অতীত দিনের স্মৃতি বিস্মৃত হওয়া কিংবা হৃদয়ে ধারণের ক্ষেত্রে উদ্দীপক এবং 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি চিরন্তন সত্যের প্রতিচিত্র।
'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবির অতীতচারী মনের স্মৃতিময় অতীতের দিনগুলো ভুলে থাকতে না পারার বিষয়টি সুস্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। স্বামী হারানোর বেদনা কবির মনে এমনভাবে দাগ কেটেছে যে, কোনোভাবেই তিনি সেই স্মৃতি মন থেকে মুছে ফেলতে পারছেন না। বসন্তের আগমন কিংবা প্রকৃতির নতুন সাজে সজ্জিত হওয়ার বিষয়টি একজন কবি হওয়া সত্ত্বেও তাঁর কাছে উপেক্ষিত হয়। তাঁর কাছে সবচেয়ে বড়ো সত্য হয়ে ধরা দেয় তাঁর প্রিয়জন হারানোর বেদনা।
উদ্দীপকের কবিতাংশে আমরা দেখতে পাই, অতীত দিনের স্মৃতি সম্পর্কে দুই ভিন্ন প্রকারের মানুষ। কেউ কেউ এমন আছেন যারা অতীত দিনের স্মৃতিকে সহজে ভুলে যেতে পারে, আবার কেউ কেউ আছে যারা অতীতের স্মৃতি ভুলে যেতে গান শোনে কিংবা অন্য কোনো কর্ম করে। এর পাশাপাশি আর এক শ্রেণির মানুষ আছে যারা কোনোভাবেই অতীতের স্মৃতি ভুলতে পারে না। বারবার তাদের হৃদয়ে আঘাত হানে, তাদের মর্মে বেদনার সঞ্চার করে অতীত-স্মৃতি।
'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় যেভাবে চিরন্তন একটি সত্য বিষয় উপস্থাপিত হয়েছে, তেমনি উদ্দীপকের কবিতাংশ যেন সেই একই চিরন্তন বিষয়কে উপস্থাপন করেছে। কবিতায় অতীত স্মৃতিকে ভুলতে না পারার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু উদ্দীপকের কবিতাংশে কেউ ভুলতে পারে এবং কেউ ভুলতে পারে না এই উভয় শ্রেণির মানুষকেই তুলে ধরা হয়েছে। কবিতা ও উদ্দীপকের কথাগুলো রূঢ় ও কঠিন হলেও বাস্তবতার নিরিখে বিচার করলে তা মহাসত্য। অর্থাৎ প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও চিরন্তন সত্যের প্রতিচিত্র হয়ে উঠেছে উদ্দীপক ও আলোচ্য কবিতাটি।
Related Question
View Allকবি শীতকে মাঘের সন্ন্যাসীরূপে কল্পনা করেছেন
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!