প্রিয়জনের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ায় 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় যে হাহাকার প্রকাশ পেয়েছে তা উদ্দীপকের বক্তব্যের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটিতে কবির ব্যক্তিজীবনের দুঃখময় ঘটনার ছায়াপাত ঘটেছে। কবির স্বামী সৈয়দ নেহাল হোসেনের আকস্মিক মৃত্যুতে কবির জীবনে প্রচন্ড শূন্যতা নেমে আসে। দুঃসহ বিষণ্ণতায় ভরে ওঠে তাঁর জীবন।
উদ্দীপকে প্রিয়জন হারানোর দিকটি ফুটে উঠেছে। প্রিয়জন দূরে চলে গেলেও হৃদয়ে তার স্মৃতিগুলোই আনাগোনা করতে থাকে। বারে বারে কেবল তার কথাই মনে পড়ে। ভুলতে চাইলেও ভুলে যাওয়া যায় না। 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবির স্বামী মারা যাওয়ায় কবিমন শোকাচ্ছন্ন হয়েছে। ফলে বসন্তের সৌন্দর্য তাঁর হৃদয় স্পর্শ করে না। তাঁর ব্যক্তিজীবন ও কাব্যসাধনার ক্ষেত্রে নামে বিষাদের সুর। প্রিয়জনকে হারালে হৃদয়ের যে করুণ অবস্থা হয় তা উদ্দীপক ও আলোচ্য কবিতা উভয় ক্ষেত্রেই ফুটে উঠেছে।
Related Question
View Allকবি শীতকে মাঘের সন্ন্যাসীরূপে কল্পনা করেছেন
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!