এক সময়ে শহরের পাড়ায় পাড়ায় ছিল মাঠ। খেলাধুলা আর হাসি-আনন্দে কেটে যেত পলাশ ও কাজলের শৈশব-কৈশোরের দুরন্ত দিনগুলো। লেখাপড়ার পাশাপাশি সুস্থ বিনোদনের সুযোগ ছিল বলে তারা অসৎ সঙ্গে পড়ে বিপথে যাননি। আজ বৃদ্ধ বয়সেও তাদের বন্ধুত্ব, অটুট। এক সঙ্গে প্রাতঃভ্রমণের সময়ে বিশ্রাম নেওয়া এবং খবরের কাগজ পড়া তাদের নিত্যদিনের অভ্যাস। একদিন খবরের একটি শিরোনামে দুজনারই চোখ আটকে যায়- 'কিশোর গ্যাঙের তাণ্ডবে অতিষ্ঠ নগরবাসী ।'

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

আঠারো বছর বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

আঠারো বছর বয়সি তরুণদের দুর্জয় মনোভাব এবং অপার সম্ভাবনার দিক বিবেচনায় কবি প্রশ্নোক্ত পঙ্ক্তিটির অবতারণা করেছেন।
মানুষের জীবনে আঠারো বছর বয়স খুবই তাৎপর্যপূর্ণ একটি সময়। কৈশোর থেকে যৌবনে পদার্পণের এ সময়টিতে তরুণদের অনেক ঘাত-. প্রতিঘাত সহ্য করে এগিয়ে যেতে হয়। আর প্রবল প্রাণশক্তির অধিকারী তরুণেরা শত দুর্যোগ মোকাবিলা করে অদম্য মনোভাব নিয়ে সামনে এগিয়ে চলে। তারুণ্যের শক্তিতে দুর্জয়কে জয় করে দেশ ও জাতির জন্য অমিত সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেয় তারা। তারুণ্যের এ অমিত শক্তি এবং ইতিবাচক বৈশিষ্ট্য লক্ষ করেই কবি প্রশ্নোক্ত উক্তিটি করেছেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের 'কিশোর গ্যাঙের তাণ্ডব' 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার দুর্যোগে ঠিকমতো হাল ধরে রাখতে না পারার দিকটি নির্দেশ করে।
'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় তারুণ্য শক্তির জয়গান গাওয়ার পাশাপাশি তারুণ্যে পথহারা হওয়ার সম্ভাবনার দিকটিরও বর্ণনা রয়েছে। কৈশোর থেকে যৌবনে পদার্পণের এই বয়সে তরুণেরা নানা ধরনের পরিবর্তনের মুখোমুখি হয়। অভিজ্ঞতায় ঘাটতি থাকার কারণে তাদের ভালো-মন্দের পার্থক্য বুঝতে না পারার সম্ভাবনা থাকে। সচেতন না থাকলে তারুণ্যের অদম্য শক্তি ভুল পথে চালিত হয়ে ব্যক্তি ও সমাজজীবনে দুর্যোগ নিয়ে আসতে পারে।
উদ্দীপকে বিপথগামী তরুণদের প্রসঙ্গ উপস্থাপিত হয়েছে। বিপথগামী কিশোরেরা বিভিন্নভাবে নগরবাসীদের হয়রানি করে, যা খবরের কাগজের শিরোনাম হয়। পাশাপাশি দেখা যায়, যারা কৈশোরে ও যৌবনে সুপথে চালিত হয়েছিলেন তারা এখন সুন্দরভাবে জীবনযাপন করছেন। 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় সচেতনভাবে নিজেকে পরিচালিত না করলে পদস্খলন ঘটার যে সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে তাই উদ্দীপকের কিশোর গ্যাং এর মাঝে দৃশ্যমান হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

তরুণদের বৈশিষ্ট্য উপস্থাপিত হওয়ায় উদ্দীপকটি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার ভাবার্থের প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছে।
'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় বয়ঃসন্ধিকালের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হয়েছে। কৈশোর থেকে যৌবনে পদার্পণের সময় তরুণেরা রিভিন্ন ধরনের ভাবধারণার সঙ্গে পরিচিত হয়। এ বয়সে ভালো মন্দের পার্থক্য বোঝা যায় না, তরুণদের মাঝে প্রবল উত্তেজনা ও আবেগ কাজ করে। আঠারো বছর বয়সি তরুণেরা নিজের জীবনে নানা ধরনের ব্যর্থতা ও বেদনার সম্মুখীন হয়। শত বাধার সম্মুখীন হয়েও তারা সামনে এগিয়ে চলে, নতুন কিছু সৃষ্টির প্রত্যয়ে।
উদ্দীপকে দেখানো হয়েছে, সুন্দর শৈশব পেয়ে পলাশ'ও কাজল বিপথগামী হননি। বৃদ্ধ বয়সেও অটুট বন্ধুত্ব ও শৃঙ্খলিত জীবন রয়েছে - তাদের। একদিন খবরের কাগজে তারা কিশোর গ্যাং-এর ব্যাপারে জানতে পারে, যারা নগরবাসীর জীবন অতিষ্ঠ করে দিয়েছে। তারুণ্যের ইতিবাচক ও নেতিবাচক এই বৈশিষ্ট্যগুলো আলোচ্য কবিতাতেও ফুটে উঠেছে।
'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় সদ্য তারুণ্যে উপনীত হওয়া তরুণদের জীবনের সম্ভাবনা দুঃখ ও ঝুঁকিগুলোর বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। বহু ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যের অধিকারী এ বয়সে তরুণদের অভিজ্ঞতা অপেক্ষাকৃত কম থাকে ফলে পথভ্রষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তবুও তারা বিপদে কান্ডারির ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়, দুর্বার গতিতে প্রথাবদ্ধ জীবন পিছনে রেখে নতুন জীবনের দিকে ধাবিত হয়। 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় তরুণদের বিপথে যাওয়ার সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে। এর বাইরে আঠারো বছর বয়সে তরুণেরা যে সব ইতিবাচক বৈশিষ্ট্য ধারণ করে তার বিবৃতি দেওয়া হয়েছে, যা উদ্দীপকেও লক্ষ করা যায়। উদ্দীপকে তারুণ্যে বিপথে না যাওয়ার পিছনে লেখাপড়া ও সুস্থ বিনোদনের গুরুত্ব বোঝানো হয়েছে এবং এগুলোর অভাবে বিপথগামী কিশোর গ্যাং-এর দৃষ্টান্ত উপস্থাপিত হয়েছে, যা 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার ভাবার্থেরই প্রতিচ্ছবি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
17

আঠারো বছর বয়স কী দুঃসহ 

স্পর্ধায় নেয় মাথা তোলবার ঝুঁকি, 

আঠারো বছর বয়সেই অহরহ 

বিরাট দুঃসাহসেরা দেয় যে উঁকি ।

[ আঠারো বছর বয়সের নেই ভয় 

পদাঘাতে চায় ভাঙতে পাথর বাধা, 

এ বয়সে কেউ মাথা নোয়াবার নয়- 

আঠারো বছর বয়স জানে না কাঁদা ।

এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য 

বাষ্পের বেগে স্টিমারের মতো চলে, 

প্রাণ দেওয়া-নেওয়া ঝুলিটা থাকে না শূন্য 

সঁপে আত্মাকে শপথের কোলাহলে ।

(আঠারো বছর বয়স ভয়ংকর) * 

তাজা তাজা প্রাণে অসহ্য যন্ত্রণা, 

এ বয়সে প্রাণ তীব্র আর প্রখর

 এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা ।

আঠারো বছর বয়স যে দুর্বার 

পথে প্রান্তরে ছোটায় বহু তুফান,

 দুর্যোগে হাল ঠিকমতো রাখা ভার

 ক্ষত-বিক্ষত হয় সহস্র প্রাণ । 

আঠারো বছর বয়সে আঘাত আসে 

অবিশ্রান্ত; একে একে হয় জড়ো, 

এ বয়স কালো লক্ষ দীর্ঘশ্বাসে 

এ বয়স কাঁপে বেদনায় থরোথরো 

তবু আঠারোর শুনেছি জয়ধ্বনি, 

এ বয়স বাঁচে দুর্যোগে আর ঝড়ে, 

বিপদের মুখে এ বয়স অগ্রণী 

এ বয়স তবু নতুন কিছু তো করে । 

এ বয়স জেনো ভীরু, কাপুরুষ নয় 

পথ চলতে এ বয়স যায় না থেমে, 

এ বয়সে তাই নেই কোনো সংশয়— 

দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে ৷৷

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews