উদ্দীপকের স্বামী বিয়োগের হাহাকার ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবির অন্তরের হাহাকার একসূত্রে গাঁথা হলেও তাঁদের কর্মপন্থায় ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়।
'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় বসন্তের আগমনে কবির মনে কোনো আনন্দের সঞ্চার হতে দেখা যায় না। স্বাভাবিকভাবে কবি প্রতিবছর বসন্ত বন্দনায় মগ্ন হলেও এবার কবি বসন্তকে নিয়ে কোনো গান বা কবিতা রচনা করতে পারছেন না। স্বামীকে হারানোর শোকে মুহ্যমান কবি তাঁর দৈনন্দিন জীবনের ছন্দ হারিয়ে ফেলেছেন। তাঁর মনে বিরাজমান শূন্যতার কারণে এবার হয়তো তাঁর আর বসন্ত বন্দনা করা হবে না।
দ্দীপকে বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের জীবনে তাঁর স্বামীর অবদান তুলে ধরা হয়েছে। স্বামীর সহযোগিতা পেয়ে স্বশিক্ষিত হয়ে ারীমুক্তি নিয়ে সাহিত্য রচনায় মনোনিবেশ করার পরে হঠাৎ স্বামীর মৃত্যু তাঁকে মর্মাহত করে। অন্তরে বিষাদ নিয়েও তিনি নারীমুক্তির জন্য এজ করে যান।
দ্দীপকে বর্ণিত স্বামী বিয়োগের হাহাকার ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় বর্ণিত কবির স্বামী বিয়োগের হাহাকার মূলত একই। প্রিয়জনকে এরিয়ে ফেললে মানুষ সহজাতভাবেই দুঃখে নিমজ্জিত হয় এবং সেই দুঃখ কাটিয়ে উঠে আবারও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে। কিন্তু গহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবি কীভাবে সেই দুঃখকে জয় করেন তার বর্ণনা নেই। উদ্দীপকে শোকে নিমজ্জিত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হাসেন কীভাবে আপন কর্ম সম্পাদনে প্রত্যয়ী হয়েছেন তার বর্ণনা রয়েছে। সেদিক বিবেচনায়, উভয়ের হাহাকারের উৎস এক হলেও তাঁদের থাক কাটিয়ে ওঠার প্রক্রিয়া ভিন্ন।
Related Question
View Allকবি শীতকে মাঘের সন্ন্যাসীরূপে কল্পনা করেছেন
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!