সাধারণ জাংশন ডয়োড কী হিসাবে ব্যবহৃত হয় ?
-
ক
সুইচ
-
খ
বিবর্ধক
-
গ
অসিলেটর
-
ঘ
রেক্টিফায়ার
সাধারণ জাংশন ডায়োড রেক্টিফায়ার হিসাবে ব্যবহৃত হয়। রেক্টিফায়ার হল একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস যা এসি (অল্টারনেটিং কারেন্ট) সিগন্যালকে ডিসি (ডায়নামিক কারেন্ট) সিগন্যালে রূপান্তর করে।
সাধারণ জাংশন ডায়োডের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হল এটি শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট দিক দিয়ে তড়িৎ প্রবাহকে পরিচালনা করে। এই বৈশিষ্ট্যটি রেক্টিফায়ার হিসাবে ব্যবহারের জন্য আদর্শ করে তোলে।
সাধারণ জাংশন ডায়োডের মাধ্যমে এসি সিগন্যাল প্রবাহিত করলে, ডায়োড শুধুমাত্র ফরোয়ার্ড বায়াসের অবস্থানে তড়িৎ প্রবাহকে পরিচালনা করবে। এই অবস্থায়, ডায়োডের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎ প্রবাহের মান স্থির থাকবে।
অন্যদিকে, ডায়োড রিভার্স বায়াসের অবস্থানে থাকলে, ডায়োডের মধ্য দিয়ে কোন তড়িৎ প্রবাহ প্রবাহিত হবে না।
এই বৈশিষ্ট্যের কারণে, সাধারণ জাংশন ডায়োড এসি সিগন্যাল থেকে ডিসি সিগন্যাল আলাদা করতে ব্যবহৃত হয়।
অন্যান্য ব্যবহারের মধ্যে রয়েছে:
- সুইচ
- ডিটেক্টর
- লাইট ইমিটর
- লাইট সিগন্যাল
- ভোল্টেজ রেগুলেটর
সুতরাং, সাধারণ জাংশন ডায়োডের সর্বাধিক সাধারণ ব্যবহার হল রেক্টিফায়ার।
ট্রানজিস্টরের আবিষ্কার ইলেকট্রনিক্সের জগতে বিপ্লব এনেছে। ১৯৪৮ সালে জে. বার্ডিন ও ডব্লিউ. এইচ. ব্রাটেইন ট্রানজিস্টর আবিষ্কার করেন। এই ক্ষুদ্র সেমিকন্ডাক্টরটি তড়িত সংকেতকে বিবর্ধন করতে পারে এবং উচ্চগতি সুইচ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। ট্রানজিস্টর তাই ইলেকট্রনিক সার্কিট বা বর্তনীতে বিবর্ধক ও সুইচ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
তিন প্রান্তবিশিষ্ট যে ক্ষুদ্র অর্ধপরিবাহী যত্নে বহির্মুখী প্রবাহ, ভোল্টেজ এবং ক্ষমতা অন্তর্মুখী প্রবাহ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় তাকে ট্রানজিস্টর বলে।
চিত্র ১০.১৯ : n-pn এবং p-n-p ট্রানজিস্টরের সাধারণ চিত্র ও বর্তনী প্রতীক।
দুই শ্রেণির সেমিকন্ডাক্টরের (n-টাইপ ও p-টাইপ) তিনটি দিয়ে ট্রানজিস্টর তৈরি করা হয়। এতে একটি p-টাইপের কেলাসের উভয় পার্শ্বে একটি করে n-টাইপ কেলাস বা -টাইপের কেলাসের উভয় দিকে একটি করে p-টাইপ কেলাস স্যান্ডউইচ করে যথাক্রমে n-p-n বা p-n-p জংশন তৈরি করা হয়। এদেরকে যথাক্রমে n-p-n ট্রানজিস্টর ও p-n-p ট্রানজিস্টর বলা হয়।
এরকমভাবে সজ্জিত কেলাসের প্রথমটিকে নিঃসারক (emitter), মাঝেরটিকে পীঠ বা ভূমি (base) এবং অন্য পাশেরটিকে সংগ্রাহক (collector) বলা হয় (চিত্র : ১০.১৯)।
ট্রানজিস্টরের ঝোঁক ব্যবস্থা
নিঃসারক :
ট্রানজিস্টরের এক পাশের অংশ যা আধান সরবরাহ করে তাকে নিঃসারক বলে। নিঃসারককে পীঠের সাপেক্ষে সর্বদা সম্মুখী বায়াসে সংযোগ দেওয়া হয় (চিত্র : ১০.20 ) ।
সংগ্রাহক :
ট্রানজিস্টরের অন্যপাশের অংশ যা আধান সংগ্রহ করে তাকে সংগ্রাহক বলে। সংগ্রাহককে সর্বদা বিমুখী বায়াসে সংযোগ দেওয়া হয় (চিত্র : ১০. ২০ ) ।
পীঠ বা ভূমি :
নিঃসারক ও সংগ্রাহকের মাঝের অংশকে পীঠ বা ভূমি বলা হয়। ট্রানজিস্টরের পীঠ-নিঃসারক জংশন সম্মুখী বায়াস প্রদান করা হয় যাতে করে নিঃসারক বর্তনীর রোধ কম হয়। সংগ্রাহক বর্তনীর রোধ বৃদ্ধিকল্পে পীঠ-সংগ্রাহক জংশনে বিমুখী বায়াস প্রদান করা হয়।
ট্রানজিস্টরের পীঠ নিঃসারকের তুলনায় খুবই পাতলা হয়। পক্ষান্তরে, সংগ্রাহক নিঃসারকের তুলনায় প্রশস্ত হয় চিত্র (১০:২১)। তবে আঁকার সুবিধার্থে নিঃসারক ও সংগ্রাহককে সমান আকৃতির দেখানো হয়ে থাকে (চিত্র ১০-১৯)। (১০-১৯) চিত্রে বর্তনীতে ব্যবহৃত ট্রানজিস্টরের প্রতীক দেখানো হয়েছে।
Related Question
View All-
ক
ইলেকট্রনের তাড়ন
-
খ
হোলের তাড়ন
-
গ
আধান বাহকের ব্যাপন
-
ঘ
অপদ্রব্য আয়ন এর স্থানান্তর
-
ক
0.05 mA
-
খ
200 mA
-
গ
1.02 mA
-
ঘ
1.005 mA
-
ক
0.93
-
খ
14
-
গ
1.71
-
ঘ
None
-
ক
-
খ
-
গ
-
ঘ
-
ক
-
খ
-
গ
-
ঘ
-
ক
এমিটার থেকে বেস
-
খ
এমিটার থেকে কালেক্টর
-
গ
বেস থেকে কালেক্টর
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন