বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচনা কোনটি?
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচনা কোনটি?
-
ক
নৌকাডুবি
-
খ
চাঁদের অমাবস্যা
-
গ
বিষবৃক্ষ
-
ঘ
মৃত্যুক্ষুধা
বস্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত সামাজিক উপন্যাস ‘বিষবৃক্ষ (১৮৭৩)। উপন্যাসের কেন্দ্রীয় সমস্যার সঙ্গে বিধবা বিবাহ, পুরুষের একাধিক বিবাহ, তাদের রূপতৃষ্ণা ও নৈতিকতার দ্বন্দ্ব, নারীর আত্মসম্মাল ও অধিকারবোধ প্রভূতি ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। বাংলা উপন্যাসে বিষবৃক্ষের প্রভাব অত্যন্ত গভীর । চরিত্রায়নে, ঘটনা সংস্থানে এবং জীবনের কঠিন সমস্যার রূপায়নে ‘বিষবৃক্ষ’ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচনা হলো 'বিষবৃক্ষ' (১৮৭৩)। উল্লেখ্য, তাঁর রচিত উপন্যাসগুলো হলোঃ
| উপন্যাস | 'দুর্গেশনন্দিনী' (১৮৬৫), 'মৃণালিনী' (১৮৬৯), 'ইন্দিরা' (১৮৭৩), 'রাধারাণী' (১৮৭৪), 'দেবী চৌধুরাণী' (১৮৮৪), 'রাজসিংহ' (১৮৮১), 'কপালকুণ্ডলা' (১৮৬৬), 'রজনী' (১৮৭৭), 'চন্দ্রশেখর' (১৮৭৫), 'যুগলাঙ্গুরীয়' (১৮৭৪), 'আনন্দমঠ' (১৮৮২), 'সীতারাম' (১৮৮৭), 'কৃষ্ণকান্তের উইল' (১৮৭৮)। |
| উপন্যাস | প্রকাশকাল | বিস্তারিত তথ্য |
|---|---|---|
| Rajmohans Wife | ১৮৬৪ | বঙ্কিমচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস। এটি ১৮৬৪ সালে 'Indian Field' নামে একটি সাপ্তাহিক পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। |
| দুর্গেশনন্দিনী | মার্চ, ১৮৬৫ | ঐতিহাসিক উপন্যাস। বঙ্কিমচন্দ্রের প্রথম বাংলা উপন্যাস। রচনাকাল ১৮৬২-৬৪। বঙ্কিমচন্দ্রের জীবিতকালে উপন্যাসের তেরটি সংস্করণ প্রকাশিত হয়। সর্বশেষ সংস্করণ মুদ্রিত হয় ১৮৯৩ সালে। |
| কপালকুণ্ডলা | ১৮৬৬ | কাব্যিক উপন্যাস। বঙ্কিমচন্দ্রের দ্বিতীয় উপন্যাস। মেদিনীপুর জেলার নেগুঁয়া মহকুমায় (বর্তমানে কাঁথি মহকুমা, পূর্ব মেদিনীপুর জেলা) অবস্থানকালে অর্জিত কিছু অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এই উপন্যাস রচনা করেন বঙ্কিমচন্দ্র। সমালোচক মহলে উচ্চ-প্রশংসিত হয় এই উপন্যাস।[১] |
| মৃণালিনী | ১৮৬৯ | ঐতিহাসিক উপন্যাস। খ্রিষ্টীয় ত্রয়োদশ শতাব্দীর পটভূমিতে রচিত।[২] |
| বিষবৃক্ষ | ১৮৭৩ | সামাজিক উপন্যাস। বঙ্গদর্শন পত্রিকার প্রথম সংখ্যা (বৈশাখ, ১২৭৯) থেকে ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশিত হয়। মোট সংস্করণের সংখ্যা আট। সর্বশেষ সংস্করণ মুদ্রিত হয় ১৮৯২ সালে। |
| ইন্দিরা | ১৮৭৩ | অনু-উপন্যাস। বঙ্গদর্শন পত্রিকায় (চৈত্র, ১২৭৯) ছোটোগল্প আকারে প্রকাশিত হয়। ১৮৭৩ সালে ৪৫ পৃষ্ঠার ক্ষুদ্র গ্রন্থাকারে প্রকাশিত। ১৮৯৩ সালে ১৭৭ পৃষ্ঠার একটি অনু-উপন্যাসের আকারে এই গ্রন্থের পঞ্চম সংস্করণ প্রকাশিত হয়। |
| যুগলাঙ্গুরীয় | ১৮৭৪ | ঐতিহাসিক অনু-উপন্যাস। প্রথম প্রকাশ বঙ্গদর্শন পত্রিকায় (বৈশাখ, ১২৮০)। প্রথম সংস্করণে পৃষ্ঠাসংখ্যা ছিল ৩৬। ১৮৯৩ সালে পঞ্চম তথা সর্বশেষ সংস্করণে পৃষ্ঠা সংখ্যা হয় ৫০। |
| চন্দ্রশেখর | ১৮৭৫ | রোম্যান্সধর্মী উপন্যাস। প্রথম প্রকাশ বঙ্গদর্শন পত্রিকায় (শ্রাবণ, ১২৮০ – ভাদ্র, ১২৮১)। বঙ্কিমচন্দ্রের জীবিতকালে তিনটি সংস্করণ প্রকাশিত হয়। সর্বশেষ সংস্করণ ১৮৮৯ সালে মুদ্রিত। |
