ফাগুন, হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান-
তোমার হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান-

আমার আপনহারা প্রাণ আমার বাঁধন-

ছেড়া প্রাণ। তোমার অশোকে কিংশুকে

অলক্ষ্য রঙ লাগল আমার অকারণের সুখে,

তোমার ঝাউয়ের দোলে

মর্মরিয়া ওঠে আমার দুঃখরাতের গান।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

'অলখ' শব্দের অর্থ অলক্ষ বা দৃষ্টির অগোচরে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

ব্যক্তি মানুষের সুখ-দুঃখ প্রকৃতির সহজাত নিয়মে, ব্যত্যয় ঘটাতে পারে না- প্রশ্নোক্ত পঙ্ক্তিটির মাধ্যমে এ কথাই প্রকাশ পেয়েছে।
প্রকৃতি তার আপন নিয়মে সদা পরিবর্তনশীল। মানুষের সুখ-দুঃখ প্রকৃতিকে প্রভাবিত করতে পারে না। আর তাই প্রিয়জনের শোকে মুহ্যমান প্রকৃতি কবি বসন্তবরণের জন্য প্রস্তুত না হলেও ফাল্গুন মাস শুরু হওয়ার সাথে সাথেই প্রকৃতিতে বসন্তের আগমন ঘটেছে। প্রশ্নোক্ত পদ্ধত্তিটির মধ্য - দিয়ে এ বিষয়টিই মূর্ত হয়ে উঠেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত বসন্তের রূপচিত্রের সঙ্গে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় বসন্ত ঋতুর আগমনে মানবমনের অনুভূতির দিকটির সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়।
'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় স্মৃতিকাতর ব্যক্তিমনের বেদনার আবেগঘন প্রকাশ ঘটেছে। এ কবিতায় কবি বসন্ত প্রকৃতির অনুষঙ্গে ভর করে ব্যক্তিহৃদয়ের বেদনাবোধের অসাধারণ অভিব্যক্তি ঘটিয়েছেন। এছাড়া আলোচ্য কবিতাটিতে তিনি বসন্ত ও শীত ঋতুর প্রতীকে জীবনের রুদ্ররূপকে উন্মোচন করেছেন।

উদ্দীপকের কবিতাংশে পৃথিবীতে ফাল্গুন বা বসন্তের আবির্ভাবের কথা বলা হয়েছে। প্রকৃতিতে বসন্ত এলেও উদ্দীপকের কবিতাংশে বসন্তের রূপবৈচিত্র্য যেন ম্লান হয়ে গিয়েছে। প্রিয়জনকে হারানো দুঃখ ভারাক্রান্ত হৃদয়ের মর্মবেদনা ফুটে উঠেছে উদ্দীপকের কবিতাংশে। একইভাবে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায়ও কবির প্রিয়জনের বিচ্ছেদজনিত বেদনা ভারাক্রান্ত মনে বসন্ত রঙিন পরশ বোলাতে পারছে না। কেননা, কবির মন জুড়ে আছে শীতের রিস্ত ও বিষণ্ণ ছবি। অর্থাৎ উভয় কবির দুঃখ ভারাক্রান্ত হৃদয়ের পরিচয় মেলে উদ্দীপক ও আলোচ্য কবিতায়। এদিক থেকে উদ্দীপক ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

বসন্তের আগমনে উভয় কবির বসন্ত ঋতুর সৌন্দর্য অবলোকনের দৃষ্টিভঙ্গির দিক থেকে উদ্দীপক ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবিদ্বয়ের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।
'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় প্রকৃতি ও মানবমনের সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তাৎপর্যময় হয়ে উঠেছে। সাধারণভাবে বসন্তপ্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য যে কবিমনে আনন্দের শিহরন জাগাবে এবং তিনি তাঁকে ভাবে-ছন্দে-সুরে ফুটিয়ে তুলবেন সেটাই প্রত্যাশিত। কিন্তু কবিমন বেদনা-ভারাতুর থাকায় বসন্তের সৌন্দর্য কবির হৃদয়কে স্পর্শ করতে পারেনি।
উদ্দীপকে কবি অশোকে কিংশুকে অলক্ষ্য রং লাগার কথা বলেছেন। বাতাসে ঝাউয়ের দুলে ওঠার সাথে সাথে যেন কবির অন্তরও দুলে ওঠে। প্রিয়জন হারানোর বেদনার কথা মনে পড়ে এবং কবিহৃদয় দুঃখ ভারাক্রান্ত হয়।
উদ্দীপকে ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতা উভয় ক্ষেত্রে মানবমনে প্রকৃতির প্রভাব পরিলক্ষিত হলেও তাদের উভয়ের মধ্যে চেতনাগত ভিন্নতা দেখা যায়। 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবি প্রিয়জন হারিয়েছেন বলে বসন্তের রূপ মাধুর্যের প্রতি তিনি ছিলেন উদাসীন। অন্যদিকে, উদ্দীপকের কবিতাংশে কবি বসন্তের প্রতি উদাসীন নন বরং বসন্তের আগমনে তার হৃদয় দুঃখ ভারাক্রান্ত। উদ্দীপকে কবি বসন্তের সৌন্দর্য অবলোকন করেছেন এবং তাঁর হৃদয়ে অতীত স্মৃতি জেগে উঠেছে। কিন্তু, 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবি বসন্তের সৌন্দর্যের প্রতি উদাসীনতা দেখিয়েছেন। তাই বলা যায়, উদ্দীপক ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবিদ্বয়ের মধ্যে ঋতুর দৃষ্টিভঙ্গিজনিত l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
14

“হে কবি, নীরব কেন ফাগুন যে এসেছে ধরায়, বসন্তে বরিয়া তুমি লবে না কি তব বন্দনায়?”

কহিল সে স্নিগ্ধ আঁখি তুলি-

“দক্ষিণ দুয়ার গেছে খুলি?

বাতাবি নেবুর ফুল ফুটেছে কি? ফুটেছে কি আমের মুকুল?

দখিনা সমীর তার গন্ধে গন্ধে হয়েছে কি অধীর আকুল?”

“এখনো দেখনি তুমি?” কহিলাম, “কেন কবি আজ

এমন উন্মনা তুমি? কোথা তব নব পুষ্পসাজ?”

কহিল সে সুদূরে চাহিয়া-

“অলখের পাথার বাহিয়া

তরী তার এসেছে কি? বেজেছে কি আগমনী গান? ডেকেছে কি সে আমারে? শুনি নাই, রাখি নি সন্ধান।”

কহিলাম, “ওগো কবি! রচিয়া লহ না আজও গীতি, বসন্ত-বন্দনা তব কণ্ঠে শুনি- এ মোর মিনতি ।”

কহিল সে মৃদু মধু-স্বরে-

“নাই হলো, না হোক এবারে-

আমারে গাহিতে গান, বসন্তেরে আনিতে বরিয়া-

রহেনি, সে ভুলেনি তো, এসেছে তা ফাগুনে স্মরিয়া।”

কহিলাম : “ওগো কবি, অভিমান করেছ কি তাই? যদিও এসেছে তবু তুমি তারে করিলে বৃথাই।” 

কহিল সে পরম হেলায়- 

"বৃথা কেন? ফাগুন বেলায় 

ফুল কি ফোটেনি শাখে? পুষ্পারতি লভেনি কি ঋতুর রাজন?

মাধবী কুঁড়ির বুকে গন্ধ নাহি? করে নাই অর্ঘ্য বিরচন?” 

“হোক, তবু বসন্তের প্রতি কেন এই তব তীব্র বিমুখতা?” 

কহিলাম, “উপেক্ষায় ঋতুরাজে কেন কবি দাও তুমি ব্যথা?”

কহিল সে কাছে সরে আসি -

“কুহেলি উত্তরী তলে মাঘের সন্ন্যাসী-

গিয়াছে চলিয়া ধীরে পুষ্পশূন্য দিগন্তের পথে

রিক্ত হস্তে! তাহারেই পড়ে মনে, ভুলিতে পারি না কোনো মতে ।”

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews