উদাহরণ দেওয়ার আগে কোন যতিচিহ্ন বসে?

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

উদাহরণ দেওয়ার আগে কোলন যতিচিহ্ন বসে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.6k

Related Question

View All
উত্তরঃ

'ময়নামতীর চর' কবিতাটি থেকে কিছু উদাহরণ দেওয়া হল:

বিহানে-সকালে 

ধরি-ধরে 

 

Adil Mahmud
Adil Mahmud
1 year ago
উত্তরঃ

'মাঝি' কবিতার কিশোর খেয়াঘাটের মাঝি হতে চায় কারণ সে মাঝির স্বাধীন ও কর্মচঞ্চল জীবন দ্বারা ভীষণভাবে আকৃষ্ট। মাঝির কাজ তার কাছে অ্যাডভেঞ্চারপূর্ণ ও আনন্দময় মনে হয়। সে বইখাতা ও পড়ালেখার একঘেয়েমি থেকে মুক্তি পেয়ে নদীতে ঘুরে বেড়ানো, যাত্রীদের পারাপার করা এবং প্রকৃতির কাছাকাছি থাকার রোমাঞ্চকর জীবন বেছে নিতে চায়। মাঝির মতো সেও মুক্ত বিহঙ্গের মতো জীবন যাপন করতে এবং মানুষের উপকারে আসতে চায়, যা তার কাছে অনেক বেশি আনন্দদায়ক ও রোমাঞ্চকর মনে হয়।

Satt AI
Satt AI
13 hours ago
উত্তরঃ

কবি এই উক্তির মাধ্যমে বোঝাতে চেয়েছেন যে, বক পাখিরা সাধারণত জলাশয়ের আশেপাশে মাছ ধরে জীবনযাপন করে। কিন্তু পরিবেশের পরিবর্তন বা খাদ্যসংকটের কারণে অথবা প্রাকৃতিক সহাবস্থানের ফলে তারা এখন গোচারণ ভূমিতে বিচরণকারী অন্যান্য পাখির মতো মাঠের ঘাস বা শস্যক্ষেত্রে খাবার খুঁজছে অথবা তাদের সাথে একই স্থানে অবস্থান করছে।

এটি প্রকৃতির এক নতুন চিত্রায়ণ যেখানে বিভিন্ন প্রজাতির পাখি একে অপরের আশ্রয় বা খাদ্যের ক্ষেত্র ভাগ করে নিচ্ছে, যা প্রকৃতির পরিবর্তনশীলতা এবং প্রাণীদের অভিযোজন ক্ষমতাকে ইঙ্গিত করে। এখানে বকদের খাদ্যাভ্যাস বা বিচরণক্ষেত্রে ভিন্নতা আসার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।

Satt AI
Satt AI
13 hours ago
উত্তরঃ

'ফুলের গন্ধ চাও যদি নাও, হাত পাতো হাত পাতো' এই চরণটি বিখ্যাত ছড়াকার সুকুমার রায়ের 'বোম্বাগড়ের রাজা' নামক কবিতার অংশ। এই চরণের মাধ্যমে কবি হাস্যরস সৃষ্টি করেছেন এবং প্রচলিত যুক্তির বাইরে গিয়ে অদ্ভুত এক পরিস্থিতি তুলে ধরেছেন।

কবি এখানে একটি স্ববিরোধী চিত্র এঁকেছেন। তিনি বলছেন, ফুলের গন্ধ চাইলে হাত পাততে, কিন্তু গন্ধ তো কোনো বস্তু নয় যা হাত পেতে নেওয়া যায়। গন্ধ অনুভব করার জন্য শুঁকতে হয়, স্পর্শ করে নেওয়া যায় না। এই অবাস্তব নির্দেশনা দিয়ে কবি পাঠককে এক মজার ধাঁধায় ফেলে দেন।

মূলত, সুকুমার রায় তাঁর রচনায় এমন অযৌক্তিক ও হাস্যরসাত্মক বিষয়াবলি তুলে ধরে শিশুদের মন জয় করেছেন। এই চরণের মধ্য দিয়ে তিনি বাস্তবতার সঙ্গে কল্পনাকে মিশিয়ে এক ভিন্ন জগৎ তৈরি করেছেন, যেখানে সাধারণ নিয়মকানুন খাটে না। এর উদ্দেশ্য হলো পাঠকের মনে কৌতুক ও আনন্দ জাগানো এবং চিরাচরিত ধারণাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে নতুনভাবে ভাবতে শেখানো।

Satt AI
Satt AI
13 hours ago
উত্তরঃ

'ভালো কথা। বুদ্ধির কাজ করেছিস।' – এই উক্তিটির মাধ্যমে লেখক মূলত একজন চরিত্রের বিচক্ষণতা, উপস্থিত বুদ্ধি এবং সমস্যার কৌশলপূর্ণ সমাধান করার ক্ষমতাকে স্বীকৃতি ও প্রশংসা করেছেন।

প্রদত্ত প্রেক্ষাপটে, লেখক বোঝাতে চেয়েছেন যে কোনো একটি নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে চরিত্রটি এমন একটি কাজ করেছে যা প্রচলিত বা সাধারণ ভাবনা থেকে আলাদা এবং যার মধ্যে বুদ্ধিমত্তা ও দূরদর্শিতার ছাপ রয়েছে। এটি কেবল একটি সমস্যার সমাধানই নয়, বরং সেটি এমনভাবে করা হয়েছে যা কার্যকর এবং প্রশংসার দাবি রাখে। লেখক এই উক্তির মাধ্যমে চরিত্রের এই বুদ্ধিদীপ্ত পদক্ষেপের প্রতি নিজের অনুমোদন ও প্রশংসা প্রকাশ করেছেন।

Satt AI
Satt AI
13 hours ago
উত্তরঃ

কবির জসীমউদ্দীন রচিত 'ময়নামতীর চর' কবিতার চরের মানুষের জীবন অত্যন্ত সংগ্রামমুখর ও প্রতিকূলতায় ভরা। তাদের জীবন-যাপন প্রকৃতির দয়ার ওপর নির্ভরশীল এবং প্রকৃতির রুক্ষতা ও ভাঙাগড়ার সঙ্গে অবিরাম যুদ্ধ করে টিকে থাকতে হয়।

চরের মানুষেরা সাধারণত কৃষি ও মৎস্য শিকারের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করে। প্রতি বছর নদীভাঙন, বন্যা ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ তাদের ঘরবাড়ি, জমিজমা কেড়ে নেয়, ফলে তাদের বারবার স্থান পরিবর্তন করতে হয় এবং নতুন করে জীবন শুরু করতে হয়।

এই প্রতিকূলতার মাঝেও তারা সহজ-সরল জীবনযাপন করে। পরস্পরের প্রতি সহযোগিতা ও ভালোবাসার মাধ্যমে তারা নিজেদের সামাজিক বন্ধন সুদৃঢ় রাখে। প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করে টিকে থাকার এক অসাধারণ প্রাণশক্তি ও সহনশীলতা তাদের মধ্যে দেখা যায়, যা তাদের জীবনযাত্রার এক অনন্য বৈশিষ্ট্য।

Satt AI
Satt AI
13 hours ago
উত্তরঃ

উপসর্গ এবং প্রত্যয় উভয়ই বাংলা ভাষায় নতুন শব্দ গঠনে সাহায্যকারী পদাংশ, কিন্তু এদের কার্যকারিতা ও অবস্থানে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে।

অবস্থানগত পার্থক্য:

        
  • উপসর্গ: সর্বদা মূল শব্দ বা ধাতুর পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে অথবা মূল শব্দের অর্থের পরিবর্তন, সম্প্রসারণ বা সংকোচন ঘটায়। যেমন: 'প্র' (উপসর্গ) + 'হার' = 'প্রহার'।
  •     
  • প্রত্যয়: সর্বদা মূল শব্দ বা ধাতুর পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে এবং শব্দের প্রকৃতি পরিবর্তন করে। যেমন: 'চল্' (ধাতু) + 'অন' (প্রত্যয়) = 'চলন'।

অর্থগত পার্থক্য:

        
  • উপসর্গ: সাধারণত শব্দের অর্থের পরিবর্তন ঘটায়, কখনও বিপরীত অর্থ দেয়, কখনওবা অর্থকে জোরদার করে। এদের স্বাধীন কোনো অর্থ নেই, কিন্তু শব্দের সাথে যুক্ত হলে অর্থের পরিবর্তন ঘটায়।
  •     
  • প্রত্যয়: নতুন শব্দ তৈরি করে এবং অনেক সময় শব্দের ব্যাকরণিক শ্রেণী পরিবর্তন করে (যেমন: বিশেষ্য থেকে বিশেষণ বা ক্রিয়া থেকে বিশেষ্য)। এদেরও স্বাধীন কোনো অর্থ নেই।

সংখ্যাগত পার্থক্য:

        
  • উপসর্গ: বাংলা ভাষায় দেশি, বিদেশি ও সংস্কৃত মিলিয়ে নির্দিষ্ট সংখ্যক উপসর্গ রয়েছে (যেমন, বাংলা উপসর্গ ২১টি, সংস্কৃত উপসর্গ ২০টি)।
  •     
  • প্রত্যয়: প্রত্যয়ের সংখ্যা অনেক বেশি এবং এদের প্রকারভেদও ব্যাপক (যেমন, কৃত প্রত্যয়, তদ্ধিত প্রত্যয়)।
Satt AI
Satt AI
13 hours ago
উত্তরঃ

পিরামিডগুলো প্রাচীন মিশরের ফারাও (pharaoh) এবং উচ্চপদস্থ রাজকর্মচারীদের জন্য বিশাল সমাধি হিসেবে তৈরি করা হয়েছিল। প্রাচীন মিশরীয়রা মৃত্যুর পরের জীবনে বিশ্বাস করত এবং মনে করত যে মৃতদেহ সংরক্ষণ করা হলে আত্মা পরকালে পুনরুজ্জীবিত হতে পারে।

তাই, ফারাওদের মমি (mummy) এবং তাদের মূল্যবান জিনিসপত্র, যা পরকালে তাদের কাজে লাগবে বলে মনে করা হত, সেগুলো পিরামিডের সুরক্ষিত কক্ষে রাখা হত। এই বিশাল স্থাপনাগুলো ফারাওদের ক্ষমতা, ঐশ্বরিক মর্যাদা এবং তাদের অমরত্বের প্রতীক হিসেবেও কাজ করত। এর মাধ্যমে তারা তাদের প্রভাব এবং কর্তৃত্ব প্রদর্শন করত।

Satt AI
Satt AI
13 hours ago
উত্তরঃ

'সেই পুরনো কাল আর নেই' – লেখক এই উক্তিটির মাধ্যমে বোঝাতে চেয়েছেন যে, অতীত দিনের প্রচলিত রীতিনীতি, সামাজিক প্রেক্ষাপট, মূল্যবোধ এবং জীবনযাত্রার ধরন বর্তমান সময়ে আর আগের মতো নেই। কালের বিবর্তনে এবং আধুনিকতার ছোঁয়ায় সবকিছুতে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে।

সাধারণত, লেখক এমন উক্তি ব্যবহার করে অতীতের কোনো সরলতা, নির্ভেজাল সম্পর্ক, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অথবা কোনো বিশেষ ঐতিহ্য ও প্রথার বিলুপ্তি বা দুর্বল হয়ে পড়াকে ইঙ্গিত করেন। যে দিনগুলোতে মানুষ হয়তো আরও বেশি আন্তরিক ছিল, পরিবেশ ছিল আরও শান্ত ও স্নিগ্ধ, সেই সব বৈশিষ্ট্য এখন অনেকটাই বিরল।

এই উক্তিটির মধ্য দিয়ে লেখক বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে অতীতের তুলনা করে এক ধরনের স্মৃতিকাতরতা বা পরিবর্তনজনিত আক্ষেপ প্রকাশ করেন, অথবা কেবল সময়ের অনিবার্য পরিবর্তনকে চিহ্নিত করেন। এর মাধ্যমে তিনি পাঠককে অতীত ও বর্তমানের মধ্যে পার্থক্য অনুধাবন করার সুযোগ দেন।

Satt AI
Satt AI
13 hours ago
উত্তরঃ

কবি 'আমার মায়ের গয়না ছাড়া ঘরকে যাব না' পঙক্তিটির মাধ্যমে মাতৃভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি তাঁর গভীর ভালোবাসা এবং অবিচ্ছেদ্য অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। এখানে 'মায়ের গয়না' বলতে রূপক অর্থে মাতৃভূমি বা মাতৃভাষাকে বোঝানো হয়েছে, যা বাঙালির আত্মপরিচয়ের অমূল্য সম্পদ। কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে, মাতৃভাষা ও সংস্কৃতিকে বর্জন করে বা ভুলতে বসে নিজের অস্তিত্ব বা 'ঘর' (স্বদেশ বা আত্মপরিচয়) ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়। তাই মাতৃভাষা ও ঐতিহ্যকে আঁকড়ে ধরে রাখার দৃঢ় সংকল্পই এই উক্তিতে প্রকাশ পেয়েছে।

Satt AI
Satt AI
13 hours ago
2.6k
উত্তরঃ

এক সময়ে বাতাসের বেগ খানিকটা কমে আসে, তখনও থেকে থেকে ভয়ানক শব্দে বাজ পড়ছে। বাবা-মা আমাকে শুকনো কাপড় বের করে দিলেন। প্রতিবেশীদের জন্যও কাপড়, কিছু শুকনো খাবার ও পানির ব্যবস্থা করে তাদেরকে মোটামুটি স্বাভাবিক করলেন।


যতিচিহ্ন (Punctuation marks) বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করতে এবং পড়ার সময় সঠিক বিরতি ও সুর বজায় রাখতে অপরিহার্য। এই অনুচ্ছেদে সঠিক যতিচিহ্ন ব্যবহারের মাধ্যমে বাক্যগুলির অর্থ সুস্পষ্ট হয়েছে। কমা (,) বাক্যের মধ্যে অল্প বিরতি নির্দেশ করে, পূর্ণচ্ছেদ (.) বাক্যের সমাপ্তি বোঝায় এবং ড্যাশ (-) বা হাইফেন (-) দুটি শব্দকে যুক্ত করতে অথবা অতিরিক্ত তথ্য বোঝাতে ব্যবহৃত হতে পারে। যতিচিহ্ন ছাড়া বাক্য অর্থহীন বা ভুল অর্থ প্রকাশ করতে পারে, তাই সঠিক স্থানে এর ব্যবহার বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

Satt AI
Satt AI
13 hours ago
উত্তরঃ

নিচের শব্দগুলো থেকে সমাস ও প্রত্যয় সাধিত শব্দগুলো শনাক্ত করে নিচে দেওয়া হলো:

সমাস সাধিত শব্দ:

        
  • দরদালান: এটি একটি সমাস সাধিত শব্দ। এখানে ‘দর’ বলতে প্রধান বা বৃহৎ বোঝায়। এটি কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে, যেখানে ‘দর’ এবং ‘দালান’ মিলে একটি নতুন অর্থ তৈরি করেছে (প্রধান দালান)।
  •     
  • মধুমাখা: এটি ‘মধু দ্বারা মাখা’—এই অর্থে গঠিত হয়েছে, যা তৃতীয় তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ।
  •     
  • প্রগতি: এটি ‘প্র’ (বিশেষ অর্থে) এবং ‘গতি’ শব্দ দুটি মিলে গঠিত হয়েছে, যা প্রাদি সমাসের উদাহরণ।
  •     
  • নিমরাজি: এটি ‘আধা রাজি’ অর্থে গঠিত একটি সমাস সাধিত শব্দ, যেখানে ‘নিম’ একটি উপসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে নতুন অর্থ তৈরি করেছে। এটি নিত্য সমাস বা অব্যয়ীভাব সমাসের অন্তর্গত হতে পারে।

প্রত্যয় সাধিত শব্দ:

