেছেন মুর্দা ফকির। তেতাল্লিশের দুর্ভিক্ষে নিজের চোখের সামনে সমস্ত আপনজনকে মারা যেতে দেখেছেন, মানুষগুলোকে কবর দেওয়ার সামর্থ্যও তার ছিল না। সেই থেকে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে গোরস্থানের স্থায়ী বাসিন্দা হয়ে যান তিনি, নাম হয় মুর্দা ফকির। আচমকা 'ঝুঁটা' বলার মাধ্যমে দৃশ্যপটে তার নাটকীয় আগমন ঘটে।

আগমনের পর থেকেই নানা ধরনের কথা বলতে থাকেন তিনি, যা আপাতদৃষ্টিতে পাগলের প্রলাপ বলেই মনে হবে। কিন্তু একটু ভাবলে তার প্রতিটি সংলাপের গভীরতা উপলব্ধি করা যায়। তার মতে, মাটিচাপা দেওয়া লাশগুলোর দেহে এখনো প্রাণ আছে, হাফিজ আর নেতাকেই তিনি মৃত বলে অভিহিত করেন। এই কথার মধ্য দিয়েই নাটকটির সারসত্য প্রকাশিত হয়েছে। ভাষা শহীদদের তো মৃত্যু হয়নি, ইতিহাসের পাতায় তারা সর্বদা উজ্জ্বল হয়ে থাকবেন। ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের আশায় যারা সেদিন নিজেদের বিবেক বিসর্জন দিয়েছিল, মৃত্যু আসলে তাদেরই হয়েছিল। তারা নিক্ষিপ্ত হয়েছে ইতিহাসের আস্তাকুঁড়েতে।

১৯৩৬ সালে রচিত মার্কিন নাট্যকার আর উইন শ’র 'বেরি দ্য ডেড' এর প্রভাব রয়েছে ‘কবর’ নাটকে। নাট্যকার মুনীর চৌধুরী নিজেও তা স্বীকার করেছেন। কবরে যেতে অস্বীকার করার ব্যাপারে দুই নাটকের মাঝেই মিল রয়েছে, তবে তা কেবলমাত্র ভাবগত ঐক্যের মিল। মুনীর চৌধুরী তার নিজস্ব স্বকীয়তায় নাটকটির বুনিয়াদ যেভাবে গড়ে তুলেছিলেন, তা এক কথায় অসাধারণ। তাছাড়া ‘বেরি দ্য ডেড’ নাটকে মৃত সৈনিকদের বিদ্রোহকে সত্য বলে তুলে ধরে কিছুটা আধিভৌতিক ঘটনা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটা প্রতিবাদী ভাব তুলে ধরে হয়েছিল।

অসহসাহসী লেখক মুনীর চৌধুরী; Image Source: samakal

কিন্তু ‘কবর’ নাটকে নেতা ও হাফিজের মাতাল অবস্থায় অপ্রকৃতিস্থ দেখানো হয়, ফলে শহীদদের কবরে যেতে অস্বীকার করার দৃশ্যটির যৌক্তিক কারণ হিসেবে নেতা ও হাফিজের বিভ্রমকে প্রতিষ্ঠা করা যায়। এই মিল থাকার প্রসঙ্গে বিশিষ্ট নাট্যকার মমতাজ উদদীন আহমদ বলেন,

এই সামান্য ভারসাম্যটির জন্য 'কবর'কে অনুসারী নাটক বলা যাবে না। এমন হলে পৃথিবীর অধিকাংশ শ্রেষ্ঠ নাটককে কাহিনী ভাগের জন্য অনুকৃতির দায় বহন করতে হবে।

সবচেয়ে বড় কথা, ওই সময়ে দাঁড়িয়ে পাকিস্তানী শোষকগোষ্ঠীর দিকে সরাসরি আঙুল তুলে এমন একটি নাটক লেখাটা সত্যিই অনবদ্য নিদর্শন। এটি ছিল পূর্ব বাংলার প্রথম প্রতিবাদী নাটক। সাহসী ভঙ্গিতে এভাবে প্রতিবাদ করতে পারতেন বলেই মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের ঠিক আগমুহূর্তে মুনীর চৌধুরীকে তার বাবার বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে হত্যা করা হয়। তবে একজন মানুষকে মেরে ফেললেই কি তার আদর্শকে মুছে ফেলা যায়?

না, যায় না। আর যায় না বলেই যুগের পর পর ‘কবর’ নাটকটিকে শ্রদ্ধাভরে মানুষ স্মরণ করবে। ভাষা আন্দোলন নিয়ে যত নাটকই হোক, মুনীর চৌধুরীর 'কবর' নাটকটিকে ছাড়িয়ে যাওয়া সম্ভব হবে না।

সুত্রঃ রোর মিডিয়া

মুনীর চৌধুরী (১৯২৫-১৯৭১)

বরেণ্য শিক্ষাবিদ, বুদ্ধিজীবী, অসাধারণ বক্তা, সৃজনশীল নাট্যকার, তীক্ষ্ণধী সমালোচক ও সফল অনুবাদক মুনীর চৌধুরী। সাহিত্য, ধ্বনিতত্ত্বের গবেষণা ও তুলনামূলক সমালোচনায় তিনি রেখে গেছেন অনন্য পাণ্ডিত্য ও উৎকর্ষের ছাপ। তিনি বাংলাদেশের আধুনিক নাটক ও নাট্য আন্দোলনের পথিকৃৎ।

  • মুনীর চৌধুরী ২৭ নভেম্বর, ১৯২৫ সালে মানিকগঞ্জ শহরে জন্মগ্রহণ করেন। পৈতৃক নিবাস- নোয়াখালী জেলার চাটখিল থানার গোপাইরবাগ গ্রামে।
  • পুরো নাম আবু নায়ীম মোহাম্মদ মুনীর চৌধুরী। অধ্যাপক কবীর চৌধুরী তার ভাই এবং ফেরদৌসী মজুমদার তার বোন।
  • ২২ জুন, ১৯৬৭ সালে পাকিস্তান কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য ও বেতারমন্ত্রী খাজা শাহাবুদ্দিন জাতীয় পরিষদে এক বিবৃতিতে রেডিও ও টেলিভিশন থেকে রবীন্দ্রসংগীত প্রচার বন্ধের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করলে সে সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জ্ঞাপন করেন।
  • ১৯৬৮ সালে বাংলা বর্ণমালা সংস্কার পদক্ষেপের বিরোধিতা করেন।
  • তিনি নাটকে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬২), দাউদ পুরস্কার (১৯৬৫) পান। তিনি ১৯৬৬ সালে 'সিতারা-ই-ইমতিয়াজ' খেতাব লাভ করেন। কিন্তু পরবর্তীতে ১৯৭১ এর মার্চ মাসে বঙ্গবন্ধু কর্তৃক আহূত অসহযোগ আন্দোলনের সমর্থনে এ খেতাব বর্জন করেন।
  • ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে মাত্র ৪৬ বছর বয়সে স্বাধীনতাবিরোধী আলবদর বাহিনী তাঁকে ধরে নিয়ে যায় এবং আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।

প্রথম বাংলা টাইপ রাইটার নির্মাণ করেন মুনীর চৌধুরী। এটি 'মুনীর অপটিমা' নামে পরিচিত। ১৯৬৫ সালে এটি উদ্ভাবন করেন।

তাঁর রচিত নাটকগুলোঃ

‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ (১৯৬২): এটি তাঁর রচিত প্রথম নাটক। ১৭৬১ সালের পানিপথের ৩য় যুদ্ধের কাহিনি এর উপজীব্য। নাট্যকার ইতিহাস থেকে এর কাহিনি গ্রহণ করেননি, কায়কোবাদ রচিত ‘মহাশ্মশান’ থেকে এর কাহিনি গ্রহণ করেছেন। এই নাটকটির জন্য তিনি ১৯৬২ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান। চরিত্র: জোহরা, ইব্রাহীম কার্দি।

‘কবর' (১৯৬৬): এটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত। মুনীর চৌধুরী ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করার কারণে ১৯৫২-৫৪ সাল পর্যন্ত কারাভোগ করেন। বামপন্থী লেখক রণেশ দাশগুপ্তের অনুরোধে মুনীর চৌধুরী এ নাটকটি ১৯৫৩ সালের ১৭ জানুয়ারি কারাগারে বন্দী থাকা অবস্থায় রচনা করেন। ১৯৫৩ সালে কারাগারেই ২১ ফেব্রুয়ারি রাত ১০টায় ফণী চক্রবর্তীর নির্দেশনায় রাজবন্দীদের দ্বারা এটি প্রথম মঞ্চায়ন করা হয় কারাভ্যন্তরেই। এটি একুশের পটভূমিতে রচিত প্রথম নাটক। ১৯৫৬ সালে প্রথম প্রকাশ্যে নাটকটি মঞ্চস্থ হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃতি সংসদের একুশ উদযাপন উপলক্ষে । ১৯৫৫ সালের আগস্ট মাসে ‘দৈনিক সংবাদ' পত্রিকার ‘আজাদী সংখ্যায় প্রথম ছাপা হয়। পরবর্তীতে হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত ‘একুশে ফেব্রুয়ারি' সংকলনের দ্বিতীয় সংস্করণে নাটকটি পুনর্মুদ্রিত হয়।

'মানুষ' (১৯৪৭): ১৯৪৬ সালের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার প্রেক্ষাপটে রচিত। নাট্যকার এখানে ধর্মের ঊর্ধ্বে মানবিকতাকে স্থান দিয়েছেন।

‘নষ্ট ছেলে' (১৯৫০): এটি রাজনৈতিক চেতনাসমৃদ্ধ নাটক ।

‘দণ্ডকারণ্য' (১৯৬৬): এতে তিনটি নাটক আছে। যথা: দণ্ড,দণ্ডধর, দণ্ডকারণ্য।

‘রাজার জন্মদিন' (১৯৪৬), 'চিঠি' (১৯৬৬), “পলাশী ব্যারাক ও অন্যান্য' (১৯৬৯)।

তাঁর অনূদিত নাটকগুলো:

‘কেউ কিছু বলতে পারে না' (১৯৬৭): এটি জর্জ বার্নাড শ'র You never can tell এর অনুবাদ ।

‘রূপার কৌটা' (১৯৬৯): এটি গলস ওয়ার্দির The Silver Box থেকে অনূদিত ।

‘মুখরা রমণী বশীকরণ' (১৯৭০): এটি শেক্সপিয়রের Taming of the Shrew এর অনুবাদ ।

তাঁর রচিত প্রবন্ধগুলো:

‘মীর মানস' (১৯৬৫): এর জন্য তিনি ১৯৬৫ সালে দাউদ পুরস্কার লাভ করেন।

‘তুলনামূলক সমালোচনা' (১৯৬৯), ‘বাংলা গদ্যরীতি' (১৯৭০)।’

Related Question

View All
  • রূপক
  • সামাজিক
  • ঐতিহাসিক
  • রম্য
67
  • মীর মশাররফ হোসেন
  • মুনীর চৌধুরী
  • কাজী নজরুল ইসলাম
  • মোতাহের হোসেন চৌধুরী
282
  • মীর মশাররফ হোসেন
  • মুনীর চৌধুরী
  • কাজী নজরুল ইসলাম
  • মোতাহের হোসেন চৌধুরী
72
  • মীর মশাররফ হোসেন
  • মুনীর চৌধুরী
  • কাজী নজরুল ইসলাম
  • মোতাহের হোসেন চৌধুরী
124
  • কাজী নজরুল ইসলাম ও শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
  • শামসুর রাহমান ও জহির রায়হান
  • জসীম উদদীন ও মুনীর চৌধুরী
307
Updated: 4 months ago
  • উপন্যাস
  • নাটক
  • প্রবন্ধ
  • গীতিনাট্য
  • কোনোটিই নয়
223
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews

Question Analytics

মোট উত্তরদাতা

জন

সঠিক
ভুল
উত্তর নেই