| রাধারাণী | ১৮৮৬ | অনু-উপন্যাস। প্রথম প্রকাশ বঙ্গদর্শন পত্রিকায় (কার্তিক-অগ্রহায়ণ, ১২৮২)। ১৮৭৭ ও ১৮৮১ সালে উপন্যাস – অর্থাৎ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র উপন্যাস সংগ্রহ গ্রন্থে সংকলিত হয়। ১৮৮৬ সালে গ্রন্থাকারে প্রথম প্রকাশের সময় পৃষ্ঠাসংখ্যা ছিল ৩৮। ১৮৯৩ সংস্করণে পৃষ্ঠাসংখ্যা বেড়ে হয় ৬৫। |
| রজনী | ১৮৭৭ | রোম্যান্সধর্মী উপন্যাস। প্রথম প্রকাশ বঙ্গদর্শন পত্রিকায় (১২৮১-৮২)। বঙ্কিমচন্দ্রের জীবিতকালে তিনটি সংস্করণ প্রকাশিত হয়। সর্বশেষ সংস্করণ ১৮৮৭ সালে মুদ্রিত।[৩] |
| কৃষ্ণকান্তের উইল | ১৮৭৮ | সামাজিক উপন্যাস। ১৮৮২ ও ১৮৮৪ সালে বঙ্গদর্শন পত্রিকার বিভিন্ন সংখ্যায় প্রকাশিত হয়। বঙ্কিমচন্দ্রের জীবিতকালে চারটি সংস্করণ প্রকাশিত হয়। সর্বশেষ সংস্করণ ১৮৯২ সালে মুদ্রিত। |
| রাজসিংহ | ১৮৮২ | ঐতিহাসিক উপন্যাস। প্রথম প্রকাশ বঙ্গদর্শন পত্রিকায় (চৈত্র, ১২৮৪ – ভাদ্র, ১২৮৫)। পত্রিকায় অসমাপ্ত উপন্যাসটি সমাপ্ত করে ১৮৮২ সালে ৮৩ পৃষ্ঠার প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত হয়। দ্বিতীয় সংস্করণে পৃষ্ঠাসংখ্যা বেড়ে হয় ৯০। ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দে চতুর্থ সংস্করণে পৃষ্ঠাসংখ্যা হয় ৪৩৪। |
| আনন্দমঠ | ১৮৮২ | বঙ্কিমচন্দ্রের প্রসিদ্ধ ঐতিহাসিক উপন্যাস। প্রথম প্রকাশ বঙ্গদর্শন পত্রিকায় (চৈত্র, ১২৮৭ – জ্যৈষ্ঠ, ১২৮৯)।-১৮৯২ সালে মুদ্রিত। ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের জাতীয় স্তোত্র বন্দেমাতরম্এই উপন্যাস থেকে গৃহীত। ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের পটভূমিকায় সন্ন্যাসী বিদ্রোহের ছায়া অবলম্বনে রচিত। এই উপন্যাসে লেখকের দেশপ্রেম ফুটে উঠেছে। |
| দেবী চৌধুরাণী | ১৮৮৪ | ঐতিহাসিক উপন্যাস। বিভিন্ন সময়ে বঙ্গদর্শন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। বঙ্কিমচন্দ্রের জীবিতকালে ছয়টি সংস্করণ প্রকাশিত হয়। সর্বশেষ সংস্করণ ১৮৯১ সালে মুদ্রিত। |
| সীতারাম | মার্চ, ১৮৮৭ | ঐতিহাসিক উপন্যাস। বঙ্কিমচন্দ্রের শেষ উপন্যাস। প্রচার পত্রিকায় (শ্রাবণ, ১২৯১ – মাঘ, ১২৯৩; মাঝে কয়েকমাসের বিরতি সহ) প্রকাশিত হয়। প্রথম সংস্করণে পৃষ্ঠাসংখ্যা ছিল ৪১৯। তৃতীয় ও শেষ সংস্করণ বঙ্কিমচন্দ্রের জীবদ্দশায় মুদ্রিত হলেও প্রকাশিত হয় তাঁর মৃত্যুর অব্যবহিত পরে, ১৮৯৪ সালের মে মাসে। |
Related Question
View All-
ক
বিষবৃক্ষ
-
খ
কৃষ্ণকান্তের উইল
-
গ
কপালকুণ্ডলা
-
ঘ
শ্রীকান্ত
-
ক
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
-
খ
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
-
গ
প্যারীচাঁদ মিত্র
-
ঘ
বিহারীলাল চক্রবর্তী
-
ক
কাজী নজরুল ইসলাম
-
খ
বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
-
গ
ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগর
-
ঘ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
-
ক
রাজসিংহ
-
খ
যোগাযোগ
-
গ
কপালকুণ্ডলা
-
ঘ
আনন্দমঠ
-
ক
মীর মশাররফ হোসেন
-
খ
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
-
গ
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
-
ঘ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
-
ক
কপালকুন্ডলা
-
খ
নবকুমার
-
গ
মতিবিবি
-
ঘ
পদ্মাবতী
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন
