জনাব নিরঞ্জন দাস তার কম্পিউটারে ইন্টারনেটে কাজ করছিল। হঠাৎ সে কোনো সরকারি অফিসের ওয়েবসাইটে ঢুকে অফিসের কার্যপ্রণালি জেনে নিল এবং সে অনুযায়ী সে তার নিজের প্রয়োজনীয় কাজে ইন্টারনেটের মাধ্যমেই যোগাযোগ করল। পরের সপ্তাহে ইন্টারনেটে খোঁজ নিয়ে সে দেখল যে তার কাজটি হয়ে গেছে। সে তো খুঁশিতে আত্মহারা। তা দেখে তার বন্ধু আরিফ বলল, এতে। এত খুশি হওয়ার কী আছে? উন্নত দেশে তো সব অফিসের কাজই ঘরে বসে সেরে নেওয়া যায়। তবে আশার কথা আমাদের দেশেও পর্যায়ক্রমে সব অফিসই অনুরূপ নেটওয়ার্কের আওতায় আসবে। নিরঞ্জন বলল, তাহলে তো খুবই ভালো হয়। এতে করে সুশাসনসহ শাসকশ্রেণির জবাবদিহিতা বাড়বে এবং আমরা উন্নত সেবা পাব। 

নিরঞ্জনের সর্বশেষ মন্তব্যটি মূল্যায়ন কর।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

নিরঞ্জনের সর্বশেষ মন্তব্যটি হলো- আমাদের দেশে ই-গভর্ন্যান্স চালু হলে সুশাসনসহ, শাসকশ্রেণির জবাবদিহিতা বাড়বে এবং আমরা উন্নত সেবা পাব। আমি এ বক্তব্যটিকে খুবই যথার্থ মনে করি। কেননা সুশাসনের গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো অংশগ্রহণভিত্তিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা। এ ব্যাপারে ই-গভর্ন্যান্স অনবদ্য ভূমিকা পালন করে। ই-গভর্ন্যান্সের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি জনগণকে রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থা সম্পর্কে উৎসাহিত করে এবং জনগণের অংশগ্রহণের মাত্রাকে বৃদ্ধি করে। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা সুশাসনের প্রাণশক্তি। সরকারের এবং সরকারে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা অর্জনের ব্যাপারে ই-গভর্ন্যান্স অনবদ্য ভূমিকা পালন করে। 

ই-গভর্ন্যান্স অবাধ তথ্য প্রবাহ হতে তথ্য সংগ্রহপূর্বক ক্রয়-বিক্রয় ও দায়িত্ব পালনের চিত্র জনসম্মুখে তুলে ধরে জবাবদিহিতা অর্জনে সাহায্য করে। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের যথাযথভাবে দায়িত্ব পালনে বাধ্য হয়। এতে করে দুর্নীতি করার কোনো সুযোগই থাকে না। ফলে জনগণের চাহিদা মোতাবেক তারা কাজ করতে পারে। এতে করে দেশের উন্নয়ন সাধিত হয়। তাছাড়া ই-গভর্ন্যান্সে তথ্যের অবাধ প্রবাহ ঘটে। তথ্য সরবরাহের জন্য জনগণকে আর অফিস বা প্রতিষ্ঠানগুলোতে দৌড়াতে হয় না। যখন ইচ্ছা তখন ইন্টারনেট থেকে তথ্য সরবরাহ করা যায় বলে সময়ের সাশ্রয় ঘটে। তথ্য প্রযুক্তির উন্নয়নের ফলে সরকার খুব দ্রুত জনগণের সমস্যাবলি। সম্পর্কে অবহিত হতে পারে এবং উন্নততর সেবা প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। এভাবে জনগণ ই-গভর্ন্যান্সের কল্যাণে উন্নত সেবা পেতে পারে। সুতরাং বলা যায় যে, নিরঞ্জনের মন্তব্যটি খুবই যথার্থ । 

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
100
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

"ই-গভর্ন্যান্স হচ্ছে সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কর্তৃক তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার" - সংজ্ঞাটি জাতিসংঘ (২০০৬) প্রদত্ত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
279
উত্তরঃ

ই-গভর্ন্যান্সের প্রধান উদ্দেশ্য হলো জনগণকে তথ্যসেবা দেওয়া। আর এর মাধ্যমে সরকারি কাজের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা যায়। সরকারি কাজের গতিশীলতা আনয়ন, ব্যয় হ্রাস করা এবং সুশাসন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ই-গভর্ন্যান্স বড় ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রশাসনিক ব্যবস্থার উন্নয়নে ই-গভর্ন্যান্স পদ্ধতি অত্যন্ত কার্যকরী ও ফলপ্রসূ একটি পদ্ধতি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
210
উত্তরঃ

সুমনের বাবা অবাক হয়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে মনে হচ্ছে তিনি আধুনিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে পর্যাপ্ত জানেন না। তিনি হয়তবা বয়োজ্যেষ্ঠ লোক যারা আধুনিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহারে অভ্যস্ত নন। তিনি এমন এক ব্যবস্থায় অভ্যস্ত যেখানে সরকারি-বেসরকারি যোগাযোগ সবসময় সাধারণভাবে সম্পন্ন হয়। চিঠি, সরাসরি খবর সরবরাহ কিংবা বড়জোর টেলিফোনের মাধ্যমে তথ্য যোগাযোগে যারা পারদর্শী ছিলেন, তাদের নিকট ইন্টারনেটভিত্তিক যোগাযোগ ব্যবস্থা আশ্চর্য হওয়ার মতোই ব্যাপার। আধুনিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো জনমত গঠনের ক্ষেত্রে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করছে। ই-গভর্ন্যান্সের মাধ্যমেই ঘরে বসেই সরকারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করা যায়। সুমন এভাবেই সন্ত্রাসীকে ধরে দিতে সহায়তা করেছে। কিন্তু এ বিষয়ে যার কোনো ধারণা নেই, তিনি এতে আশ্চান্বিত হতেই পারেন। এজন্যই সুমনের বাবা অবাক হয়েছিলেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
183
উত্তরঃ

সুমন রাষ্ট্র পরিচালনায় সুশিক্ষিত ও সচেতন জনগণের কথা উল্লেখ করেছে, যারা বর্তমান রাষ্ট্র পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। আধুনিককালে রাষ্ট্র পরিচালিত হয় সরকার ও জনগণের সহঅংশীদারিত্বের মাধ্যমে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত সরকার রাষ্ট্র পরিচালনা করে। কিন্তু গণতন্ত্রের নির্বাচন ব্যবস্থায় সমাজে শিক্ষিত ও সচেতন জনগণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। সমাজের সচেতন নাগরিকেরা সরকারের বিভিন্ন দিক নিয়ে পত্রপত্রিকা এবং অনলাইনভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগ ব্যবস্থার নানাবিধ আলোচনা সমালোচনায় অংশ নেয়। ফেসবুক, টুইটার, ব্লগ ইত্যাদিকে এখন বলা হয় নাগরিক সাংবাদিকতার প্লাটফর্ম। এ প্লাটফর্মে জনগণ একত্রিত হয়ে সরকারের প্রশংসা বা সমালোচনা করে সরকারকে সঠিক পথ নির্দেশনা দেয়। এরূপ আন্দোলনের দাবি অনেক সময়ই সরকার অনিচ্ছা সত্ত্বেও মানতে বাধ্য হয়। আর এ কাজটি করে মূলত দেশের সচেতন ও শিক্ষিত জনসাধারণ। গণতন্ত্র এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় এ পক্ষের ভূমিকা অনস্বীকার্য। জনসাধারণের এ অংশ যত সক্রিয় ও কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে, গণতন্ত্র তত সংহত হবে। শাসকগোষ্ঠীর জবাবদিহিতা তত বৃদ্ধি পাবে। স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। চূড়ান্ত বিচারে দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। এভাবেই জনসাধারণের সচেতন ও সুশিক্ষিত অংশ সুশাসন প্রতিষ্ঠায় প্রভাব বিস্তার করে থাকেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
150
উত্তরঃ

ফেসবুক ইন্টারনেটভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগের একটি মাধ্যম যার মাধ্যমে বিভিন্ন লোকের সাথে যোগাযোগ করা যায় এবং ছবি, তথ্য শেয়ার করা যায়। (www.facebook.com)

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
286
উত্তরঃ

ই-গভর্ন্যান্স একটি উত্তম পদ্ধতি হলেও এর নানাবিধ অসুবিধা রয়েছে। এটি প্রতিষ্ঠা করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল একটি পদ্ধতি, আবার এজন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতাসম্পন্ন জনবলও অপ্রতুল। এছাড়াও রক্ষণাবেক্ষণ, নিয়মিত হালনাগাদ করার বিদ্যুৎ সমস্যা, ইন্টারনেটের ধীরগতি এবং দুর্নীতিবাজদের প্রভাব এক্ষেত্রে বাধার সৃষ্টি করে। যেখানে' দেশের সিংহভাগ জনগণের ন্যূনতম ICT জ্ঞান এবং ইন্টারনেট অ্যাকসেস নেই, সেখানে এটি অপ্রয়োজনীয় অপচয়ও বটে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
350
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews