প্রিয়জন হারানোর বেদনা প্রকাশ করায় উদ্দীপকের মাধবী 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির ব্যক্তি চরিত্রের ছায়াচিত্র হয়ে উঠেছে।
প্রিয়জন যখন অসময়ে পৃথিবী থেকে বিদায় নেয় তখন জীবন প্রকৃতপক্ষে অর্থহীন হয়ে পড়ে। বিষাদ নেমে আসে চারপাশে। এসময় আনন্দের উপকরণগুলোও বেদনাময় হয়ে ওঠে। কবি তাঁর প্রিয়জন হারানোর এ শোকানুভূতিই 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় তুলে ধরেছেন।
উদ্দীপকের বর্ণনায় মাধবীর শোকানুভূতি প্রকাশ পেয়েছে। মাধবী যাকে খুব ভালোবেসেছিল, সে তাকে ছেড়ে চলে গেছে। ফলে অপরূপ প্রকৃতিও তার আর ভালো লাগে না। তার কাছে সবকিছু শূন্য মনে হয়। একইভাবে, আলোচ্য কবিতায়ও শীতের বিদায় মনে করে বসন্তকে কবি যথাযথভাবে বরণ করতে পারছেন না।
'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার মর্মবাণী মূলত কবির প্রিয়জন হারানোর অন্তহীন শোক এবং তার ফলে, জগৎ ও জীবনের প্রতি তাঁর উদাসীনতা। কবি তাঁর সবচেয়ে কাছের মানুষটিকে হারিয়ে নিঃস্ব ও রিক্ত হয়ে পড়েছেন। ফলে বসন্ত-বন্দনাও তাঁর কাছে অর্থহীন ঠেকে। কবির এই বিষাদময় রিক্ততার সুর উদ্দীপকের মাধবীর মাঝেও অনুরণিত হয়েছে। প্রিয়জন হারানোর বেদনা মানুষের মর্মমূলে কতটা গভীর ক্ষত সৃষ্টি করে, তা উদ্দীপকের মাধবী ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির মাঝে লক্ষণীয়। উভয়ের মাঝেই বিচ্ছিন্নতার বেদনাবোধের দিকটি প্রাধান্য পেয়েছে। তাই নির্দ্বিধায় বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
Related Question
View Allকবি শীতকে মাঘের সন্ন্যাসীরূপে কল্পনা করেছেন
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!