        
  • চলিষ্ণু: এটি ‘চল্’ ধাতুর সাথে ‘ইষ্ণু’ প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে।
  •     
  • নীলিমা: এটি ‘নীল’ শব্দের সাথে ‘ইমা’ প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে।
  •     
  • ঢাকাই: এটি ‘ঢাকা’ শব্দের সাথে ‘আই’ প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে।
  •     
  • গ্রামীণ: এটি ‘গ্রাম’ শব্দের সাথে ‘ঈন’ প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে।
Satt AI
Satt AI
13 hours ago
উত্তরঃ

যোজক হলো একটি শব্দ বা শব্দাংশ যা বাক্যে দুটি বা ততোধিক উপাদানকে যুক্ত করে। বাংলায় সাধারণত যোজক হিসেবে ব্যবহৃত হয় "এবং", "অথবা", "কিন্তু", "কিন্তু", "যা", "যদি", "যেহেতু" ইত্যাদি।

নিচে পৃথক যোজক ব্যবহার করে ৪টি বাক্য তৈরি করা হলো:

  1. এবং: আমি বই পড়ি এবং লেখালেখি করি।
  2. অথবা: তুমি কি চা খাবা অথবা কফি?
  3. কিন্তু: সে পড়াশোনায় ভালো, কিন্তু খেলাধুলায় সে তেমন ভালো নয়।
  4. যদি: তুমি যদি সময় পাও, আমি তোমার সাথে সিনেমা দেখতে যাব।

এইভাবে যোজক শব্দগুলো বাক্যে পৃথক উপাদানগুলোকে যুক্ত করার কাজ করে।

উত্তরঃ

ক-খ-গ উচ্চ বিদ্যালয়

নোটিশ

নোটিশ নং: ০৫/২০২৪
তারিখ: ২০ মে ২০২৪

বিষয়: সাহিত্য বিষয়ক প্রতিযোগিতা প্রসঙ্গে।


এতদ্বারা ক-খ-গ উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির সকল শিক্ষার্থীর অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, আগামী ২৫ জুন ২০২৪, মঙ্গলবার বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে একটি সাহিত্য বিষয়ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের লক্ষ্যে এবং সাহিত্যচর্চায় আগ্রহী করে তোলার উদ্দেশ্যে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।


প্রতিযোগিতার বিস্তারিত সময়সূচি ও নিয়মাবলী নিম্নরূপ:

        
  • প্রতিযোগিতার বিষয়সমূহ:
            ক) কবিতা আবৃত্তি (সময়: সর্বোচ্চ ৩ মিনিট)
            খ) গল্প বলা (সময়: সর্বোচ্চ ৫ মিনিট)
            গ) স্বরচিত কবিতা/গল্প লেখা (সময়: ১ ঘণ্টা)     
  •     
  • তারিখ ও সময়: ২৫ জুন ২০২৪, মঙ্গলবার, সকাল ১০:০০ টা।
  •     
  • স্থান: বিদ্যালয় মিলনায়তন।
  •     
  • অংশগ্রহণের যোগ্যতা: শুধুমাত্র সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করতে পারবে।
  •     
  • নিবন্ধন প্রক্রিয়া: আগ্রহী শিক্ষার্থীদের আগামী ২০ জুন ২০২৪ তারিখের মধ্যে নিজ নিজ শ্রেণি শিক্ষকের নিকট নাম নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধনের সময় প্রতিযোগিতার বিষয় উল্লেখ করতে হবে।
  •     
  • পুরস্কার: প্রতিটি বিষয়ে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীকে আকর্ষণীয় পুরস্কার প্রদান করা হবে।

সকল সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে এই প্রতিযোগিতায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে এটিকে সফল করার জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে। প্রতিযোগিতার বিস্তারিত তথ্য বিদ্যালয়ের নোটিশ বোর্ড এবং সাংস্কৃতিক কমিটির সদস্যগণের নিকট থেকে জানা যাবে।


আদেশক্রমে,
(স্বাক্ষর)
প্রধান শিক্ষক
ক-খ-গ উচ্চ বিদ্যালয়

Satt AI
Satt AI
13 hours ago
উত্তরঃ

১ নং রোড, ক-ব্লক,
ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৫।
৩০ মার্চ ২০২৪।

স্নেহের রনি,

আমার সালাম ও শুভেচ্ছা নিও। আশা করি ভালো আছিস। তোর পড়ালেখার কী খবর? অনেকদিন হলো তোর কোনো খবর পাইনি। তোর কাছে আজ আমি বই পড়ার গুরুত্ব নিয়ে কিছু কথা লিখতে বসেছি।

জানিস তো, বই হলো আমাদের শ্রেষ্ঠ বন্ধু। বই পড়লে জ্ঞান বাড়ে, নতুন নতুন তথ্য জানা যায় এবং চিন্তাশক্তির বিকাশ ঘটে। এটি মানুষের মনকে উন্নত করে এবং চারিত্রিক গুণাবলি অর্জনে সাহায্য করে। বই পড়ার অভ্যাস মানুষকে একজন ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে।

স্কুলের পাঠ্যবইয়ের বাইরেও তোর উচিত নানা ধরনের বই পড়া। গল্প, উপন্যাস, বিজ্ঞান, ইতিহাস বিষয়ক বই তোর জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করবে এবং তোর কল্পনার জগৎকে প্রসারিত করবে। এতে তোর শব্দভান্ডারও বাড়বে। নিয়মিত বই পড়লে তোর মন শান্ত থাকবে এবং পড়াশোনায় মনোযোগও বাড়বে।

আমি চাই তুই প্রতিদিন অন্তত কিছুটা সময় বই পড়ার জন্য বরাদ্দ করিস। তোর যদি কোনো বই পছন্দ না হয় বা বুঝতে অসুবিধা হয়, আমাকে জানাতে দ্বিধা করিস না। আমি তোকে সাহায্য করব। মনে রাখিস, একটি ভালো বই হাজার বন্ধুর সমান।

আজ আর নয়। তোর পড়ালেখা ও স্বাস্থ্য সম্পর্কে আমাকে লিখে জানাবি। বাবা-মাকে আমার সালাম দিস।

ইতি,
তোর বড় ভাই,
(তোর নাম)

Satt AI
Satt AI
13 hours ago
604
উত্তরঃ

উপরের কবিতাংশ এবং 'মাঝি' কবিতা উভয়ই পৃথিবীর বিশালতা এবং মানুষের সীমিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার এক গভীর সাদৃশ্য তুলে ধরে।

প্রদত্ত কবিতাংশে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পৃথিবীর অপার বিশালতার কথা বলেছেন — দেশ, নগর, রাজধানী, মানুষের কত কীর্তি, নদী, পর্বত, সমুদ্র, মরুভূমি এবং অসংখ্য অজানা জীব ও অপরিচিত তরু যা মানুষের অগোচরে রয়ে যায়। এই বিশাল আয়োজনের মাঝে কবির মন নিজেকে অতিক্ষুদ্র এক কোণে আবদ্ধ মনে করে, যা মানুষের সীমিত জ্ঞান ও পরিধির প্রতীক।

অন্যদিকে, 'মাঝি' কবিতায় একজন মাঝি বা ব্যক্তি সমুদ্র বা নদীর বিশালতার মধ্যে একাকী তার নৌকা চালনা করে। নদী বা সমুদ্রের অপরূপ সৌন্দর্য ও বিশালতার মাঝে মাঝির যাত্রা অত্যন্ত ক্ষুদ্র এবং তার গন্তব্য বা ভবিষ্যৎ প্রায়শই অনিশ্চিত থাকে। এটি বিশ্বজগতের বিশালতার সামনে মানুষের ক্ষুদ্র অস্তিত্ব ও অজানা পথে যাত্রার প্রতীক হিসেবে উপস্থাপিত হয়।

এই দিক থেকে, উভয় কবিতাই মহাবিশ্বের অসীমতা এবং সেখানে মানুষের ক্ষুদ্রতা, সীমাবদ্ধতা ও অজানা বিষয়ের প্রতি কৌতূহল এবং এক ধরণের অসহায়ত্বের অনুভূতি প্রকাশ করে এক সুগভীর দার্শনিক সাদৃশ্য বহন করে। উভয় কবিতাই স্মরণ করিয়ে দেয় যে, মানুষ হিসেবে আমাদের জ্ঞান ও পরিধি প্রকৃতির বিশালতার তুলনায় অতি নগণ্য।

Satt AI
Satt AI
13 hours ago
উত্তরঃ

প্রদত্ত কবিতাংশের কথক এবং 'মাঝি' কবিতার কিশোর উভয়ের মাঝেই পৃথিবীর বিশালতা ও অজানাকে জানার এক গভীর কৌতূহল ও আকাঙ্ক্ষা পরিলক্ষিত হয়। উভয়ই তাদের সীমাবদ্ধ পরিবেশের বাইরে বিস্তৃত এক বিশ্বকে কল্পনা করে এবং তাকে জানতে চায়। এই কৌতূহল এবং অজানাকে জানার আগ্রহই তাদের প্রধান বৈশিষ্ট্য।

আমার জীবনে বা চারপাশের সাথে এই অনুভূতির অনেক মিল খুঁজে পাই। ছোটবেলা থেকেই আমরা বিভিন্ন নতুন জিনিস সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হই। যেমন, বই পড়ে বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে অচেনা দেশ, বিচিত্র প্রাণী, মানুষের নানা আবিষ্কার ও কীর্তি সম্পর্কে ধারণা লাভ করি। আমাদের চারপাশের পরিবেশ ছোট হলেও আমরা কল্পনার মাধ্যমে বা তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্যে বিশাল বিশ্বকে জানার চেষ্টা করি। টেলিভিশনে ভ্রমণ বিষয়ক অনুষ্ঠান দেখে বা বিশ্বকোষ পড়ে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত সম্পর্কে জানতে পারাটাও এই কৌতূহলেরই অংশ।

ঠিক যেমন কবিতাংশের কথক মনে করেন তাঁর মন বিশ্বের এক ক্ষুদ্র কোণে আবদ্ধ, কিন্তু তাঁর কৌতূহল তাঁকে অজানাকে জানতে প্ররোচিত করে, তেমনি 'মাঝি' কবিতার কিশোর নদীর ওপার, দূরের গ্রাম বা মাঝি হয়ে দূর-দূরান্তের পথে যাত্রা করার স্বপ্ন দেখে। আমিও আমার স্কুল, পরিবার ও বন্ধুদের গণ্ডি পেরিয়ে বাইরের বিশাল জগত সম্পর্কে জানতে চাই, নতুন নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন করতে চাই। এই অজানাকে জানার আগ্রহ এবং কল্পনার মাধ্যমে বিশ্বকে আবিষ্কার করার প্রবণতাই তাদের ও আমার জীবনের একটি প্রধান মিল।

Satt AI
Satt AI
13 hours ago
উত্তরঃ

আমার পছন্দ

সম্প্রতি আমাদের বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ ও পছন্দ সম্পর্কে একটি জরিপ চালানো হয়েছে। এই জরিপের মাধ্যমে বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষার্থীদের পছন্দের তালিকা তৈরি করা হয়েছে, যা বেশ কৌতূহল উদ্দীপক। এতে দেখা যায়, শিক্ষার্থীদের মধ্যে খেলাধুলা, বই পড়া, গান শোনা, চলচ্চিত্র দেখা ও শরীরচর্চার মতো বিষয়গুলো প্রধান আকর্ষণ হিসেবে উঠে এসেছে।

জরিপের ফলাফল অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হলো ক্রিকেট খেলা। মোট ৩৯৯ জন শিক্ষার্থী ক্রিকেট খেলা পছন্দ করে, যার মধ্যে ছাত্র সংখ্যা ২৩0 জন এবং ছাত্রী সংখ্যা ১৬৯ জন। দ্বিতীয় সর্বাধিক পছন্দের বিষয় হলো চলচ্চিত্র দেখা, যা পছন্দ করে মোট ১৪২ জন শিক্ষার্থী। অন্যদিকে, বই পড়া পছন্দ করে ১৩২ জন শিক্ষার্থী এবং ফুটবল খেলা পছন্দ করে ১২২ জন শিক্ষার্থী। অবাক করা বিষয় হলো, শরীরচর্চা সবচেয়ে কম জনপ্রিয়; মাত্র ৭৩ জন শিক্ষার্থী এটি পছন্দ করে। গান শোনা পছন্দ করে ৯০ জন শিক্ষার্থী। শিক্ষার্থীদের পছন্দের এই বৈচিত্র্য সত্যিই লক্ষণীয়।

যদিও জরিপে ক্রিকেট খেলা শিক্ষার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হিসেবে উঠে এসেছে, আমার ব্যক্তিগত পছন্দ হলো বই পড়া। ছোটবেলা থেকেই বইয়ের প্রতি আমার বিশেষ আকর্ষণ। বিভিন্ন ধরনের গল্প, উপন্যাস, বিজ্ঞান বিষয়ক বই এবং দেশ-বিদেশের ইতিহাস আমাকে মুগ্ধ করে। নতুন নতুন তথ্য জানা এবং কল্পনার জগতে ডুব দেওয়ার এক অসাধারণ মাধ্যম হলো বই।

জরিপে দেখা গেছে, মোট ১৩২ জন শিক্ষার্থী বই পড়তে ভালোবাসে, যার মধ্যে ছাত্র সংখ্যা ৬০ জন এবং ছাত্রী সংখ্যা ৭২ জন। এটি প্রমাণ করে যে বই পড়ার প্রতি আমার আগ্রহ কেবল ব্যক্তিগত নয়, বরং এটি অনেক শিক্ষার্থীর মধ্যেই বিদ্যমান। বই পড়া শুধু জ্ঞান বৃদ্ধি করে না, আমাদের চিন্তাভাবনার পরিধিও বিস্তৃত করে। একটি ভালো বই বন্ধুর মতো আমাদের সব সময় সঠিক পথ দেখায়। তাই আমার কাছে বই পড়াই সেরা বিনোদন এবং পছন্দের বিষয়।

Satt AI
Satt AI
13 hours ago
উত্তরঃ

প্রদত্ত তথ্যগুলো একটি জরিপের ফলাফল। শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বা পছন্দ সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে একটি সারণিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। এই ধরনের লেখা মূলত জরিপ প্রতিবেদন (Survey Report) বা তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদন (Information-based Report) হিসেবে পরিচিত। এটি কোনো নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও উপস্থাপনের মাধ্যমে একটি চিত্র তুলে ধরে।

এই জরিপ প্রতিবেদনটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন পছন্দের বিষয়ে একটি সুস্পষ্ট ধারণা দিচ্ছে। উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে যে, শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্রিকেট খেলার প্রতি আগ্রহ সর্বাধিক (৩৯৯ জন)। এটি মোট অংশগ্রহণকারী ৯৫৮ জনের মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য অংশ। এর বিপরীতে, শরীরচর্চায় আগ্রহীর সংখ্যা সবচেয়ে কম (৭৩ জন)। বই পড়া, ফুটবল খেলা, গান শোনা এবং চলচ্চিত্র দেখা—এই বিষয়গুলোতেও শিক্ষার্থীদের মধ্যে যথেষ্ট আগ্রহ দেখা যাচ্ছে, যদিও ক্রিকেটের তুলনায় কম।

ছেলে ও মেয়ে শিক্ষার্থীদের পছন্দের মধ্যেও কিছু ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়। ছেলেরা ফুটবল (৮৭ জন) ও ক্রিকেট (২৩০ জন) খেলায় বেশি আগ্রহী, যেখানে মেয়েরা বই পড়া (৭২ জন), ক্রিকেট (১৬৯ জন) এবং চলচ্চিত্র দেখায় (৬৮ জন) বেশি পছন্দ করে। গান শোনার ক্ষেত্রে মেয়েদের আগ্রহ (৬২ জন) ছেলেদের (২৮ জন) চেয়ে বেশি। তবে, ক্রিকেট উভয় লিঙ্গের শিক্ষার্থীদের কাছেই অত্যন্ত জনপ্রিয়।

এই প্রতিবেদন থেকে প্রাপ্ত মতামত অনুযায়ী, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের বহুমুখী আগ্রহ সম্পর্কে জানতে পেরেছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে তারা পাঠ্যক্রম বহির্ভূত কার্যক্রম বা সহশিক্ষা কার্যক্রমের পরিকল্পনা করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, যেহেতু ক্রিকেট অত্যন্ত জনপ্রিয়, তাই ক্রিকেট প্রতিযোগিতার আয়োজন করা যেতে পারে। অন্যদিকে, শরীরচর্চা ও বই পড়ার মতো কম জনপ্রিয় কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়াতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। এতে শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক মেধা বিকাশে সহায়তা হবে এবং তাদের পছন্দ ও চাহিদা অনুযায়ী সুযোগ তৈরি করা সম্ভব হবে।

Satt AI
Satt AI
13 hours ago
উত্তরঃ

দুঃখিত, আমি একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেল হওয়ায় উপরের ছবিটি দেখতে পাচ্ছি না। তাই, ছবিটি সম্পর্কে আমার অনুভূতি প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে না।


তবে, এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য একটি ছবিকে ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। ছবিটিতে কী কী বিষয় ফুটে উঠেছে, সেগুলোর রং, আকার, বিন্যাস কেমন, তা লক্ষ্য করতে হয়। এরপর, ছবিটির মূল বার্তা বা এর পেছনে কোনো গল্প আছে কিনা, তা বোঝার চেষ্টা করতে হবে।


ছবিটি দেখার পর তোমার মনে কী ধরনের অনুভূতি জাগছে, সেটি সহজ ও সরল ভাষায় প্রকাশ করতে হবে। এটি আনন্দ, দুঃখ, বিস্ময়, ভয়, শান্তি, অনুপ্রেরণা – যেকোনো কিছু হতে পারে। অনুভূতির পাশাপাশি ছবিটি তোমার মনে কেন এমন প্রভাব ফেলছে, তার কারণ ব্যাখ্যা করলে লেখাটি আরও সমৃদ্ধ হবে। প্রয়োজনে কিছু রূপক বা উপমা ব্যবহার করে তোমার অনুভূতিকে আরও সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা যেতে পারে।

Satt AI
Satt AI
13 hours ago
উত্তরঃ

প্রদত্ত ছবিটি বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে যে, এখানে একটি ব্যক্তিগত চিঠি বা পত্র প্রস্তুত করা হয়েছে।

ব্যক্তিগত চিঠি সাধারণত পরিচিত বা ঘনিষ্ঠজনদের কাছে লেখা হয়, যেমন বন্ধু, পরিবারের সদস্য বা আত্মীয়। এ ধরনের চিঠিতে ব্যক্তিগত সুখ-দুঃখ, অনুভূতি, অভিজ্ঞতা, এবং কুশল বিনিময় প্রাধান্য পায়। চিঠির ভাষা সাধারণত সহজ, সরল ও আন্তরিক হয়। এখানে কোনো আনুষ্ঠানিকতা থাকে না, বরং ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও আবেগ প্রকাশের সুযোগ থাকে।

আমার যৌক্তিক মতে, ছবিটি একটি ব্যক্তিগত চিঠিকেই নির্দেশ করে কারণ এর গঠন, ভাষা এবং বিষয়বস্তু ব্যক্তিগত যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে চিঠির বৈশিষ্ট্যগুলোকে পূরণ করে। এটি কোনো দাপ্তরিক পত্র বা সংবাদপত্রের প্রতিবেদন নয়, বরং বন্ধুর কাছে লেখা অন্তরঙ্গ মনোভাবের একটি প্রকাশ।

Satt AI
Satt AI
13 hours ago
উত্তরঃ

উপরের কবিতাংশে কবিতার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য চমৎকারভাবে বিদ্যমান। এই বৈশিষ্ট্যগুলো কবিতাটিকে পাঠকের কাছে আবেদনময় করে তুলেছে।

প্রথমত, এখানে চিত্রকল্পের ব্যবহার দেখা যায়। "হলদে পাখির ডাকে", "মেঘনা নদীর বাঁকে" এবং "শত যুগের ঘন আঁধার" – এই শব্দগুচ্ছগুলো পাঠকের মনে সুনির্দিষ্ট ছবি ফুটিয়ে তোলে। এতে কবিতাটি আরও জীবন্ত ও দৃশ্যমান হয়ে ওঠে।

দ্বিতীয়ত, কবিতাটিতে আবেগ ও অনুভূতির প্রকাশ স্পষ্ট। "হঠাৎ আমি চমকে উঠি" এবং "ইচ্ছে করে ছুটে বেড়াই" পঙ্‌ক্তিগুলোতে কবির ব্যক্তিগত অনুভূতি ও ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটেছে, যা কবিতাকে আরও মানবিক করে তুলেছে।

তৃতীয়ত, কবিতাটিতে জীবনবোধ ও গভীরতা রয়েছে। শেষ দুটি পঙ্‌ক্তি – "শত যুগের ঘন আঁধার / গাঁয়ে আজো আছে। / সেই আঁধারে মানুষগুলো / লড়াই করে বাঁচে।" – আমাদের সমাজ ও জীবনের কঠিন বাস্তবতার চিত্র তুলে ধরে। এটি শুধু প্রকৃতির বর্ণনা নয়, বরং মানুষের টিকে থাকার সংগ্রাম এবং দীর্ঘদিনের দুঃখ-কষ্টের ইঙ্গিত দেয়।

চতুর্থত, কবিতাটির ভাষা সহজবোধ্য ও সরল। কোনো জটিল শব্দ বা বাক্য ব্যবহার না করে সহজ সরল ভাষায় গভীর অর্থ প্রকাশ করা হয়েছে, যা যে কোনো পাঠকের জন্যই গ্রহণীয়।

সুতরাং, এই কবিতাংশটি চিত্রকল্প, আবেগ, গভীর জীবনবোধ এবং সরল ভাষার মতো বৈশিষ্ট্যগুলোর মাধ্যমে একটি সার্থক কবিতার রূপ পরিগ্রহ করেছে।

Satt AI
Satt AI
13 hours ago
উত্তরঃ

প্রদত্ত কবিতাংশের সঙ্গে পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত কাব্য 'ময়নামতির চর'-এর মূল সাদৃশ্য হলো ঐক্য ও সম্মিলিত স্বপ্নের দিকটি

কবিতাংশটিতে একটি নতুন বাগান গড়ার সম্মিলিত প্রচেষ্টা, বিভিন্ন ফুল ও পাখির ভিন্ন ভিন্ন সুরের মাঝেও একটি অভিন্ন সুরের মিলন এবং এক দুনিয়া ও এক মানুষের জন্য স্বপ্ন বিলিয়ে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এটি বহুত্বকে ধারণ করে সমষ্টিগত লক্ষ্য ও স্বপ্ন পূরণের এক চিত্র তুলে ধরে।

অন্যদিকে, জসীমউদ্দীনের 'ময়নামতির চর' কাব্যে চরের মানুষের সহজ-সরল জীবনযাপন, প্রকৃতির সঙ্গে তাদের নিবিড় সম্পর্ক, তাদের দৈনন্দিন শ্রম, সুখ-দুঃখ এবং সর্বোপরি তাদের সম্মিলিত জীবন ও স্বপ্নের এক চমৎকার আলেখ্য তুলে ধরা হয়েছে। চরের মানুষ বিভিন্ন প্রতিকূলতা সত্ত্বেও কীভাবে এক হয়ে কাজ করে, স্বপ্ন দেখে এবং একটি সম্প্রদায় হিসেবে বাঁচতে চায়, তারই চিত্র এই কাব্যে ফুটে ওঠে।

এদিক থেকে, উভয় রচনাতেই ব্যক্তির ভিন্নতা সত্ত্বেও সমষ্টির ঐক্য, সম্মিলিত প্রচেষ্টা এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে একতাবদ্ধ স্বপ্ন দেখার যে গভীর বার্তা, তার সাদৃশ্য বিদ্যমান। উভয়ই মানবজীবনের সম্মিলিত শক্তি ও স্বপ্নের মহিমাকে তুলে ধরে।

Satt AI
Satt AI
13 hours ago
595
উত্তরঃ

'ময়নামতীর চর' কবিতাটি থেকে কিছু উদাহরণ দেওয়া হল:

বিহানে-সকালে 

ধরি-ধরে 

 

Adil Mahmud
Adil Mahmud
1 year ago
8.2k
উত্তরঃ

'মাঝি' কবিতার কিশোর খেয়াঘাটের মাঝি হতে চায় কারণ সে মাঝির স্বাধীন ও কর্মচঞ্চল জীবন দ্বারা ভীষণভাবে আকৃষ্ট। মাঝির কাজ তার কাছে অ্যাডভেঞ্চারপূর্ণ ও আনন্দময় মনে হয়। সে বইখাতা ও পড়ালেখার একঘেয়েমি থেকে মুক্তি পেয়ে নদীতে ঘুরে বেড়ানো, যাত্রীদের পারাপার করা এবং প্রকৃতির কাছাকাছি থাকার রোমাঞ্চকর জীবন বেছে নিতে চায়। মাঝির মতো সেও মুক্ত বিহঙ্গের মতো জীবন যাপন করতে এবং মানুষের উপকারে আসতে চায়, যা তার কাছে অনেক বেশি আনন্দদায়ক ও রোমাঞ্চকর মনে হয়।

Satt AI
Satt AI
13 hours ago
3.6k
উত্তরঃ

কবি এই উক্তির মাধ্যমে বোঝাতে চেয়েছেন যে, বক পাখিরা সাধারণত জলাশয়ের আশেপাশে মাছ ধরে জীবনযাপন করে। কিন্তু পরিবেশের পরিবর্তন বা খাদ্যসংকটের কারণে অথবা প্রাকৃতিক সহাবস্থানের ফলে তারা এখন গোচারণ ভূমিতে বিচরণকারী অন্যান্য পাখির মতো মাঠের ঘাস বা শস্যক্ষেত্রে খাবার খুঁজছে অথবা তাদের সাথে একই স্থানে অবস্থান করছে।

এটি প্রকৃতির এক নতুন চিত্রায়ণ যেখানে বিভিন্ন প্রজাতির পাখি একে অপরের আশ্রয় বা খাদ্যের ক্ষেত্র ভাগ করে নিচ্ছে, যা প্রকৃতির পরিবর্তনশীলতা এবং প্রাণীদের অভিযোজন ক্ষমতাকে ইঙ্গিত করে। এখানে বকদের খাদ্যাভ্যাস বা বিচরণক্ষেত্রে ভিন্নতা আসার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।

Satt AI
Satt AI
13 hours ago
2.8k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews