বসন্তের আগমনে উভয় কবির বসন্ত ঋতুর সৌন্দর্য অবলোকনের দৃষ্টিভঙ্গির দিক থেকে উদ্দীপক ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবিদ্বয়ের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।
'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় প্রকৃতি ও মানবমনের সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তাৎপর্যময় হয়ে উঠেছে। সাধারণভাবে বসন্তপ্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য যে কবিমনে আনন্দের শিহরন জাগাবে এবং তিনি তাঁকে ভাবে-ছন্দে-সুরে ফুটিয়ে তুলবেন সেটাই প্রত্যাশিত। কিন্তু কবিমন বেদনা-ভারাতুর থাকায় বসন্তের সৌন্দর্য কবির হৃদয়কে স্পর্শ করতে পারেনি।
উদ্দীপকে কবি অশোকে কিংশুকে অলক্ষ্য রং লাগার কথা বলেছেন। বাতাসে ঝাউয়ের দুলে ওঠার সাথে সাথে যেন কবির অন্তরও দুলে ওঠে। প্রিয়জন হারানোর বেদনার কথা মনে পড়ে এবং কবিহৃদয় দুঃখ ভারাক্রান্ত হয়।
উদ্দীপকে ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতা উভয় ক্ষেত্রে মানবমনে প্রকৃতির প্রভাব পরিলক্ষিত হলেও তাদের উভয়ের মধ্যে চেতনাগত ভিন্নতা দেখা যায়। 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবি প্রিয়জন হারিয়েছেন বলে বসন্তের রূপ মাধুর্যের প্রতি তিনি ছিলেন উদাসীন। অন্যদিকে, উদ্দীপকের কবিতাংশে কবি বসন্তের প্রতি উদাসীন নন বরং বসন্তের আগমনে তার হৃদয় দুঃখ ভারাক্রান্ত। উদ্দীপকে কবি বসন্তের সৌন্দর্য অবলোকন করেছেন এবং তাঁর হৃদয়ে অতীত স্মৃতি জেগে উঠেছে। কিন্তু, 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবি বসন্তের সৌন্দর্যের প্রতি উদাসীনতা দেখিয়েছেন। তাই বলা যায়, উদ্দীপক ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবিদ্বয়ের মধ্যে ঋতুর দৃষ্টিভঙ্গিজনিত l
Related Question
View Allকবি শীতকে মাঘের সন্ন্যাসীরূপে কল্পনা করেছেন
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!