ঘ বিভাগ - উপন্যাস 

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

ঝালরওয়ালা সালু দ্বারা আবৃত কবরটি দেখতে নববধূর মতো।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের প্রেক্ষাপটের সাদৃশ্য খুঁজে বের করতে হলে প্রথমে উপন্যাসের মূল প্রেক্ষাপট সম্পর্কে অবগত হতে হবে। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত 'লালসালু' উপন্যাসের মূল প্রেক্ষাপট হলো বিশ শতকের চল্লিশ-পঞ্চাশ দশকের গ্রামীণ বাংলা, যেখানে দারিদ্র্য, অশিক্ষা, কুসংস্কার এবং ধর্মভীরুতা গভীরভাবে প্রোথিত ছিল। এই সমাজে ধর্মকে পুঁজি করে একশ্রেণির মানুষের শোষণ ও ক্ষমতার দাপট ছিল প্রকট।

সাধারণত, 'লালসালু' উপন্যাসের প্রেক্ষাপটের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ উদ্দীপকে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো প্রতিফলিত হয়:

        
  • অন্ধবিশ্বাস ও কুসংস্কার: উদ্দীপকে এমন কোনো গ্রামীণ সমাজের চিত্র থাকে যেখানে মানুষ যুক্তি-বুদ্ধি ছেড়ে অন্ধবিশ্বাসে ডুবে থাকে। 'লালসালু' উপন্যাসে মজিদ একটি কাল্পনিক মাজার স্থাপন করে গ্রামবাসীদের অন্ধবিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে নিজের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে। এই অন্ধবিশ্বাস গ্রামের মানুষকে আধুনিকতা বা প্রগতি থেকে দূরে সরিয়ে রাখে।
  •     
  • ধর্মকে ব্যবহার করে শোষণ: উদ্দীপকে প্রায়শই দেখা যায়, ধর্মীয় অনুশাসনের দোহাই দিয়ে বা ধর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে একদল মানুষ সরলমনা ও অশিক্ষিত মানুষের উপর প্রভাব বিস্তার করছে বা তাদের শোষণ করছে। মজিদ ঠিক এই কাজটিই করে; সে ধর্মকে ব্যবহার করে অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষমতা অর্জন করে এবং গ্রামবাসীর উপর নিজের প্রভাব বজায় রাখে।
  •     
  • দারিদ্র্য ও অশিক্ষা: উদ্দীপকের বর্ণনায় গ্রামের মানুষের চরম দারিদ্র্য এবং শিক্ষার অভাব তুলে ধরা হয়, যা তাদের অন্ধবিশ্বাসী ও শোষিত হওয়ার প্রধান কারণ। 'লালসালু' উপন্যাসে গ্রামের মানুষের দরিদ্র জীবনযাপন এবং শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত থাকার বিষয়টি অত্যন্ত সুস্পষ্ট। এই অশিক্ষাই তাদের যুক্তিহীন জীবনযাত্রার মূল ভিত্তি।
  •     
  • স্থবির গ্রামীণ সমাজ: উদ্দীপকে এমন একটি সমাজের চিত্র দেওয়া হয় যেখানে পরিবর্তন বা প্রগতি খুব ধীর গতিতে আসে বা প্রতিরোধের সম্মুখীন হয়। 'লালসালু' উপন্যাসের সমাজও ছিল স্থবির ও রক্ষণশীল, যেখানে কোনো পরিবর্তনের উদ্যোগ (যেমন হাসুনির মায়ের প্রতিবাদ বা আক্কাসের স্কুল প্রতিষ্ঠার চেষ্টা) সহজেই দমন করা হয়।

সুতরাং, যখন কোনো উদ্দীপক উপরোক্ত বিষয়াবলি—যেমন: অশিক্ষা, দারিদ্র্য, কুসংস্কারাচ্ছন্নতা, ধর্মকে ব্যবহার করে শোষণ, এবং প্রগতিবিরোধী গ্রামীণ সমাজের চিত্র—তুলে ধরে, তখন তা সরাসরি 'লালসালু' উপন্যাসের মূল প্রেক্ষাপটের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হয়। উভয় ক্ষেত্রেই দেখা যায়, ধর্মের নামে মানুষের সরলতাকে পুঁজি করে একদল স্বার্থান্বেষী মানুষ নিজেদের ফায়দা লুটে চলেছে এবং সমাজকে অজ্ঞতার অন্ধকারে নিমজ্জিত রাখছে।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
উত্তরঃ কুলসুম

কুলসুম ছিলেন জহির রায়হান রচিত 'একুশের গল্প' ছোটগল্পের প্রধান চরিত্র খালেক ব্যাপারীর দ্বিতীয় স্ত্রী। খালেক ব্যাপারী একজন স্বার্থপর, ধূর্ত ও শোষক শ্রেণির প্রতিনিধি ছিলেন। তার প্রথম স্ত্রীর মৃত্যুর পর তিনি কুলসুমকে বিবাহ করেন। কুলসুম সরলমনা ও নিরুপায় এক নারী ছিলেন, যিনি খালেক ব্যাপারীর লোভী স্বভাব এবং একুশের চেতনার প্রতি তার অবজ্ঞার নীরব সাক্ষী ছিলেন। খালেক ব্যাপারীর চরিত্রের অমানবিকতা এবং তার শোষক রূপকে তুলে ধরতে কুলসুমের চরিত্রটি পরোক্ষভাবে সহায়তা করেছে।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
উত্তরঃ

আলোচ্য উক্তিটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস ‘কপালকুণ্ডলা’ থেকে গৃহীত। এই উক্তিটির মাধ্যমে লেখক তৎকালীন সমাজের ধর্মীয় ভণ্ডামি, অন্ধবিশ্বাস এবং বাহ্যিক আড়ম্বরকে তীব্রভাবে কটাক্ষ করেছেন। এটি একটি গভীর সামাজিক ও ধর্মীয় সমালোচনামূলক উক্তি।

"শস্যের চেয়ে টুপি বেশি" কথাটির দ্বারা লেখক বোঝাতে চেয়েছেন যে, সমাজে প্রকৃত উৎপাদনশীলতা বা কল্যাণকর কাজের চেয়ে ধর্মীয় লেবাসধারী, অলস ও অনুৎপাদনশীল মানুষের সংখ্যা বেশি। 'শস্য' এখানে উৎপাদনশীলতা, মানবকল্যাণ ও বাস্তব উপযোগিতার প্রতীক, যা মানুষের জীবন ধারণের জন্য অপরিহার্য। অন্যদিকে, 'টুপি' হলো ধর্মের বাহ্যিক প্রতীক বা লোকদেখানো ধার্মিকতার চিহ্ন। অর্থাৎ, প্রকৃত কাজ না করে শুধু ধর্মীয় পোশাক পরে বা ভান করে সমাজে এক শ্রেণির মানুষ পরজীবী হয়ে জীবনযাপন করে, যা সমাজের জন্য কোনো ফল বয়ে আনে না।

"ধর্মের আগাছা বেশি" বলতে বোঝানো হয়েছে যে, ধর্মের মূল উদ্দেশ্য মানবকল্যাণ ও নৈতিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা হলেও, কালের বিবর্তনে বা স্বার্থান্বেষী মহলের প্রভাবে ধর্ম তার পবিত্রতা হারিয়ে ফেলেছে। 'আগাছা' যেমন মূল ফসলের বৃদ্ধিকে বাধা দেয় এবং পুষ্টি শোষণ করে ফসলকে দুর্বল করে তোলে, তেমনি ধর্মের নামে প্রচলিত কুসংস্কার, গোঁড়ামি, ভণ্ডামি, ধর্মান্ধতা ও বিদ্বেষ প্রকৃত ধর্মবোধকে বিনষ্ট করে দেয়। এগুলো ধর্মের মৌলিক আদর্শকে কলুষিত করে এবং সমাজে বিভেদ ও হানাহানি সৃষ্টি করে।

মোটকথা, এই উক্তিটির মাধ্যমে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সমাজকে ধর্মের নামে প্রচলিত ভণ্ডামি ও অসারতা সম্পর্কে সচেতন করতে চেয়েছেন। তিনি প্রকৃত ধর্ম বলতে বোঝাতে চেয়েছেন মানবতা, কর্মফল ও নীতিপরায়ণতাকে, যেখানে বাহ্যিক প্রদর্শনের কোনো স্থান নেই।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
224

Related Question

View All
উত্তরঃ

প্রদত্ত চরণটিতে 'গ্রামের মানুষ যেন রহিমারই অন্য সংস্করণ' বলতে বোঝানো হয়েছে যে রহিমা চরিত্রটি কাজীপুর গ্রামের সরলতা, চিরায়ত বিশ্বাস এবং প্রচলিত জীবনধারার মূর্ত প্রতীক। রহিমা যেন এই গ্রামের সাধারণ মানুষের সামগ্রিক জীবনযাত্রার এক প্রতিচ্ছবি।

কাজীপুর গ্রামের মানুষ প্রকৃতি প্রদত্ত শস্য ও সম্পদে সুখী। তাদের দিন কাটে ফসলের ক্ষেতে কাজ করে, গৃহস্থালি কাজে লিপ্ত থেকে, হাসি-উৎসব ও দীর্ঘদিনের প্রচলিত বিশ্বাসকে আঁকড়ে ধরে। তাদের জীবনযাত্রা অত্যন্ত সরল এবং তারা গ্রামীণ ঐতিহ্যের গভীরে প্রোথিত। এই সরলতার কারণেই তারা নতুন কোনো অলৌকিক বা ধর্মীয় বিষয়ের প্রতি সহজেই আকৃষ্ট হয়, যেমনটি মতলব মিয়া নামক অচেনা দরবেশের আগমনের পর দেখা যায়। মতলব মিয়া নিজেকে পীর হিসেবে পরিচয় দিয়ে যখন অলৌকিক কর্মকাণ্ডের গল্প বলতে শুরু করে, তখন গ্রামের সাধারণ মানুষ সহজেই তা বিশ্বাস করে।

রহিমা চরিত্রটিও সম্ভবত একই সরলতা, চিরায়ত বিশ্বাস এবং গ্রামীণ জীবনধারার ধারক ও বাহক। তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যগুলো গ্রামের অধিকাংশ মানুষেরই চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যকে প্রতিফলিত করে। অর্থাৎ, গ্রামের প্রতিটি মানুষ যেন রহিমারই এক ক্ষুদ্র সংস্করণ, যেখানে রহিমার মধ্যে পুরো গ্রামের মানসিকতা, বিশ্বাস এবং জীবনদর্শন কেন্দ্রীভূত হয়েছে। এই উক্তিটির মাধ্যমে লেখক রহিমার চরিত্রকে গ্রামের সার্বজনীন প্রতিনিধিত্বকারী হিসেবে তুলে ধরেছেন, যা গ্রামের মানুষের সম্মিলিত সত্তাকে একীভূত করে উপস্থাপন করে।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
3.3k
উত্তরঃ

উদ্দীপকের মতলব মিয়া এবং 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ আত্মপরিচয়দানে ও আত্মপ্রকাশে অনেকটাই অভিন্ন। উভয় চরিত্রই নিজেদের অপ্রকৃত পরিচয় তুলে ধরে গ্রামীণ সমাজের সরলতা ও ধর্মবিশ্বাসের দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করতে সচেষ্ট হয়।

উদ্দীপকের মতলব মিয়া একজন অচেনা দরবেশ হিসেবে গ্রামে আগমন করে। সে নিজেকে পীর হিসেবে পরিচয় দিয়ে অলৌকিক কর্মকাণ্ডের গল্প বলে গ্রামবাসীদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করে। তার আত্মপ্রকাশের মূলে রয়েছে অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগ, যা কাটিয়ে ওঠার জন্য সে ধর্মীয় মোড়কে নিজেকে উপস্থাপন করে। তার উদ্দেশ্য হলো গ্রামের মানুষের বিশ্বাস অর্জন করে সমাজে একটি অবস্থান তৈরি করা।

'লালসালু' উপন্যাসের মজিদও অনুরূপভাবে এক দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে মহব্বতনগর গ্রামে আসে। সে নিজেকে একজন ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি ও অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী হিসেবে জাহির করে। গ্রামে একটি বানোয়াট মাজার প্রতিষ্ঠা করে এবং নিজেকে সেই মাজারের খাদেম ও পীর হিসেবে প্রচার করে। মজিদের আত্মপ্রকাশের মূল উদ্দেশ্য ছিল অন্নসংস্থান ও সমাজে প্রতিষ্ঠা লাভ। পরবর্তীতে সে এই ধর্মীয় ভণ্ডামিকে নিজের ক্ষমতা ও প্রভাব বিস্তারের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে।

উভয় চরিত্রের আত্মপরিচয়দানে ও আত্মপ্রকাশে যে সকল অভিন্নতা লক্ষ্য করা যায়, তা নিম্নরূপ:

        
  • উভয়েই অজ্ঞাত স্থান থেকে আগমনকারী অপরিচিত ব্যক্তি।
  •     
  • উভয়েই নিজেদের ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব (পীর/দরবেশ) হিসেবে উপস্থাপন করে।
  •     
  • উভয়েই নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য গ্রামীণ মানুষের ধর্মীয় আবেগ ও সরলতাকে পুঁজি করে।
  •     
  • উভয়েই অলৌকিকত্ব বা ঐশ্বরিক ক্ষমতার অধিকারী হিসেবে নিজেদের জাহির করে।
  •     
  • উভয়ের উদ্দেশ্যই সমাজে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করা এবং একটি সম্মানজনক বা ক্ষমতাশালী অবস্থান তৈরি করা।
  •     
  • উভয়েই মানুষের অজ্ঞতা ও কুসংস্কারকে নিজেদের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে।

তবে, মজিদের ভণ্ডামি ও আত্মপ্রতিষ্ঠার কৌশল মতলব মিয়ার চেয়ে অনেক বেশি সুদূরপ্রসারী ও সুসংগঠিত। মজিদ কেবল অলৌকিক গল্পের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং একটি মিথ্যা মাজার প্রতিষ্ঠা করে এবং তা কেন্দ্র করে একটি ধর্মীয় সাম্রাজ্য গড়ে তোলে। পক্ষান্তরে, মতলব মিয়ার আত্মপ্রকাশের প্রাথমিক পর্যায় উদ্দীপকে বর্ণিত হয়েছে, যেখানে সে কেবল নিজেকে পীর হিসেবে পরিচয় দিয়ে অলৌকিক কর্মকাণ্ডের গল্প বলা শুরু করেছে।

পরিশেষে বলা যায়, মতলব মিয়ামজিদ উভয়ই সমাজের ধর্মীয় কুসংস্কার ও সরলতাকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের আত্মপরিচয়কে নতুনভাবে নির্মাণ করে সমাজে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করে। কৌশলগত গভীরতায় পার্থক্য থাকলেও, তাদের আত্মপ্রকাশের উদ্দেশ্য এবং মূল পদ্ধতি অভিন্ন।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
738
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত কাজিপুর গ্রামের জীবনচিত্র মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'লালসালু' উপন্যাসের গ্রামজীবনের একটি খণ্ডিত ও প্রতিনিধিত্বশীল রূপ – এ মন্তব্য অত্যন্ত যৌক্তিক। উভয় ক্ষেত্রেই গ্রামজীবনের সরলতা, ধর্মীয় বিশ্বাস এবং এই সরলতার সুযোগ নিয়ে প্রতারণার চিত্র ফুটে উঠেছে।

উদ্দীপকের কাজিপুর গ্রাম শহর থেকে দূরে অবস্থিত, যেখানে মানুষ ফসল ও গৃহস্থালি কাজ নিয়ে দিন কাটায় এবং প্রচলিত বিশ্বাসে আচ্ছন্ন থাকে। এমনই এক পরিবেশে মতলব মিয়া নামক এক দরবেশের আগমন ঘটে, যে নিজেকে পীর পরিচয় দিয়ে অলৌকিক কর্মকাণ্ডের গল্প বলে। তার চোখে-মুখে ভয়, উদ্বেগ ও স্বপ্ন লক্ষ্য করা যায়, যা তার উদ্দেশ্যমূলক আগমনের ইঙ্গিত দেয়। 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামের চিত্রও একই রকম, যেখানে ধর্মভীরু, অশিক্ষিত ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন মানুষের সরলতার সুযোগ নিয়ে মজিদ নামক এক ধুরন্ধর ব্যক্তি অচেনা মাজার প্রতিষ্ঠা করে নিজের আধিপত্য বিস্তার করে।

কাজিপুর গ্রামের মানুষের প্রচলিত বিশ্বাস যেমন মতলব মিয়াকে অলৌকিক গল্প বলার সুযোগ করে দিয়েছে, তেমনি মহব্বতনগরের মানুষের অন্ধ বিশ্বাস মজিদকে মাজারকে কেন্দ্র করে ভণ্ডামি করার ক্ষেত্র তৈরি করে দিয়েছে। উভয় ক্ষেত্রেই গ্রামবাসীর দারিদ্র্য, নিরক্ষরতা এবং যুক্তিবাদী চিন্তার অভাব তাদের ভণ্ড পীর বা মাজারের প্রবঞ্চনার শিকার হতে উৎসাহিত করে। উদ্দীপকে মতলব মিয়ার আগমন এবং তার প্রাথমিক কার্যক্রম 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের গ্রাম দখলের প্রাথমিক ধাপকে স্মরণ করিয়ে দেয়, যেখানে একটি সম্পূর্ণ সমাজের উপর ধর্মের নামে শোষণ ও কুসংস্কারের জাল বিছানোর প্রস্তুতি চলছে।

সুতরাং, কাজিপুর গ্রামের সরল জীবনযাপন, প্রচলিত বিশ্বাসের প্রতি মানুষের অগাধ আস্থা এবং বহিরাগত এক ব্যক্তির ধর্মীয় পরিচয়কে পুঁজি করে সুবিধা গ্রহণের যে প্রচেষ্টা দেখা যায়, তা 'লালসালু' উপন্যাসে চিত্রিত গ্রামজীবনের কুসংস্কারাচ্ছন্নতা ও ধর্মকে ব্যবহার করে শোষণের মূল চিত্রটির একটি প্রারম্ভিক বা খণ্ডিত রূপ। এদিক থেকে উদ্দীপকের গ্রামজীবনকে 'লালসালু' উপন্যাসের গ্রামজীবনের খণ্ডিত রূপ বলা যুক্তিযুক্ত।

Satt AI
Satt AI
4 weeks ago
566
উত্তরঃ আক্কাস গ্রামে একটি ইস্কুল প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল।
Satt AI
Satt AI
1 month ago
1.1k
উত্তরঃ

"ধান দিয়া কী হইব, মানুষের জান যদি না থাকে?" - এই উক্তিটির মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে যে, মানুষের জীবন যেকোনো পার্থিব সম্পদ বা ধান-সম্পত্তির চেয়ে অনেক বেশি মূল্যবান ও অপরিহার্য। জীবন না থাকলে ধন-সম্পদের কোনো সার্থকতা থাকে না।

এটি মানবজীবনের মৌলিক মূল্যবোধের উপর জোর দেয়। জীবন যদি অর্থহীন, অসুস্থ বা বিপন্ন হয়, তবে কেবল অন্ন বা অর্থ দিয়ে বেঁচে থাকার কোনো মানে হয় না। বিশেষ করে, অভাবের তাড়নায় যখন মানুষের মৌলিক অধিকার ও ভবিষ্যৎ বিপন্ন হয়, তখন এই উক্তিটি জীবনের প্রকৃত মূল্যকে তুলে ধরে।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
1.2k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews