অতীত দিনের স্মৃতি

কেউ ভোলে না কেউ ভোলে

কেউ দুঃখ লয়ে কাঁদে

কেউ ভুলিতে গায় গীতি।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

লবে' শব্দের অর্থ নিবে বা নেওয়া।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

অর্ঘ্য বিরচন' বলতে বিচিত্র সাজ ও ফুলের সৌরভ উপহার দিয়ে প্রকৃতির বসন্তবরণকে বোঝানো হয়েছে।
'অর্ঘ্য বিরচন'- এর শাব্দিক অর্থ অঞ্জলি বা উপহার রচনা। বসন্তে প্রকৃতি বিচিত্র সাজে সজ্জিত হয়। এসময় গাছে গাছে নানা রকম ফুল ফোটে। পাখির কলকাকলিতে প্রকৃতি মুখর হয়ে ওঠে। দখিনা বাতাসে ফুলের সৌরভ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। অর্ঘ্য বিরচন দ্বারা প্রকৃতির এই বিচিত্র সাজের মাধ্যমে বসন্তকে বরণ করে নেওয়াকেই বোঝানো হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের কবিতাংশের সঙ্গে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার অতীতকে ভুলে না যাওয়ার বিষয়টি সাদৃশ্যপূর্ণ।
'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবি অতীত স্মৃতিচারী হয়েছেন। হারানো স্বামীকে ভুলতে না পারার বেদনায় কবি গভীরভাবে শোকাহত। তার স্মৃতিকেই তাঁর বারবার মনে পড়ছে। তিনি কোনোভাবেই সেই স্মৃতিকে ভুলতে পারছেন না; বরং আগমনী বসন্তের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তাঁর কাছে অর্থহীন মনে হচ্ছে। আনমনা কবি পুরো কবিতায় মূলত তাঁর অতীতের স্মৃতিময় দিনগুলো মনে করে দুঃখভারাক্রান্ত হচ্ছেন।
উদ্দীপকের কবিতাংশে অতীত বেদনার স্মৃতি মনে লালন করার কথা বলা হয়েছে। কেউ কেউ এমন আছেন যে অতীতের বেদনা কোনোভাবেই ভুলতে পারেন না। কেউ হয়তো কোনোভাবে ভুলে যান কিংবা ভুলে যাওয়ার জন্য গান শোনেন কিংবা অন্য কিছু করেন; কিন্তু এমন অনেকেই আছেন যারা কোনোভাবেই মুছে ফেলতে পারেন, না অতীতের স্মৃতি। সুতরাং দেখা যায়, 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতা এবং উদ্দীপকের কবিতাংশে অতীত দিনের প্রিয় হারানোর বেদনার স্মৃতিকে মনে মনে লালন করার বিষয়টি সুনিপুণভাবে ফুটে উঠেছে। আর এখানেই উদ্দীপকের কবিতাংশের সঙ্গে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার ভাবার্থের সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

অতীত দিনের স্মৃতি বিস্মৃত হওয়া কিংবা হৃদয়ে ধারণের ক্ষেত্রে উদ্দীপক এবং 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি চিরন্তন সত্যের প্রতিচিত্র।
'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবির অতীতচারী মনের স্মৃতিময় অতীতের দিনগুলো ভুলে থাকতে না পারার বিষয়টি সুস্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। স্বামী হারানোর বেদনা কবির মনে এমনভাবে দাগ কেটেছে যে, কোনোভাবেই তিনি সেই স্মৃতি মন থেকে মুছে ফেলতে পারছেন না। বসন্তের আগমন কিংবা প্রকৃতির নতুন সাজে সজ্জিত হওয়ার বিষয়টি একজন কবি হওয়া সত্ত্বেও তাঁর কাছে উপেক্ষিত হয়। তাঁর কাছে সবচেয়ে বড়ো সত্য হয়ে ধরা দেয় তাঁর প্রিয়জন হারানোর বেদনা।
উদ্দীপকের কবিতাংশে আমরা দেখতে পাই, অতীত দিনের স্মৃতি সম্পর্কে দুই ভিন্ন প্রকারের মানুষ। কেউ কেউ এমন আছেন যারা অতীত দিনের স্মৃতিকে সহজে ভুলে যেতে পারে, আবার কেউ কেউ আছে যারা অতীতের স্মৃতি ভুলে যেতে গান শোনে কিংবা অন্য কোনো কর্ম করে। এর পাশাপাশি আর এক শ্রেণির মানুষ আছে যারা কোনোভাবেই অতীতের স্মৃতি ভুলতে পারে না। বারবার তাদের হৃদয়ে আঘাত হানে, তাদের মর্মে বেদনার সঞ্চার করে অতীত-স্মৃতি।
'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় যেভাবে চিরন্তন একটি সত্য বিষয় উপস্থাপিত হয়েছে, তেমনি উদ্দীপকের কবিতাংশ যেন সেই একই চিরন্তন বিষয়কে উপস্থাপন করেছে। কবিতায় অতীত স্মৃতিকে ভুলতে না পারার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু উদ্দীপকের কবিতাংশে কেউ ভুলতে পারে এবং কেউ ভুলতে পারে না এই উভয় শ্রেণির মানুষকেই তুলে ধরা হয়েছে। কবিতা ও উদ্দীপকের কথাগুলো রূঢ় ও কঠিন হলেও বাস্তবতার নিরিখে বিচার করলে তা মহাসত্য। অর্থাৎ প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও চিরন্তন সত্যের প্রতিচিত্র হয়ে উঠেছে উদ্দীপক ও আলোচ্য কবিতাটি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
14

“হে কবি, নীরব কেন ফাগুন যে এসেছে ধরায়, বসন্তে বরিয়া তুমি লবে না কি তব বন্দনায়?”

কহিল সে স্নিগ্ধ আঁখি তুলি-

“দক্ষিণ দুয়ার গেছে খুলি?

বাতাবি নেবুর ফুল ফুটেছে কি? ফুটেছে কি আমের মুকুল?

দখিনা সমীর তার গন্ধে গন্ধে হয়েছে কি অধীর আকুল?”

“এখনো দেখনি তুমি?” কহিলাম, “কেন কবি আজ

এমন উন্মনা তুমি? কোথা তব নব পুষ্পসাজ?”

কহিল সে সুদূরে চাহিয়া-

“অলখের পাথার বাহিয়া

তরী তার এসেছে কি? বেজেছে কি আগমনী গান? ডেকেছে কি সে আমারে? শুনি নাই, রাখি নি সন্ধান।”

কহিলাম, “ওগো কবি! রচিয়া লহ না আজও গীতি, বসন্ত-বন্দনা তব কণ্ঠে শুনি- এ মোর মিনতি ।”

কহিল সে মৃদু মধু-স্বরে-

“নাই হলো, না হোক এবারে-

আমারে গাহিতে গান, বসন্তেরে আনিতে বরিয়া-

রহেনি, সে ভুলেনি তো, এসেছে তা ফাগুনে স্মরিয়া।”

কহিলাম : “ওগো কবি, অভিমান করেছ কি তাই? যদিও এসেছে তবু তুমি তারে করিলে বৃথাই।” 

কহিল সে পরম হেলায়- 

"বৃথা কেন? ফাগুন বেলায় 

ফুল কি ফোটেনি শাখে? পুষ্পারতি লভেনি কি ঋতুর রাজন?

মাধবী কুঁড়ির বুকে গন্ধ নাহি? করে নাই অর্ঘ্য বিরচন?” 

“হোক, তবু বসন্তের প্রতি কেন এই তব তীব্র বিমুখতা?” 

কহিলাম, “উপেক্ষায় ঋতুরাজে কেন কবি দাও তুমি ব্যথা?”

কহিল সে কাছে সরে আসি -

“কুহেলি উত্তরী তলে মাঘের সন্ন্যাসী-

গিয়াছে চলিয়া ধীরে পুষ্পশূন্য দিগন্তের পথে

রিক্ত হস্তে! তাহারেই পড়ে মনে, ভুলিতে পারি না কোনো মতে ।”

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews