কাজল ও সজল খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধু। অনেকদিন তাদের মধ্যে কোনো যোগাযোগ নেই বললেই চলে। হঠাৎ একদিন কাজল সজলের চিঠি পেল। চিঠির সঙ্গে একটি আঁকা ছবিও। সে আবেগ আপ্লুত হয়ে তার দেওয়া মোবাইল নম্বর ফোন করে সজলকে বলতে লাগল, সজল চিঠির সাথে পাঠানো তোমার আঁকা ছবিটা আমি ফ্রেমে বাঁধাই করতে দিয়েছি। দেয়ালে ঝুলিয়ে রাখব। চর্চা অব্যাহত রাখ, সংগীত ও চিত্রকলা দুটাতেই তুমি ভালো করবে। সংগীতে তোমার প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি নেই বলে প্রায়ই তোমাকে মন খারাপ করতে দেখি। বুঝতে চেষ্টা কর যে, সৃজনশীলতার সাথে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সম্পৃক্ততা প্রায়ই থাকে না। ফ্রাঙ্ক সিনাত্রা সংগীতের ছাত্র ছিলেন না, টমাস আলভা এডিসন পদার্থবিদ্যার ডিগ্রি নেননি, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ একদিনের জন্যও কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে সাহিত্যের পাঠ নেননি। আরেক কবিসম্রাট টি এস ইলিয়ট ছিলেন ব্যাংকের কেরানি। দৃষ্টান্তের তালিকা বড় লম্বা। জেনে রেখো, সফল তুমি হবেই। আরেকটা কথা, একজন বিজ্ঞানমনস্ক মানুষ অবশ্যই শিল্পবোধে ঋদ্ধ- তিনি একজন জীবনশিল্পী।

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

একই উদ্দেশ্য এবং একই বিধেয় থাকা সত্ত্বেও যদি দুটি যুক্তিবাক্যের মধ্যে গুণ ও পরিমাণ উভয় দিক দিয়েই পার্থক্য থাকে তাহলে যুক্তিবাক্য দুটির পারস্পরিক সম্পর্ককে বিরুদ্ধ বিরোধিতা বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
উত্তরঃ

যে বিজ্ঞান কোনো আদর্শের আলোকে তার বিষয়বস্তুর মূল্যায়ন করে তাকে 'আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান' বলা হয়। যুক্তিবিদ্যাকেও আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান বলে। কারণ, যুক্তিবিদ্যা সত্যতাকে আদর্শ হিসাবে গ্রহণ করে যথার্থ চিন্তার গতিপথ নির্ধারণ করে। তাই যুক্তিবিদ্যা সত্যের আদর্শকে সামনে রেখে যুক্তির বৈধতা-অবৈধতা বিচার করে বলে একে আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে কাজলের কথাগুলো যুক্তিবিদ্যার চর্চা বা অনুশীলন প্রসঙ্গকে নির্দেশ করে। কারণ, যুক্তিবিদ্যার চর্চা একজন ব্যক্তিকে সঠিক ও ভুল যুক্তির মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করার কাজে সহায়তা করে থাকে। যুক্তিবিদ্যার যথার্থ চর্চা যুক্তিবিদ্যাকে যেমন কলা হিসাবে বিবেচনা করে তেমনি একটি বিজ্ঞান হিসাবে দেখতেও সহায়তা করে। বার বার অনুশীলনের মধ্য দিয়ে একজন ব্যক্তিকে ত্রুটিমুক্ত হতে সহায়তা করে। সাধারণত সৃজনশীলতার সাথে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সম্পর্ক প্রায়ই থাকে না। কেননা আমরা ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখতে পাই যে, ফ্রাংকসিনাত্রা সংগীতের ছাত্র ছিলেন না, টমাস আলভা এডিসন পদার্থবিদ্যায় ডিগ্রি গ্রহণ করেনি, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ একদিনের জন্যও কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে সাহিত্যের পাঠ নেননি। তবুও তাঁরা প্রত্যেককে যথার্থ অনুশীলন দ্বারা খ্যাতির সর্বোচ্চ স্থানে পৌছেছিলেন। তাই প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রির জন্য হতাশ না হয়ে যথার্থ চর্চার দ্বারা যেকেউ যেকোনো বিষয়ে যথেষ্ট খ্যাতি বা সুনাম অর্জন করতে পারে।

 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে কাজলের শেষোক্ত উক্তিটি হলো "একজন বিজ্ঞানমনস্ক মানুষ অবশ্যই শিল্পবোধে ঋদ্ধ" তিনি একজন জীবনশিল্পী। এখানে এই উক্তিটি বিশ্লেষণের মাধ্যমে আমরা একে যুক্তিবিদ্যার উপর প্রতিষ্ঠা করবো। এখানে বলা হচ্ছে যে, একজন বিজ্ঞানমনস্ক মানুষ অবশ্যই শিল্পবোধে ঋদ্ধ। আমরা জানি যুক্তিবিদ্যা যতটা না বিজ্ঞানসম্মত, ঠিক ততোটাই কলাসাদৃশ্য। যুক্তিবিদ্যা বিজ্ঞান ও কলার সমন্বিত প্রকাশ। যুক্তিবিদ্যা যে অর্থে বিজ্ঞানের চিন্তা পদ্ধতির নীতিমালা শিক্ষা দেয়। আবার ঠিক তদ্রুপ অর্থে কলাবিদ্যা সম্পর্কিত জ্ঞানকে বাস্তবে প্রয়োগ করার নিয়ম শিক্ষা দেয়। সাধারণত প্রত্যেক বিজ্ঞানকে কতিপয় ক্রিয়াপদ্ধতিতে অগ্রসর হতে হয়। যেমন- উদ্দেশ্য পদের সংজ্ঞায়ন, ঘটনাবলির শ্রেণিবিন্যাস, ঘটনাবলির ব্যাখ্যা প্রদান ইত্যাদি। যুক্তিবিদ্যা হচ্ছে সেই বিজ্ঞান যা সংজ্ঞায়ন, শ্রেণিবিন্যাসকরণ ও ব্যাখ্যাকরণ সম্পর্কে যথাযথ নিয়ম নির্ধারণ করে। এসব প্রক্রিয়া যথাযথভাবে নিষ্পন্ন করার স্বার্থে প্রত্যেক বিজ্ঞানকে যুক্তিবিদ্যার উপর নির্ভর করতে হয়। এদিক থেকে যুক্তিবিদ্যা হলো সব বিজ্ঞানের বিজ্ঞান। আর কলাবিদ্যা আমাদের জ্ঞানকে বাস্তবে প্রয়োগ করার নিয়ম-কানুন শিক্ষা দেয়। এসব বিবেচনায় বলা যায়, একজন বিজ্ঞানমনস্ক মানুষ অবশ্যই শিল্পবোধে ঋদ্ধ, তিনিই প্রকৃত জীবনশিল্পী। কেননা, বিজ্ঞান ও কলাবিদ্যার মধ্যে একটা ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। আর যুক্তিবিদ্যা হচ্ছে এ দুই বিষয়ের সমন্বিত প্রকাশ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
237

Related Question

View All
উত্তরঃ

ভাষায় প্রকাশিত চিন্তা সম্পর্কিত বিজ্ঞানকে যুক্তিবিদ্যা বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
462
উত্তরঃ

অনুমান হলো জানা বিষয় থেকে একটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অজানা বিষয়কে জানা। সুশৃঙ্খল চিন্তার মাধ্যমে অজানাকে জানা যায়। আর যুক্তিবিদ্যা হলো ভাষায় প্রকাশিত চিন্তার বিজ্ঞান। সুতরাং যুক্তিবিদ্যা অনুমাননির্ভর।

 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
350
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ১ নং দৃশ্যকল্পে যুক্তিবিদ্যা একটি বিজ্ঞান এই কথাটি ফুটে উঠেছে। অর্থাৎ যুক্তিবিদ্যার বিজ্ঞানের দিকটি এখানে লক্ষণীয়। বস্তুগত বা আকারগতভাবে গবেষণাযোগ্য কোনো সুনির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে সুশৃঙ্খল ও সুসংবদ্ধ জ্ঞানার্জন হলো বিজ্ঞান। আর ভাষায় প্রকাশিত চিন্তার বিজ্ঞান হলো যুক্তিবিদ্যা। বিজ্ঞান যেমন সুনির্দিষ্ট বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করে তেমনি যুক্তিবিদ্যা নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করে। বিজ্ঞানের মতো বস্তুনিষ্ঠ আলোচনা করতে না পারলেও যুক্তিবিদ্যা আকারগতভাবে বিষয়বস্তুর আলোচনা যথার্থভাবে করে থাকে। সুশৃঙ্খল ও সুসংবদ্ধভাবে আলোচনা করে নিয়মনীতি পণয়নের চেষ্টা করে যা বিজ্ঞানের সূত্র প্রবর্তনের মতো। সুতরাং বলা যায় যে আফতাব উন্নতজাতের ধান উৎপাদনের জন্য বিদেশে যান এবং এসম্পর্কীয় পদ্ধতি সম্পর্কে অবগত হন। তেমনি যুক্তিবিদ্যা অবৈধ যুক্তি থেকে বৈধ যুক্তি লাভের জন্য বিভিন্ন নীতি প্রণয়নের চেষ্টা করে যা বিজ্ঞানের মতোই সুশৃঙ্খল ও সামঞ্জস্যপূর্ণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
427
উত্তরঃ

উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প ১ ও ২ এর সমন্বয়ে যুক্তিবিদ্যার স্বরূপ নির্ণয় করতে পারি। দৃশ্যকল্প-১ অনুযায়ী যুক্তিবিদ্যাকে একটি বিজ্ঞান বলা যায়। কারণ চিন্তা সম্পর্কিত কতকগুলো নীতি ও নিয়মের নির্দেশ প্রদান করাই হলো যুক্তিবিদ্যার কাজ। এটাকে তাত্ত্বিক বিজ্ঞান বলা যায়। অর্থাৎ বিজ্ঞানের মতো যুক্তিবিদ্যা নিজস্ব বিষয়বস্তু ব্যাখ্যা করার জন্য কিছু নিয়ম-কানুন প্রণয়ন করে। এই নিয়মনীতি অনুসরণ করে যুক্তিবিদ্যা বিজ্ঞানসম্মত জ্ঞানদান করে। উদ্দীপকে আফতাব উচ্চফলনশীল ধান উৎপাদনের পদ্ধতি জানার জন্যে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছিলেন। তেমনি যুক্তিবিদগণ অবৈধ যুক্তি থেকে বৈধ যুক্তি পৃথক করার বিভিন্ন নিয়ম প্রণয়ন করেন। আবার দৃশ্যকল্প-২ অনুযায়ী বলতে পারি যে, যুক্তিবিদ্যা কলার সাথে সম্পর্কযুক্ত। কলাবিদ্যা বিভিন্ন পদ্ধতি ও নিয়মকে বাস্তবে প্রয়োগ করার কথা বলে। আক্কাস যেমন তার চিকিৎসা শিক্ষাকে বাস্তবে প্রয়োগ করে সফলভাবে অস্ত্রোপচার করেন, তেমনি যুক্তিবিদ্যা বাস্তবক্ষেত্রে তার নিয়মাবলিকে প্রয়োগ করে সত্যকে অর্জন করে। সুতরাং আমরা বলতে পারি যে, দৃশ্যকল্প-১ ও ২ অনুযায়ী যুক্তিবিদ্যার স্বরূপ নির্ণয় করা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
528
উত্তরঃ

চিন্তার ভাষায় প্রকাশিত রূপকে যুক্তি বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
1.4k
উত্তরঃ

আদিকাল থেকেই যুক্তির ধারণাটি বিদ্যমান। ভাষায় প্রকাশিত চিন্তাই হলো যুক্তি। মানুষ সামাজিক জীব হিসাবে আদিকাল থেকেই নিজের মতের পক্ষে যুক্তি দেখায়। যেমন-

সকল মানুষ মরণশীল

সক্রেটিস একজন মানুষ

সুতরাং সক্রেটিস মরণশীল।

এটি একটি যুক্তি। এই যুক্তিটি বৈধ কিনা তা নির্ধারণ করাই মূলত যুক্তিবিদ্যার কাজ। যুক্তি হলো ভাষায় প্রকাশিত চিন্তা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
373
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews