বাক্য কত প্রকার ?
-
ক
দুই প্রকার
-
খ
তিন প্রকার
-
গ
চার প্রকার
-
ঘ
পাঁচ প্রকার
গঠন অনুসারে বাক্য তিন প্রকার। যথা:
সরল বাক্য(কর্তা + কর্ম + ক্রিয়া)
জটিল বাক্য (.... + অব্যয় + ....)
যৌগিক বাক্য (সাপেক্ষ সর্বনাম + বাক্য + সাপেক্ষ সর্বনাম + বাক্য)
ক। সরল বাক্যঃ যে বাক্যে একটিমাত্র কর্তা (উদ্দেশ্য) এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া (বিধেয়) থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে। যেমন - ছেলেরা ফুটবল খেলছে।
খ। জটিল বাক্যঃ যে বাক্যে একটি প্রধান বাক্যাংশ এবং এক বা একাধিক অপ্রধান বাক্যাংশ থাকে, তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে। যেমন - যে মানুষের সেবা করে, সেই শ্রেষ্ঠ মানুষ।
গ। যৌগিক বাক্যঃ পরস্পর নিরপেক্ষ দুই বা দুয়ের অধিক বাক্য যখন কোনো সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য তৈরি করে, তখন তাকে যৌগিক বাক্য বলে। যেমন - সে দরিদ্র, কিন্তু সুখী।
বাংলা ব্যাকরণের যে অংশে বাক্য নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে বাক্যতত্ত্ব বলে।
এক বা একাধিক শব্দ একসাথে মিলিত হয় বাক্য তৈরি করে থাকে। বাক্য গঠনের মাধ্যমে মানুষ তার মনের ভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করতে পারে। বাক্য এমন হওয়া উচিত যা অন্যের বোধগম্য হয় এবং নিজে যা বলতে যাচ্ছে তা সহজ ভাবে বুঝাতে পারে।
বাক্যতত্ত্ব বা পদক্রমের আলোচ্য বিষয়
বাক্য, বাক্যের অংশ, বাক্যের প্রকার , বাক্য পরিবর্তন , পদক্রম , বাগধারা , বাক্য সংকোচন , বাক্য সংযোজক, বাক্য বিয়োজক, বাচ্য, যতিচ্ছেদ বা বিরামচিহ্ন ইত্যাদি
Related Question
View All-
ক
জটিল
-
খ
মিশ্র
-
গ
যৌগিক
-
ঘ
সরল
-
ক
আসত্তি
-
খ
রীতি
-
গ
আকাঙক্ষা
-
ঘ
যোগ্যতা
-
ক
আসত্তি
-
খ
যোগ্যতা
-
গ
আকাঙ্ক্ষা
-
ঘ
ইচ্ছা
-
ক
গুরুচন্ডালী দোষে
-
খ
দুর্বোধ্যতা দোষে
-
গ
উচ্চারণ দোষে
-
ঘ
বাহুল্য দোষে
-
ক
সরল বাক্য
-
খ
নির্দেশক বাক্য
-
গ
যৌগিক বাক্য
-
ঘ
জটিল বাক্য
-
ক
তার সৌজন্যে আমি সুযোগটি পেয়েছি।
-
খ
তাহার সৌজন্যতায় আমি সুযোগটি পেয়েছি।
-
গ
তার সৌজন্যতায় আমি সুযোগটি পেয়েছি।
-
ঘ
তাহার সৌজন্যে আমি সুযোগটি পেয়েছি।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!